খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির “ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।”

সংখ্যা: ১৮৭তম সংখ্যা | বিভাগ:

কাদিয়ানী রদ!

(ষষ্ঠ ভাগ)

(কুতুবুল ইরশাদ, মুবাহিছে আয’ম, বাহরুল উলূম, ফখরুল ফুক্বাহা, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, তাজুল মুফাস্সিরীন, হাফিযুল হাদীছ, মুফতিউল আ’যম, পীরে কামিল, মুর্শিদে মুকাম্মিল হযরতুল আল্লামা মাওলানা শাহ্ ছূফী শায়খ মুহম্মদ রুহুল আমীন রহমতুল্লাহি আলাইহি কর্তৃক প্রণীত “কাদিয়ানী রদ” কিতাবখানা (৬ষ্ঠ খণ্ডে সমাপ্ত) আমরা মাসিক আল বাইয়্যিনাত পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করছি। যাতে কাদিয়ানীদের সম্পর্কে সঠিক ধারণাসহ সমস্ত বাতিল ফিরক্বা থেকে আহ্লে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের অনুসারীদের ঈমান-আক্বীদার হিফাযত হয়। আল্লাহ্ পাক আমাদের প্রচেষ্টায় কামিয়াবী দান করুন (আমীন)। এক্ষেত্রে তাঁর কিতাব থেকে হুবহু উদ্ধৃত করা হলো, তবে তখনকার ভাষার সাথে বর্তমানে প্রচলিত ভাষার কিছুটা পার্থক্য লক্ষণীয়)।

(ধারাবাহিক)

তফছিরে-ফৎহোল-বয়ান, ২/৩৪৪ পৃষ্ঠা;

وقد تواتر الاحاديث بنزول عيسى جسما ارضح ذلك الشوكانى فى مؤلف مستقل يتضمن ذكر ما ورد فى المنتظر والدجال و المسيح وغيره فى غيره.

ইছা আলাইহিস্ সালাম-এর নাজেল হওয়া সম্বন্ধে অসংখ্য (মোতাওয়াতের) হাদিছ আসিয়াছে, যেরূপ  শওকানি একখানা পৃথক কেতাবে উহা প্রকাশ করিয়াছেন, উহাতে এমাম মাহদী, দাজ্জল ও মছিহ-সংক্রান্ত হাদিছগুলি সন্নিবেশিত হইয়াছে। আর অন্যান্য বিদ্বানগণ অন্যান্য কেতাবে বর্ণনা করিয়াছেন।”

এবনো-তায়মিয়া নিজের মাছায়েলে লিখিয়াছেন-

وصعود الادمى ببدنه الى السماء ثبت فى مريم المسيح عيسى ابن مريم عليه السلام فانه صعد الى السماء وسوف ينزل الى الارض.

“সশরীরে মনুষ্যের আছমানে সমুত্থিত হওয়া মছিহ ইছা বেনে মরয়েমে আলাইহিস্ সালাম-এর সম্বন্ধে সপ্রমাণ হইয়াছে, কেননা তিনি আছমানে সমুত্থিত হইয়াছেন এবং অচিরে তিনি জমিতে নাজেল হইবেন।

তফছিরে এবনে-কছির, ৩/২৩৭/২৩৮ পৃষ্ঠা;

قال احمد عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لقيت ليلة اسرى بى الى ابراهيم وموسى وعيسى عليهم السلام فتذاكروا امر  الساعة فردوا امرهم الى ابراهيم فقال لا علم لى بها فردوا امرهم الى موسى فقال لا علم لى بها فردوا امر هم الى عيسى فقال عما وجبتها لايعلم بها احد الا الله وفيما عهد الى ربى عز وجل ان الدجال خارج ومعى قضيبان فاذا رأنى ذاب كما يذوب الرصاص فهلكه الله.

“(হজরত) নবি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম বলিয়াছেন, রাত্রে আমাকে মে’রাজে লইয়া যাওয়া হইয়াছিল, আমি এবরাহিম, মূছা ও ইছা আলাইহিমুস্ সালাম-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করিয়াছিলাম, তাঁহারা কেয়ামতের বিষয় আলোচনা করিয়াছিলেন, ইহাতে তাঁহারা এই ব্যাপারকে এবরাহিম আলাইহিস্ সালাম-এর নিকট উপস্থিত করিলেন, তখন তিনি বলিলেন, এতৎসম্বন্ধে আমাকে বলার অনুমতি দেয়া হয় নাই। তৎপরে তাঁহারা ইহা মুছা আলাইহিস্ সালাম-এর নিকট উপস্থিত করিলেন। তিনিও ঐরূপ বলিলেন। তখন তাঁহারা ইহা ইছা আলাইহিস্ সালাম-এর নিকট উপস্থিত করিলেন। ইহাতে তিনি বলিলেন, উহা কোন্ সময় সংঘটিত হইবে, তাহা আল্লাহ ব্যতীত কেহই জানে না। তবে তিনি যাহাদেরকে জানান তিনি জানেন। আমার প্রতিপালক আমার নিকট প্রতিশ্রুতি দিয়াছেন যে, নিশ্চয় দাজ্জাল বাহির হইবে, আমার হস্তে দুইখানা কোড়া থাকিবে, যখন সে আমাকে দেখিবে তখন গলিয়া যাইবে, যেরূপ সীসা গলিয়া যায়।  তৎপরে আল্লাহ তাহাকে ধ্বংস করিবেন। (চলবে)

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র ইসলামী শরীয়ত উনার হুকুম মোতাবেক খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির। যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত। (যেমন- কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি) তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩দিন। এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির “ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

কাদিয়ানী রদ!

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির “ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।”

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র-  খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির “ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।”