মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনাকে জড়িয়ে এনটিভি’র চরম মিথ্যা, বানোয়াট প্রতিবেদন প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে পঠিত বক্তব্য (তৃতীয় ভাগ) স্থান: জাতীয় প্রেসক্লাব, ৩য় তলা। তারিখ: ২৭/০২/১৪৪১ হিজরী, ২৮/০৫/১৩৮৭ শামসি, ২৭/১০/২০১৯ খ্রিঃ, সময়: বেলা ১১ ঘটিকা। আয়োজনে : রাজারবাগ দরবার শরীফ, ঢাকা।

সংখ্যা: ২৭৬তম সংখ্যা | বিভাগ:

প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা,

আপনারা অবশ্যই অবগত রয়েছেন যে, একজন সাংবাদিক যখন কোন প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিক হিসেবে যোগদান করেন তখন তাকে সাংবাদিকতার আচারনবিধি মেনে চলবে এই মর্মে শপথ নিতে হয়। যা প্রেস কাউন্সিল এ্যাক্ট, ১৯৭৪-এ উল্লেখ আছে। আর উক্ত আচরনবিধি সমূহ মেনে চলাই যে কোন সুস্থ, সৎ ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিচায়ক এবং উক্ত আচরনবিধি লঙ্ঘন করলে তা প্রেস কাউন্সিল এ্যাক্ট, ১৯৭৪ মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা,

আপনারা আমার পূর্বের আলোচকদের থেকে এনটিভির কর্তৃক প্রচারিত প্রতিবেদনে মিথ্যাচার সম্পর্কে প্রামান্য দলিল ভিত্তিক বক্তব্য শুনলেন এবং কিভাবে এনটিভির শফিক শাহিন মিথ্যা তথ্য দিয়ে উদ্দেশ্যমুলকভাবে পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মানহানী করার কোশেষ করেছে। যা বাংলাদেশে প্রচলিত আইনে দন্ডনীয় অপরাধ। যেমন- দন্ডবিধি, ১৮৬০, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এবং প্রেস কাউন্সিল এ্যাক্ট, ১৯৭৪ মোতাবেক গর্হিত অপরাধ সংঘঠিত হয়েছে।

প্রথমেই উল্লেখ করতে চাই- প্রেস কাউন্সিল এ্যাক্ট ১৯৭৪ এর ১১ বি ধারায় প্রনীত সাংবাদিকদের আচারনবিধি ১৯৯৩ (সংশোধিত ২০০২) মোতাবেক তথ্যাবলীর সত্যতা ও নির্ভূলতা নিশ্চিত করা। কিন্তু এনটিভি এবং শফিক শাহিন সম্পূর্ন একপাক্ষিক অভিযোগের উপর ভিত্তি করে সত্যতা ও নির্ভূলতার বিষয়টিকে নিশ্চিত না করে সাংবাদিকতার আচরনবিধি লংঘন কী করেনি?

তাছাড়া পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মর্যাদাহানীকর বক্তব্য প্রকাশের মাধ্যমে এনটিভি নীতিহীন সাংবাদিকতা কী করেনি?

রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নামে অন্য আরেকজনের ফটোগ্রাফি প্রকাশ করে এনটিভি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন লংঘন কী করেনি?

শিশু আহরার হত্যাকান্ডের আলোচিত ঘটনার আসামীদেরকে সুকৌশলে বাচানো অপচেষ্টা এবং উক্ত মামলার স্বাক্ষীদের সুকৌশলে ভয়-ভীতি দেখানো এবং বিচারাধীন মামলার বিষয়ে আসামীদের স্বজনদের দ্বারা আসামীদেরকে নিরাপরাধ হিসেবে প্রচার করে এনটিভি প্রেস কাউন্সিল এ্যাক্ট ১৯৭৪ এর সাংবাদিকদের আচারনবিধির এবং বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট এর জারীকৃত প্রজ্ঞাপন লংঘন কী করেনি?

শিশু আহরারের নির্মম হত্যাকান্ডের বিষয়ে তার আপন বড় ভাই এর দীর্ঘ সময়ব্যাপী সাক্ষাৎকার নিয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত চাতুরতার সাথে হত্যাকান্ডের ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করেছে। উক্ত প্রতিবেদক তার ভাইয়ের হত্যার বিষয়টি উল্লেখ না করে হীন উদ্দেশ্যে প্রতিবেদকে দীর্ঘ আলোচনার থেকে অন্য প্রসঙ্গের কয়েক সেকেন্ডের বক্তব্য প্রচার করে এনটিভি ও শফিক শাহীন সাংবাদিকতার পরিচয় বহন করে কী?

১০৭ শান্তিবাগের বাড়ির প্রকৃত মালিক ডা: আনোয়ারুল্লাহ সাহেব এর মালিকানা থাকা স্বত্বেও উক্ত বাড়ির মালিকের স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ের কোন বক্তব্য গ্রহণ না করে, উল্টো মামাতো ভাইয়ের মিথ্যা বক্তব্য প্রকাশ করে এনটিভি কী প্রকৃত সৎ সাংবাদিকতার পরিচয় দিয়েছে কী?

ফতুল্লাহ জায়গা ডা: আনোয়ারুল্লার স্ত্রীর নামে থাকা স্বত্বেও একরামুল আহসান কাঞ্চনের নামে নেওয়ার বিষয়ে মিথ্যা বক্তব্য প্রকাশ করেছে। উক্ত বিষয়ে ডা: আনোয়ারুল্লাহ স্ত্রীর বা ছেলে-মেয়ের সহিত যোগাযোগ না করে কাঞ্চনের মামাতো ভাইয়ের বক্তব্য প্রকাশ করে এনটিভি বা শফিক শাহীন প্রকৃত সৎ সাংবাদিকতার পরিচয় দিয়েছে কী?

জমির মালিকানা কার নামে তা নিশ্চিত না হয়ে এবং যথাযথ ভূমি কর্তৃপক্ষের নিকট যোগাযোগ না করে, তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ না করে, কোন ব্যক্তি দ্বারা মিথ্যা অভিযোগ এনে এনটিভি রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে মানকারীকর বক্তব্য প্রচার করা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিচায়ক কী?

অন্যের পারিবারিক বিষয়কে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সাথে জড়িয়ে এনটিভির মিথ্যাচার করার বিষয়টি প্রকৃত সাংবাদিকতার পরিচয় কী?

মাসিক আল বাইয়্যিনাতে ওসামা বিন লাদেনের বিরুদ্ধে লিখা প্রকাশ করার পরেও পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মুরিদকে লাদেন বাহিনী বলেছে। যা এনটিভি বা শফিক শাহীন উদ্দেশ্য প্রণোদিত নয় কি? তা কোন্ পর্যায়ের সাংবাদিকতার পরিচয় বহন করে কী?

সুতরাং উক্ত মিথ্যা, বানোয়াট, মানহানীকর ও উদ্দেশ্যমূলক বক্তব্য প্রচার করার বিষয়ে যথাযথা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান। আজ স্বল্প সময়ে আপনাদের সম্মুখে স্বল্প বিষয় নিয়েই আলোচনা করা হল। প্রয়োজনে ভবিষ্যতে পুনরায় বিস্তারিতভাবে আরো তথ্য প্রমাণ সম্বলিত বিষয়বস্তু নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হবে। আজকের আলোচনার সত্য ও দলিলভিত্তিক বিষয়গুলোকে সঠিকভাবে উপস্থান করে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিচয় দিবেন এটাই আপনাদের নিকট আমাদের প্রত্যাশা।

প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা,

আপনারা অবশ্যই অবগত রয়েছেন যে, একজন সাংবাদিক যখন কোন প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিক হিসেবে যোগদান করেন তখন তাকে সাংবাদিকতার আচারনবিধি মেনে চলবে এই মর্মে শপথ নিতে হয়। আর উক্ত আচরনবিধি সমূহ মেনে চলাই যে কোন সুস্থ, সৎ ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিচায়ক।

প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা,

আপনারা আমার পূর্বের আলোচকদের থেকে এনটিভির কর্তৃক প্রচারিত প্রতিবেদনে মিথ্যাচার সম্পর্কে প্রামান্য দলিল ভিত্তিক বক্তব্য শুনলেন এবং কিভাবে এনটিভির শফিক শাহিন মিথ্যা তথ্য দিয়ে উদ্দেশ্যমুলকভাবে পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মানহানী করার কোশেষ করেছে।

প্রথমেই উল্লেখ করতে চাই- এনটিভি এবং শফিক শাহিন সম্পূর্ন একপাক্ষিক অভিযোগের উপর ভিত্তি করে সত্যতা ও নির্ভূলতার বিষয়টিকে নিশ্চিত না করে সাংবাদিকতার আচরনবিধি লংঘন কী করেনি?

তাছাড়া পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মর্যাদা হানীকর বক্তব্য প্রকাশের মাধ্যমে এনটিভি নীতিহীন সাংবাদিকতা কী করেনি?

রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নামে অন্য আরেকজনের ফটোগ্রাফি প্রকাশ করে এনটিভি আইন লংঘন কী করেনি?

শিশু আহরার হত্যাকান্ডের আলোচিত ঘটনার আসামীদেরকে সুকৌশলে বাচানো অপচেষ্টা এবং উক্ত মামলার স্বাক্ষীদের সুকৌশলে ভয়-ভীতি দেখানো এবং বিচারাধীন মামলার বিষয়ে আসামীদের স্বজনদের দ্বারা আসামীদেরকে নিরাপরাধ হিসেবে প্রচার করে এনটিভি সাংবাদিকদের আচারনবিধির এবং বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট এর জারীকৃত প্রজ্ঞাপন লংঘন কী করেনি?

শিশু আহরারের নির্মম হত্যাকান্ডের বিষয়ে তার আপন বড় ভাই এর দীর্ঘ সময়ব্যাপী সাক্ষাৎকার নিয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত চাতুরতার সাথে হত্যাকান্ডের ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করেছে। উক্ত প্রতিবেদক তার ভাইয়ের হত্যার বিষয়টি উল্লেখ না করে হীন উদ্দেশ্যে প্রতিবেদকে দীর্ঘ আলোচনার থেকে অন্য প্রসঙ্গের কয়েক সেকেন্ডের বক্তব্য প্রচার করে এনটিভি ও শফিক শাহীন সাংবাদিকতার পরিচয় বহন করে কী?

১০৭ শান্তিবাগের বাড়ির প্রকৃত মালিক ডা: আনোয়ারুল্লাহ সাহেব এর মালিকানা থাকা স্বত্বেও উক্ত বাড়ির মালিকের স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ের কোন বক্তব্য গ্রহণ না করে, উল্টো মামাতো ভাইয়ের মিথ্যা বক্তব্য প্রকাশ করে এনটিভি কী প্রকৃত সৎ সাংবাদিকতার পরিচয় দিয়েছে কী?

ফতুল্লাহ জায়গা ডা: আনোয়ারুল্লার স্ত্রীর নামে থাকা স্বত্বেও একরামুল আহসান কাঞ্চনের নামে নেওয়ার বিষয়ে মিথ্যা বক্তব্য প্রকাশ করেছে। উক্ত বিষয়ে ডা: আনোয়ারুল্লাহ স্ত্রীর বা ছেলে- মেয়ের সহিত যোগাযোগ না করে কাঞ্চনের মামাতো ভাইয়ের বক্তব্য প্রকাশ করে এনটিভি বা শফিক শাহীন প্রকৃত সৎ সাংবাদিকতার পরিচয় দিয়েছে কী?

জমির মালিকানা কার নামে তা নিশ্চিত না হয়ে এবং যথাযথ ভূমি কর্তৃপক্ষের নিকট যোগাযোগ না করে, তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ না করে, কোন ব্যক্তি দ্বারা মিথ্যা অভিযোগ এনে এনটিভি রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে মানকারীকর বক্তব্য প্রচার করা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিচায়ক কী?

অন্যের পারিবারিক বিষয়কে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সাথে জড়িয়ে এনটিভির মিথ্যাচার করার বিষয়টি প্রকৃত সাংবাদিকতার পরিচয় কী?

মাসিক আল বাইয়্যিনাতে ওসামা বিন লাদেনের বিরুদ্ধে লিখা প্রকাশ করার পরেও পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মুরিদকে লাদেন বাহিনী বলেছে। যা এনটিভি বা শফিক শাহীন উদ্দেশ্য প্রণোদিত নয় কি? তা কোন্ পর্যায়ের সাংবাদিকতার পরিচয় বহন করে কী?

সুতরাং উক্ত মিথ্যা, বানোয়াট, মানহানীকর ও উদ্দেশ্যমূলক বক্তব্য প্রচার করার বিষয়ে যথাযথা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান। আজ স্বল্প সময়ে আপনাদের সম্মুখে স্বল্প বিষয় নিয়েই আলোচনা করা হল। প্রয়োজনে ভবিষ্যতে পুনরায় বিস্তারিতভাবে আরো তথ্য প্রমাণ সম্বলিত বিষয়বস্তু নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হবে। আজকের আলোচনার সত্য ও দলিলভিত্তিক বিষয়গুলোকে সঠিকভাবে উপস্থান করে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিচয় দিবেন এটাই আপনাদের নিকট আমাদের প্রত্যাশা।

 

আহ্বানে

 

(আল্লামা মুহম্মদ মাহবুব আলম)

মুখপাত্র- রাজারবাগ দরবার শরীফ

সম্পাদক- দৈনিক আল ইহসান এবং মাসিক আল বাইয়্যিনাত

সভাপতি- আন্তর্জাতিক সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উদযাপন কমিটি

সেক্রেটারী- মুসলিম রাইটস ফাউন্ডেশন।

রাজারবাগ শরীফ, ঢাকা।

মোবাইল : ০১৭১৩-০০২৪৫৪

 

প্রসঙ্গ: ইসরাইলি পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে তুরস্ক। ইসরাইলের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধসহ কঠোর সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা মুসলিম বিশ্বের এখন ফরযের উপর ফরয।

সুদ পরিশোধেই ব্যয় হবে বাজেটের ১১ শতাংশ। প্রত্যেক বছর বাজেটের আকার বাড়লেও এর সুফল পাচ্ছে না দেশ ও দেশের জনগণ। জনগণের উচিত সরকারকে বাধ্য করা- ঋণের ধারা থেকে সরে এসে অভ্যন্তরীণ অর্থ-সম্পদের দিকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটকে গণমুখী করার জন্য।

বাংলাদেশে জিএমও ফুড প্রচলনের সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে-২

পর্যবেক্ষক ও সমালোচক মহলের মতে- ভারতের কাছে দেশের স্বার্থ বিলিয়ে দেয়ার নিকৃষ্টতম উদাহরণ রামপালে কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। মাত্র ১৫ ভাগ বিনিয়োগ করে ভারত মালিকানা পাবে ৫০ ভাগ। আর ধ্বংস হবে এদেশের সুন্দরবন। সুন্দরবনকে ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে (২)

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতোই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ভয়াবহ। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে কিন্তু রূপপুর অজ্ঞতার আঁধারেই রয়ে গেছে? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়টি বিশেষভাবে আমলে নিতে হবে। প্রয়োজনে সচেতন জনগণকেই প্রতিহত করতে হবে (২)