আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ও মাহফিল সংবাদ

সংখ্যা: ২৮৪তম সংখ্যা | বিভাগ:

আল বাইয়্যিনাত শরীফ প্রতিবেদন : ছাহিবু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সুলত্বানুন নাছীর, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বইয়ুমুয্যামান, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ লিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করার মাঝেই মাখলুকাতের কামিয়াবী নিহিত। এ প্রসঙ্গে খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘পবিত্র সূরা ইউনুস শরীফ’ উনার ৫৮ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে জানিয়ে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ফযল-করম এবং রহমত হিসেবে উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাদিয়াস্বরূপ দিয়েছেন- সেজন্য তারা যেন খুশি প্রকাশ করে।” প্রমাণিত হলো যে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা কায়িনাতের সবার জন্য ফরয। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, যেকোনো লোক, যেকোনো সময়, যেকোনো নিয়ামত লাভ করলে সে সন্তুষ্ট হয়, খুশি প্রকাশ করে। সাধারণ দুনিয়াবী কারণে যদি মানুষ এত খুশি হয়, তাহলে যিনি আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উপলক্ষে কতটুকু খুশি প্রকাশ করতে হবে! মূলত যার যতটুকু তাওফীক রয়েছে, যেভাবে তাওফীক্ব রয়েছে ঠিক ততটুকু সেভাবে অর্থাৎ সর্বোচ্চটা দিয়ে সে খুশি প্রকাশ করবে; তাহলে তার জন্য কামিয়াবী রয়েছে। সুবহানাল্লাহ! আর এ জন্যই পুরো সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাসব্যাপী সরকারি-বেসরকারি সর্বমহলে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ করে অত্যন্ত খুশির সাথে, ব্যাপক আয়োজনে, বিপুল উৎসাহে, গভীর মূল্যায়নে, স্বতঃস্ফূর্তভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর মহাপবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন বা উদযাপন করা ফরযে আইন। সুবহানাল্লাহ! তাই, মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারক পালনার্থে খুশী প্রকাশের লক্ষ্যে ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- রাষ্ট্রের সকল স্তরে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ জারী করা এবং ব্যাপকভাবে পালনের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা।

আসন্ন পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ অর্থাৎ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ পবিত্র ১২ই শরীফ উপলক্ষে বিশ্বের সকল দেশের প্রত্যেক সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো

১২টি বিষয় পালন করা ও জারী করা

১. সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে প্রত্যক্ষভাবেই হোক আর পরোক্ষভাবেই হোক অর্থাৎ যেভাবেই হোকনা কেন; যেই মানহানীকর বিষয় প্রচার-প্রসার করবে অথবা প্রকাশ করবে তাদেরকে এবং তাদের সংশ্লিষ্ট সকলের শাস্তিই মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে। এটাই সম্মানিত ও পবিত্র শরীয়ত উনার হুকুম। তাই জারি করতে হবে।

২. সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ ব্যাপকভাবে পালনে সরকারীভাবে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ করতে হবে।

৩. সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম, মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সরকারী-বেসরকারী সকল প্রতিষ্ঠানে মাসব্যাপী ছুটি ঘোষণা করতে হবে। একই সাথে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ দিবসকে বিশ্ব ছুটির দিবস হিসেবে ঘোষণার উদ্যোগ নিতে হবে।

৪. সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম, মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাসে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় ব্যাপকভাবে মাসব্যাপী বিশেষ মাহফিলের আয়োজন করতে হবে।

৫. সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উনার সম্মানার্থে সর্বপ্রকার অশ্লীল ও অশালীন কাজ বন্ধ করতে হবে।

৬. সব শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সুমহান জীবনী মুবারক বাধ্যতামূলক করতে হবে।

৭. সরকারী-বেসরকারী সকল প্রতিষ্ঠান ও মসজিদণ্ডমাদরাসায় সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ দিবসে বিশেষ এন্তেজামে বিশেষভাবে মীলাদ শরীফ মাহফিল ও বিশেষ তাবারুকের আয়োজন করতে হবে।

৮. সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ ব্যাপকভাবে পালনে সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগে সরকারীভাবে আবশ্যিক নির্দেশনা জারী করা, সরকারী-বেসরকারী স্থাপনাসমূহ মনোরম সাজে সজ্জিত করা, বছরব্যাপী ইসলামী অনুষ্ঠানসূচী ঘোষণা করা, বই প্রদর্শনী, সামরিক প্রদর্শনী, পতাকা উত্তোলন, অস্বচ্ছল ও বেকারদের চাকুরী এবং গৃহহীনদের গৃহ দেয়ার ঘোষণা দেয়াসহ বিভিন্ন শরঈ কর্মসূচী বাস্তবায়িত করতে হবে।

৯. মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে সকল সরকারী প্রতিষ্ঠানে ছাড় দিতে হবে এবং বিশেষ পণ্য সামগ্রী তৈরী করতে হবে।

১০. সর্বস্তরে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে জারী করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মতো স্বতন্ত্র শক্তিশালী গবেষণা কেন্দ্র এবং পৃথক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

১১. মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে ‘পবিত্র না’তু উম্মি রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ উনাকে জাতীয় না’ত শরীফ হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। দেশের সরকারী-বেসরকারী সকল প্রতিষ্ঠান ও মসজিদণ্ডমাদরাসায় তা প্রতিদিন পাঠের আয়োজন করতে হবে।

১২. দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে ইসলামী তাহযীব-তামাদ্দুন নিয়ে মাসব্যাপী বিশেষ প্রতিযোগীতার আয়োজন করতে হবে।

 

অনন্তকাল ব্যাপী জারীকৃত মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল উনার বিশেষ শান মুবারক ৬৩ দিনব্যাপী  মাহফিল উদ্ভোধন

ছাহিবে নেয়ামত, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি আসন্ন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম, মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাসে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহাসমারোহে ও ব্যাপক শান শওকতে পালনের লক্ষ্যে পবিত্র ২৮শে মুহররমুল হারাম শরীফ ১৪৪৩ হিজরী রাজারবাগ শরীফে ৬৩ দিন ব্যাপী মাহফিলের উদ্বোধন করেন।

রাজারবাগ শরীফ সুন্নতী জামে মসজিদে প্রতিদিন বা’দ যুহর হতে মাহফিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যা ইন্টারনেট ভয়েস ‘আল হিকমাহ’তে নিয়মিত সম্প্রচার করা হচ্ছে। মাহফিলের ১ম ৩০ দিন ‘ফাস্তাবিকুল খাইরাত’ প্রতিযোগীতা মাহফিল, ২য় ৩০ দিন বিষয়ভিত্তিক ওয়াজ শরীফ মাহফিল এবং ৩য় ৩ দিন পবিত্র সামা’ শরীফ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ দিনের বেলা ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হবে কোটি কোটি কণ্ঠে পবিত্র মীলাদ শরীফ মাহফিল, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সারা বিশ্বে এক যোগে সম্প্রচারিত হবে এবং কোটি কোটি মানুষ অনলাইন ও অফলাইনের মাধ্যমে সারা বিশ্ব হতে সেখানে অংশগ্রহণ করবে।

কোটি কোটি কণ্ঠে পবিত্র মীলাদ শরীফের পর শহর প্রদক্ষিণ করে ঢাকা শহর জুড়ে বিতরণ হবে ৬৩ হাজার তাবারুকের প্যাকেট।

একই সাথে দেশের প্রতি জেলায় এবং বিশ্বের বহু দেশে তাবারুক বিতরণ করা হবে। সর্বোপরি সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক আক্বীক্বাহ উপলক্ষে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গরু, মহিষ ও খাসীসহ শত শত গরু এবং খাসী জবাই করা হবে। সুবহানাল্লাহ।

একইভাবে অনন্তকাল ব্যাপী জারীকৃত মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল উনার বিশেষ শান মুবারক ‘৬৩ দিন ব্যাপী মাহফিল’ মহাসমারোহে ও মহাআয়োজনে পালনের লক্ষ্যে ছহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবায়ে নেয়ামত, আল হাদ্বির ওয়ান নাযীর, যিক্রুল্লাহ, আল ওয়াসীলাতু ইলাল্লাহ, আল ওয়াসীলাতু ইলা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আল ক্বাসিম, আল মালিক, মালিকুল জান্নাহ, মালিকুল কায়িনাত, মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ্, আন নূরুল মুত্বহ্হারাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মুবারক পৃষ্ঠপোষকতা ও তত্ত্বাবধানে সারাদেশ থেকে আগত সালিকা, মুরীদা ও মুহিব্বীন মহিলাদের উদ্দেশ্যে মুবারক নছীহত ও মুবারক তালীমী ‘ফালইয়াফরাহু মাহফিল’, ‘ফাস্তাবিকুল খাইরাত’ প্রতিযোগীতা মাহফিলসহ আরো অনেক বিষয়ের আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিদিন দুপুর ১২:৪০ মিনিট হতে মহিলাদের জন্য নিয়মিত এ মুবারক ফালইয়ারাহু মাহফিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় মাহফিলে শাহদামাদে মুজাদ্দিদে আ’যম, কুতুবুল আলম, বাহরুল ইলম ওয়াল হিকাম, সাইয়্যিদুনা হযরত শাফিউল উমাম আলাইহিস সালাম এবং শাহদামাদে মুজাদ্দিদে আ’যম, কুতুবুল আলম, বাহরুল ইলম ওয়াল হিকাম, সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনারাও মুবারক তাশরীফ রাখেন।

আসন্ন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে রাজারবাগ শরীফ উনার পক্ষ থেকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছানা-ছিফত মুবারক কুল কায়িনাতে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে সারাদেশে লক্ষ লক্ষ পোষ্টার, ব্যানার, লিফলেট, ষ্টিকার, দেয়াল লিখন করার মাধ্যমে অফলাইনে এবং অনলাইনের বিভিন্ন মাধ্যমে সারাবিশ্বে ব্যাপক প্রচার-প্রসারের উদ্যোগ মুবারক গ্রহণ করা হয়েছে।

পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রী পরিষদের মাধ্যমে দেশের সকল সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদসহ অর্থাৎ প্রশাসনের সর্বস্তরে যাতে ব্যাপকভাবে মহাসমারোহে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উদযাপন করা হয় এবং ১২টি বিষয় জারী করা হয় সেজন্য সংবাদ সমে¥লন এবং স্মারকলিপি প্রদান ও অন্যান্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। একই সাথে সারা বিশ্বে প্রত্যেক মুসলিম দেশে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ মহাসমারোহে পালনে নির্দেশনা ও বার্তা প্রেরণ করা হয়েছে।

আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ও মাহফিল সংবাদ

আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ও মাহফিল সংবাদ

আনজুমানে আল বাইয়্যনিাত ও মাহফলি সংবাদ

আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ও মাহফিল সংবাদ

আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ও মাহফিল সংবাদ