যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নুমা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার- ওয়াজ শরীফ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে- উলামায়ে ‘সূ’দের হাক্বীক্বত সম্পর্কে (২৫)

সংখ্যা: ২৬১তম সংখ্যা | বিভাগ:

পূর্ব প্রকাশিতের পর

কাজেই এই বিষয়টা খুব ফিকির করতে হবে। আপনারা কোন সময়ই এই সমস্ত লোকদের ছোহবতে যাবেন না, দূরে থাকবেন।

পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

 عن حضرت انس رضى الله بعالى عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه و سلم ويل لأمتى من علماء السوء يتخذون هذا العلم تجارة يبيعونها من أمراء زمانهم ربحا لأنفسهم لا أربح الله تجارتهم

মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হযরত আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন-

ويل لأمتى من علماء السوء

আমার উম্মতের মধ্যে যারা উলামায়ে সূ তাদের জন্য আফসুস! তাদের জন্য ওয়ায়িল, জাহান্নাম। যারা উলামায়ে ‘সূ’, যারা দ্বীন বিত্রিু করে দুনিয়া হাছিল করে, তাদের জন্য আফসূস, তাদের জন্য জাহান্নাম।

يتخذون هذا العلم تجارة يبيعونها من أمراء زمانهم

এরা ইলমকে গ্রহণ করে থাকে কেন? ব্যবসার জন্য। এরা ইলম চর্চা করেছে, শিক্ষা করেছে ব্যবসার জন্য, মালানা, মুফতী, মুহাদ্দিছ, শায়খুল হাদীছ, ছূফী সাহেব, দরবেশ সাহেব, পীর সাহেব হয়েছে, কেন? ব্যবসা করার জন্য।

يتخذون هذا العلم تجارة يبيعونها من أمراء زمانهم

এদের যামানার যারা আমীর-উমরা তাদের দরবারে দরবারে গিয়ে ইলমের দোহাই দেয় ও বলে, আমি বড় মালানা, মুফতী, মুহাদ্দিছ, শায়খুল হাদীছ, মুফাসসিরে কুরআন, সুফী, দরবেশ, বুযূর্গ, অমুক শায়েখ, ইত্যাদি নাম দিয়ে ইলম বিক্রি করে সে দুনিয়া হাছিল করবে, ব্যবসা করবে।

ربحا لأنفسهم

তাদের নিজেদের ফায়দার জন্য। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

لا أربح الله تجارتهم

মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন কখনও এদের ব্যবসায় বরকত না দান করেন, ফায়দা না দেন। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এদের বিরুদ্ধে বলেছেন। যার কারণে দেখা যাচ্ছে, এরা ইলম নিয়ে ব্যবসা করার চেষ্টা করে থাকে।  হয়তো; সামান্য দুনিয়াবী টাকা পয়সা তারা লাভ করে থাকে কিন্তু হাক্বীক্বী যে ফায়দা সেটা তারা লাভ করতে পারে না। প্রকৃতপক্ষে কখনও তারা পারবে না। কারণ মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাদের বিরুদ্ধে বলেছেন। কাজেই এই সমস্ত উলামায়ে ‘সূ’ এদের থেকে দূরে থাকতে হবে, খুব সাবধান ও সতর্ক থাকতে হবে। এরা মানুষকে বিভ্রান্ত করে থাকে, ওয়াসওয়াসা দিয়ে থাকে ঈমান নষ্ট করার জন্য এরা কোশেশ করে থাকে। কাজেই এটা মনে রাখতে হবে। সেজন্য মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যা বলেছেন তার উপরে ইস্তিক্বামত থাকতে হবে।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

فَاسْتَقِمْ كَمَا أُمِرْتَ

 মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনি উম্মতদেরকে ইস্তিক্বামত থাকতে বলুন, যা আদেশ করা হয়েছে।

কাজেই, মুসলমানের জন্য পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের বাইরে একচুলও নড়া সম্ভব নয়। ইফরাত তাফরীত, সে ডানে যেতে পারবেনা, সে বামেও যেতে পারবেনা। উপরেও উঠতে পারবেনা নিচেও নামতে পারবেনা। যেভাবে আছে পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ ঠিক সেভাবেই তাকে থাকতে হবে। হ্যাঁ, ভুল মানুষের হতে পারে, তাওবা করবে। তাওবার দরজাতো খোলা রয়েছে। মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই বলেন-

قُلْ يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَىٰ أَنفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِن رَّحْمَةِ اللَّـهِ ۚ إِنَّ اللَّـهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا ۚإِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ

আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, হে মহান আল্লাহ পাক উনার বান্দারা! তোমরা যারা নফসের উপর জুলূম করেছো, হারাম কাজ করেছো, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার খিলাফ করেছো, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার খিলাফ করেছো, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের খিলাফ করেছো, অবৈধ কাজ করেছো, উলামায়ে সূদের তাবেদারী করেছো, রাজা-বাদশাহর তাবেদারী করেছো, তাতে কোন অসুবিধা নেই, তোমরা তাওবা ইস্তেগফার করো।

لَا تَقْنَطُوا مِن رَّحْمَةِ اللَّـهِ

 তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত হতে নিরাশ হয়োনা। ইস্তিগফার-তাওবা করো। খালিছ তাওবা  করো। মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না।

إِنَّ اللَّـهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا ۚ إِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ

নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত গুনাহখতা ক্ষমাকারী। নিশ্চয়ই তিনি দয়ালু ও করুনাময়। সুবহানাল্লাহ!

কাজেই, উম্মতে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের জন্য ভয়ের কোন কারণ নেই, চিন্তাও নেই। ভুল হয়ে যাবে, তাওবা করবে, হক্বে থাকার জন্য কোশেশ করবে। অবশ্যই মহান আল্লাহ পাক তিনি কবুল করবেন, কোন সন্দেহ নেই।

এজন্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

التَّائِبُ مِنْ الذَّنْبِ كَمَنْ لَا ذَنْبَ لَهُ

তাওবাকারী এমন; যে তাওবা করলো, সে যেনো জীবনে কখনও কোন গুনাহখতাই করেনি। সুবহানাল্লাহ!

এর ব্যাখ্যায় বলা হয় কোন বান্দা-বান্দি যদি, কোন উম্মত যদি যমীন থেকে আসমান পরিমান গুনাহ করে, সমূদ্রের ফেনা পরিমান গুনাহ করে, মরুভূমির বালু কনা পরিমাণ গুনাহ করে, সে যদি আরো বেশী গুনাহ করে, যতো বেশি গুনাহ করুক না কেন, একবার যদি সে তাওবা করে, মাত্র একবার খালিছ তাওবা করে, মহান আল্লাহ পাক তিনি চোখের পলকে তার যিন্দিগীর সমস্ত গুনাহখতাগুলো মাফ করে তাকে সেই মুহূর্তের জন্য মা’ছুম নিস্পাপ করে দিবেন। সুবহানাল্লাহ!

কাজেই চিন্তার কোন কারণ নেই, ভুল হতে পারে। মানুষের নফসের ওয়াসওয়াসা রয়েছে, শয়তানের ধোঁকা রয়েছে এবং দুনিয়ার চক্রান্তের ধোঁকা রয়েছে এবং উলামায়ে সূদেরও গোমরাহী ফতওয়া রয়েছে, রাজা-বাদশাহদের বিভ্রান্তিমূলক আদেশ নির্দেশ রয়েছে, তাতে কি হয়েছে? মানুষ ভুল করতে পারে, তাওবা করুক। রাজা-বাদশা, আমীর উমরাহ তাদেরও তাওবা করতে হবে। উলামায়ে সূদেরও তাওবা করতে হবে। এরাতো মুসলমান দাবি করে থাকে। এখন এরা মরলেতো জাহান্ন্ামে যাবে। সেখানে তারাও কান্না-কাটি করবে, তখন কোন কাজ হবে না। কাজেই তাদেরও তাওবা করা উচিত, ইস্তিগফার করা উচিত। এরা যদি তাওবা করে ইস্তিগফার করে তাহলে এদের জন্য কামিয়াবী রয়েছে, অন্যথায় এদের জন্য ধ্বংস রয়েছে।

কাজেই এদেরও বুঝা উচিত, এদের ইবরত নছীহত গ্রহণ করা উচিত। এখন সে উলামায়ে সূ হোক, আমীর-উমরাহ হোক, রাজ-বাদশা হোক, প্রিসিডেন্ট মিনিস্টার হোক অথবা সে যদি অন্য কিছু হয়, সারা পৃথিবীর মালিকও সে যদি হয়ে থাকে, তাকেও তাওবা করতে হবে। অন্যথায় তার জন্য ধ্বংস রয়েছে। তাকেও আফসুস করতে হবে মৃত্যুর পরে। কাজেই এখনও সময় রয়েছে। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিতো সেটাই বলেন, তোমরা এখনই

عجلوا بتوبة قبل الـموت

মৃত্যু আসার পূর্বে তাড়াতাড়ি তাওবা করে নাও।

بنزول قبل ملك الـموت

মালাকুল মাউত হযরত আযরাঈল আলাইহিস সালাম তিনি নাযিল হওয়ার পূর্বে তওবা করে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করো। এখনও সময় রয়েছে। মৃত্যু যখন এসে যাবে তখন কিন্তু তাওবা করার কোন সূযোগ থাকবে না। আগেই তাওবা করতে হবে। (অসমাপ্ত)

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩৫

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩৬

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩৭

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয:৩৮

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩৯