আ’লামু বিত্ ত্বিব, আ’লামু বিল ফারায়িদ্ব, আ’লামু বিসুনানি রসূলিল্লাহ, হুল্লাতুল ইসলাম, আশাদ্দু হিজাবান, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম- রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধির তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-৯১

সংখ্যা: ১৯৭তম সংখ্যা | বিভাগ:

-হযরত মাওলানা মুফতী সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল হালীম

‘মুহইস সুন্নাহ’ লক্বব মুবারক প্রসঙ্গে:

খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম হাকিমুল হাদীছ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার জিন্দাকৃত বা পুনঃপ্রচলন করা কতিপয় সুন্নতের বিবরণ:

না’লাইন বা সেন্ডেল পরিধান করাও সুন্নত

আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নবীগণের নবী রসূলগণের রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম না’লাইন বা সেন্ডেল মুবারক পরিধান করেছেন। তিনি কখনো জুতা পরিধান করেননি। এমনকি কোন নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারাও জুতা পরিধান করেননি। আখিরী রসূল, নবীদের নবী, রসূলদের রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার না’লাইন বা সেন্ডেল মুবারক ছিল পশমহীন, পুরোটাই চামড়ার তৈরি। যাতে দুটি ফিতা ছিল। আর প্রত্যেকটি ফিতা ছিল দু’পাট্টা বিশিষ্ট। উম্মতের দায়িত্ব কর্তব্য ছিল উনার অনুসরণ অনুকরণে অনূরূপ না’লাইন বা সেন্ডেল পরিধান করা। সেটাই আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব, নবীগণের নবী, রসূলগণের রসূল হুযূর পাক ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশ। এতেই উম্মতের কামিয়াবী বা কল্যাণ নিহিত। আল্লাহ পাক তিনি বলেন-

يا ايها الذين امنوا اطيعوا الله واطيعوا الرسول ولا تبطلوا اعمالكم

অর্থ: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহ পাক এবং উনার রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইতায়াত (অনুসরণ-অনুকরণ কর। আর (উনার ইতায়াত বহির্ভূত আমল করে) তোমাদের আমলসমূহ বিনষ্ট করো না।” (সূরা-মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- ৩৩)

আল্লাহ পাক তিনি আরো বলেন-

واما اتاكم الرسول فخذوه وما نهكم عنه فانتهوا واتقوا الله ان الله شديد العقاب.

অর্থ: “হযরত রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তোমাদের যা করতে আদেশ করেন তা করো। আর যা করতে নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাকো। আর এ ব্যাপারে আল্লাহ পাক উনাকে ভয় কর। নিশ্চয়ই তিনি কঠিন শাস্তিদাতা।” (সূরা হাশর-৭)

নবীগণের নবী, রসূলগণের রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন-

 لو تركتم سنة نبيكم لكفرتم وفى رواية اخرى لضللتم.

অর্থ: যদি তোমরা তোমাদের নবী হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নতকে পরিত্যাগ কর তাহলে অবশ্যই কুফরীতে নিমজ্জিত হবে। অপর বর্ণনায় রয়েছে, অবশ্যই গুমরাহীতে নিমজ্জিত হবে।” (আবূ দাউদ শরীফ)

তিনি আরো বলেন-

ما احدث قوم بدعة الا رفع مثلها من السنة.

অর্থ: “যখনই কোন ক্বওম বা সম্প্রদায় একটি বিদয়াত সৃষ্টি করেছে তখনই অনুরূপ একটি সুন্নত বিলুপ্ত হয়েছে।” (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত শরীফ)

মূলত উলামায়ে ”ছূ” তথা দুনিয়াদার মাওলানারাই হচ্ছে সেই বিদয়াত সৃষ্টিকারীদের হোতা। তারাই একের পর এক বিদয়াত জারী করে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নতকে বিলুপ্ত করে থাকে। তারা উনার ইতায়াত বা অনুসরণের গুরুত্ব দেয়না। উপরন্ত সুন্নতকে বর্জন করে মনগড়া আমল শুরু করে। আর সাধারণ মানুষ তাদের অনুসরণ করে। ফলে সুন্নত বিলুপ্ত হয়। অপর দিকে বিদয়াত জারি হয়। না’লাইন বা সেন্ডেল মুবারকের ক্ষেত্রেও সেটাই হয়েছে।

খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রজারবাগ দরবার শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি না’লাইন বা সেন্ডেল মুবারকের সেই বিলুপ্ত সুন্নতকে পুনঃপ্রচলন বা জিন্দা করেছেন। তিনিই সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল সুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ-অনুকরণে না’লাইন বা সেন্ডেল মুবারক পরিধান করেন। আর মুরীদ-মু’তাকিদসহ গোটা উম্মাহকে তা পরিধান করার জন্য বিশেষভাবে উৎসাহ দান করে থাকেন। মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ-এ হাদীছ শরীফ-এর বর্ণনা মতে তার হুবহু নকশা পত্রস্থ করে সবার জন্য বিষয়টিকে সহজবোধ্য করেছেন। (অসমাপ্ত)

মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাওলানা রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নাম মুবারক উনার পূর্বে ব্যবহৃত “মুহইস সুন্নাহ” লক্বব মুবারক বা উপাধির তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-১৯৮

আশরাফুল আউলিয়া, খতীবে আ’যম, ফখরুল আউয়ালীন ওয়াল আখিরীন,  মুহীবুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাহবুবে রাব্বুল আলামীন, শায়খু কালীমুল্লাহ, কুদ্ওয়াতুল উলামা ওয়াল মাশায়িখ, মাখদুমে আলম, সিবগাতুল্লাহ, আহলুল্লাহ, মাশগুলুল হক, শামছুল আরিফীন, তাজুল আসফিয়া,  সাইয়্যিদুনা, ইমাম রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধী এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ – ৪

আশরাফুল আউলিয়া, খতীবে আ’যম, ফখরুল আউয়ালীন ওয়াল আখিরীন,  মুহীববু নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাহবুবে রাব্বুল আলামীন, শায়খু কালীমুল্লাহ, কুদ্ওয়াতুল উলামা ওয়াল মাশায়িখ, মাখদুমে আলম, সিবগাতুল্লাহ, আহলুল্লাহ,মাশগুলুল হক, শামছুল আরিফীন, তাজুল আসফিয়া,  সাইয়্যিদুনা, ইমাম রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধী এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ – ৫

সাইয়্যিদুশ্ শাকিরীন, শাইখুল মুজাহিদীন, সুলত্বনুত্ ত্বহিরীন, ইমামুর রাশিদীন, মুর্শিদু উইলদে আদম, ইমামুস্ সুন্নাহ্, ছহিবে আসরার, যুবদাতুল আরিফীন, মাহ্বুবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, কাবিরুল আউলিয়া, ইমামুল আ’যম, বদরুদ্দীন, হাদীয়ে আকরাম, জারুল্লাহ্, সাইয়্যিদুল আবরার, সাইয়্যিদুনা, ইমাম – রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম  মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধি এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-৬

রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধি এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-৭