আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে, মুনাফিক গংদের হাক্বীক্বত গেল খুলে-৭৪

সংখ্যা: ১৯০তম সংখ্যা | বিভাগ:

নহি জয়িফ,

মহাবীর মহা সুলতান বিশ্বে আনেন তাশরীফ।

তিনি যামানার মাহদী মাসঊদ রসূলের পুরো নকশা,

তিনি জাহিলের মিসমারকারী কাফিরের তরে বাত্শা।

তিনি সাইয়্যিদী ইমাম, তামাম আলমে বিস্তর,

তিনি হাসানী, হুসাইন খুন, শেরে হায়দরী রাহবার।

তাঁহারি রোবেই রোশ্মাই ফের ইসলামী আহকাম,

তাঁহারি ফায়েজে সজীব-সতেজ দ্বীনিয়াতি আঞ্জাম।

ঐ মুসলমানের সংবিধান সিয়ামেই মোরা পাই,

দিলেন খোদা কুরআন মজীদ সন্দেহ এতে নাই।

ফের চৌদ্দশ বছর পরেও খবর সিয়ামের এই মাসে,

জিন্দা কুরআন তাশরীফ আনেন, জাহিলি অক্টোপাসে।

আজ বিশ্বের তামাম দুয়ার বাতায়ন খুলে খুলে,

স্বাগত জানায় তাকবীর দিয়ে নন্দিত বাহু মেলে।

হর্ষে ক্বাবা ও নববীর বাব চন্দ্র ও দিবাকর,

বর্ষে, তারকারাজির রোশ্মাইসহ জগতী দিগম্বর।

আজ গোটা বিশ্বের মুসলিম মাঝে জজবাহী হিল্লোল

প্রতি মু’মিনের ক্বলবে জ্বলিছে নূরীময় কল্লোল।

দেখে লও ওরে বিশ্ব মুসলিম দীপ্ত কঠিন চোখে

কে সেই তিনি তাশরীফ আনেন ধরণীর নূর পাখে।

ঐ তিনিই হলেন, ছানি মুজাদ্দিদ, হায়দরী হিম্মত

জানি, তিনিই কেবল উদ্ধারিছেন ইসলামী নিছবত।

ছিদ্দীক্বিয়াত স্বর্ণ শিখরে তাঁহার মাক্বাম খানি

দ্বীন ইসলামের সঠিক রাহা দেন যে বলেই তিনি।

তিনি সত্য মিথ্যার ফারাক্বকারী ফারুকীর ফাহমীদ,

তিনি এই যামানায় গণিয়ে আ’যম গফুরের তাঞ্জিদ।

তিনি বীর খালিদের আখলাকি দিল রাহগীরে আকবর

তিনি বীর আইয়ুবীর বিচক্ষণেই রহেন অনন্তর।

তিনি গাউছে পাকের গায়িবী নেওয়াজ যামানায় জাহিরান,

তিনি চিশতী খাজার খাইরিয়াত রহিছেন অফুরান।

তিনি নকশবন্দির দস্তদারাজ সুন্নতী শামছুন,

তিনি আলফে ছানির আল বালাগাল ইহছানী বাইতুন।

তিনি শহীদে আ’যম বেরেলভীর নূরানী প্রতিচ্ছবি,

তিনি খিলাফতের খবরে খাইর ফত্হে খোশরবী।

তিনি মুজাদ্দিদে আ’যম সুলতানজীর কলিজার টুকরা,

তিনি কুতুবুল আলম আম্মাজানের জান্নাতী বুশ্রা।

ঐ তিনিই হলেন শাহ সাইয়্যিদ ছানিয়ে মুজাদ্দিদ,

রাজারবাগেই অবস্থানেন নূরী নাজে আফরিদ।

আজকে তাঁহার রোবের রোশেই কুপোকাত মুজরিম,

ঐ ঝরছে তাঁহার তাশরীফানেই মুক্তির মুলহিম।

কে করে আজ মুসলমানরে জুলুম অত্যাচার,

কে কেড়ে নেয় মুসলমানের দীপ্তির অধিকার।

কারা দখলিছে হায় হায় আজো মুলকে মুসলমান,

কুল কাফিরান ইহুদী-নাছারা হয়ে আছে উত্থান।

সাবধান ওরে হুঁশিয়ার সব জাহিল কাফির দল,

তোর যবনিকা ত্বরান্বিত ধেয়ে এল উৎপল।

ঐ মুসলমানের সালামতি বীর শাহজাদা শাহী দান,

তিনি আল্লাহর লাস্য লালিমা মহামতি হাবীবান।

শোন! অপ্রতিরুদ্ধ আগুয়ান তিনি কাফিরের মহাকাল,

তিনি খলীফায়ে খালিক রসূলী নায়িব যামানায় বেমেছাল।

ছানি মুজাদ্দিদ তাজদীদ তাঁর শুনরে মুনাফিকীন,

কুল-মুসলিম একটি দেহেই বিরাজেই আমিনীন।

একের কষ্টে কুল ক্বওমেই অবিকল ধাবমান,

হুঙ্কার দিয়ে জেগে উঠে সব ক্ষিপ্রুতে বলিয়ান।

ছল করে আজ ইহুদীরা ঐ নাছারা বৌদ্ধ সহ,

নম নাস্তিক মজুসী গোষ্ঠী জড় করে অহরহ।

মুনাফিক ঐ বাহাই শিয়া কাদিয়ানী বাগে এনে,

ফের উলামায়ে ছু ওহাবী খারিজী মওদুদীদের ভূনে।

ইহুদী কাতারে জমায়েত সবে আজ প্রগতির কালে,

মুসলমানেরে আঘাত করিছে বহুদা ঘুর্ণি চালে।

ঐ কভুনা জঙ্গি মুসলমান শোন হে বিশ্ববাসী,

কেবল ইহুদী প্রকৃত জংগি বহু রঙ-এ মিলি মিশি।

করিতেছে আজ জঙ্গি ইসরাইল আমেরিকা সন্ত্রাসী,

হায় মুসলমানেরে কুহেকাপে নিয়ে বানাচ্ছে দাস-দাসী।

ফের তাদের দোসর ইউরোপ, কানাডা, ভারত, অস্ট্রেলিয়া,

ঐ রাশিয়াসহ চীন ফিলিপাইন থাইল্যান্ড, রোমানিয়া।

তারা মুলকে মু’মিন ফিলিস্তিন ইরাক আর আফগানে,

জিনজিরাং, নাইজেরিয়া, কাস্মিরসহ ঐ যে পাকিস্তানে।

 

আহা! মুসলমানেরে করছে শহীদ দানবীয় তা-বে,

ঘরবাড়ী সহ নারী শিশুদের হত্যা করিছে ক্ষোভে।

ঐ গোটা ইনছানসহ মুসলিমদের ত্রাণিতে তাশরীফান,

স্বয়ং মহাবীর ঐ পাক শাহজাদা ধরণীতে অম্লান।

 

নেই ডর ঐ মুসলিম তোর সহায় পাইয়া গেলি,

নূরে শাহজাদা জান্নাতী সুধা ফতহুন উঠে জ্বলি।

মাহে সিয়ামেই ধরণীর বুকে বিলাদত তিনি পান,

তাঁর বিলাদত শরীফ পালন করতে আয়রে মুসলমান!

বিশ্বকবি শায়খ মুহম্মদ মুফাজ্জলুর রহমান।

আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে, মুনাফিক গংদের হাক্বীক্বত গেল খুলে-৬৮

আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে, মুনাফিক গংদের হাক্বীক্বত গেল খুলে-৬৯

আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে, মুনাফিক গংদের হাক্বীক্বত গেল খুলে-৭০

আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে, মুনাফিক গংদের হাক্বীক্বত গেল খুলে-৭১

আল বাইয়্যিনাত—এর দলীলের বলে, মুনাফিক গংদের হাক্বীক্বত গেল খুলে—৭২