মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ১১ ইমাম আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক এবং বিছালী শান মুবারক প্রকাশের সম্মানিত তারিখ মুবারক প্রকাশে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনার অভুতপূর্ব বেমেছাল বিস্ময়কর মহাসম্মানিত তাজদীদ মুবারক

সংখ্যা: ২৬৪তম সংখ্যা | বিভাগ:

সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُوْدٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَضَّرَ اللهُ امْرَءًا سَـمِعَ مِنَّا حَدِيْثًا فَبَلَّغَهٗ كَمَا سَـمِعَهٗ فَرُبَّ مُبَلَّغٍ اَوْعـٰى مِنْ سَامِعٍ.

অর্থ: “ফক্বীহুল উম্মত হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাস‘ঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ওই ব্যক্তির সম্মানিত চেহারা মুবারক সম্মুজ্জ্বল করুন, (উনাকে সম্মানিত রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক, মা’রিফাত-মুহব্বত মুবারক দান করুন,) যিনি আমার থেকে যেরূপ সম্মানিত হাদীছ শরীফ শুনবেন ঠিক হুবহু সেরূপ বর্ণনা করবেন। কেননা (পরবর্তীতে) যেই সকল সুমহান ব্যক্তিত্ব মুবারক উনাদের কাছে সম্মানিত হাদীছ শরীফ পৌঁছানো হবে, উনারা যাঁদের থেকে সম্মানিত হাদীছ শরীফ শুনবেন, উনাদের থেকে অধিক বেশি বুঝবেন, উপলব্ধি করবেন, অনেক বেশি সম্মানিত ইলম মুবারক উনার অধিকারী হবেন।” সুবহানাল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ, ছহীহ ইবনে হিব্বান, মুসনাদে বাযযার, ত্ববারনী শরীফ)

এই সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার পরিপূর্ণ মিছদাক্ব হচ্ছেন আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ! উনাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সমস্ত প্রকার সম্মানিত ইলম মুবারক হাদিয়া মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি হচ্ছেন সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সমস্ত প্রকার সম্মানিত ইলম মুবারক উনার মালিক। সুবহানাল্লাহ!

মূলত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে এবং উনার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনার বেমেছালা সম্মানিত তা‘য়াল্লুক-নিসবত, মুহব্বত-ক্বুরবত মুবারক রয়েছেন, যা কায়িনাতের কারো পক্ষে ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। সুবহানাল্লাহ! যার কারণে মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ১১ ইমাম আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক এবং বিছালী শান মুবারক প্রকাশের তারিখ নিয়ে অনেকে অনেক ইখতিলাফ করলেও যিনি সর্বকালের সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, ছাহিবুল ইলমিল আউওয়াল ওয়াল ইলমিল আখিরি, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর সম্মানিত রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি সকলের সমস্ত ইখতিলাফকে মিটিয়ে দিয়ে মহাসম্মানিত ১১ ইমাম আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক এবং বিছালী শান মুবারক প্রকাশের সম্মানিত তারিখ মুবারক প্রকাশ করেছেন। সুবহানাল্লাহ! নিম্নে তা উল্লেখ করা হলো-

ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম:

মহাসম্মানিত বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ: আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানিত রিসালত মুবারক প্রকাশের ১০ বছর পূর্বে ১৩ই রজবুল হারাম শরীফ জুমুয়াহ শরীফ যোহরের ওয়াক্তে। সুবহানাল্লাহ!

মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ: ৪০ হিজরী সনের ১৭ই রমাদ্বান শরীফ ইয়াওমুস সাবত শরীফ আছরের সময়। সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি

ওয়া সাল্লাম:

মহাসম্মানিত বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ : ৩য় হিজরী সনের ১৫ই রমাদ্বান শরীফ ইয়াওমুল আরবিয়া শরীফ বা’দ আছর। সুবহানাল্লাহ!

মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ: ৪৯ হিজরী সনের ২৮শে সফর শরীফ জুমুয়াহ শরীফ ভোর রাত্রে। ফজরের আগে তাহাজ্জুদের শেষ সময়ে। সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি

ওয়া সাল্লাম:

মহাসম্মানিত বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ: ৪র্থ হিজরী সনের ৫ই শা’বান শরীফ ইয়াওমুল জুমুয়াহ শরীফ বা’দ আছর। সুবহানাল্লাহ!

মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ: ৬১ হিজরী সনের ১০ই মুহাররমুল হারাম শরীফ ইয়াওমুল জুমুয়াহ শরীফ যোহরের সময়। সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুর রাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি

ওয়া সাল্লাম:

মহাসম্মানিত বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ: ৪৭ হিজরী সনের ৫ই শা’বান শরীফ ইয়াওমুল খমীস শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ: ৯৪ হিজরী সনের ২৫ শে মুহাররমুল হারাম শরীফ ইছনাইনিল ‘আযীম শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খ¦ামিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি

ওয়া সাল্লাম:

মহাসম্মানিত বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ: ৬৭ হিজরী সনের ১লা রজবুল হারাম শরীফ জুমুয়াহ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ: ১১৭ হিজরী সনের ৭ই যিলহজ্জ শরীফ ইছনাইনিল ‘আযীম শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি

ওয়া সাল্লাম:

মহাসম্মানিত বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ: ৯৬ হিজরী সনের ১৭ই রবীউল আউওয়াল শরীফ ইছনাইনিল ‘আযীম শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ: ১৪৮ হিজরী সনের ১৪ই রজবুল হারাম শরীফ ইছানাইনিল ‘আযীম শরীফ রাতে বাদ ঈশা। সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি

ওয়া সাল্লাম:

মহাসম্মানিত বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ: ১২৮ হিজরী সনের ৭ই সফর শরীফ ইছনাইনিল ‘আযীম শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ: ১৮৩ হিজরী সনের ২৫শে রজবুল হারাম শরীফ জুমুয়াহ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি

ওয়া সাল্লাম:

মহাসম্মানিত বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ: ১৪৮ হিজরী সনের ১১ই যিলক্বদ শরীফ ইয়াওমুল আহাদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ: ২০৮ হিজরী সনের ২১শে রমাদ্বান শরীফ জুমুয়াহ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুত তাসি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি

ওয়া সাল্লাম:

মহাসম্মানিত বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ: ১৯৫ হিজরী সনের ১০ই রজবুল হারাম শরীফ জুমুয়াহ শরীফ রাতে। সুবহানাল্লাহ!

মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ: ২২০ হিজরী সনের ৬ই যিলহজ্জ শরীফ ছুলাছা’ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল ‘আশির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি

ওয়া সাল্লাম:

মহাসম্মানিত বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ: ২১০ হিজরী সনের ১৫ই যিলহজ্জ শরীফ জুমুয়াহ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ: ২৫৪ হিজরী সনের ৩০ শে জুমাদাল উখরা শরীফ ইছনাইনিল ‘আযীম শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল হাদি আশার মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি

ওয়া সাল্লাম:

মহাসম্মানিত বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ: ২৩১ হিজরী সনের ১০ই রবীউল আউওয়াল শরীফ ইছনাইনিল ‘আযীম শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ: ২৬০ হিজরী সনের ৮ই রবীউল আউওয়াল শরীফ জুমুয়াহ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

মূলত, এর মাধ্যমেই প্রতিভাত হয় যে, মহান আল্লাহ পাক উনার, উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনার কত বেমেছাল আখাচ্ছুল খাছ তায়াল্লুক-নিসবত মুবারক, যেটা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসীর চিন্তা ও কল্পনার ঊর্ধ্বে। সুবহানাল্লাহ!

-আল্লামা গোলাম মামদূহ।

সাইয়্যিদু উল্দে আদম, ছহিবু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, খতীবুল আম্বিয়া ওয়াল উমাম, ছহিবুল মি’রাজ, খতামুন্ নাবিয়্যীন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বর্ণনা পূর্ববর্তী আসমানী কিতাবে

মাআ’জামা শানূহু, ছহেবে আসমাউল হুসনা, সাইয়্যিদুল মাখদূম, ছহিবুল খাতাম, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মুবারক বিলাদতপূর্ব রবিউল আউয়ালের ফযীলতপূর্ণ বার রাত্রি

আর রসূলুল মুজাহিরু আলাদ্ দ্বীনি কুল্লিহ্, আফদ্বালুর রসূল, ছহিবু দ্বীনিল হক্ব, রসূলুম মুছাদ্দিক, রসূলুল খাল্ক, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ফযীলত বর্ণনা হিন্দু ধর্ম গ্রন্থে

ছহেবে রফা’না লাকা যিক্রক, ছহিবুল ওহী ওয়াল কুরআন, যিক্রুল্লাহ্, জাওয়ামিউল কালিম, হাবীবুল্লাহ্ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু অলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পক্ষ হয়ে জবাব দিচ্ছেন স্বয়ং আল্লাহ্ পাক রব্বুল আলামীন

নবীউত্ তওবা, ছিরাতুল্লাহ্, ছহিবুর রিদ্বা, খলীলুল্লাহ্, আউয়ালুল মুসলিমীন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর এক আওলাদের খিদমত করার কারণে অগ্নিপূজকের ঈমান লাভ