মুজাদ্দিদে আ’যম-এর বিরোধিতার পরিণতি সুনামগঞ্জের বাছিত মাওলানারও জঘন্য চেহারা বিকৃতি 

সংখ্যা: ১৬৩তম সংখ্যা | বিভাগ:

সুনামগঞ্জের গাজীনগরের আঙ্গুর মিয়া হতচকিত, হতভম্ব ও হতবাক। জীবনের পরিক্রমায় অনেক লাশ দেখেছেন তিনি। যেমন নেক্কারের তেমনি বদ্কারেরও। নেক্কারের ক্ষেত্রে নূরানী চেহারা। আর বদ্কারের ক্ষেত্রে কালো বা বিকৃত ইত্যাদি বদছূরত। বিশেষ করে মদখোর আর সুদখোরের চেহারাগুলো দেখেছেন তুলনামূলক বেশী বিকৃত হয়। কিন্তু তার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ঝুলিকে স্তব্ধ করে দিলো গত ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০০৭ ঈসায়ী এর ঘটনা। সেদিন মারা যায় আব্দুল বাছিত মাওলানা। দেখতে সে সুন্দরই ছিলো। কিন্তু মারা যাওয়ার পর তার যে বিভৎস অবস্থা আর জঘন্য চেহারা বিকৃতি। দেখে সে আশ্চার্যান্বিত হয়ে গেলো। চোখ যেন চড়ক গাছে উঠে গেলো।  ২১ ফেব্রুয়ারি ৭.৩০ মিনিটে মারা যাওয়া লাশ ২২ ফেব্রুয়ারি দুপুরেই প্রকাশ্য পচন ধরে মহা দুর্গন্ধ ছড়াতে লাগলো। ব্যাপারটি অনুধাবন করতে পারছিলো সবাই।  আঙ্গুর মিয়া হিসেব মিলিয়ে দেখলো, সবই তো ঠিক আছে। কারণ, হাদীছে কুদসীতে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, “যে আমার ওলী’র বিরোধিতা করে আমি তার বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করি।’ আর এই কথিত মাওলানা তো সেই ব্যক্তি যে, বর্তমান যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল, রাজারবাগ শরীফের হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলীকে তোহমতের পাহাড় রচনা  করে ‘কাদিয়ানী’ বলতো। তাঁর মাহফিলকে কাদিয়ানীদের মাহফিল বলতো। (নাঊযুবিল্লাহ) জানাযার নামাযের পর দোয়াকে বিদ্য়াত বলতো। আঙ্গুর মিয়ার মনে হলো, যামানার লক্ষ্যস্থল ওলী আল্লাহ্র চরম বিরোধিতা এবং তাঁর মুখালিফ কুফরী আক্বীদার কারণেই বাছেত মাওলানার এই করুন পরিণতি।

মূলত: তার এ ঘটনা বর্তমান জীবিত উলামায়ে ‘ছূ’দের জন্য এক মহা নছীহত। যদি তারা তা বুঝতে পারে। যেমন, সূরা ইউসূফের শেষে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, “পূর্ববর্তীদের ঘটনা পরবর্তীদের জন্য নছীহত স্বরূপ।”

-প্রেস বিজ্ঞপ্তি

“নব্য মুশাব্বিহা ফিরক্বার স্বরূপ উন্মোচন” সুন্নীবার্তা না কুফরীবার্তা?

মৌলবাদী নাম ধারণই কেবল নয়, ধর্মের নামে চরম অধর্ম আর মসজিদে বর্বরোচিত হামলা করিয়া উহারা যথাযথই নিজেদের মৌলবাদীরূপে প্রতীয়মান করিয়াছে

মাহিউদ্দীনের দেয়া মদনপাল আর প্রিন্সিপালের উপমা কাফিরদেরই উপমার মত ওরা আল্লাহ্ পাক-এর রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উম্মত নয়, আশরাফ আলী থানভীর উম্মত হতে চায়

এ বৎসরের শুরুতে ভারতের কাশ্মীরে মসজিদগুলোতে ব্যক্তিগত ও গোপন তথ্য চেয়ে ফর্ম বিলি পাশাপাশি মুসলিম শিক্ষার্থী বেশি হওয়ায় কাশ্মীরে মেডিকেল কলেজ বন্ধ। ভারতে কাশ্মীরি শিক্ষার্থীদের নির্যাতনের অভিযোগ নতুন নয়। ভারতে কাশ্মিরী শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতনের খবর বিচ্ছিন্ন নয়। অব্যাহত এবং ভয়াবহ কাশ্মীরে স্কুলে বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতারাম’- চাপানো হচ্ছে হিন্দুত্ববাদ কাশ্মীরি ছাত্রদের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনায় জঙ্গিদের হুমকি ভারতে কাশ্মীরি ছাত্রকে মেয়েদের পোশাক পরিয়ে অমানবিক নির্যাতন

মতামত ইরান ফিলিস্তিনে ইসরাইলী হামলার জন্য বিশেষভাবে দায়ী সালাফী-লা মাযহাবী ওহাবী মালানারা কারণ তারাই সৌদি ইহুদী শাসকদের প্রশংসা করে, পৃষ্ঠপোষকতা করে তাদের দোষ-ত্রুটি এবং মুসলমান বিদ্বেষী ও ইসলাম বিরোধী কাজ চুপিয়ে রাখে বাংলাদেশসহ অন্যান্য মুসলিম দেশে তাদের কুফরী আক্বীদা প্রচার করে অথচ সৌদি তথা আরব শাসকরাই ট্রাম্পকে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে। আর তা দিয়েই ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণী দেশ- আমেরিকা নিজে বাঁচে কুখ্যাত ট্রাম্প মুসলমানদের শহীদ করার অস্ত্র নিজে বানায় আর ইসরাইলকেও দেয় বিশ্ব মুসলমানের তাই শুধু কুখ্যাত ট্রাম্প আর নিয়াহুর বিদ্বেষী হলেই হবে না পাশাপাশি সৌদি তথা আরবের ইহুদী শাসক সহ সালাফী লা মাযহাবী, ওহাবী মালানাদেরও মূলোৎপাটন করতে হবে ইনশাআল্লাহ!