খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র:  খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির “ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।”

সংখ্যা: ১৯৭তম সংখ্যা | বিভাগ:

কাদিয়ানী রদ!

(ষষ্ঠ ভাগ)

(কুতুবুল ইরশাদ, মুবাহিছে আয’ম, বাহরুল উলূম, ফখরুল ফুক্বাহা, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, তাজুল মুফাস্সিরীন, হাফিযুল হাদীছ, মুফতিউল আ’যম, পীরে কামিল, মুর্শিদে মুকাম্মিল হযরতুল আল্লামা মাওলানা শাহ্ ছূফী শায়খ মুহম্মদ রুহুল আমীন রহমতুল্লাহি আলাইহি কর্তৃক প্রণীত “কাদিয়ানী রদ” কিতাবখানা (৬ষ্ঠ খ-ে সমাপ্ত) আমরা মাসিক আল বাইয়্যিনাত পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করছি। যাতে কাদিয়ানীদের সম্পর্কে সঠিক ধারণাসহ সমস্ত বাতিল ফিরক্বা থেকে আহ্লে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের অনুসারীদের ঈমান-আক্বীদার হিফাযত হয়। আল্লাহ্ পাক আমাদের প্রচেষ্টায় কামিয়াবী দান করুন (আমীন)। এক্ষেত্রে তাঁর কিতাব থেকে হুবহু উদ্ধৃত করা হলো, তবে তখনকার ভাষার সাথে বর্তমানে প্রচলিত ভাষার কিছুটা পার্থক্য লক্ষণীয়)।

(ধারাবাহিক)

কাদিয়ানী দলের মানিত মোজাদ্দেদ মোল্লা আলি কারি ‘মেরকাতের’ ৫/১৮৬ পৃষ্ঠায় লিখিয়াছেন;

اعلم ان حديث لامهدي الا عيسى بن مريم ضعيف باتفاق المحدثين كما صرح به الجزرى على انه من باب لافتى الا على قال الطيبى رحمه الله الاحاديث عنه صلى الله عليه وسلم فى التنصيص على خروج المهدى من عترته من ولد فاطمة ثابته اصح من هذا الحديث فالحكم لها دونه قال يحتمل معناه لامهدى كاملا معصوما الا عيسى عليه السلام .

“তুমি জানিয়া রাখ (হজরত) ঈছা আলাইহিস সালাম ব্যতীত মাহদী হইবে না” এই হাদিছটী সমস্ত মোহাদ্দেছের মতে জইফ, যেরূপ বর্ণনা করিয়াছেন। ইহা সত্ত্বেও ইহার অর্থ এই হাদিছের তুল্য হইবে “আলি ব্যতীত কেহ যুবক নাই।” (অর্থাৎ তিনি অদ্বিতীয় যুবক)। তিনি বলিয়াছেন, যে হাদিছগুলিতে স্পষ্টভাবে উল্লিখিত হইয়াছে যে, মাহদী হজরত ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বংশধর ও ফাতেমা আলাইহাস সালাম উনার বংশোদ্ভূত হইবেন, সেই হাদিছগুলি এই হাদিছ অপেক্ষা বহুগুণে ছহিহ, কাজেই এই হাদিছগুলি সত্য বলিয়া গ্রহণীয় হইবে, উক্ত হাদিছটী গ্রহণীয় হইবে না। উক্ত হাদিছের এইরূপ মর্ম্ম হওয়া সম্ভম- (হজরত) ঈছা আলাইহিস সালাম ব্যতীত কামেল ও বেগোনাহ মাহদী আর কেহ হইবে না।” (অসমাপ্ত)

কাদিয়ানী দলের মানিত মোজাদ্দেদ আল্লামা এবনো হাজার আস্কালানি ‘তাহজিবোত্তহ জীবের ৯/১৪৩/১৪৫ পৃষ্ঠায় লিখিয়াছেন;

لا مهدى الا عيسى عليه السلام

এই হাদিছের একজন রাবির নাম মোহাম্মদ বেনে খালেদ জান্দি। হাফেজ আরাবি বলিয়াছেন, মোহাম্মদ বেনে খালেদ মোহাদ্দেছগণের নিকট অপরিচিত ব্যক্তি। নবি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হইতে অসংখ্য (মোতায়াতের) হাদিছ মাহদী সম্বন্ধে আসিয়াছে যে, তিনি হজরত ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বংশধর হইবেন, সাত বৎসর রাজত্ব করিবেন, দুনইয়াকে ন্যায় বিচারে পূর্ণ করিয়া দিবেন। যখন  (হজরত) ঈছা আলাইহিস সালাম বাহির হইবেন তখন উক্ত এমাম মাহদী দাজ্জাল হত্যায় তাঁহার সহায়তা করিবেন’ তিনিই এই উম্মতের এমাম হইবেন, (হজরত) ঈছা আলাইহিস্ সালাম তাঁহার পশ্চাতে নামাজ পড়িবেন। (অসমাপ্ত)

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির æইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।”

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র: খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।”

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির “ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তভুর্ক্ত হয় যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।” কাদিয়ানী রদ!

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয়। যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।”

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র। খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির। ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয়। যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।”