ছবি তোলা, বেপর্দা হওয়ার মত কঠিন হারাম কাজে  প্রকাশ্যে মশগুল থেকে, রেযাখানী গুরু-শিষ্য উভয়ে  ‘সুন্নী’ নামের অপব্যবহার করছে

সংখ্যা: ১১১তম সংখ্যা | বিভাগ:

 রেযাখানীদের গুরু আহমদ রেযা খাঁ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে যামান, আওলার্দু রসূল, সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর প্রতি কুফরীর তোহমত দিয়েছে। কিন্তু হাক্বীক্বত, আজকে মাসিক আল বাইয়্যিনাতের তাজদীদী আয়নায় রেযাখাঁরই কুফরী শতধারায় ধরা পড়েছে।  মূলতঃ মাশায়েখে আকবর, ইমামুল আইম্মা, খলীফাতুল্লাহ, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর বিলায়েত কামালতের তুলনায় নিতান্ত নগণ্য হওয়া সত্ত্বেও রেযা খাঁ তার সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেছে। অথচ হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে, হযরত আবু যর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কোন ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে (অহেতুক) ফাসিক বলবে না এবং কুফরীর অপবাদও দিবেনা, কেননা সেই ব্যক্তি প্রকৃত পক্ষে সেরূপ না হলে তবে তার অপবাদ নিজের উপরই বর্তাবে।”     মূলতঃ আলোচ্য হাদীসের হুকুম শতভাবে রেযাখানীদের উপর বর্তায়।  রেযাখানীরা, বর্তমান জামানার ইমামুল আইম্মা, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে যামান, আওলার্দু রসূল, ঢাকা রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর বিরুদ্ধে তোহমত দিলেও তারা তাঁর বিরুদ্ধে কোন আদনা ত্রুটিযুক্ত আমলও প্রমাণ করতে পারেনি।        পক্ষান্তরে রেযাখানীদের গুরু গং এমনকি ইদানিং কালের তৈয়ব শাহ থেকে আরম্ভ করে বর্তমান তাহের শাহ পর্যন্ত কারোরই পর্দা নেই। অথচ পর্দা হল কুরআন শরীফে ঘোষিত শক্ত ফরয। এমনকি উক্ত রেযাখানী গুরুরা, হাদীস শরীফে উল্লিখিত, ছবি তোলার মত কিয়ামতের ময়দানে সবচেয়ে বেশী শাস্তির কাজটিও অবলীলাক্রমে করেছে এবং করছে।   রেযাখানীদের বেপর্দা- সম্পর্কে মাসিক আল বাইয়্যিনাতে যা লিখা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে তারা যতই হম্বিতম্বি করুক বাস্তবে তা মিথ্যা আস্ফালন মাত্র।    কারণ এর প্রমাণ একটি দুটি নয়। বহু বহু এবং আক্বল থাকলে দু’একটি উদাহরণেই তা মালুম করা হয়। তৈয়ব শাহর নাতি উম্মে হাবিবার কক্তের ক্বাসীদা সারা পাকিস্তান তো বটেই এমনকি বাংলাদেশেও রেযাখানীরা প্রকাশ্যে মাইকে পরিবেশন করে থাকে। অথচ এ ব্যাপারে গুরু শিষ্য কারোরই কোন বিরূপ প্রতিক্রিয়া নেই।  মাসিক আল বাইয়্যিনাতে ইতোপূর্বে, “তাহের শাহ আর হোসনে আরা ছি লজ্জা! ছি লজ্জা!” এই শিরোনামে পত্রস্থ মতামতকে কেন্দ্র করে হোসনে আরার সে কি তীব্র প্রতিবাদ! ভাবখানা এই যে, তিনি পুরো মুখমন্ডল নেকাবে আবৃত করে অন্তঃপুরেই আবদ্ধ থাকেন। কিন্তু মতামত লেখক যখন দলীল-প্রমাণ দিয়ে তার বক্তব্য খন্ডন করলেন তখন তিনি চুপ মারলেন। আর না মেরে উপায়ই বা কি? কারণ ঐ মাদ্রাসায় এরপর এমনও ঘটনা ঘটেছে যে, অনেক সাধারণ ছাত্রীর মা এসে যখন দেখলেন যে হোসনে আরা এবং আরো মহিলার সামনে তাহের শাহ বেপর্দা অবস্থায়ই আছেন তখন তারা ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের মেয়েদের ঐ মাদ্রাসায় পাঠ বন্ধ করে দেন।  এদিকে শুধু মাসিক আল বাইয়্যিনাত নয় বরং চট্টগ্রামের স্থানীয় পত্র-পত্রিকায়ও হোসনে আরার বেপর্দার স্থায়ী প্রমাণ রেকর্ড হয়ে আছে। স্থানীয় পত্র-পত্রিকায় সাক্ষাত ছবি রয়েছে যে হোসনে আরা জেলা শিক্ষা অফিসার হিসেবে নেকাব উন্মোচিত অবস্থায় পুরুষ মহলেও বক্তব্যদানে রত আছেন। মূলতঃ শুধু হোসনেআরাই নয় গোটা রেযাখানীরা মোটেই শরয়ী পর্দার ধার ধারেনা আর তা করবেই বা কিভাবে? কারণ তাদের মূলের মধ্যেই রয়ে গেছে গন্ডগোল।  প্রসঙ্গতঃ প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণে নিম্নোক্ত ঘটনা বিবৃত হলো-  তারিখ ০৭-০১-০২, স্থানঃ চট্টগ্রাম বন্দর স্টেডিয়াম। সেখানে এক মাহ্ফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে তাহের শাহ যায়। যথারীতি ছবি তোলার মত হারাম কাজের পর, তাহের শাহকে বলা হয়, মহিলারা পুরুষদের প্যান্ডেলের পাশেই আলাদা প্যান্ডেলে অবস্থান করছে।    পর্দা রক্ষা করে মহিলাদের বায়াত করানোর জন্য মহিলাদের সাথে সংযোগকারী একটি পাগড়ীও তাহের শাহর হাতে তুলে দেয়া হয়। কিন্তু তাতে প্রবল বেগে ফুঁসে উঠে তাহের শাহর খাহেশাতে নফস। সে ক্রুদ্ধ স্বরে বলে কিসের আবার পাগড়ী? চরম আক্রোশে ছিটকে ফেলে দেয় পাগড়ী। বরং উত্তাল গতিতে তার পদযুগল ধাবিত হয় পার্শ্ববর্তী প্যান্ডেলে অবস্থানরত, কুরআন শরীফে নিষিদ্ধ ঘোষিত, ললনাদের অবলোকনে নেত্রদ্বয় শীতল করতে, মহিলা মুরীদদের কোমল হাতের স্পর্শে কদমবুছী গ্রহণ করে উৎফুল্ল হতে এবং তাদের শরীরে পিঠে দোয়া-সান্তনা দেয়ার নামে অবাধে হাত বুলিয়ে খাহেশাতে নফসকে তৃপ্ত করতে। (নাউযুবিল্লাহ)   এই হচ্ছে বর্তমান রেযাখানীদের গুরুর হাল হাক্বীক্বত।  কেবল চট্টগ্রামের একটি এলাকাতেই নয়, সমগ্র চট্টগ্রামসহ সারা দেশের অনেক জায়গায়ই রয়েছে এরূপ বহু ঘটনা। একজন দু’জন নয়, রয়েছে তার অনেক অনেক সাক্ষী। মূলতঃ রেযাখানীরা যে পর্দা করেনা পত্র-পত্রিকা খুললেই তার প্রমাণ পাওয়া যায় ঢের। জুলুছের নামে যুবতী মেয়েদের মিছিল তথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে মিছিল ইত্যাদির পত্রিকা কাটিং রয়েছে শত শত। এই সেদিনও ০৫-১০-০২ তারিখে দৈনিক ইত্তেফাকে “চট্টগ্রামঃ পবিত্র মি’রাজ শরীফ উপলক্ষে নগরীতে আয়োজিত জাতীয় সুন্নী আন্দোলনের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা” ক্যাপশনে নারী-পুরুষের সম্মিলিত মিছিলের ছবি পত্রস্থ হয়।    শতধিক! প্রকাশ্যে বে-পর্দা নারী-পুরুষের মিছিল। শতধিক! ছবি তোলা। যা কুরআন-সুন্নাহ্র মতে স্পষ্ট হারাম।   আর সে শক্ত হারাম কাজের সমাহারে শতধিক! তাদের এই তথাকথিত জাতীয় ছুন্নী আন্দোলনের প্রতি। শতধিক! তাদের ছুন্নী শব্দ ব্যবহারের এই নির্লজ্জ অপপ্রয়াসের প্রতি। হাক্বীক্বতে এরা গোমরাহ, ফাসিক ও ছুন্নী নামের কলঙ্ক তথা উলামায়ে ‘ছূ’দের অন্তর্ভুক্ত।

-মুহম্মদ ওয়ালীর্উ রহমান, ঢাকা।

খতমে নুবওওয়াত প্রচার কেন্দ্র খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় (যেমন- কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি) (তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩দিন। এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড)

রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নাম মুবারকের পূর্বে র্ববহৃত লক্বব বা উপাধি এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ

ইলমে আকলিয়ার দৈন্য এবং বিলায়েতের অনুপস্থিতির কারণে প্রকৃত আলিমে দ্বীন তৈরি হচ্ছে না।

একই অঙ্গে বহু রূপে সজ্জিত স,আ, ত, ম আলাউদ্দিনের বিকৃত রুচি সম্পন্ন লিখার প্রতিবাদে

মানব ক্লোনিং- পরিণতি ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা