সুলতানুল্লাহ্, জিল্লুল্লাহ, খলিফাতুল্লাহ্, খলিফাত্ রসূলিল্লাহ্, হুব্বু রসূলিল্লাহ্, আ’দালু উম্মাহ্, মারজাউ আহ্লিল্লাহ্, মিফতাহুল খাযায়িনিল র্আশ, আজওয়াদুন্ নাছ, শাইখুল আলম, জামিউল ইল্ম ওয়াল হিকাম, ইমামুল আইম্মা, মুহ্ইস্ সুন্নাহ্, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদুয্ যামান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা, ইমাম- রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধি এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-১৪

সংখ্যা: ১১৯তম সংখ্যা | বিভাগ:

-হযরত মাওলানা মুফতী সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল হালীম

হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে, انزلوا الناس منازلهم.

অর্থঃ- “আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ্ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, মানুষকে তাদের মর্যাদা অনুযায়ী সম্মান দান কর।” (আবু দাউদ, মিশকাত/৪২৪)

সুতরাং মানুষকে সম্বোধন করার ক্ষেত্রেও তার যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা তথা লক্বব বা উপাধি দ্বারা সম্বোধন করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর অন্তর্ভুক্ত।

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিয়্যীন, হাবীবুল্লাহ্ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত ছাহাবা-ই-কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণকে বিভিন্ন লক্বব দ্বারা সম্বোধন করতেন।  আফজালুন্ নাছ বা’দাল আম্বিয়া, খলীফাতু রসূলিল্লাহ্ হযরত আবু বকর ছিদ্দীক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুকে আতীকুল্লাহ্, ছিদ্দীক, উজিরু রসূলিল্লাহ্, আ’দালু উম্মাতি, তাজুল ইসলামসহ অসংখ্য লক্বব দ্বারা সম্বোধন করতেন। (তিরমিযী, মিশকাত/৫৫৬, ফিরদাউস- ১/৪৩৭)   আমিরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন হযরত উমর ইবনুল খত্তাব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুকে সম্বোধন করেছেন- মুহাদ্দিসু রসূলিল্লাহ্, লিসানুল্লাহ্, ফারুক, হুল্লাতুল ইসলাম ইত্যাদি। (আল ফিরদাউস-১/৪৩৯, তাবাকাত- ৩/২৭০) আমিরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন হযরত উছমান যুন্ নূরাইন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু-এর লক্বব দিয়েছেন- (محنة المنافقين) মিনহাতুল মুনাফিকীন, (اكليل الاسلام) ইকলিলুল ইসলাম ইত্যাদি। (আল  ফিরদাউস১/৪৩৮)    আমিরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন হযরত আলী র্কারামাল্লাহু ওয়াজ্হাহু রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুকে ‘আবু তুরাব, আসাদুল্লাহ্, সাইয়্যিদুল আরব, হায়দার ইত্যাদি লক্বব মুবারক দ্বারা সম্বোধন করতেছেন।    হযরত হাসান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং হুসাইন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুকে ‘সাইয়্যিদা শাবাবে আহলিল জান্নাহ, রাইহানুদ্ দুনিয়া’, হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুকে ‘ছহিবুস্ সির’ হযরত আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা তায়ালা আনহুকে ‘খাতিমাতুল মুহাজিরীন,’ হযরত আবু উবাইদাহ ইবনে র্জারা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুকে ‘আমিনু হাজিহিল উম্মাহ,’ হযরত হানযালা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুকে ‘গাসীলুল মালাইকা,’ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুকে ‘হিররুল উম্মাহ,’ হযরত খুজাইমা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুকে ‘জুশ্ শাহাদাতাইন,’ হযরত জাফর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুকে ‘ত্বইয়ার,’ ‘জুল যানাহাইন,’ হযরত হামযাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুকে ‘সাইয়্যিদুশ্ শুহাদা,’ হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুকে ‘সাইফুল্লাহ’সহ আরো অনেক লক্বব দান করেছেন। এমনিভাবে সমস্ত ছাহাবা-ই-কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুকে অসংখ্য লক্বব দ্বারা সম্বোধন করতেন। যার কিঞ্চিৎ আলোচনা করলে বিরাট আকারের কিতাব প্রণীত হবে।

শুধু ছাহাবা-ই-কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণকেই নয় বরং হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুনিয়া হতে পর্দা করার উত্তরকালে সল্ফে সলিহীন, ইমাম-মুজতাহিদ, আউলিয়া-ই-কিরামগণকেও অসংখ্য লক্বব দ্বারা সম্বোধন করেছেন। এমনকি ক্বিয়ামত পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে। যেমন, তিনি ইমামূল আইম্মা, ইমামে আ’যম হযরত আবূ হানিফা রহমতুল্লাহি আলাইহিকে ‘ইমামুল মুসলিমীন’ খেতাবে সম্বোধন করেছেন। গাউছুল আ’যম, হযরত বড় পীর আব্দুল ক্বাদির জিলানী রহমতুল্লাহিকে মাহবুবে সুবহানীসহ অনেক লক্বব দ্বারা সুসংবাদ দিয়েছেন। গরীবে নেওয়াজ, হাবীবুল্লাহ খাজা মুঈনুদ্দীন হাসান চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহিকে ‘সুলতানুল হিন্দ’, ‘কুতুবুল মাশায়িখ,’ ইত্যাদি লক্বব দ্বারা সম্বোধন করতঃ ছালামের জাওয়াব দিয়েছিলেন।

আফজালুল আউলিয়া, কাউয়্যূমে আউওয়াল, শায়েখ আহমদ ফারুকী সিরহিন্দী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে ‘মুজাদ্দিদে আলফে ছানী’, ‘মুজতাহিদে কালাম,’ লক্বব মুবারক দ্বারা সম্বোধন করেছেন। (মাকতুবাত শরীফ- ১/১৫৬), মাবদা ওয়া মায়াদ, কামউদ ‍দুরার, রওজাতুল কাইয়ুমিয়াত, আনিসুল আরওয়াহ/৩৭)

হযরত বাইজিদ বোস্তামী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে সুলতানুল আরিফীন লক্বম মুবারক দ্বারা ভূষিত করেছেন।

মূলত: যখন কোন বান্দার আমল, আখলাক, আচার-আচারণে সন্তুষ্ট হন তখন সেই সন্তুষ্টি-রেযামন্দির বহিঃপ্রকাশ স্বরূপ উনাকে উনার উপযুক্ত লক্বব মুবারক বা উপাধি দ্বারা সম্বোধন করেন।

সেই পারাবাহিকতায় বর্তমান যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাকেও মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলমসহ অসংখ্য লক্বব মুবারক দ্বারা সম্বোধন করেছেন।

মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাওলানা রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নাম মুবারক উনার পূর্বে ব্যবহৃত “মুহইস সুন্নাহ” লক্বব মুবারক বা উপাধির তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-১৯৮

আশরাফুল আউলিয়া, খতীবে আ’যম, ফখরুল আউয়ালীন ওয়াল আখিরীন,  মুহীবুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাহবুবে রাব্বুল আলামীন, শায়খু কালীমুল্লাহ, কুদ্ওয়াতুল উলামা ওয়াল মাশায়িখ, মাখদুমে আলম, সিবগাতুল্লাহ, আহলুল্লাহ, মাশগুলুল হক, শামছুল আরিফীন, তাজুল আসফিয়া,  সাইয়্যিদুনা, ইমাম রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধী এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ – ৪

আশরাফুল আউলিয়া, খতীবে আ’যম, ফখরুল আউয়ালীন ওয়াল আখিরীন,  মুহীববু নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাহবুবে রাব্বুল আলামীন, শায়খু কালীমুল্লাহ, কুদ্ওয়াতুল উলামা ওয়াল মাশায়িখ, মাখদুমে আলম, সিবগাতুল্লাহ, আহলুল্লাহ,মাশগুলুল হক, শামছুল আরিফীন, তাজুল আসফিয়া,  সাইয়্যিদুনা, ইমাম রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধী এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ – ৫

সাইয়্যিদুশ্ শাকিরীন, শাইখুল মুজাহিদীন, সুলত্বনুত্ ত্বহিরীন, ইমামুর রাশিদীন, মুর্শিদু উইলদে আদম, ইমামুস্ সুন্নাহ্, ছহিবে আসরার, যুবদাতুল আরিফীন, মাহ্বুবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, কাবিরুল আউলিয়া, ইমামুল আ’যম, বদরুদ্দীন, হাদীয়ে আকরাম, জারুল্লাহ্, সাইয়্যিদুল আবরার, সাইয়্যিদুনা, ইমাম – রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম  মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধি এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-৬

রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধি এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-৭