কাদিয়ানী রদ!

সংখ্যা: ২৮২তম সংখ্যা | বিভাগ:

(কুতুবুল ইরশাদ, মুবাহিছে আয’ম, বাহরুল উলূম, ফখরুল ফুক্বাহা, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, তাজুল মুফাস্সিরীন, হাফিযুল হাদীছ, মুফতিউল আ’যম, পীরে কামিল, মুর্শিদে মুকাম্মিল হযরতুল আল্লামা মাওলানা শাহ্ ছূফী শায়খ মুহম্মদ রুহুল আমীন রহমতুল্লাহি আলাইহি কর্তৃক প্রণীত ‘কাদিয়ানী রদ’ কিতাবখানা (৬ষ্ঠ খন্ডে সমাপ্ত)। আমরা মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ পত্রিকায় ইতিপূর্বে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করেছি। পাঠকদের অনুরোধে তা পূনরায় প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যাতে কাদিয়ানীদের সম্পর্কে সঠিক ধারণাসহ সমস্ত বাতিল ফিরক্বা থেকে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের অনুসারীদের ঈমান আক্বীদার হিফাযত হয়। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের প্রচেষ্টার কামিয়াবী দান করুন। আমীন!

যদিও তখনকার ভাষার সাথে বর্তমানে ভাষার কিছুটা পার্থক্য লক্ষ্যণীয়।

(মির্জার মাহদী দাবি খণ্ডন)

(পূর্ব প্রকাশিতের)

(১৫) মিশকাত শরীফ, ৪৬৬ পৃষ্ঠা:-

ثُمَّ هُدْنَةٌ تَكُوْنُ بَيْنَكُمْ وَبَيْنَ بَنِي الْأَصْفَرِ فَيَغْدِرُوْنَ، فَيَأْتُوْنَكُمْ تَـحْتَ ثَمَانِيْنَ غَايَةً تَحْتَ كُلِّ غَايَةٍ اِثْنَا عَشَرَ أَلْفًا (رواه البخارى)

অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, অতঃপর তোমাদের মধ্যে এবং খৃষ্টানদের মধ্যে একটি সন্ধি হবে, তারপরে তারা বিশ্বাসঘাতকতা করে তোমাদের নিকট ৮০টি পতাকা তলে উপস্থিত হবে, প্রত্যেক পতাকার তলে বার হাজার লোক হবে। (বুখারী শরীফ)।

(১৬) মিশকাত শরীফ, ৪৬৬ পৃষ্ঠা-

عَنْ حَضْرَتْ أَبِـيْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لاَ تَقُوْمُ السَّاعَةُ حَتّٰـى يَنْزِلَ الرُّوْمُ بِالأَعْمَاقِ أَوْ بِدَابِقَ فَيَخْرُجُ إِلَيْهِمْ جَيْشٌ مِنَ الْمَدِيْنَةِ مِنْ خِيَارِ أَهْلِ الأَرْضِ يَوْمَئِذٍ فَإِذَا تَصَافُّوْا قَالَتِ الرُّوْمُ خَلُّوْا بَيْنَنَا وَبَيْنَ الَّذِيْنَ سَبَوْا مِنَّا نُقَاتِلْهُمْ .‏ فَيَقُوْلُ الْمُسْلِمُوْنَ لَا وَاللهِ لاَ نُـخَلِّي بَيْنَكُمْ وَبَيْنَ إِخْوَانِنَا‏.‏ فَيُقَاتِلُوْنَـهُمْ فَيَنْهَزِمُ ثُلُثٌ لاَ يَتُوْبُ اللهُ عَلَيْهِمْ أَبَدًا وَيُقْتَلُ ثُلُثُهُمْ أَفْضَلُ الشُّهَدَاءِ عِنْدَ اللهِ وَيَفْتَتِحُ الثُّلُثُ لاَ يُفْتَنُوْنَ أَبَدًا فَيَفْتَتِحُوْنَ قُسْطُنْطِيْنِيَّةَ فَبَيْنَمَا هُمْ يَقْتَسِمُوْنَ الْغَنَائِمَ قَدْ عَلَّقُوْا سُيُوْفَهُمْ بِالزَّيْتُوْنِ إِذْ صَاحَ فِيْهِمُ الشَّيْطَانُ إِنَّ الْمَسِيْحَ قَدْ خَلَفَكُمْ فِيْ أَهْلِيْكُمْ ‏.‏ فَيَخْرُجُوْنَ وَذٰلِكَ بَاطِلٌ فَإِذَا جَاءُوا الشَّأْمَ خَرَجَ فَبَيْنَمَا هُمْ يُعِدُّوْنَ لِلْقِتَالِ يُسَوُّوْنَ الصُّفُوْفَ إِذْ أُقِيْمَتِ الصَّلاَةُ فَيَنْزِلُ عِيْسَى ابْنُ مَرْيَـمَ

অর্থ: “হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ক্বিয়ামত উপস্থিত হবে না- যতক্ষণ না খৃষ্টানরা আ’মাক কিংবা দাবাক নামক স্থানে অবতরণ করবে, এতে তাদের দিকে পবিত্র মদীনা শরীফ হতে একদল সৈন্য বের হবেন- যারা সে সময়ে যমীনবাসীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম হবেন। যখন উনারা বুহ্য রচনা করবেন, তখন খৃষ্টানরা বলবে যে, মুসলমানরা আমাদের একদল লোককে বন্দী করে নিয়েছে, তাদেরকে আমাদের হাতে সমর্পণ কর, আমরা তাদের সাথে সংগ্রাম করবো। এতে মুসলমানগণ বলবেন, আমাদের ভাইদেরকে তোমাদের হাতে সমর্পন করবো না। তারপর মুসলমানগণ উক্ত খৃষ্টানদের সাথে যুদ্ধ করবেন, এতে (মুসলমানগণের) এক তৃতীয়াংশ পৃষ্ঠ প্রদর্শণ করবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি কখনও তাদের তওবা কবুল করবেন না।

উনাদের এক তৃতীয়াংশ শহীদ হয়ে যাবেন, উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট শ্রেষ্ঠতম শহীদ হবেন। অবশিষ্ট তৃতীয়াংশ জয়যুক্ত হবেন, উনারা কখনও বিপথগামী হবেন না, উনারা কনষ্টান্টিনোপোল অধিকার করবেন, উনারা নিজেদের তরবারিগুলি জয়তুন বৃক্ষে ঝুলিয়ে (গণিমতের) দ্রব্যগুলি বণ্টন করতে থাকবেন, এমতাবস্থায় হঠাৎ শয়তান চিৎকার করে বলবে, দাজ্জাল তোমাদের পশ্চাৎদিক হতে তোমাদের পরিজনের মধ্যে উপস্থিত হয়েছে, এতে মুসলমানগণ তথা হতে বের হয়ে পড়বেন, কিন্তু এই (দাজ্জাল বের হওয়ার) সংবাদ বাতিল। তারপরে উনারা যখন শামে উপস্থিত হবেন, তখন দাজ্জাল বের হবে। উনারা যখন (তার বিরুদ্ধে) যুদ্ধ করার জন্য যুদ্ধোপকরণ সংগ্রহ করতে ও বুহ্য রচনা করতে থাকবেন, সে সময় নামায শুরু করা হবে, হঠাৎ (হযরত) ঈসা ইবনে-মারইয়াম আলাইহিস সালাম তিনি নাযিল হবেন। (মুসলিম শরীফ)

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র ইসলামী শরীয়ত উনার হুকুম মোতাবেক খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির। যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় (যেমন- কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি) তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩দিন। এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র ইসলামী শরীয়ত উনার হুকুম মোতাবেক খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির। যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় (যেমন- কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি) তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩দিন। এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র ইসলামী শরীয়ত উনার হুকুম মোতাবেক খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির। যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় (যেমন- কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি) তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩দিন। এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র: ইসলামী শরীয়ত উনার হুকুম মোতাবেক খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির। যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় (যেমন- কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি) তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩দিন। এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র ইসলামী শরীয়ত উনার হুকুম মোতাবেক খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির। যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় (যেমন- কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি) তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩দিন। এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড