খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র। খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির। ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয়। যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।”

সংখ্যা: ২১০তম সংখ্যা | বিভাগ:

কাদিয়ানী রদ!

ষষ্ঠ ভাগ

(কুতুবুল ইরশাদ, মুবাহিছে আয’ম, বাহরুল উলূম, ফখরুল ফুক্বাহা, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, তাজুল মুফাস্সিরীন, হাফিযুল হাদীছ, মুফতিউল আ’যম, পীরে কামিল, মুর্শিদে মুকাম্মিল হযরতুল আল্লামা মাওলানা শাহ্ ছূফী শায়খ মুহম্মদ রুহুল আমীন রহমতুল্লাহি আলাইহি কর্তৃক প্রণীত “কাদিয়ানী রদ” কিতাবখানা (৬ষ্ঠ খণ্ডে সমাপ্ত) আমরা মাসিক আল বাইয়্যিনাত পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করছি। যাতে কাদিয়ানীদের সম্পর্কে সঠিক ধারণাসহ সমস্ত বাতিল ফিরক্বা থেকে আহ্লে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের অনুসারীদের ঈমান-আক্বীদার হিফাযত হয়। আল্লাহ্ পাক আমাদের প্রচেষ্টায় কামিয়াবী দান করুন (আমীন)। এক্ষেত্রে তাঁর কিতাব থেকে হুবহু উদ্ধৃত করা হলো, তবে তখনকার ভাষার সাথে বর্তমানে প্রচলিত ভাষার কিছুটা পার্থক্য লক্ষণীয়)।

(ধারাবাহিক)

আবিজ্জোবাএর বলিয়াছেন, উহার মস্তক বলদের মস্তকের তুল্য, উহার চক্ষু শূকরের চক্ষুর তুল্য, উহার কর্ণ হস্তীর কর্ণের তুল্য, উহার শৃঙ্গ পার্বত্য গরুর শৃঙ্গের তুল্য, উহার গলা উষ্ট্রপক্ষীর গলার তুল্য, উহার বক্ষ: ব্যাঘ্রের বক্ষের তুল্য, উহার রং চিতা বাঘের তুল্য, উহার পার্শ্বদেশ বিড়ালের পার্শ্বদেশের তুল্য, উহার লেজ মেষের লেজের তুল্য ও উহার চারি হাত পা উটের তুল্য। উহার প্রত্যেক জোড়ের মধ্যে ১২ গজ ব্যবধান হইবে।

হযরত আমর ইবনোল আছ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলিয়াছেন, উহার মস্তক মেঘ স্পর্শ করিবে, কিন্তু এখনও উহার পা জমি হইতে বাহির হয় নাই।

হযরত ইবনো আব্বাছ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলিয়াছেন, উহার গলদেশ এত উচ্চ যে পূর্ব ও পশ্চিম দেশ হইতে দেখা যাইতে পারে। উচ্চ আওয়াজে বলিবে, “নিশ্চয় লোকেরা আমার নিদর্শনাবলির উপর বিশ্বাস স্থাপন করিবে না।” দুনইয়ার প্রাচীন সমস্ত তফছিরে উহাকে একটি অপূর্ব ভ্রান্তি বলিয়া লিখিত আছে, কিন্তু মির্জা ছাহেব কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ এবং তফছিরগুলিকে প্রত্যাখান করত: নিজের মনোক্তি মতে এজালাতোল আওহামের ২/২৮৬ পৃষ্ঠায় লিখিয়াছেন ;-

“দাব্বাতোল আরদ আকায়িদ তত্ত্ববিদগণ যাহারা ইসলামের সহায়তাকল্পে সমস্ত বাতীল ধর্মের উপর আক্রমণ করিবেন অর্থাৎ জাহেরি ইলমের আলিমগণ যাহাদের আকাইদ ও ফিলোছোফিতে সমধিক অধিকার থাকে, তাহারা স্থানে স্থানে ইসলামের সহায়তায় দা-য়মান হইবেন। আবার তিনি উহার ২/২৮৬ পৃষ্ঠায় লিখিয়াছেন, “দাব্বাতোল আরদ ওয়াজকারি আলিমগণ যারা নিজেদের মধ্যে আসমানি শক্তি রাখেন না।” আরও তিনি নজুলোম-মছিহ কিতাবের ৩৯ পৃষ্ঠায় লিখিয়াছেন; খোদা তায়ালা প্লেগের কিটকে দাব্বাতোল আরদ বলিয়াছেন।” একেত ইহা হাদীছ শরীফ ও হযরত ছাহাবাগণ উনাদের ও মুজাদ্দিদগণ উনাদের তাফছিরের বিপরীত, দ্বিতীয় আক্বায়েদ তত্ত্ববিদগণ, ওয়ায়েজগণ ও প্লেগ ১৩ শত বৎসর হইতে আছেন ও আছে, কাজেই উহা কিয়ামতের চিহ্ন হবে কিরূপে?

তৃতীয় এক দাব্বাতোল আরদ সম্বন্ধে তাহার তিন প্রকার ভিন্ন ভিন্ন মত আছে, কাজেই উহার কোনটি ঠিক নহে।

(সমাপ্ত)

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির æইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।”

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র: খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।”

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র:  খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির “ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।”

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির “ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তভুর্ক্ত হয় যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।” কাদিয়ানী রদ!

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয়। যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।”