খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির æইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।”

সংখ্যা: ১৯৫তম সংখ্যা | বিভাগ:

কাদিয়ানী রদ!

(ষষ্ঠ ভাগ)

(কুতুবুল ইরশাদ, মুবাহিছে আয’ম, বাহরুল উলূম, ফখরুল ফুক্বাহা, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, তাজুল মুফাস্সিরীন, হাফিযুল হাদীছ, মুফতিউল আ’যম, পীরে কামিল, মুর্শিদে মুকাম্মিল হযরতুল আল্লামা মাওলানা শাহ্ ছূফী শায়খ মুহম্মদ রুহুল আমীন রহমতুল্লাহি আলাইহি কর্তৃক প্রণীত æকাদিয়ানী রদ” কিতাবখানা (৬ষ্ঠ খণ্ডে সমাপ্ত) আমরা মাসিক আল বাইয়্যিনাত পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করছি। যাতে কাদিয়ানীদের সম্পর্কে সঠিক ধারণাসহ সমস্ত বাতিল ফিরক্বা থেকে আহ্লে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের অনুসারীদের ঈমান-আক্বীদার হিফাযত হয়। আল্লাহ্ পাক আমাদের প্রচেষ্টায় কামিয়াবী দান করুন (আমীন)। এক্ষেত্রে তাঁর কিতাব থেকে হুবহু উদ্ধৃত করা হলো, তবে তখনকার ভাষার সাথে বর্তমানে প্রচলিত ভাষার কিছুটা পার্থক্য লক্ষণীয়)।

(ধারাবাহিক)

৮০টী পতাকার নীচে তাহাদের সৈন্য দল ও প্রত্যেক পতাকার নীচে ১২ সহস্র সৈন্য সংগৃহীত হইবে। এমাম মাহদীর সৈন্যদিগের মধ্যে এক তৃতীয়াংশ পলায়ন করিবে, অবশিষ্ট দল চারি দিবস যুদ্ধ করিবেন, শেষ দিবসে মুছলমানগণ জয়ী হইবেন ও খ্রীষ্টান সৈন্য বিধ্বস্ত হইবে। তৎপরে তিনি ৭০ সহস্র বনু ইছহাক সৈন্য সহ কনস্টান্টিনোপল অধিকার করিবেন। কিছু দিবস পরে দাজ্জাল বাহির হইবে। এমতাবস্থায় হযরত ঈছা আলাইহিস্ সালাম আছমান হইতে নাজেল হইবেন। উপরোক্ত বহু মোজাদ্দেদের উক্তি হইতে বুঝা যায় যে, হজরত এমাম মাহদী পৃথক ব্যক্তি, কাজেই মির্জা সাহেবের এলহাম বাতীল।

এবনো মাজার ৩০২ পৃষ্ঠায় এই হাদিছটী আছে;

ولا المهدى الا عيسى.

æঈছা আলাইহিস্ সালাম ব্যতীত মাহ্দী কেহ নাই।”

(এ হাদীছ শরীফ-এর ছহীহ এবং গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা হচ্ছে হযরত মাহদী আলাইহিস সালাম আগমন করার পর হযরত ঈসা আলাইহিস সালামও আগমন করবেন এবং উনাকে তাছদীক্ব করবেন। কাজেই, যে মাহদীকে হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম তাছদীক্ব করবেন না সে প্রকৃত মাহদী না)

এই হাদিছটীর সম্বন্ধে মোহাদ্দেছগণ কি বলিয়াছেন তাহা শুনুন;-

আল্লামা শেখ হাছান আদাবি মাশারেকোল-আনওয়ার” কেতাবের ১৭০ পৃষ্ঠায় লিখিয়াছেন;Ñ

واماما ورد من انه لا مهدى الا عيسى ابن مريم فهو مع كنه و ضعيفا عند الحفاظ مؤول بان المعنى لا مهدى معصوم مطلقا الا عيسى او المعنى لا قول للمهدى الا بمشهورة عيسى.

æঈছা আলাইহিস্ সালাম ব্যতীত মাহদী নাই, এই হাদিছটী হাফেজে-হাদিছগণ জইফ বলিয়াছেন, ইহা সত্ত্বেও উহার অর্থ এই যে, সর্ব্ব প্রকার বেগোনাহ্ হেদাএত প্রাপ্ত ঈছা আলাইহিস্ সালাম-ব্যতীত আর কেহ নাই, কিম্বা এইরূপ অর্থ হইতে পারে, ঈছা আলাইহিস্ সালাম-এর পরামর্শ ব্যতীত মাহদীর কোন কথা হইবে না।

আল্লামা কোরতবি ‘তাজকেরা’র ১৩৩ পৃষ্ঠায় লিখিয়াছেন;

ولا مهدى الا عيسى بن مريم وهذا لا ينا فى ما تقدم فى احاديث المهدى لان معناه شان عيسى بن مريم عليه الصلوة والسلام على المهدى اى انه لا مهدى الا عيسى لعصمته وكماله فلا ينا فى وجود المهدى كقولهم ما فتى الا على.

æঈছা আলাইহিস্ সালাম ব্যতীত মাহদী নাই” ইহা উল্লিখিত মাহদী সংক্রান্ত হাদিছগুলির বিপরীত নহে। কেননা ইহার মর্ম্ম-মাহদী আলাইহিস্ সালাম-এর উপর ঈছা বেনে মরয়েম আলাইহিস্ সালাম-এর দরজাকে উচ্চ করিয়া দেখান, অর্থাৎ প্রকৃত হেদাএত পাত্রই হজরত ঈছা আলাইহিস্ সালাম, যেহেতু তিনি বেগোনাহ ও কামেল। কাজেই এই হাদিছটী এমাম মাহদী আগমনের বিপরীত হইল না-যেরূপ তাহারা বলিয়া থাকেন, আলি ব্যতীত যুবক কেহ নাই।

(অসমাপ্ত)

 

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র: খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।”

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র:  খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির “ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।”

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির “ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তভুর্ক্ত হয় যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।” কাদিয়ানী রদ!

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয়। যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।”

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র। খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির। ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয়। যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।”