আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ও মাহফিল সংবাদ

সংখ্যা: ১৯৯তম সংখ্যা | বিভাগ:

আল বাইয়্যিনাত প্রতিবেদন: নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ-এ অবতীর্ণ শুরু হওয়া পবিত্র কুরআন মাজীদের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ বা হাক্বীক্বত উপলব্ধি করতে হলে “খুলকুন আ’যীম” বা “খুলুকুহুল কুরআন” নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে গভীরভাবে উপলব্ধি করতে হবে। উনার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হাদীছ শরীফও সম্যকভাবে বুঝতে হবে। এসব কিছুর হাক্বীক্বত উপলব্ধিতে প্রয়োজন খোদায়ী প্রজ্ঞা বা অন্তর দৃষ্টিযুক্ত জ্ঞান বা ইলমে লাদুন্নীর। আর এসবের ধারক বা বাহক হলেন যুগের ইমাম বা মুজাদ্দিদে যামানগণ উনারা। কাজেই মুজাদ্দিদে যামান বা মুজাদ্দিদে আ’যম উনার ছোহবত, তা’লীম-তরবিয়ত, ফায়িয-তাওয়াজ্জুহ দ্বারা রূহানী তরক্কী হাছিল ও গভীর অন্তর দৃষ্টিসম্পন্ন প্রজ্ঞা হাছিল ব্যতীত মূলত উক্ত বিষয়সহ কোন হক্ব বিষয়ের হাক্বীক্বতেই পেঁৗছা সম্ভব নয়।

ইমামে আ’যম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হাবীবে আ’যম, কুতুবুল আলম, সুলতানুন নাছীর, আওলাদে রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী পবিত্র রমাদ্বান শরীফ-এর হাক্বীক্বত আলোচনা প্রসঙ্গে এসব কথা বলেন।

মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, হক্কানী-রব্বানী শায়খ বা মুর্শিদ উনার ছোহবত, নিসবত, তায়াল্লুক, ফায়েজ-তাওয়াজ্জুহ ব্যতীত বান্দা কস্মিনকালেও হাক্বীক্বী আবদিয়ত বা বান্দায়িত্ব হাছিল তথা আল্লাহ পাক উনার হাক্বীক্বী গোলাম বা হাক্বীক্বী উম্মত তথা হাক্বীক্বী মু’মিন বা মুসলমান হতে পারবে না। হাক্বীক্বী ইবাদত বন্দেগী করতে পারবে না। যে কারণে মূলত হাক্বীক্বী সন্তুষ্টিও লাভ করতে পারবে না। ফলত তার জীবন সার্বিকভাবেই ব্যর্থ হবে, না-কামিয়াব হবে। যে কারণে আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআনুল কারীম-এ আদেশ করেন, “তোমরা আনুগত্য কর আল্লাহ পাক উনার এবং রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং তোমাদের মধ্যে যাঁরা (কল্যাণের আদেশ দানকারী মুজাদ্দিদ) উলিল আমর উনাদের।”

মূলত যুগপরিক্রমায় জাগতিক নিয়মে প্রথমে উলিল আমর বা কল্যাণের আদেশদানকারী মুজাদ্দিদ বা শায়খ উনার ছোহবত, মুহব্বত ও আনুগত্যের মাধ্যমে নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি চরম মুহব্বত ও আনুগত্য প্রকাশ করতে হবে। উনার মাধ্যম দিয়ে যিনি খালিক্ব মালিক আল্লাহ পাক উনার প্রতি চূড়ান্ত আনুগত্যের প্রকাশ ঘটাতে হবে। তবেই বান্দা, উম্মত সার্বিক মুহব্বত-মা’রিফত, সন্তুষ্টি, নৈকট্য হাছিল করতে পারবে।

খলীফাতুল উমাম হযরত শাহযাদা ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার বিলাদত শরীফ পালিত

ইমামে আ’যম, মুজাদ্দিদে আ’যম, মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার লখতে জিগার, কায়িম-মক্বাম, খলীফাতুল উমাম, মুজাদ্দিদে আ’যমে ছানী হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার সম্মানিত মুজাদ্দিদ পিতার নববী নিয়ামতের ধারাক্রম উত্তরাধিকারী হিসেবে যমীনে তাশরীফ আনেন, আরবী নবম মাস-এর ৯ই রমাদ্বান শরীফ রাত ৯টায়। জগৎবাসীর অসীম কল্যাণ সাধনে, নববী নিয়ামতের ধারক-বাহক, মুজাদ্দিদী শানে খিলাফতের সুউচ্চ সোপানে অধিষ্ঠিত মহান ইমাম, খলীফাতুল উমাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ-এ কায়িনাতের সবাই ধন্য, সবাই আনন্দিত, সবাই উৎফুল্ল। কায়িনাতের পক্ষ হতে লাখো কোটি কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে আহলান-সাহলান, শাহযাদা সাইয়্যিদান, মারহাবান, মারহাবান। মহান বিলাদত শরীফ পালনার্থে দরবার শরীফ-এ ৯ই রমাদ্বান শরীফ রাতব্যাপী পবিত্র সামার মাহফিল পরদিন শুক্রবার ইফতার মাহফিলের সুবিশাল আয়োজন করা হয়।

শাহযাদীয়ে যুন নূরাইন হযরত শাহ নাওয়াসীদ্বয় ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুমাল আলী উনাদের বিলাদত শরীফ

মহান মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামে আ’যম, হাবীবে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার পবিত্র ধারায় উনারই লখতে জিগার, নয়নের মণি, ক্বায়িম মক্বামে হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম, হযরত শাহযাদীয়ে উলা মুদ্দা জিল্লুহাল আলী এবং আওলাদে রসূল হযরত শাহদামাদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনাদের পবিত্র গৃহে ২৯শে শা’বান বুধবার সকাল ৬.০২ মিনিটে শাহ নাওয়াসী উলা, ৬.১০ মিনিটে শাহ নাওয়াসী ছানী ক্বিবলাদ্বয় মুদ্দা জিল্লুহুমাল আলী তাশরীফ এনেছেন। জগৎ ধন্যকারিণী দুই জান্নাতী নয়া মেহমান। যাঁরা হলেন, মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার খাছ কুদরত এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ মু’জিযা। আর ইমামে আ’যম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হাবীবে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী এবং সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মাহাতুল মু’মিনীন, উম্মুল উমাম, হাবীবাতুল্লাহ হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহাল আলী উনাদের খাছ কারামত সেই সাথে পবিত্র আহাল পাক উনাদের ইহসানী করমী রায়হান।

উল্লেখ্য, উনাদের পবিত্র বিলাদত শরীফ উপলক্ষে ২৯ শাবান বাদ যোহর  ইমামে আ’যম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হাবীবে আ’যম, শাহ নাওয়াসীদ্বয় ক্বিবলাজান মুদ্দা জিল্লুহুমাল আলী উনাদের মহাসম্মানিত হযরত নানাজান মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার পাক দরবার শরীফ-এ মীলাদ শরীফ ও দোয়া-মুনাজাতের আয়োজন করেন। মীলাদ শরীফ শেষে বিকাল ৩.০০টা হতে উনাদের সুমহান ফাযায়িল-ফযীলত, মর্যাদা-মর্তবা তথা শান মুবারক সমৃদ্ধ ওয়াজ শরীফ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন যুহরের পূর্বে উনাদের সুমহান শানে পবিত্র সামা শরীফ-এর মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ৬ রমাদ্বান শরীফ, ৭ম দিনে শাহযাদীয়ে যুন নূরাইন, সাইয়্যিদুল হাসনাইন, মালিকে কাওনাইন হযরত শাহ নাওয়াসীদ্বয় মুদ্দা জিল্লুহুমাল আলী উনাদের আক্বীকা শরীফ পালিত হয়। এ উপলক্ষে ইফতার মাহফিল এবং বাদ তারাবীহ মীলাদ শরীফ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মাহফিল শেষে মহান আক্বীক্বা শরীফ-এর তাবারুক দিয়ে আগত উপস্থিত মেহমানদের আপ্যায়ন করা হয়।

উল্লেখ্য, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উপলক্ষে ইমামাতুছ সিদ্দীক্বা, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহাল আলী উনার মুবারক তত্ত্বাবধানে মহিলাদের জন্য মাসব্যাপী তালিমী মজলিস-এর আয়োজন করা হয়। এ মজলিস প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে বিকাল ২.৩০ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। সারাদেশের মা-বোনদের এ মজলিসে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানানো হয়।

উল্লেখ্য, উনাদের পবিত্র বিলাদত শরীফ উপলক্ষে ২৯ শাবান বাদ যোহর  ইমামে আ’যম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হাবীবে আ’যম, শাহ নাওয়াসীদ্বয় ক্বিবলাজান মুদ্দা জিল্লুহুমাল আলী উনাদের মহাসম্মানিত হযরত নানাজান মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার পাক দরবার শরীফ-এ মীলাদ শরীফ ও দোয়া-মুনাজাতের আয়োজন করেন। মীলাদ শরীফ শেষে বিকাল ৩.০০টা হতে উনাদের সুমহান ফাযায়িল-ফযীলত, মর্যাদা-মর্তবা তথা শান মুবারক সমৃদ্ধ ওয়াজ শরীফ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন যুহরের পূর্বে উনাদের সুমহান শানে পবিত্র সামা শরীফ-এর মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ৬ রমাদ্বান শরীফ, ৭ম দিনে শাহযাদীয়ে যুন নূরাইন, সাইয়্যিদুল হাসনাইন, মালিকে কাওনাইন হযরত শাহ নাওয়াসীদ্বয় মুদ্দা জিল্লুহুমাল আলী উনাদের আক্বীকা শরীফ পালিত হয়। এ উপলক্ষে ইফতার মাহফিল এবং বাদ তারাবীহ মীলাদ শরীফ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মাহফিল শেষে মহান আক্বীক্বা শরীফ-এর তাবারুক দিয়ে আগত উপস্থিত মেহমানদের আপ্যায়ন করা হয়।

আনজুমান আল বাইয়্যিনাত ও মাহফিল সংবাদ

আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ও মাহফিল সংবাদ

আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ও মাহফিল সংবাদ

আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত সংবাদ

আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ও মাহফিল সংবাদ