পবিত্র কুরআন,
আহা পুড়িয়েছিল আমেরিকার ওই জঙ্গি খ্রিস্টান।
তাহারা তুচ্ছ ভাবতে লেগেছে নিয়ে কুরআনের বাণী,
কিছুতেই হায় পেরে না উঠছে যত করে কানাকানি।
তারা সর্বত্রই হচ্ছে বিকল কুরআনের মুকাবিলায়,
তাওরাত আর ইনজিলসহ বেকারার পুরোধায়।
তাই ইহুদী খ্রিস্টান মিলে যুক্তি করেই বলে,
কুরআন শরীফ জঈফ রাখতে অগ্নিতে দেই জ্বেলে।
বলছে আবার ঘটা যে করেই কুরআনের বদনাম,
বানোয়াট সব কুরআনী ক্বওল আর দ্বীন ইসলাম। নাঊযুবিল্লাহ!
ইদানীং শুনি ইহুদী খ্রিস্ট মুশরিক সবে মিলে,
কুরআন হতেই সাতশ আয়াত সহসা রাখবে তুলে।
ওই আয়াতগুলোয় বর্ণিত রয় ইহুদী ও খ্রিস্টান,
মুশরিকসহ সকল তাগুতি পরিষ্কার বেঈমান।
এজন্যে ওদের শত্রু ভাবিবে আল্লাহর ফরমান,
তাই মুসলিম হুঁশিয়ার হয়ে করতেছে গুজরান।
আহা এভাবে কতনা বুলি আওরায় দম্ভের খরে¯্রাতে,
অহঙ্কার সেজে হুঙ্কার ছাড়ে বদকারী লম্ফতে।
রে দুনিয়ার মুসলিম আজ সাবধান হও সবে,
কানা দাজ্জাল ইহুদী খ্রিস্টান কয় কী উচ্চ রবে?
আমরা মু’মিনীন যমীন মোদের রয়েছেই করতল,
ওই আমাদের হেরে তাগুতের দল ভয়ে করে টলমল।
আরে তিনশত জগৎ মাঝেই মুসলিম প্রস্তুত,
কোথায় কাফির হিংসুকেরা খুঁজে করি পরাভূত।
কোথায় ইহুদী কোথায় খ্রিস্টান কোথায় ভীরুর জাত,
মুসলিম কভু ঘুমে নাহি রয় জাগ্রত নুজহাত।
মোরা জীবনের চেয়ে বেশি প্রিয় জানি আল্লাহর কুরআন,
সেই কুরআন নাকি জ্বালাইয়া দেয় নরাধম খ্রিস্টান।
রে পেস্টোর টেরি জোনস তোর জিহবা ছিঁড়িয়া নিব,
তোর কলিজা চিড়িয়া চক্ষু তুলিয়া কুত্তার মুখে দিব।
রে জারজ কুলাঙ্গার ম্লেচ্ছ যবন আরদালি,
কর্তন মোরা করবোই তোর লুচ্ছা মাথার খুলি।
শুন জগৎ জুড়িয়া মুসলিমজাত হরদম বাহাদুর,
তাগুতবাদীরা কেডি কুকুর, করে খুক্কুর খুক্কুর।
ওই কুকুর মারিতে দণ্ড হস্তে চষিয়া বেড়াই ভুম,
মোরা কুরআনী কুওওয়ত নিয়ে জজবায় রহি ধুম।
মহান খোদার খলীফা ওই ইমামে মুসলিমীন,
ধরণীতে আজ বিরাজমান লয় তরে বদদ্বীন।
উনার রোবের রৌনক রহে তামাম পৃথিবীময়,
উনাকে হেরিয়া মরদুদ আজ কম্পিত তপ্তয়।
শুন আজ দুনিয়ায় নেতৃত্ব দেন স্বয়ং মুজাদ্দিদ,
ভেঙে চুরমার তাগুতি পাথর উবে গেল খোশ নিঁদ।
ওই মুজাদ্দিদ আ’যম গাউছে পাকের মকবুল মুনাজাত,
মুলকে কাফিরি কৃষ্টি বেসাত হয় হল নস্যাৎ।
ইঙ্গ ও রুশ মার্কিনসহ তামাম কুফরী দেশ,
খোদার গযবে সয়লাব হল এখনও যে দরপেশ।
আল্লাহ রহেন সর্বসময়ে সর্ববিষয়ে সর্ব শক্তিমান,
ওরে ও কাফির ইহুদী খ্রিস্ট দেখ সেই ফরমান।
আজ একবিংশের কঠিন জাহিলে শাহযাদা তাশরীফ,
তিনি ছানি মুজাদ্দিদ গণিয়ে আবিদ ঘুচাবেন তাকলীফ।
তিনি মহাবীর মুজাদ্দিদের লখতে জিগার কহি,
তিনি শাহীনুর আওলিয়া মণি রহমতে অবগাহি।
রমযানেরই নবম তারিখে আগমন ধরা বুকে,
তামাম তাগুত তরপায় ওই উনার তপ্ত হাঁকে।
তিনিও উনার ওয়ালিদ সনেই করেন সংস্কার,
বিদয়াত বাতিল কুফরী সকল করছেন সংহার।
ওই সুন্নতী দ্বীন জিন্দার লাগি দফিছেন বদদ্বীন,
ব্যক্তিত্বের বাহরুন তিনি হাক্বীক্বতে আযিমীন।
ফের রমাদ্বানকে ওই স্বাগত জানাতে শাহ নাওয়াসীদ্বয়,
তাশরীফ আনেন তাগুত তাবাতে নাহি এতে ব্যত্যয়।
২৯শে শা’বান হল সুমহান শাহ নাওয়াসী পেয়ে,
ওই গর্বিত নানা মুজাদ্দিদ আ’যম আলোড়ন ধরা গায়ে।
সাইয়্যিদী সুবাদ শাহ দামাদ, শাহযাদী উলা কোলে,
দেখ দেখ আরশের দুই পূষ্প তাবাস্সুমেই দোলে।
দেখরে আজ দুনিয়ার কেন্দ্রস্থল হল সে রাজারবাগ,
আল্লাহ ও রসূল মকবূলে লন দ্বীনের সিংহভাগ।
সুন্নতেরই মারকাজ হেথা রহে রহে মজবুত,
এখন হতেই ধ্বংস হচ্ছে বিশ্ব তাগুতি ভূত।
তাই মুসলিম আয় তাড়াতাড়ি মুজাদ্দিদী দরবার,
ছাদ্বাবী সাকীনা সহজেই পাবে হবে যারে বেকারার।
গ্রহি বিশ্বের সকল মু’মিন শফত শক্তিধর,
দেন মুজাদ্দিদ ঈদুল ফিতরে দীপ্ত বিজয়ী স্বর।
ওই ঈদুল ফিতরে সমসের ধরি কুফরী যে নাশিবার,
খিলাফত তরে লড়বোই নিয়ে জজবায় ছাহাবার।
মদদে খোদার নজরে রসূল ফায়িজে মুজাদ্দিদ,
মোরা মুসলিম হরদমে রহি হক্কে পুরোই শদীদ।
বিশ্বকবি শায়খ মুহম্মদ মুফাজ্জলুর রহমান
হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মকবুলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ রহেন উজ্জ্বলে-১৮৬
খোলা চিঠির খোলা জবাব- (১) : আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে – রেযাখানী গোষ্ঠী গেল সকলের পদতলে
খোলা চিঠির খোলা জবাব- (২) আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে, রেযাখানী গোষ্ঠী গেল সকলের পদতলে
খোলা চিঠির খোলা জবাব- (3) আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে, রেযাখানী গোষ্ঠী গেল সকলের পদতলে
খোলা চিঠির খোলা জবাব- (১) আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে, রেযাখানী গোষ্ঠী গেল সকলের পদতলে