যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ¦লীফাতুল্লাহ, খ¦লীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নুমা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার- ওয়াজ শরীফ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে- উলামায়ে ‘সূ’দের হাক্বীক্বত সম্পর্কে (১৮)

সংখ্যা: ২৫৪তম সংখ্যা | বিভাগ:

পূর্ব প্রকাশিতের পর

কাজেই, যারা উলামায়ে সূ’ তাদেরই দোষত্রুটি বর্ণনা করা প্রসঙ্গে হযরত ইমাম গায্যালী রহমাতুল্লাহি আলাইহি যিনি হুজ্জাতুল ইসলাম তিনি বলেন-

ایک زمانہ بدنام علماء سو بہتراز شست سال طاعت بریا

কিছুক্ষন সময় উলামায়ে সূ’দের দোষত্রুটি বর্ণনা করা হচ্ছে ষাট বৎসর মকবুল নফল ইবাদতের চাইতেও উত্তম। সুবহানাল্লাহ!

কারণ একজন উলামায়ে সূ’ সে অনেক লোককে বিভ্রান্ত করে থাকে, গোমরাহ করে থাকে। ষাট বৎসর নফল মক্ববুল ইবাদত থেকে উত্তম এজন্য বলা হয়ে থাকে সাধারনভাবে একজন মানুষের হায়াত যদি ষাট বৎসর ধরা হয় তাহলে তার যিন্দিগী সে বরবাদ করে দিচ্ছে। সেই উলামায়ে সূ’র হাক্বীক্বত প্রকাশ করে দিলে কি হবে? মানুষ তার জীবনটাকে তার ঈমানটাকে হিফাযত করতে পারবে।

কাজেই, উলামায়ে সূদের হাক্বীক্বত তাদের দোষত্রুটি জানাটা প্রত্যেক মু’মিন মুসলমান উনাদের জন্য ফরয ওয়াজিব। আমরা গত সপ্তাহগুলিতে বলেছিলাম, প্রথম উলামায়ে সূ’ হচ্ছে ইবলীস। যার সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে বর্ণনা করা হয়েছে। দ্বিতীয় উলামায়ে সূ হচ্ছে যাকে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, সে হচ্ছে বালয়াম বিন বাউরা। ইবলীস ছয় লক্ষ বৎসর ইবাদত-বন্দেগী করার পরেও মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ অমান্য করে সে মালউন হয়ে গেলো ঠিক বালয়াম বিন বাউরা তিন শত বৎসর সাধনা করে কিছু হাছিল করার পরেও সে বিভ্রান্ত ও গোমরাহ হয়ে গেলো। হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিরুদ্ধে বদদোয়া করে  সে ধ্বংস হয়ে  গেলো। এরপর বলা হয় যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি বণী ইসরাঈল তাদেরকে এ বিষয় সতর্ক করেছিলেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

لَوْلَا يَنْهَاهُمُ الرَّبَّانِيُّونَ وَالْأَحْبَارُ عَن قَوْلِهِمُ الْإِثْمَ وَأَكْلِهِمُ السُّحْتَ لَبِئْسَ مَا كَانُوا يَصْنَعُونَ

কেনো নিষেধ  করলো না বনী ঈসরাইলের দরবেশ ও আলিমরা তাদেরকে পাপের কথা  বলতে এবং হারাম খাদ্য খেতে। তারা অত্যান্ত মন্দ বা নিকৃষ্ট কাজ করেছে। মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা যারা এসেছেন উনাদের তরফ থেকে বলা হয়েছিলো, তারা যেনো মানুষকে

عَن قَوْلِهِمُ الْإِثْمَ

মিথ্যা বলা থেকে বিরত রাখে

وَأَكْلِهِمُ السُّحْتَ

হারাম খাওয়া থেকে বিরত রাখে। এটা তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছিলো।

الرَّبَّانِيُّونَ وَالْأَحْبَارُ

আহবার বলতে বুঝানো হয়েছিলো আলিম যারা ছিলো উনাদেরকে, আর রব্বানিয়্যূন বলতে বুঝানো হয়েছিলো আল্লাহওয়ালা দরবেশ সূফী যারা ছিলেন উনারাদেরকে বলা হয়েছিলো। কিন্তু এ বিষয়টা তাদের অনেকের পক্ষে করা সম্ভব হয়নি। এর তাফসীরে একটা ওয়াক্বিয়া উল্লেখ করা হয় যে, মহান আল্লাহ পাক উনার নবী ও রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার যামানাতে একবার কিছু লোক উনার ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করার জন্য উনার দরবার শরীফ আসলো। সাথে তারা নিয়ে আসলো একটা বড় সাপ। মহান আল্লাহ পাক উনার নবী এবং রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি লোকদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন, কি ব্যাপার, তোমরা কেন এসেছো? সে লোকগুলো বললো, হে মহান আল্লাহ পাক উনার নবী এবং রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম! আমরা এসেছি আপনার ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করার জন্য, ইবরত, নছীহত হাছিলের জন্য। মহান আল্লাহ পাক উনার নবী এবং রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, বেশ! তোমরা এসেছো ভালো কথা; তোমাদের সাথে এই সাপটা কেন এনেছো? তখন লোকজন তারা বললো, হে মহান আল্লাহ পাক উনার নবী এবং রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম! আসলে এটা কোন সাপ নয়। মহান আল্লাহ পাক উনার নবী এবং রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, তাকে তো সাপই দেখা  যাচ্ছে। লোকজন বললো, আসলে সে বণী ইসরাঈলের একজন আলেম ছিলো, হঠাৎ করে সে একদিন সাপ হয়ে গেছে। যখন সে সাপ হয়ে গেলো তখন তার অনেক চিকিৎসা করানো হলো। কিন্তু কোন চিকিৎসাতেই সে সুস্থতা লাভ করতে পারলো না। যখন সমস্ত চিকিৎসা শেষ হয়ে গেলো তখন লোকজন বললো যে, দুনিয়াবী কোন চিকিৎসায় সে সুস্থতা লাভ করতে পারবে না। যেহেতু এ যামানা হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার জলীলুল কদর রসূল, উনার প্রতি মহান আল্লাহ পাক তিনি তাওরাত শরীফ নাযিল করেছেন, হযরত মূসা কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার যামানা। কাজেই উনার কাছে তোমরা নিয়ে যাও। তিনি যদি ইচ্ছা করেন এবং মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে দোয়া করেন তাহলে হয়ত লোকটা সুস্থ হতে পারে। পূর্বের আকৃতিতে আসতে পারে। যারা এই সাপকে নিয়ে এসেছিলো তারা যখন বললো, হে মহান আল্লাহ পাক উনার নবী এবং মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল আলাইহিস সালাম! আপনি দোয়া করলে মহান আল্লাহ পাক এই আলেম ছাহেবকে যে সাপ হয়ে গেছে, তাকে আবার মানুষের আকৃতিতে ফিরিয়ে দিতে পারেন। লোকজন বললো সে বড় আলেম ছিলো। অনেক ওয়াজ নছীহত করতো, মানুষকে সে হিদায়েতের কথা বলতো। এখন সে সাপ হওয়ার কারণে হিদায়েতের কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। ইত্যাদি ইত্যাদি অনেক ছানা-ছিফত করলো লোকগুলো।

মহান আল্লাহ পাক উনার নবী এবং রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি সেটা শুনে বললেন, তাহলেতো অবশ্যই এটা চিন্তা ফিকিরের বিষয়। এতো বড় আলেম, সে হাজার হাজার লোককে হিদায়েত করতো। এখন সে সাপ হয়ে গেলো তাহলে তার বিষয়টা ফিকিরের বিষয়।  তখন মহান আল্লাহ পাক উনার জলীলুল ক্বদর রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে বললেন, ইয়া বারে ইলাহী! এটা কেমন হলো, সে এতো বড় আলেম ছিলো যে অনেক মানুষ হিদায়েত করতো, ওয়েজ-নছীহত করতো, তা’লীম তালক্বীন করতো, দর্স-তাদরীস করতো সে সাপ হয়ে গেলো।

মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে জানানো হলো, হে আমার নবী এবং আমার রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম! লোকটা ছুরতান বড় আলেম ছিলো এটা সত্যি। তবে সে সাপ হওয়ার পিছনে কিছু কারণ রয়েছে। তাহলো এই লোকটা ৭০ হাজার বণী ইসরাইলকে গোমরাহ করেছে। নাউযূবিল্লাহ! এই ৭০ হাজার লোককে গোমরাহ করার কারণে মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত তার উপর বর্ষিত হয়ে যায়। সেই লা’নত বর্ষিত হওয়ার কারণে সে আলেম মানুষ থেকে সাপ হয়ে যায়। নাউযূবিল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক উনার জলীলুল ক্বদর রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, বারে ইলাহী! এই লোকটাকে ক্ষমা করে তাকে আবার মানুষ করে দিলে হয়ত সে হিদায়েতের কাজ করতে পারতো। মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে জানানো হলো, হে আমার নবী ও রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম! এই লোকের তাওবা আর কবুল হবে না। তখন হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, বারে ইলাহী! একজন মানুষের মৃত্যুর গড়গড়া উঠার পূর্ব পর্যন্ত তার তাওবার দরজা খোলা থাকে। অথবা সমষ্টিগতভাবে পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উদিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তওবার দরজা খোলা থাকবে। আয় মহান আল্লাহ পাক! তাহলে তার তওবা কবুল না হওয়ার কি কারণ। মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে জানানো হলো, এই লোকটা ৭০ হাজার বণী ইসরাইলকে গোমরাহ করেছে। এদের সবাইকে সে যদি তওবা করাতে পারে তাহলে তার তওবা নছীব হবে। কিন্তু সেটা তার পক্ষে সম্ভব নয়। অনেকে মারা গেছে, অনেকে দূর দেশে চলে গেছে। কাজেই সকলকে তার পক্ষে তওবা করানো সম্ভব নয়। অতএব, তার তওবা নছীব হবে না, সে মালউন হয়ে গেছে। যখন মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে বিষয়টা জানানো হলো, তখন মহান আল্লাহ পাক উনার নবী ও রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি  লোকজনকে বললেন, একে তাড়াতাড়ি নিয়ে যাও। সে মালউন লা’নতগ্রস্ত। তার কাছে যারা থাকবে তারাও মালঊন হয়ে যাবে। তাকে তাড়াতাড়ি সরিয়ে নাও। লোকটাকে সরিয়ে নেয়া হলো। বলা হয়েছে তার কয়েকদিন পরে সেই আলেম লা’নতগ্রস্ত হয়ে সাপের আকৃতিতে মারা গেলো। নাউযুবিল্লাহ! সে ৭০ হাজার বণী ইসরাইলকে গোমরাহ করেছিলো। যার কারণে তার আকৃতি-বিকৃতি হয়ে যায় এবং সে অবস্থায় সে লা’নতগ্রস্ত মালউন হয়ে মারা যায়। সেটাই মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-

لَوْلَا يَنْهَاهُمُ الرَّبَّانِيُّونَ وَالْأَحْبَارُ عَن قَوْلِهِمُ الْإِثْمَ وَأَكْلِهِمُ السُّحْتَ ۚ لَبِئْسَ مَا كَانُوا يَصْنَعُونَ

বণী ইসরাইলের যারা দরবেশ বুযূর্গ আলিম তাদেরকেতো বলা হয়েছিলো, এদের মিথ্যা বলা থেকে বিরত রাখার জন্য, হারাম খাওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য, তারা কিন্তু সেটা করতে পারেনি। অবশ্যই এটা তাদের নিকৃষ্ট আমল হয়েছে। (অসমাপ্ত)

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে- ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-২৮

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে- ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-২৯

খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নেয়ামত, আল মালিক, আল মাখদূম, কুতুবুল আলম, গাউছুল আ’যম, মুজাদ্দিদে আ’যম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াত, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, ইমামুল আইম্মাহ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াজ শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হজ্জ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উমরা উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত, হুকুম-আহকাম সম্পর্কে (২৫)

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে- ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩০

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩১