যামানার মহান ইমাম সাইয়্যিদুনা আসসাফফাহ আলাইহিস সালাম উনার বিরোধিতাকারীদের একের পর এক ধ্বংস দেখে রেযাখানীদের খালিছ তওবা করে নেয়াটা জরুরী ছিলো সুন্নী নামের কলঙ্ক, আহমদীয়া সুন্নীয়া দাবিকারী কাদিয়ানীদের ভাবশিষ্য চট্টগ্রামের রেযাখানী ফিরক্বার প্রলাপবাক্যের মূলোৎপাটন-১১

সংখ্যা: ২২৮তম সংখ্যা | বিভাগ:

যামানার সুমহান ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র শানে কুৎসা রটনা বন্ধ করে খালিস তওবা ইস্তিগফার করতঃ ঈমান-আমলকে নবায়ন করার আহবান বহুবার জানানো হয়েছিল আহম্মক রেজা পাঠানীর গুমরাহ অনুসারীদেরকে। তারা সে হিদায়েতী আহবানকে বারবার উপেক্ষা করেছে। উল্টো নানাপ্রকার মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে পত্র-পত্রিকা, লিফলেট, চটি রেসালা ইত্যাদির মাধ্যমে নিজেদের গুমরাহী আর জিহালতীকে জিইয়ে রেখেছে। তাদের জিহালতীর বিষয়ে জানতে চেয়ে প্রকাশিত রেসালায় ১৫ নং প্রশ্নে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে- বুঝে হোক না বুঝে হোক ইদানীং অনেকের বাড়ি-ঘর,অফিস দোকানপাটে এবং ক্যাশ বাক্সে তৈয়ব শাহ ও তাহের শাহ-এর ছবি শোভা পাচ্ছে! হিন্দুদের ক্ষেত্রে যেভাবে লোকনাথ ও ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র, এবং বৌদ্ধদের ক্ষেত্রে গৌতম বুদ্ধের ছবি শোভা পায় তার অনুরূপ। সম্প্রতি রেজাখানী মুখপত্রে তৈয়ব শাহ ও তাহের শাহ-এর ছবি বরকতের জন্য বিশেষত ক্যাশ বাক্সে রাখার ব্যাপারে বৈধতা দেয়া হয়েছে এবং উৎসাহিত করা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ মিন জালিক! অথচ ছবির ব্যাপারে স্পষ্ট সহীহ হাদীস আছে যে, ‘সেই বাড়িতে ফেরেশতা ঢুকবেনা, যেখানে কুকুর এবং ছবি আছে।” দয়া করে মাসিক তরজুমান ওয়ালারা আপনাদের মতের স¦পক্ষে দলিল পেশ করবেন কি?

প্রিয় পাঠক! এই গুমরাহ রেজাখানী ফিরক্বার মুখপত্রের শাবান ১৪৩৩ হিজরী সংখ্যায় উপরোক্ত অভিযোগের জবাবে লিখা হয়েছে, “(তৈয়ব শাহ আর তাহের শাহ) তাদের নাকি ফটো তোলা হয়, আর ফটোগুলোও কে বা কারা বরকতের জন্য ঘরে, দোকানে ও গাড়িতে টাঙ্গায়। তার! (কার?) ফতোয়ামতে ফটো নাকি জগন্য হারাম!” কি আজব কথা! তাদের নাকি! আবার কি? গুমরাহ পীর তাহের আর তৈয়বের কি ছবি তোলা হয়নি বা হতো না বা হয়না? আবার কে বা কারা হবে! তারই গুমরাহ মুরীদ শাগরিদ চেলা গংই তো কথিত বরকতের জন্য তাদের গুমরাহ পীরদের ছবি ঘরে দোকানে গাড়িতে বাক্সে টাঙ্গিয়ে রাখে। অন্যদের কি ঠেকা পড়েছে যে, গুমরাহ পীর নামক কলঙ্কদের হারাম ছবি টাঙ্গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় রাখবে? এছাড়া প্রাণীর ফটো বা ছবি হারাম এটা কি নতুন করে কেউ ফতওয়া দিতে হবে? এই ফতওয়া তথা নির্দেশনা নিষেধাজ্ঞা তো স¦য়ং যিনি আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিই দিয়েছেন। উনার মুবারক নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে যারা হরদম হারাম ছবি তোলে রাখে, সংরক্ষণ করে, প্রচার-প্রসার করে তাদের মধ্যেই তো অন্যতম হলো এই রেজাখানী তৈয়ব আর তাহের শাহ নামক বাতিল পীর গং। অথচ এরাই আবার ফান্দে পড়ে ২০১৩ ঈসায়ীর জানুয়ারী মাসে চট্টগ্রামের স্থানীয় দৈনিক পূর্বকোণ পত্রিকায় সতর্কবাণী শিরোনাম দিয়ে বিজ্ঞাপন ছাপিয়ে লিখেছে- “তৈয়ব শাহ এ ধরনের ছবি দাফন করতে (কবর) করতে নির্দেশ দিয়েছেন একাধিকবার, যেহেতু এটা শরীয়তবিরোধী।”

এখন কথা হলো কোন বিষয়কে শরীয়তবিরোধী বলার পর, কোন বিষয়কে শরীয়তবিরোধী জানার পর, কোন বিষয়কে শরীয়তবিরোধী ঘোষণা দেয়ার পর সেই শরীয়তবিরোধী কাজ থেকে যখন সেই সমস্ত শরীয়তবিরোধী জানলেওয়ালা কথিত পীর গং নিজেদেরকে বিরত রাখতে পারেনা কিংবা বিরত রাখেনা তখন কি বুঝতে হবে? বুঝতে হবে যেহেতু এই সম্প্রদায়ের কথিত পীর এবং তার চেলা গং অহরহ হক্কানী রব্বানী ওলীআল্লাহ উনাদের শানে বিষোদগার করে, কুৎসা রটনা করে, অপপ্রচার চালায় সেহেতু তাদের উপর খোদায়ী খাছ লা’নত পড়ে গেছে। লা’নতে পড়ার কারণে তাদের বোধশক্তি নষ্ট হয়ে গেছে। এ অবস্থায় যারা মারা গেছে কিংবা মারা যাচ্ছে তারা জাহান্নামে যাওয়া ছাড়া আর কোন দিকে যাবে? আর যারা বেঁচে আছে তাদের জন্য এখনও মোক্ষম সুযোগ রয়েছে খালিস তওবা-ইস্তিগফার করে হক্ব মত পথে ফিরে আসার। সম্মানিত রাজারবাগ শরীফ উনার পীর ছাহেব কিবলা, যামানার সুমহান ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম উনার নিকট করজোড়ে ক্ষমা প্রার্থনা করার। নতুবা তাদের জন্য অপেক্ষা করছে ভয়াবহ করুণ পরিণতি। নাউযুবিল্লাহ!

-মূফতী আবু বকর মুহম্মদ জাহিদুল ইসলাম।

প্রসঙ্গ: ইসরাইলি পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে তুরস্ক। ইসরাইলের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধসহ কঠোর সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা মুসলিম বিশ্বের এখন ফরযের উপর ফরয।

সুদ পরিশোধেই ব্যয় হবে বাজেটের ১১ শতাংশ। প্রত্যেক বছর বাজেটের আকার বাড়লেও এর সুফল পাচ্ছে না দেশ ও দেশের জনগণ। জনগণের উচিত সরকারকে বাধ্য করা- ঋণের ধারা থেকে সরে এসে অভ্যন্তরীণ অর্থ-সম্পদের দিকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটকে গণমুখী করার জন্য।

বাংলাদেশে জিএমও ফুড প্রচলনের সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে-২

পর্যবেক্ষক ও সমালোচক মহলের মতে- ভারতের কাছে দেশের স্বার্থ বিলিয়ে দেয়ার নিকৃষ্টতম উদাহরণ রামপালে কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। মাত্র ১৫ ভাগ বিনিয়োগ করে ভারত মালিকানা পাবে ৫০ ভাগ। আর ধ্বংস হবে এদেশের সুন্দরবন। সুন্দরবনকে ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে (২)

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতোই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ভয়াবহ। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে কিন্তু রূপপুর অজ্ঞতার আঁধারেই রয়ে গেছে? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়টি বিশেষভাবে আমলে নিতে হবে। প্রয়োজনে সচেতন জনগণকেই প্রতিহত করতে হবে (২)