আ’লামু বিত্ ত্বিব, আ’লামু বিল ফারায়িদ্ব, আ’লামু বিসুনানি রসূলিল্লাহ, হুল্লাতুল ইসলাম, আশাদ্দু হিজাবান, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম- রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধির তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-১০২

সংখ্যা: ২০৮তম সংখ্যা | বিভাগ:

-হযরত মাওলানা মুফতী সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল হালীম

‘মুহইস সুন্নাহ’ লক্বব মুবারক-এর তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা:

আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে চামড়ার মোজা পরিধান করতঃ তার উপর মাসেহ করেছেন, তার রঙ ছিল গাঢ় খয়েরী। কাজেই, মোজার রঙ গাঢ় খয়েরী হওয়াই খাছ সুন্নত।

তাছাড়া ফতওয়ায়ে আলমগীরীর ৫/৩৩৪ পৃষ্ঠায় এটাও উল্লেখ আছে যে-

الخف الاحمر خف فرعون والخف الابيض خف هامان والخف الاسود خف العلماء ولقد لقيت عشرين من كبار فقهاء فما رأيت لاحدهم خفا ابيض ولا احمر ولا سمعت انه امسكه وروى انه عليه الصلاة والسلام امسك خفا اسود اهدى له خفان اسودان فقبض ولبس

অর্থ: লাল মোজা হচ্ছে ফিরআউনের মোজা। সাদা মোজা হামানের মোজা। আর গাঢ় খয়েরী রঙের মোজা হচ্ছে হক্কানী-রব্বানী আলিমগণ উনাদের মোজা। তিনি বলেন, আমি বিশজন বিশিষ্ট ফক্বীহ উনাদের ছোহবত লাভ করেছি। কিন্তু উনাদের কাউকে সাদা ও লাল রঙের মোজা পরিধান করতে দেখিনি। আর কখনো শুনিনি যে, উনারা তা পরিধান করেছেন। তিনি আরো বর্ণনা করেছেন যে, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গাঢ় খয়েরী রঙের চামড়ার মোজা মুবারক পরিধান করেছেন; যা উনার খিদমতে হাদিয়া দেয়া হয়েছিল। আর তিনি তা গ্রহণ করেছেন এবং পরিধান করেছেন। (কুনীয়া)

মোজার উপরি ভাগেই মাসেহ করা সুন্নত

আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি চামড়ার মোজার উপরি ভাগেই মাসেহ করতেন। হযরত মুগীরা ইবনে শো’বা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, “আমি আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দেখেছি। তিনি মোজাদ্বয়ের উপর মাসেহ করেছেন উহার উপরের দিকে।” (তিরমিযী শরীফ, আবূ দাউদ শরীফ, মিশকাত শরীফ)

আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, বাবুল ইলম ও হিকাম, সাইয়্যিদুনা হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, “যদি দ্বীন (মানুষের) রায় বা চিন্তা-বিবেচনা অনুসারেই হতো তাহলে মোজার উপর দিক অপেক্ষা নিচের দিক মাসেহ করাই উত্তম হতো। অথচ আমি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দেখেছি, তিনি উনার চামড়ার মোজাদ্বয় মুবারকের উপর দিক দিয়েই মাসেহ করেছেন।” (আবু দাউদ শরীফ, দারেমী ও মিশকাত শরীফ)

মোজার উপর মাসেহ এর সময়সীমা

মোজার উপর মাসেহ করার নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে।  হযরত শুরাইহ্ ইবনে হানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমি আমীরুল মু’মিনীন, বাবুল ইলমে ওয়াল হিকাম সাইয়্যিদুনা হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে মোজার উপর মাসেহ করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। উত্তরে তিনি বললেন-

جعل رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلثة ايام ولياليهن للمسافر ويوما وليلة للمقيم

অর্থ: আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসলীন, ইমামূল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি উহা মুসাফিরের জন্য তিনদিন তিনরাত এবং মুকীমের জন্য একদিন একরাত নির্ধারণ করে দিয়েছেন। (মুসলিম শরীফ, মিশকাত শরীফ)

মুকীম বলা হয়, যে ব্যক্তি নিজের বাসস্থানে অবস্থান করে তাকে। যে ব্যক্তি নিজের বাসস্থান (মহল্লা) ত্যাগ করে অন্তত ৪৮ মাইল বা ৭৭.২৩২ (প্রায় সোয়া ৭৭) কিলোমিটার দূরে যাওয়ার ইচ্ছায় বের হয় তাকে মুসাফির বলে। অযু অবস্থায় মোজা পরিধান করার পর প্রথমবার যখন অযু ভঙ্গ হবে তখন থেকেই ২৪ বা ৭২ ঘণ্টার হিসাব করতে হবে। ২৪ বা ৭২ ঘণ্টা শেষ হওয়ার সময় মোজা খুলে পা ধুতে হবে। অতঃপর ইচ্ছা করলে পুনরায় মাসেহ আরম্ভ করতে পারবে। কিন্তু একই সাথে ২৪ বা ৭২ ঘণ্টার অধিক সময় মাসেহ করা শুদ্ধ হবে না। (সমূহ ফতওয়ার কিতাব)

(অসমাপ্ত)

আ’লামু বিত্ ত্বিব, আ’লামু বিল ফারায়িদ্ব, আ’লামু বিসুনানি রসূলিল্লাহ, হুল্লাতুল ইসলাম, আশাদ্দু হিজাবান, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম- রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী- উনার নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধির তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-৮৯

আ’লামু বিত্ ত্বিব, আ’লামু বিল ফারায়িদ্ব, আ’লামু বিসুনানি রসূলিল্লাহ, হুল্লাতুল ইসলাম, আশাদ্দু হিজাবান, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম- রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী- উনার নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধির তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-৯০

আ’লামু বিত্ ত্বিব, আ’লামু বিল ফারায়িদ্ব, আ’লামু বিসুনানি রসূলিল্লাহ, হুল্লাতুল ইসলাম, আশাদ্দু হিজাবান, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম- রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধির তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-৯১

আ’লামু বিত্ ত্বিব, আ’লামু বিল ফারায়িদ্ব, আ’লামু বিসুনানি রসূলিল্লাহ, হুল্লাতুল ইসলাম, আশাদ্দু হিজাবান, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম- রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধির তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-৯২

আ’লামু বিত্ ত্বিব, আ’লামু বিল ফারায়িদ্ব, আ’লামু বিসুনানি রসূলিল্লাহ, হুল্লাতুল ইসলাম, আশাদ্দু হিজাবান, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম- রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধির তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-৯৩