আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে, মুনাফিক গংদের হাক্বীক্বত গেল খুলে  ৯৯

সংখ্যা: ২১৫তম সংখ্যা | বিভাগ:

ওরে ও ধুরন্দর,

করিস, আইনি মন্ত্রে মন্ত্রী সাজিয়া ফাজলামি বিস্তর।

ভেবেছিস আহা পার পেয়ে যাবি হুজুগী প্যাঁচের মারে,

তাগুতি ত্রাস করলি প্রকাশ দুঃসাহসের চূড়ে?

আকাশ কুসুম ভেবে অস্থির দম্ভ দেখাস বেশ,

মানবতার হয়ে ঠিকাদার ঈমান করলি শেষ।

আজ প্রগতির উত্তরণেই বনে গেলি আরদালি,

মুসলিম হয়ে হিন্দু ক্বদমে হরদমে রও ঢলি।

বাহবা লভিতে হলি বাটপার হইয়া ‘র’ এর চর,

হায় বাংলাদেশকে ভারত করিতে খেলছিস জব্বর।

তাই বেপরওয়া ভাবটি দেখাস মন্ত্রী মুকুট পরে,

আইন মন্ত্রীর তখতে বসিয়া আঘাত মারলি জোরে।

মুসলিমী শান করতে বিরান উঠে পরে লেগেছিস,

বাঙালি নামের ধূপের ধোঁয়ায় কীর্তনে যোগ দিস।

এখন নাকি বিবাহ প্রথা করলি নও নিয়মে?

ধর্ম নিয়ম করবি খতম বাংলাদেশের ভূমে।

নারী ও পুরুষ বিবাহ মিলনে রহিবেই বেশুমার,

ধর্মের কোন বালাই রবেনা কোণঠাসা কিছু আর।

হিন্দু, বৌদ্ধ, ইহুদী, নাছারা, মুসলিম একাকারে,

বিবাহ নামক সেতু বন্ধনে রহিবে আপন করে।

বর মুসলিম কনে হিন্দু নেই কোন অসুবিধা,

যে যার ধর্ম পালন করিবে নেই এতে আর বাধা।

চমৎকার!

ওরে ও বুদ্ধ অশুদ্ধ তোরে করে রাখে বেকারার।

আবার বলিস পর্দা প্রথার নেই আর জরুরত,

নাঙ্গা হতেই নারীদের দিস লোকালয়ে ফুরসত।

ওই পর্দা পালনে যবরদস্তি যাইবেনা আর করা,

আইন করে হায় পাস করে নিলি ওরে ও অন্ধ স্বরা।

খামোশ! ওই নির্বোধ তুই চেয়ে দেখ আসমানে,

ভয়ঙ্কর সব গযবী আযাব ঝুলে আছে বর্ষণে।

পুরো বাংলার মুসলমানেরা জেগে উঠে হিল্লোলে,

তোর মন্ত্রী তখ্ত জ্বালাইয়া দিবে আস্ত অগ্নি বিলে।

পালাতেও তোরে দিবনা আমরা ষোল কোটি সৈনিক,

মুসলিম মোরা থোরাও ডরি না জ্বালাইয়া দেই ঠিক।

তোর ও তোদের দাদা বাবুদের ফেলে দিতে গর্দান,

মোরা প্রস্তুত আছি, বাংলাদেশের সকল মুসলমান।

ওই ম্লেচ্ছ যবন কুরঞ্জিতও চুরি করে ধরা খায়,

ওরা বেইমান দেশের শত্রু দেশবাসী জেনে যায়।

ওদের নেই অধিকার এদেশে থাকার বিন্দু সময় আর,

কহি আমরা বাঙ্গালি মুসলমানেরা হুঙ্কারে বারবার।

ওরে মরদুদ মন্ত্রী এবার শুনে লও কান খুলে,

রহে বাংলাদেশের মুসলমানেরা ইসলামে উজ্জ্বলে।

আজ বাংলা যমীনে অবস্থানেন মহান মুজাদ্দিদ,

উনার রোবের দ্বীপ্তি শিখায় ভাঙছে অলস নিঁদ।

উনিতো খলীফা আস সাফফাহ ইসলামী খিলাফতে,

উনার হুকুমে করছে গোলামী তামাম মাখলূক্বাতে।

ওরে ও মন্ত্রী বাঁচতে চাইলে আয় আয় শিগগির,

খালিছ তওবা কর তাড়াতাড়ি নইলে দোযখী নীড়।

মুসলিম মোরা দুনিয়া জোড়াই করি যে খবরদারী,

তামাম তাগুত চমকিত রহে ভেসে যায় জোচ্চুরী।

আমরা মু’মিন আমরা আসীন আমরা উচ্চ মসনদে,

ইহুদী, হিন্দু, বৌদ্ধ, নাছারা ডুবছে গভীর নদে।

দেখ পৃথিবীর চতুর্দিকেই তাগুতী পোষ্যদেশ,

হয় বেমালুম পুরো নির্মূল গযবেই অবশেষ।

পাক মুজাদ্দিদ উনার দোয়ায় জেগে উঠে মুসলিম,

পত পত উড়ে সুন্নী পতাকা খিলাফতে তাসনিম।

রে বাংলার নারী সকল আয় চলে পর্দায়,

নারীকুল আদর্শের মূল তারা সম্মানী দুনিয়ায়।

ইসলাম ওদের রেখেছে চূড়ায় সম অধিকার দিয়ে,

ইসলাম ওদের করে মূল্যায়ন নরসম প্রত্যয়ে।

শালীনতা বড় নারী ক্বদর পর্দায় অক্ষত,

হায় প্রগতি শুসিল ইবলীসেরাই রহে বেশ অবগত।

তাই ছলে বলে অপকৌশলে পর্দা ছিঁড়িয়া আনে,

নারীর শান করছে বিরান ডিজিটাল অঙ্গনে।

 

ডিজিটাল হায় বেসামাল করে নারীদের স্বকীয়তা,

বেহায়াপনার নাঙ্গা মঞ্চে দেখাচ্ছে ধৃষ্টতা।

শুনরে শুনরে নারীগোষ্ঠী দেখরে সুন্নী বাগে,

উম্মুল উমাম উচ্চে মাক্বাম আম্মা উঠেন জেগে।

 

নারী জগতের সুরাইয়া তিনি আসমানী মেহমান,

উনি সাইয়্যিদাতুন নিসায়ী মুকুটে জগতে বিরাজমান।

উনার আশ্রয়ে নারীত্ব আজ অক্ষত শানদার,

উনার রোবেই নারী পায় ফিরে নিজেদের অধিকার।

 

তিনি উম্মু আবিহা যাহরা পাকের ক্বায়িম-মাক্বাম,

তিনি ছিদ্দীক্বা মার লখতে জিগার ইসলাহী আঞ্জাম।

আয় রে নারী লও তাড়াতাড়ি মুক্তির আলোয়ান,

ওই, রেখে খাইরান গোটা জাহান আম্মাজী আফওয়ান।

-বিশ্বকবি আল্লামা মুহম্মদ মুফাজ্জলুর রহমান

আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে, মুনাফিক গংদের হাক্বীক্বত গেল খুলে  ৯৫

আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে, মুনাফিক গংদের হাক্বীক্বত গেল খুলে  ৯৬

আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে, মুনাফিক গংদের হাক্বীক্বত গেল খুলে  ৯৭

আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে, মুনাফিক গংদের হাক্বীক্বত গেল খুলে  ৯৮

আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে, মুনাফিক গংদের হাক্বীক্বত গেল খুলে  ১০০