শুধু আজকের প্রেক্ষাপটে নয়, অতীত ইতিহাস হতেই ইহুদী-খ্রীষ্টানরা মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু মুসলিম সন্ত্রাসবাদ নয়, মার্কিন হামলার পেছনে কি ইহুদী-খ্রীষ্টানরাই দায়ী নয়? -৪

সংখ্যা: ১০২তম সংখ্যা | বিভাগ:

 স্বাধীনতার পর থেকেই বিশেষতঃ আশি এবং নব্বইয়ের দশকের প্রায় শেষ ভাগ পর্যন্তও বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোতে সমৃদ্ধিলাভের জন্য মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার ঢল নেমেছিলো। এমনকি অনেক নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যরাও যদি কোন উপায়ে সৌদি আরব পৌঁছতে পারতো তাহলে মাত্র এক/দু বছরের মাথায় সে তার পরিবারকে স্বনির্ভর তো বটেই অনেকটা উচ্চবিত্তের পর্যায়ে পৌঁছাতে পারতো। একটি সাধারণ ড্রাইভারও তখন হাজার বিশেক টাকা মাসে কামাতে পারতো। একই অবস্থা ছিলো ইরাক, কাতার, কুয়েত, দুবাই তথা গোটা মধ্য প্রাচ্যেরই। যার ফলে নানা রাজনৈতিক সীমাবদ্ধতার পরও সে সময়ে এদেশের জনগোষ্ঠীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ অনেকটা সমৃদ্ধ হয়েছিলো। দেশে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রার আমদানী হয়েছিলো যা জাতীয় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতেও বিরাট সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিলো। আর মধ্য প্রাচ্যের সমৃদ্ধ মুসলিম দেশের প্রেক্ষিতে উন্নয়ণশীল মুসলিম বিশ্বের এই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির বিষয়টি অগোচরে থাকেনি মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী-খ্রীষ্টান বিশ্বের কাছে। কারণ ইহুদী-খ্রীষ্টানরা জানে মুসলিম বিশ্ব যদি অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হয়, তাদের মাঝে যুদ্ধহীন স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় থাকে, তাহলে তারা নিজস্ব স্বকীয়তায় চেতনা মন্ডিত হয়ে বিশ্বের মাঝে শির উঁচু করে থাকবে।  এতদ্বপ্রেক্ষিতে ইহুদী-খ্রীষ্টানরা চায় সর্বদাই মুসলিম বিশ্বকে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল রাখতে এবং তাদের স্থিতিশীলাবস্থা ব্যাহত করে যুদ্ধে জড়িয়ে দিতে।  উপসাগরীয় যুদ্ধে ইরাক-ইরান, সৌদি আরব-কুয়েত যুদ্ধ, আফগানিস্তানে আক্রমন সব কিছুই মূলতঃ ইহুদী-খ্রীষ্টানদেরই নীল নক্শার বাস্তবায়ন। আজকে সৌদি আরবে এদেশ থেকে গিয়ে তিন/চার হাজার টাকার চাকুরী পাওয়া কষ্টসাধ্য। আর শুধু সৌদি আরবই নয় গোটা মধ্য-প্রাচ্যই এখন অর্থনৈতিকভাবে যুদ্ধের বিশাল ব্যয় ভার বহনে অতি করুণ অবস্থার শিকার। আর এ ধরণের নীল নক্শা ইহুদী-খ্রীষ্টানরা অনেক আগ থেকেই গোপনীয়ভাবে করে রেখেছে। যদিও তা পরবর্তীতে অনেকটাই প্রকাশিত হয়েছে। এ ধরণের একটি পুস্তক হচ্ছে “প্রটোকল।”   “প্রটোকল” পুস্তক একটি মূল্যবান দলীল। দুনিয়ার মানুষকে সর্বপ্রথম এ বইটি সম্পর্কে অবহিত করেন প্রফেসর সারকিল এ নাইলাস নামক জনৈক গোঁড়া রুশীয় পাদ্রী। ১৯০৫ সালে প্রফেসর নাইলাস নিজে উদ্যোগী হয়ে বইটি প্রকাশ করেন। বইয়ের ভুমিকায় তিনি উল্লেখ করেন যে, “ইহুদী ফ্রি-ম্যাসন ষড়যন্ত্রের কেন্দ্রস্থল” ফ্রান্সের একটি ফ্রি-ম্যাসন লজ থেকে জনৈক মহিলা(সম্ভবতঃ হিব্রু ভাষায় লিখিত) মূল বইটি চুরি করে এনে তাঁকে উপহার দেন।

উল্লেখ্য যে, এ ঘটনার পর কোন মহিলাকেই আর ফ্রি-ম্যাসন আন্দোলনের সদস্য করা হয়না। সামাজিক অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে মহিলারা ফ্রি-ম্যাসন লজে যাবার অনুমতি পেলেও বৈঠকাদির সময় তাদের বের করে দেয়া হয়।    ১৯১৭ সালের জানুয়ারী মাসে প্রফেসর নাইলাস এ বইয়ের একটা নয়া সংস্করণ তৈরী করেন এবং বাজারে বের হবার আগেই ঐ বছর মার্চ মাসে রাশিয়ায় কম্যুনিষ্ট বিপ্লব সংঘটিত হয়। জার সরকারকে উচ্ছেদ করে ক্ষমতা দলখকারী কীরিনিস্কী সরকার প্রটোকলের সকল কপি বিনষ্ট করে ফেলে। কারণ এ বইয়ের মাধ্যমে রুশ বিপ্লবের গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে যাবার আশঙ্কা ছিলো। নাইলাসকে গ্রেফতার করে জেলে নিক্ষেপ করা হয় এবং অমানুষিক দৈহিক নির্যাতনের পর তাকে রাশিয়া থেকে তাড়িয়ে দেয়া হয়। ১৯২৯ সালের ১৩ই জানুয়ারী তিনি ভøাডিমিরে মারা যান।   কিন্তু তা সত্ত্বেও বইটির এত চাহিদা হয়েছিলো যে, ১৯৩৭ সাল পর্যন্ত এর ৪টি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। ছাপানো পুস্তক ছাড়া পাতলা কাগজে টাইপ করেও এটি প্রকাশ করা হয়েছিলো। ধান পাতার তৈরী এক প্রকার কাগজে লেখা একটি প্রটোকল পুস্তক সাইবেরিয়া  অঞ্চলে প্রচার করা হয়েছিলো। এরই এক কপি ১৯৩৯ সালে আমেরিকায় পৌঁছে এবং সেখানে এর অনুবাদ প্রকাশিত হয়।  প্রটোকোলের ইংরেজী অনুবাদক ছিলেন ভিক্টরই মারসডেন। ইনি একজন ইংরেজ সাংবাদিক। দীর্ঘকাল রাশিয়ায় বসবাস করে এক রুশ মহিলাকে তিনি বিয়ে করেন। তিনি মর্নিং পোষ্ট পত্রিকার রুশীয় সংবাদদাতা হিসাবে কাজ করতেন। ১৯১৭ সালের বিপ্লব তিনি স্বচক্ষে দেখে এর লোমহর্ষক হত্যাকান্ড সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ সংবাদপত্রে প্রেরণ করেন। এজন্য তাঁকে গ্রেফতার করে দু’বছর “পিটার পল” জেলে রাখা হয় এবং সেখান থেকে মুক্তির পর ইংল্যান্ডে ফিরে এসে তিনি বৃটিশ মিউজিয়ামে বসে প্রটোকোলের তরজমা করেন। বলশেভিক বিপ্লবের পর রাশিয়া থেকে পালিয়ে যে সব লোক আমেরিকা ও জার্মানীতে আশ্রয় নেয়, তারাও প্রফেসর নাইলাস অনুদিত প্রটোকোলের কিছু কপি সঙ্গে নিয়ে আসে।      নাইলাস ধর্মে খৃষ্টান ছিলেন। তিনি স্বীয় ধর্মকে ইহুদী ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যেই এ বইটি বিশ্ববাসীর কাছে পেশ করার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠেছিলেন।  প্রটোকল বইটি গুপ্ত চক্রান্ত মারফত বিশ্ব সমাজ গঠনের ইহুদী পরিকল্পিত একটি নীল নক্শা। এ নীল নক্শায় যে ধরণের বিশ্ব রাষ্ট্রের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এক কথায় তাকে পুলিশী রাষ্ট্র বলা যেতে পারে।          সাম্প্রতিক ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে যে, পৃথিবীতে যে কয়টি বড় ধরণের ঘটনা বা দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে তার সবগুলোই প্রটোকল বইয়ে পূর্ব থেকেই ভবিষ্যৎবাণীর মত লিপিবদ্ধ রয়েছে।  আমরা বইটির এই গুরুত্ব উপলব্ধি করে ইংরেজী থেকে তার বাংলা অনুবাদ এখানে পেশ করছি। চিন্তাশীল পাঠক তা মনোযোগ সহকারে পাঠ করলে বিশ্বব্যাপী ইহুদী ষড়যন্ত্র সম্পর্কে একটা সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারবেন। নিম্নে প্রটোকোল পুস্তকে বর্ণিত ইহুদীদের নিজস্ব অভিমত ও মুসলমান দমনের গোপন পরিকল্পনা বা নীল-নকশা তুলে ধরা হলো- “এ বিষয়ে আমাদের যথাসম্ভব লক্ষ্য রাখতে হবে যে যুদ্ধের ফলে যেন অঞ্চল বিশেষের কোনই ফায়দা হতে না পারে। যুদ্ধকে অর্থনৈতিক দিক থেকে এমন পর্যায়ে পৌঁছিয়ে দিতে হবে, যেন যুদ্ধরত জাতিসমূহ আমাদের অর্থনৈতিক সাহায্যের গুরুত্ব উপলব্ধি করতে বাধ্য হয় । অবস্থা যখন এ পর্যায়ে উপনীত হবে, তখন উভয় পক্ষই আমাদের আন্তর্জাতিক এজেন্টদের হাতের মুঠোয় চলে আসবে। আমাদের এজেন্টগণ লক্ষ লক্ষ চোখের দ্বারা অবিরাম দুনিয়ার ঘটনাবলী পর্যবেক্ষণ করে চলছে। কোন বাধা বিপত্তিই তাদের সদাজাগ্রত চোখগুলোর দৃষ্টিশক্তি যুদ্ধক্লান্ত জাতিগুলোর নিজস্ব শক্তি হরণ করবে এবং জাতিসমূহকে ঠিক সেভাবেই শাসন করবে, যেভাবে রাষ্ট্রের বেসামরিক আইন দেশবাসীর উপর শাসন চালায় এবং জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ন্ত্রিত করে। জনগণের মধ্য থেকে আমাদের প্রতি অনুগত যেসব লোককে আমরা শাসন পরিচালনার জন্য বাছাই করবো, তারা শাসন সংক্রান্ত ব্যাপারে আমাদের প্রতিভাশীল বিশেষজ্ঞদের হাতের পুতুলে পরিণত হবে। এসব বিশেষজ্ঞকে শৈশব থেকেই এ ধরণের অবস্থায় শাসন পরিচালনার জন্য উপযুক্ত ট্রেনিং দিয়ে তৈরী করা হয়েছে, যেন তারা ঐসব পুতুলকে সঠিক ভাবে নাচাতে পারে। আমাদের এসব বিশেষজ্ঞকে সর্বাত্মকভাবে শাসন ক্ষমতায় নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এজন্য তারা আমাদের রাজনৈতিক পরিকল্পনা থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করবে। ইতিহাসের ঘটনাবলী থেকে শিক্ষা গ্রহণ করবে এবং প্রতিটি মুহূর্ত দেশের ঘটনাবলীকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে ভবিষ্যতের কার্যসূচী স্থির করবে। অইহুদী তথা মুসলমানগণ সমাজ ইতিহাসের সঠিক পর্যবেক্ষণকে বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার অভিজ্ঞতা দ্বারা পরিচালিত নয়, বরং তারা বাঁধা ধরা নিয়মনীতি মেনে চলতে অভ্যস্ত। ঘটনাবলীকে সমালোচনার দৃষ্টিতে বিশ্লেষণ ও কার্যকর করণের ফলাফল বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করতে তারা অভ্যস্ত নয়।  আমাদের তাই তাদের প্রতি কোন গুরুত্ব আরোপ করা উচিত নয়। সময় না আসা পর্যন্ত তাদের আমোদ-স্ফুর্তিতে দিন কাটাতে দাও অথবা ভবিষ্যতে নতুন ধরণের সুখ ভোগের সম্ভাবনাময় আনন্দে বিভোর হয়ে থাকতে দাও অথবা অতীতে যে সব সুখ-সুবিধা ভোগ করেছে তার স্মৃতি চারণে ভুলিয়ে রাখ। আমাদের কার্যক্রমের চাহিদা পূরণের জন্য আমরা তাদের যে কাজে ব্যবহার করতে চাই, সে কাজ সম্পাদনে তাদের প্রধান ভূমিকায় নেমে আসার মত ব্যবস্থা গ্রহণ কর। এ উদ্দেশ্যের প্রতি লক্ষ্য রেখেই আমরা আমাদের প্রেস মারফত অবিরাম প্রচার চালিয়েছি, আমাদের নীতিগুলোর প্রতি জনগণের নির্ভুল আস্থা সৃষ্টির চেষ্টা করে চলছি।  অইহুদী তথা মুসলমান সমাজের বুদ্ধিজীবী মহলের মন-মগজকে আমাদের মতলব মত গড়ে তোলা এবং  উদ্দেশ্য সিদ্ধির পথে তাদেরকে ব্যবহার করার জন্য আমাদের দালাল গোষ্ঠির বিশেষজ্ঞরা অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সাথে বিশেষ ধরণের জ্ঞান ও তথ্য পরিবেশন করে চলেছে।

আর ঐ অইহুদী তথা মুসলমান বুদ্ধিজীবীর দল বিচার-বিশ্লেষণ না করেই আমাদের পরিবেশিত তথ্যগুলোকে গ্রহণ ও কার্যকর করতে যাচ্ছে।     আমাদের এসব উক্তিকে এক মুহূর্তের জন্যও ফাঁকা বুলি বলে বিবেচনা করো না; ডারউইনবাদ, মার্ক্সবাদ এবং নাৎসীবাদের সাফল্যের জন্য আমরা কি কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি, তা খুব  সাবধানে স্মরণ করে দেখ।  আমাদের ইহুদী সমাজের প্রতিটি লোকেরই অত্যন্ত স্পষ্টভাবে এসব মতবাদের অন্তর্নিহিত সংহতি বিরোধী নির্দেশাবলী লক্ষ্য করা উচিত।  রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক ব্যাপারে ভ্রান্ত পদক্ষেপ গ্রহণ থেকে রক্ষা পেতে হলে আমাদের জন্য বিভিন্ন জাতির চিন্তাধারা, নৈতিকমান ও মনোভাব পর্যবেক্ষণ করা অপরিহার্য।  আমাদের বিজয়ের জন্য যে নিয়ম-পদ্ধতি করা হয়েছে, তার যান্ত্রিক অংশগুলোকে যদি বিভিন্ন ধরণের স্বভাব ও চরিত্র সম্পন্ন লোকদের উপযোগী করে পেশ করতে ব্যর্থ হই এবং অতীতের ঘটনাবলী থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে বর্তমানে এসব নীতির বাস্তবায়নের সঠিক পন্থা নিরূপণ করতে না পারি, তাহলে আমাদের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ নিস্ফল হয়ে যাবে।  আধুনিক যুগের রাষ্ট্রগুলোর হাতে জনগণের চিন্তারাজ্যে বিপ্লব সৃষ্টিকারী একটি বিরাট শক্তি রয়েছে। আর সে শক্তিটি হচ্ছে সংবাদপত্র। এই সংবাদপত্র অত্যন্ত জরুরী কাজগুলোর ফিরিস্তি পেশ করে; জনগণের অভাব-অভিযোগ ও অসন্তুষ্টির কারণগুলো প্রকাশ করে আবার জনমনে অসন্তুষ্টি সৃষ্টিও করে। বাক্ স্বাধীনতার বিজয় সংবাদপত্রের মাধ্যমেই স্বীকৃতি লাভ করেছে। কিন্তু অইহুদী তথা মুসলিম রাষ্ট্রগুলো এ শক্তিটিকে কাজে লাগানোর সঠিক কৌশল আয়ত্ত করতে পারেনি। তাই সংবাদপত্র আমাদের হস্তগত হয়েছে।

সংবাদপত্রকে দখল করার জন্য আমাদেরকে অশ্রু ও রক্তের সাগর মন্থন করে- স্বর্ণ হাসিল করতে হয়েছে। তবু আমরা এ ত্যাগের বিনিময়ে যথেষ্ট পেয়েছি, যদিও আমরা এ কঠিন কাজ করতে গিয়ে আমাদের অনেক লোক হারিয়েছি। আল্লাহ পাক-এর দৃষ্টিতে আমাদের গোত্রের এক একটি মৃত ব্যক্তি এক হাজার অইহুদী তথা মুসলমানের সমতুল্য।” (নাউযুবিল্লা মিন যালিক)      পাঠক! এই হচ্ছে সারা বিশ্বব্যাপী ইহুদী প্রভূত্ব প্রতিষ্ঠার নীল নক্শার একটি অন্যতম ভাষ্য। আর এরই প্রেক্ষিতে ওরা মুসলমানদের থেকেও খুঁজে নেয় ওদের যোগ্য, বিশ্বস্ত ও কুশলী এজেন্ট তথা দালাল। আজকের সাদ্দাম, মোল্লা ওমর আর ওসামা বিন লাদেন ইহুদী-খ্রীষ্টানদের সেই এজেন্টের প্রতিভূ। অতএব ওদের থেকে সাবধান।

– সাইয়্যিদ মুহম্মদ আলমগীর, ঢাকা।

মতামত বিভাগ

মতামত বিভাগ

মতামত বিভাগ

মতামত বিভাগ

মতামত বিভাগ