খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র- ইসলামী শরীয়ত উনার হুকুম মোতাবেক খতমে নুবুওওয়াাত অস্বীকারকারীরা কাফির। যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াাত অস্বীকারকারী স¤প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত (যেমন- কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি) তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩দিন। এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

সংখ্যা: ২৯১তম সংখ্যা | বিভাগ:

(কাদিয়ানী রদ!)

(কুতুবুল ইরশাদ, মুবাহিছে আয’ম, বাহরুল উলূম, ফখরুল ফুক্বাহা, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, তাজুল মুফাস্সিরীন, হাফিযুল হাদীছ, মুফতিউল আ’যম, পীরে কামিল, মুর্শিদে মুকাম্মিল হযরতুল আল্লামা মাওলানা শাহ্ ছূফী শায়েখ মুহম্মদ রুহুল আমীন রহমতুল্লাহি আলাইহি কর্তৃক প্রণীত ‘কাদিয়ানী রদ’ কিতাবখানা (৬ষ্ঠ খন্ডে সমাপ্ত)। আমরা মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ পত্রিকায় ইতিপূর্বে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করেছি। পাঠকদের অনুরোধে তা পুনরায় প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যাতে কাদিয়ানীসহ সমস্ত বাতিল ফিরক্বা থেকে সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের অনুসারীদের ঈমান আক্বীদার হিফাযত হয়। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের প্রচেষ্টায় কামিয়াবী দান করুন। আমীন!

যদিও তখনকার ভাষার সাথে বর্তমানে ভাষার কিছুটা পার্থক্য লক্ষ্যণীয়।

মির্জার মাহদী দাবি খণ্ডন মির্জা গোলাম প্রতিশ্রুত মাহদী হতে পারেন কিনা?

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

মাওলানা শাহ রফিউদ্দিন সাহেব কেয়ামতনামার ৩-৭ পৃষ্ঠায় লিখেছেন; ক্বিয়ামতের সমস্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চিহ্ন প্রকাশিত হলে, খ্রিষ্টান জাতিরা পরাক্রান্ত হয়ে বহু রাজ্যের অধিকারী হবে, কতককাল পরে আরব ও শাম দেশে (হযরত) আবু ছুফ্ইয়ান বংশধর এক ব্যক্তি প্রকাশিত হয়ে ছৈয়দদেরকে শহীদ করবে, শাম ও মিসর দেশে তার আইন বিস্তৃত হয়ে পড়বে। এমতাবস্থায় তুরস্কের বাদশাহ্ একদল খিৃষ্টানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ও অন্যদলের সাথে সন্ধি করবেন। শত্রুদল কনষ্টান্টিনোপল অধিকার করে নিবে, তখন বাদশাহ নিজের শহর ত্যাগ করে শাম দেশে প্রবেশ করবেন। তারপর সহকারী খৃষ্টান দলের সহযোগিতায় শত্রু খৃষ্টানদলের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর যুদ্ধ করবেন, এতে মুসলমান সৈন্যদল জয়ী হবেন। শত্রুদল পরাজিত হওয়ার পরে সহকারী খৃষ্টানদের মধ্যে একজন বলবে যে, ক্রুশ পরাক্রান্ত হয়ে জয় করেছে। তা শ্রবনে মুসলমান সৈন্যদের মধ্যে এক ব্যক্তি তাকে প্রহার করে বলবে, তা সত্য নয় বরং সম্মানিত দ্বীন ইসলাম জয়যুক্ত হয়েছে। উক্ত খৃষ্টান নিজের দলকে আহবান করবে এবং মুসলমানও নিজের দলকে আহবান করবে, এতে উভয় সৈন্যদলের মধ্যে গৃহবিবাদ উপস্থিত হবে। এতে মুসলমান বাদশাহ শহীদ হয়ে যাবেন। খৃষ্টানদল শাম দেশের অধিপতি হবে ও বিরুদ্ধ খৃষ্টানদের সাথে সন্ধি করবে। অবশিষ্ট মুসলমানগণ পবিত্র মদীনা শরীফে আশ্রয় গ্রহণ করবেন। খৃষ্টানরা খয়বরের নিকটস্থ স্থান পর্যন্ত আধিপত্য বিস্তার করবে। সে সময় মুসলমানগণ হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম উনাকে অনুসন্ধান করবেন যেন উনার দ্বারা এই বিপদ দূরীভূত হয় এবং খৃষ্টানদের হাত হতে নিস্কৃতি লাভ হয়। হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম সেই সময় পবিত্র মদীনা শরীফে থাকবেন। পরে লোকেরা উনার উপর এই কাজের গুরুভার অর্পণ করেন, এই ভয়ে তিনি পবিত্র মদীনা শরীফ হতে পবিত্র মক্কা শরীফে উপস্থিত হবেন। সেই যামানার আবদাল ও ওলীগণ উনার অনুসন্ধানে থাকবেন, কেউ কেউ অযথাভাবে মাহদী হওয়ার দাবী করবে। হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম রোকন ও মাক্বামে ইবরাহীম উনার মধ্যস্থলে পবিত্র বাইতুল্লাহ্ শরীফে তাওয়াফ করতে থাকবেন, এমতাবস্থায় লোকেরা উনাকে চিনতে পারবেন, উনার অনিচ্ছাসত্ত্বেও উনার নিকট বাইয়াত-খিলাফত গ্রহণ করবেন। এর চিহ্ন এই হবে যে, এর পূর্বে রমাদ্বান শরীফ মাসে সূর্য গ্রহণ ও চন্দ্র গ্রহণ হবে। (চলবে)

 

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র ইসলামী শরীয়ত উনার হুকুম মোতাবেক খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির। যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত। (যেমন- কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি) তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩দিন। এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

কাদিয়ানী রদ!

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র ইসলামী শরীয়ত উনার হুকুম মোতাবেক খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির। যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সপ্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় (যেমন- কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি) তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩দিন। এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র ইসলামী শরীয়ত উনার হুকুম মোতাবেক খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির। যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত। (যেমন- কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি) তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩দিন। এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র: খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির ইসলামী শরীয়ত উনার হুকুম মোতাবেক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী স¤প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় (যেমন- কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি) তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩দিন। এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড