ইমামুল মুসলিমীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ ইমামে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি-৭০ (বিলাদাত শরীফ- ৮০ হিজরী, বিছাল শরীফ- ১৫০ হিজরী)

সংখ্যা: ২৮৪তম সংখ্যা | বিভাগ:

রিয়াদ্বত-মাশাক্কাত মুবারক (৫)

সম্মানিত নামায ও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত:

ইমামুল মুহাদ্দিসীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আখিরাত বা পরকালের জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতেন। তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি-রেযামন্দি, তায়াল্লুক-নিসবত, কুরবত মুবারক হাছিলের জন্য কঠোর পরিশ্রম করতেন। শ্রেষ্ঠতম সাধকও তিনি ছিলেন। রিয়াদ্বত-মাশাক্কাত তথা সাধনার জগতে সকলের আদর্শ বটে। তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার স্মরণে সম্মানিত নামায আদায় এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াতে সবচেয়ে বেশী ইতমিনান লাভ করতেন। সুবহানাল্লাহ! কাজেই, অতীব গুরুত্ব ও অত্যন্ত আদব-মুহব্বত এবং ভয়-ভীতির সাথে তিনি নামায আদায় করতেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করতেন। কখনো এক আয়াত শরীফ বার বার তিলাওয়াত করতেন। উনার ইবাদত-বন্দেগী, যিকির-ফিকিরের দৃঢ়তা ও ইস্তিকামাত সর্বমহলে মিছাল বা দৃষ্টান্তরূপে প্রতিষ্ঠিত ছিল। আল্লাম ইমাম যুহরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ইবাদত-বন্দেগী, যিকির-ফিকিরে আত্মনিয়োগের মান সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল।

সম্মানিত নামায এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াতে প্রায় সময়ই তিনি এমনই বেকারার হয়ে পড়তেন যে, বার বার উনার পবিত্র শরীর  মুবারক শিউরে উঠতো। আর ঘন্টার পর ঘন্টা তিনি কাঁদতে থাকতেন। তিনি মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে (মিসালী ছুরত মুবারক) দেখে দেখে সম্মানিত নামায মুবারক আদায় করতেন। সমস্ত ইবাদত-বন্দেগী, যিকির-ফিকিরে একই অবস্থা বিরাজ করতো। অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ

 اَنْ تَـعْبُدَ اللهَ كَاَنَّكَ تَـرَاهُ

(এমনভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদত করবে, যেন মহান আল্লাহ পাক উনাকে দেখতে পাচ্ছ) এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার পরিপূর্ণ মিছদাক-হকদার ছিলেন তিনি। সুবহানাল্লাহ!

আল্লামা ইমাম ছাইমারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-

سَـمِعْتُ اَبَا الْاَحْوَصِ يَـحْلِفُ اَنَّهٗ لَوْ قِيْلَ لِاَبِـىْ حَنِيْـفَةَ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ اَنَّكَ تَـمُوْتُ اِلٰى ثَلَاثَةِ اَيَّامٍ مَاكَانَ فَضْلُ شَىْءٍ يَّـقْدِرُ اَنْ يَّزِيْدَهٗ عَلٰى عَمَلِهِ الَّذِىْ كَانَ يَعْمَلُ

অর্থ: হযরত আবুল আহওয়াস রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে শপথ করে বলতে শুনেছি যে, “যদি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আযম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে বলা হতো যে, আপনি তিন দিনের মধ্যে ইন্তিকাল করবেন), তবুও উনার ইবাদত বন্দেগী, যিকির-ফিকিরে কোনরূপ পরিবর্ধন সাধিত হওয়ার সুযোগ ছিলো না। অর্থাৎ ইবাদত-বন্দেগী, যিকির-ফিকিরে তিনি চূড়ান্ত পর্যায়ের আমল করতেন। হেতু কোন সময়ই অবশিষ্ট ছিল না। সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদুনা হযরত ইবরাহীম বসরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমি একবার সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাথে ফজরের জামায়াতে শামিল হলাম। তিনি ক্বিরায়াতের এক পর্যায়ে যখন পড়লেন-

وَلَا تَـحْسَبَنَّ اللهَ غَافِلًا عَمَّا يَعْمَلُ الظَّالِمُوْنَ

অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি যালিমদের কাজ-কর্ম সম্পর্কে বেখবর রয়েছেন, এমন ধারণা করো না। এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আয়াত শরীফ তিলাওয়াত করার সাথে সাথে থর থর করে দীর্ঘক্ষণ কাঁপতে ছিলেন। (ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জীবন ও কর্ম-৮২৯)

 

সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুবুল মাশায়িখ, মুজাদ্দিদুয যামান, গরীবে নেওয়াজ, আওলাদে রসূল, হাবীবুল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন হাসান চিশতী আজমিরী সাঞ্জারী রহমতুল্লাহি আলাইহি-৫০ (বিলাদত শরীফ ৫৩৬ হিজরী, বিছাল শরীফ ৬৩৩ হিজরী)

ইমামুল মুসলিমীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ ইমামে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি-৬৬ (বিলাদাত শরীফ- ৮০ হিজরী, বিছাল শরীফ- ১৫০ হিজরী)

উম্মু মুর্শিদিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা আমাদের- হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা কা’বা আলাইহাস সালাম উনার সীমাহীন ফাদ্বায়িল-ফদ্বীলত, বুযূর্গী-সম্মান, মান-শান, বৈশিষ্ট্য এবং উনার অনুপম মাক্বাম সম্পর্কে কিঞ্চিৎ আলোকপাত-৭০ -মুহম্মদ সা’দী

সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুবুল মাশায়িখ, মুজাদ্দিদুয যামান, গরীবে নেওয়াজ, আওলাদে রসূল, হাবীবুল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন হাসান চিশতী আজমিরী সাঞ্জারী রহমতুল্লাহি আলাইহি-৫১ (বিলাদত শরীফ ৫৩৬ হিজরী, বিছাল শরীফ ৬৩৩ হিজরী)

ইমামুল মুসলিমীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ ইমামে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি-৬৭ (বিলাদাত শরীফ- ৮০ হিজরী, বিছাল শরীফ- ১৫০ হিজরী)