শুধু আজকের প্রেক্ষাপটে নয়, অতীত ইতিহাস হতেই ইহুদী-খ্রীষ্টানরা মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু মুসলিম সন্ত্রাসবাদ নয়, মার্কিন হামলার পিছনে কি ইহুদী-খ্রীষ্টানরাই দায়ী নয়? -৯

সংখ্যা: ১০৭তম সংখ্যা | বিভাগ:

(গত সংখ্যার পর)

            ইতোপূর্বে আলোচিত হয়েছিল যে, ইহুদী সম্প্রদায় নিজেদের পরিচয় গোপন রেখে অ-ইহুদী দেশসমূহে বিভিন্ন নামে আধ্যাত্মিক শিক্ষাবিস্তার বা জনকল্যাণমূলক কাজের বাহানায় ক্লাব ও সমিতি গঠন করে এবং অতি সঙ্গোপনে ষড়যন্ত্রমূলক তৎপরতা চালিয়ে যায়। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ফ্রি-ম্যাসন আন্দোলনকে ইহুদীদের হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ফ্রি ম্যাসন আন্দোলন প্রসঙ্গে গত সংখ্যায় কিছু আলোচিত হয়েছিল। এসংখ্যায় এ বিষয়ে আরো তুলে ধরা হলো-

            ফ্রি-ম্যাসনের সদস্যপদ অত্যন্ত সীমিত। সদস্যপদ প্রার্থীকে একজন পুরাতন সদস্যের নৈকট্য লাভ করতে হবে। ঐ পুরাতন সদস্য কোন ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে গ্রহণের যোগ্য বিবেচনা করলে ‘লজের’ সাধারণ অধিবেশনে উক্ত প্রার্থীর নাম প্রস্তাব করা হবে এবং অপর একজন সদস্য তা সমর্থন করবে। অন্য সদস্যগণ প্রস্তাব উত্থাপক ও সমর্থক সদস্যকে নানাভাবে জেরা করার পর সন্তোষজনক জবাব পেলে সদস্য পদপ্রার্থীকে কোন প্রকাশ্য অধিবেশনে ডাকা হবে। সেদিন সকল সদস্য তাকে ভাল করে দেখে নিবে এবং তার পরিচয় গ্রহণ করবে। তারপর বেশ কিছুদিন যাবৎ সদস্যগণ ব্যক্তিগত ভাবে সদস্য পদপ্রার্থী সম্পর্কে গোপন খবরাখবর সংগ্রহ করবে। অবশেষে একদিন এ বিষয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক সদস্যকে কালো ও সাদা রং-এর দুটি করে কাঠের তৈরী গুলী দেয়া হবে। পাশ্ববর্তী একটি কামরায় দু’টি বাক্স থাকে। একটি বাক্সে লেখা থাকে ব্যালট এবং অপরটিতে ওয়েষ্ট। সাদা গুলিটির অর্থ ‘হ্যাঁ’ আর কালোটির ‘না।’ সদস্যগণ একের পর এক পার্শ্ববর্তী কামরায় গিয়ে হাতের গুলী দু’টি নিজের ইচ্ছামত বাক্স দুটিতে ভাগ করে রেখে আসে। কিন্তু কোন সদস্যই অপর সদস্যের ভোট সম্পর্কে কিছুই জানতে পারে না। অবশেষে ভোট গণনা করা হয়। ব্যালটের বাক্সে সব সাদা গুলী পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সদস্য করে নেয়া হয়। যদি এর মধ্যে একটি কালো গুলী পাওয়া যায়, তাহলে সেক্রেটারী ব্যালট বাক্সে কালো গুলি নিক্ষেপকারীকে গোপনে গোপনে খুঁজে বের করেন এবং তার কাছ থেকে ‘না’ সূচক ভোট দানের কারণ জেনে নেন। যদি গুরুতর ধরণের আপত্তিকর কোন কারণ না থাকে তাহলে প্রার্থীকে সদস্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়। কিন্তু যে প্রার্থীর ব্যালট বাক্সে দু’টি কালো গুলী পাওয়া যাবে তাকে কিছুতেই সদস্য হিসেবে গ্রহণ করা হবে না।

            নয়া সদস্যকে ‘লজে’ সকল সদস্যের উপস্থিতিতে আসন গ্রহণ করতে হয়। সে সময় তাকে নিজের পোশাকের পরিবর্তন করে লজের বিশেষ পোশাক পরিধান করে, চোখ বাঁধা অবস্থায় শুধু বাম পায়ের উপর ভর করে দাঁড়াতে হয়। আর এক হাত থাকে পবিত্র গ্রন্থের উপর এবং অপর হাতে ধরা থাকে একখানা কম্পাস। কম্পাসের একটি কাঁটা খোলা বুকে চামড়ার উপর লাগানো অবস্থায় দাঁড়িয়ে সদস্যকে উচ্চস্বরে নিম্নের শপথবাণী উচ্চারণ করতে হয়ঃ “আমি শপথ করে বলছি যে, আমি কখনও সজ্ঞানে ফ্রি-ম্যাসনের গোপন তথ্য ও রহস্যবাণী ফাঁস করবো না এবং প্রাচীন কাল হতে আমরা যে সব গুপ্ত জ্ঞান ও কলাকৌশল সংগোপনে অর্জন করে আসছি তা সংরক্ষণের জন্যে পূর্ণরূপে চেষ্টা করবো। আমি যদি এ শপথ ভঙ্গ করি, তাহলে যেন আমার গলার রগ কেটে দেয়া হয়, আমার জিহবা টেনে বের করা হয় এবং আমি যেন সমুদ্রের অতল তলায় তলিয়ে যাই।” প্রতিটি নতুন সদস্যের উপর প্রথমে খুব কড়া নজর রাখা হয় যেন সে ফ্রি-ম্যাসনের উদ্দেশ্যের বিপরীত কোন কাজে লিপ্ত হতে না পারে।

            ফ্রি-ম্যাসন লজের সদস্যগণ বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত। ফ্রি-ম্যাসনদের ভাষায় এ শ্রেণীকে বলা হয় ‘ডিগ্রী।” ১ম, ২য়, ৩য় এভাবে ৩৩ টি ডিগ্রী রয়েছে। এক ডিগ্রীর সদস্যবৃন্দ অপর ডিগ্রী সদস্যের পরিচয় ও কার্যকলাপ সম্পর্কে কিছুই জানতে পারে না। সদস্য পুরানো ও নির্ভরযোগ্য বিবেচিত হলে পরবর্তী পদোন্নতি লাভ করে এবং তখনই ঐ ডিগ্রীর গুপ্ত তথ্যাবলী জানতে পারে। প্রতিটি ডিগ্রীর সদস্যদের জন্য পৃথক পৃথক উপাধি ব্যাজ রয়েছে। ‘রেড ক্রস নাইট’, ‘নাইট অব্ মালটা।’

ৎ ‘সিক্রেট মাষ্টার’, ‘নাইট অব্ দি ইষ্ট’ হচ্ছে ফ্রি-ম্যাসন সদস্যদের বিভিন্ন ডিগ্রীর উপাধী। এদের ব্যাজগুলো এরা কখনও লজের বাইরে ব্যবহার করে না। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের সাংকেতিক শব্দ দ্বারা এরা পারস্পরিক মনোভাব প্রকাশ করে। সাধারণ পার্টি ও আনুষ্ঠানাদিতে পরস্পর পরস্পরকে চিনতে পারে। এদের পোশাকে বিশেষ ধরণের চিহ্ন বা দাঁড়ানোর বিশেষ ভঙ্গি থেকেই ফ্রি-ম্যাসনের একজন সদস্য অপরজনকে চিনতে পারে। একজনের বাড়ীতে অপর জন দেখা করতে গেলে দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ শুনেই বাড়ীর মালিক বুঝতে পারে যে, তারই মত একজন সম্পাদক ফ্রি-ম্যাসনের সদস্য বাইরে দাঁড়িয়ে আছে। সদস্যগণ পরস্পরকে “ভাই” বলে সম্বোধন করে।      বিভিন্ন দেশে ‘লজ’ স্থাপন করে অতি সংগোপনে এরা কি ধরণের আন্দোলন করে তা কারো জানা নেই। অথচ প্রায় সকল দেশেই এদের তৎপরতা চলছে। সমাজের উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তিবর্গ, উচ্চপদস্থ সরকারী ও বে-সরকারী কর্মচারীবৃন্দকে এরা এ দলের সদস্য করে নেয়ার চেষ্টা করে। একটি লজে হয়তবা একজন বা দুজন ইহুদী সদস্য থাকতে পারে। এমনকি দৃশ্যতঃ কোন ইহুদী না থাকতেও পারে; কিন্তু তাতে কিছুই আসে যায় না। লজের কার্যসূচী এমনভাবে প্রণয়ন করা হয় যেন ইহুদী স্বার্থের অনুকূলে এর তৎপরতা পরিচালিত হয়। অনেক সদস্য তো বুঝতেই পারে না যে, তারা ইহুদী স্বার্থের পক্ষে কাজ করছে।

সাইয়্যিদ মুহম্মদ আলমগীর, ঢাকা।

খতমে নুবওওয়াত প্রচার কেন্দ্র খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় (যেমন- কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি) (তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩দিন। এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড)

রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নাম মুবারকের পূর্বে র্ববহৃত লক্বব বা উপাধি এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ

ইলমে আকলিয়ার দৈন্য এবং বিলায়েতের অনুপস্থিতির কারণে প্রকৃত আলিমে দ্বীন তৈরি হচ্ছে না।

একই অঙ্গে বহু রূপে সজ্জিত স,আ, ত, ম আলাউদ্দিনের বিকৃত রুচি সম্পন্ন লিখার প্রতিবাদে

মানব ক্লোনিং- পরিণতি ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা