মুহম্মদ নূরুল হুদা ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা। সুওয়ালঃ- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবিয়্যীন, হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পিতা-মাতা (রাঃ) জান্নাতি কি-না? এ সম্পর্কে আমাদের কি আক্বীদা রাখতে হবে? কুরআন-সুন্নাহ্ আলোকে জানিয়ে বাধিত করবেন। জাওয়াবঃ- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবিয়্যীন,
চিরকালই হক্ব প্রতিষ্ঠার নিয়মে ওদের বিরোধীতায় হ্রাস নয়, জোয়ার এসেছে আবুল হাকাম বা জ্ঞানীর পিতা হওয়া সত্বেও তার নাম আবু জেহেল বা মূর্খের পিতা হওয়ার কারণটা কি? জ্ঞানীর পিতা দাবী করেও, আখেরী রাসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু
কাদিয়ানী রদ! (১) (পঞ্চম ভাগ) (মুবাহিছে আযম, বাহরুল উলূম, ফখরুল ফোক্বাহা, রইছুল মোহাদ্দিসীন, তাজুল মোফাসসিরীন, হাফিজে হাদীস, মুফতীয়ে আজম, পীরে কামিল, মুর্শিদে মোকাম্মিল হযরত মাওলানা আল্লামা শাহ্ সূফী মুহম্মদ রুহুল আমিন (রঃ) কর্তৃক প্রণীত “কাদিয়ানী রদ” কিতাবখানা (৬ষ্ঠ খন্ডে সমাপ্ত)
আল বাইয়্যিনাত প্রতিবেদনঃ ইল্ম, আমল ও ইখলাস ব্যতীত আল্লাহ পাক-এর সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব নয়। এ জন্যে ইলমে ফিকাহ ও ইলমে তাসাউফ দুটোই শিক্ষা করতে হবে। ইমামুল আইম্মা, মুহিয়্যুস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুযাদ্দিদে জামান, আওলাদে রাসূল, ঢাকা রাজারবাগ শরীফের
সব সানা সিফত মহান রাব্বুল আলামীনের। যার সর্বোত্তম সানা-সিফত করেছেন রহমাতুল্লিল আলামীন, মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তিনি বলেন, “আয় আল্লাহ্ পাক, আপনি তো ঐ রকমই যেমনটি নিজেকে নিজে বর্ণনা করেছেন।” আর সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
(ধারাবাহিক) কাজেই আজকে একজন সন্তান, কালকে সে পিতা হবে। আজকের সন্তান সে কালকে মাতা হবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে প্রত্যেকেই সেটা হয়েছে এবং হবে। কাজেই তাদের দায়িত্ব ঠিক সে অনুযায়ী পালন করা উচিৎ। আর পিতা-মাতা যখন ইন্তেকাল করে তাঁদের তখন হায়াত অবস্থায় সন্তানের
(ধারাবাহিক) খিলাফত লাভ নিয়ামতের নির্যাস ধারণ ও বহণের পরিপূর্ণ যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও হযরতুল আল্লামা সাইয়্যিদ মুহম্মদ মুখলেছুর রহমান রহমুল্লাহি আলাইহি-এর জন্য প্রস্তুত ছিলেন না। মূলতঃ প্রধান খলীফা মনোনীত হবার বিষয়টি তাঁর অজ্ঞাত ছিল। এই পরম নিয়ামতে অভিষিক্ত হওয়া সম্পর্কে মুরীদ অনবহিত
(ধারাবাহিক) হাদীস শরীফে এরশাদ হয়েছে, خياركم الذين اذا رئوا ذكر الله. অর্থঃ “তোমাদের মাঝে তাঁরাই সর্বোত্তম ব্যক্তি যাঁদের জিয়ারতে বা সাক্ষাতে আল্লাহ্ পাক-এর কথা স্মরণ হয়ে যায়। (মেশকাত শরীফ) যেহেতু তাঁরা সর্বদাই আল্লাহ্ পাক-এর ধ্যান-খেয়ালে মশগুল থাকেন। ফলে তাঁদের
(ধারাবাহিক) প্রসঙ্গঃ পীর সাহেবের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়কে সর্বশ্রেষ্ঠ ও বরকতময় মনে করতঃ যথাযথ তাজীম তাকরীম করার গুরুত্ব। হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, كم من صائم ليس له من صيامه الا الظمأ وكم من قائم ليس له من قيامه الا السهر.
(ধারাবাহিক) সূলতানুল মাশায়েখ রহমতুল্লাহি আলাইহি আরো বলেন, হযরত শায়খ বদরুদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি (শেষ জীবনে) বয়স বেশী হওয়ার দরুণ অত্যন্ত কমজোর, দুর্বল হয়ে গিয়েছিলেন। লোকেরা বললো, আপনি বৃদ্ধ হয়ে পড়েছেন (কিন্তু আশ্চর্য হলো) এখনো সামার মজলিশে কিভাবে জজবা ও হাল
-মুফতী, মাওলানা সাইয়্যিদ শোয়াইব আহমদ সর্বশ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে সম্মানিত রবিউল আউয়াল মাসের পরবর্তী মাসই হচ্ছে রবিউস্ সানী বা রবিউল আখের। আরবী অভিধানে রবিউন শব্দের অর্থ বসন্তকাল। আর আউয়াল শব্দের অর্থ প্রথম এবং ছানী বা আখের শব্দের অর্থ দ্বিতীয়। রবিউন নামের দু’টি
মুহম্মদ শিহাবুদ্দীন পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম। সুওয়ালঃ- মাসিক মদীনা মে/২০০০ ঈঃ সংখ্যায় প্রশ্নোত্তর বিভাগে ১২ নং প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়েছে, “একখানা ছহীহ হাদীসে আছে যে, তিনটি মসজিদ ব্যতীত অন্য কোন স্থানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করো না। অর্থাৎ, তিনটি মসজিদ ছাড়া অন্য কোন পবিত্র স্থান
আল বাইয়্যিনাত প্রতিবেদনঃ- প্রতিটি বান্দার জন্য আল্লাহ্ পাক-এর সন্তুষ্টি, আল্লাহ্ পাক-এর রাসূল হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সন্তুষ্টি অর্জন করা ফরজ-ওয়াজিবের অন্তর্ভূক্ত। ইমামুল আইম্মা, মুজাদ্দিযুয্যামান, আওলাদে রাসূল, ঢাকা রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর সাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী কেন্দ্রীয় আঞ্জুমানে
(পঞ্চম ভাগ) (মুবাহিছে আযম, বাহরুল উলূম, ফখরুল ফোক্বাহা, রইছুল মোহাদ্দিসীন, তাজুল মোফাসসিরীন, হাফিজে হাদীস, মুফতীয়ে আজম, পীরে কামিল, মুর্শিদে মোকাম্মিল হযরত মাওলানা আল্লামা শাহ্ সূফী মুহম্মদ রুহুল আমিন রহমতুল্লাহি আলাইহি কর্তৃক প্রণীত “কাদিয়ানী রদ” কিতাবখানা (৬ষ্ঠ খন্ডে সমাপ্ত) আমরা মাসিক
গবেষণা কেন্দ্র : মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ [সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীনের জন্যে এবং অসংখ্য দরূদ ও সালাম আল্লাহ্ পাক-এর হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবিয়্যীন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি। মহান আল্লাহ্ পাক-এর অশেষ রহ্মতে আমাদের গবেষণা কেন্দ্র, “মুহম্মদিয়া
(প্রথম পর্ব) “বৃক্ষ তোমার নাম কি ফলে পরিচয়।” অর্থাৎ সাধারণতঃ ফলের দ্বারাই বৃক্ষের পরিচয় পাওয়া যায়। কারণ আম বৃক্ষে আমই হয়, জাম বৃক্ষে জামই হয় এবং কাঠাল বৃক্ষে কাঠালই হয়ে থাকে। এর ব্যতিক্রম হওয়াটা সম্পূর্ণরূপে অস্বাভাবিক। উল্লিখিত প্রবাদ বাক্যের পূর্ণ
অবশেষে শুকর দুইটির একটির লাথির আঘাতেই শিয়া ব্যক্তিটির মৃত্যু হইয়াছিল। আফজালুন্নাছ বা’দাল আম্বিয়া (হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস্ সালাম-এর পর শ্রেষ্ঠ মানুষ) হযরত আবূ বকর সিদ্দীক রদিয়াল্লাহু আনহু এবং লিছানুল্লাহ্ (যার জবান মোবারকে মহান আল্লাহ্ পাক কথা বলেন) হযরত ওমর ফারুক রদিয়াল্লাহু
(জাহিল মাহিউদ্দীনের মদীনা পত্রিকার এপ্রিল/২০০০ঈঃ সংখ্যার প্রলাপের জবাব) আল্লাহ পাক কোন মশার উপমা দিতেও কুক্তাবোধ করেননা। সত্য উপমা দেয়া মহান আল্লাহ্ পাক ও তাঁর রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নত। পক্ষান্তরে মিথ্যা উপমা দেয়া কাফিরদের খাছলত। সত্যকে মিথ্যা প্রতিপাদন করাও ওদের
কুদরতময় আল্লাহ্ পাক-এর জন্য সমস্ত প্রশংসা। যিনি লা-শরীক। তাওহীদের ধারক-বাহক সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবিয়্যীন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি সকল সালাত ও সালাম। তাওহীদ আর তাসাউফ পরস্পর অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। বিশুদ্ধ তাওহীদ মূলতঃ আল্লাহ্ তায়ালার জাত-পাকের পরিচয়
(ধারাবাহিক) তৃতীয়তঃ اكرام صديقهما তাঁদের যারা বন্ধু-বান্ধব থাকে তাঁদের সাথে সদাচরণ করা। কেমন আচরণ করবে? কিতাবে উল্লেখ করা হয়, হযরত আবূ বুরদা রদিয়াল্লাহু আনহু ছাহাবী ছিলেন। তিনি মদীনা শরীফের বাইরে থাকতেন। তিনি বর্ণনা করেন যে, আমি একবার বাইরে থেকে মদীনা শরীফে
(ধারাবাহিক) মুর্শিদের ইন্তিকালে আবার বিরহকাতরতা হযরতুল আল্লামা সাইয়্যিদ মুহম্মদ মুখলেছুর রহমান রহমতুল্লাহি আলাইহি দশ বছর হযরত শেখ বোরহানুদ্দিন ফরাজীকান্দি রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর মোবারক সোহবতে ছিলেন। প্রাণের আঁকা মুর্শিদ দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন। তাঁর ইন্তিকালে হৃদয়ের গভীরে আবার অতলান্ত বেদনার আবহ। প্রথম
(ধারাবাহিক) ঐসব জ্ঞান ওলামায়ে “ছু”দের স্মরণে আল্লামা ইকবাল কত উত্তম বলেছেন, “ধর্ম শুধু কিতাবসমূহে তালাশ করোনা। কিতাবসমূহ দ্বারা শুধু জ্ঞান-বিজ্ঞান অর্জিত হয়। আর দ্বীন বা জীবন ব্যবস্থা অর্জিত হয় কামিল ব্যক্তির কৃপা দৃষ্টিতে। নিজের শরীরকে কিমা করে নাও, এভাবে যে কোন
(ধারাবাহিক) পীর সাহেব ও মুরীদের সম্পর্ক প্রসঙ্গে ২২। পীর সাহেব-এর ব্যবহৃত খাছ কোন কিছুই ব্যবহার করবে না। তাঁর জায়নামাজ বা সেন্ডেলের উপর পা রাখবে না। ওজু-গোছলের স্থানে ওজু-গোছল করবে না। পায়খানা-প্রস্রাবখানার ক্ষেত্রেও একই হুকুম। (মাকতুবাত শরীফ) পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে
(ধারাবাহিক) হিকায়েতঃ একবার হযরত খাজা ফরীদুদ্দীন মাসউদ গন্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর পরনের একটি জামা পুরাতন এবং ছেড়া ছেড়া হয়ে গিয়েছিল। এক ব্যক্তি এসে তাঁকে একটি জামা দান করলো। তিনি প্রথমে (তার মন রক্ষার্থে) জামাটি পরিধান করলেন বটে; কিন্তু পরক্ষণেই সাথে সাথে
-হযরত মাওলানা মুফতী সাইয়্যিদ শোয়াইব আহমদ আরবী পঞ্চম মাসের নাম জুমাদাল উলা। অভিধানে “জুমাদা” শব্দের অর্থ লেখা হয়েছে জমাট পানি বা বরফ। আর ‘‘উলা’’ শব্দের অর্থ প্রথম। কাওয়ায়েদ অনুসারে ‘‘জুমাদা’’ শব্দটি মুয়ান্নাছ (স্ত্রী লিঙ্গ) হওয়ায় তার সাথে মিল রেখে আউয়াল
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবিয়্যীন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর যেমন গুরুত্ব ও মর্যাদা ঠিক তাঁর সংশ্লিষ্ট সুন্নত বা যে কোন বিষয়েরই অনুরূপ গুরুত্ব ও মর্যাদা রয়েছে। ইমামুল আইম্মা, মুহিয্যূস্ সুন্নাহ, মুযাদ্দিদুযযামান, আওলাদে রাসূল, ঢাকা রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর
প্রফেসর ডঃ মুহম্মদ নুরুদ্দীন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ব বিদ্যালয়, ময়মনসিংহ। সুওয়ালঃ- মাসিক মদীনা ডিসেম্বর ১৯৯৯ ঈঃ সংখ্যার ৪৮ নং পৃষ্ঠায় নির্বাচন ভিত্তিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ভোটদান সম্পর্কে একটি প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়- (১) সহীহ্ অর্থে মুসলমানদের প্রকৃত শাসক হচ্ছে পবিত্র কোরআন এবং রসূলের
(পঞ্চম ভাগ) (মুবাহিছে আযম, বাহরুল উলূম, ফখরুল ফোক্বাহা, রইছুল মোহাদ্দিসীন, তাজুল মোফাসসিরীন, হাফিজে হাদীস, মুফতীয়ে আজম, পীরে কামিল, মুর্শিদে মোকাম্মিল হযরত মাওলানা আল্লামা শাহ্ সূফী মুহম্মদ রুহুল আমিন রহমতুল্লাহি আলাইহি কর্তৃক প্রণীত “কাদিয়ানী রদ” কিতাবখানা (৬ষ্ঠ খন্ডে সমাপ্ত) আমরা মাসিক
[সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীনের জন্যে এবং অসংখ্য দরূদ ও সালাম আল্লাহ্ পাক-এর হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবিয়্যীন, হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি। মহান আল্লাহ্ পাক-এর অশেষ রহ্মতে আমাদের গবেষণা কেন্দ্র, “মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ”-এর ফতওয়া বিভাগের তরফ থেকে,
হামদ ও সুজুদ মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। ছলাত ও সালাম নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য এবং উনার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের জন্য। হামদ ও শুকরিয়া মহাসম্মানিত হযরত মুরশিদ কিবলা আলাইহিস সালাম