খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৪৩

সংখ্যা: ১৯৩তম সংখ্যা | বিভাগ:

প্রকৃতপক্ষে কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে এটাই মশহূর বর্ণনা যে, ১২ই রবীউল আউয়াল শরীফ সোমবার দিন আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যমীনে আগমন করেছেন।

কাজেই, দিন যদি নির্দিষ্ট হয়ে যায়, ফায়ছালা হয়ে যায় তাহলে তো আর ইখতিলাফ থাকতে পারে না। আর সেই দিন পালন করা যেতে পারে বা সেই দিনকে উপলক্ষ করে সারা বৎসরই আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি-এর আগমন উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা যেতে পারে। এটা শরীয়তসম্মত। কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর একটা দলীলের দ্বারা কেউ প্রমাণ করতে পারবে না যে, এই মাজলিস বা মাহফিল করা শরীয়তসম্মত নয়। কাজেই, যেহেতু তাদের কোন দলীল-আদিল্লাহ নেই তাই তাদের এ কথা কখনই গ্রহণযোগ্য হবে না।

এরপর তাদের আরো বক্তব্য রয়েছে, তারা অনেকে বলে থাকে, যেহেতু আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এসেছেন, ঠিক আছে মানা হলো সেজন্য খুশি প্রকাশ করতে হবে। এখন তিনি বিদায় নিয়েছেন একই তারিখে। তাদের মধ্যে কিছু বদ্ নছীব, বদ্ বখত্, কম বখত যারা রয়েছে তারা বলে থাকে, আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিদায়ের কারণে ইবলিস তো খুশি প্রকাশ করেছে। নাঊযুবিল্লাহ! কাজে, ইবলিস যেই কাজে খুশি প্রকাশ করেছে সে কাজে ঈমানদাররা, মুসলমানরা কি করে খুশি প্রকাশ করতে পারে। তাদের এ কথাটাও কুফরী। নবী এবং রসূল আলাইহিমুস্ সালামগণ সম্পর্কে এদের আক্বীদা বিশুদ্ধ নয়। যার জন্য এরা এ কথা বলে থাকে যে, আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিদায়ের কারণে ইবলিস খুশি প্রকাশ করেছে। আর কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ-এ আমরা যেটা দেখতে পাই সেটা হচ্ছে, আল্লাহ পাক নিজেই বলেছেন আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে। আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন-

يايها الرسول بلغ ما انزل اليك من ربك

“হে আমার হাবীব! আপনাকে যা দেয়া হয়েছে, যা নাযিল করা হয়েছে আপনার প্রতি আপনার রব তায়ালার পক্ষ হতে, সেটা আপনি পৌঁছে দিন।” এবং আল্লাহ পাক বলেছেন, আল্লাহ পাক-এর হাবীব, নবী এবং রসূল আলাইহিমুস্ সালামগণ যা বলেছেন উনাদের ভাষায় সেটা আল্লাহ পাক-এর ভাষায়ও বলেছেন-

وما علينا الا البلاغ المبين

“নবী এবং রসূল আলাইহিমুস্ সালামগণ যারা এসেছেন উনাদের দায়িত্ব ছিল পৌঁছে দেয়া।” উনারা সেটা পৌঁছে দিবেন এতটুকুই উনাদের দায়িত্ব। কেউ গ্রহণ করবে, কেউ গ্রহণ করবে না সেটা তার ব্যাপার। যে গ্রহণ করবে সে নাযাত পাবে, যে গ্রহণ করবে না তার জন্য জাহান্নাম রয়েছে। যেহেতু আল্লাহ পাক জাহান্নাম ও জান্নাত উভয়টি তৈরী করেছেন। কাজেই, আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সেটা তিনি যথাযথ পালন করেছেন। আর বিশেষ করে যে কিতাব নাযিল করা হয়েছে মানুষকে গোমরাহী থেকে হিদায়েতের দিকে নিয়ে আসার জন্য।

আল্লাহ পাক নিজেই ইরশাদ করেছেন-

كتاب انزلنه اليك لتخرج الناس من الظلمات الى النور

“আল্লাহ পাক নিজেই ইরশাদ করেন, হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনার প্রতি আমি কিতাব নাযিল করেছি; যাতে আপনি কিতাবের মাধ্যমে মানুষকে গোমরাহী থেকে হিদায়েতের দিকে নিয়ে যেতে পারেন।”

এখন প্রত্যেক নবী, প্রত্যেক রসূল আলাইহিমুস্ সালামগণ যাঁরা এসেছেন অতীতে এবং স্বয়ং আল্লাহ পাক-এর হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিইয়ীন, নূরে মুজাস্সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা এসেছেন আল্লাহ পাক-এর নির্দেশে একটা দায়িত্ব নিয়ে। সেই দায়িত্ব যখন যথাযথ পৌঁছে দেয়া হয় তখন উনারা আল্লাহ পাক-এর সাক্ষাতে চলে যান। আল্লাহ পাক-এর সাক্ষাতে উনারা ছিলেন, সেখান থেকে এসেছেন মানুষকে হিদায়েত করার জন্য, নছীহত করার জন্য, ইবরত দেয়ার জন্য। উনাদের যে দায়িত্ব রয়েছে যখন তা যথাযথ সমাধা হয়ে যায়, পালন হয়ে যায় তখন আল্লাহ পাক-এর নির্দেশেই উনারা সন্তুষ্টচিত্তে আবার প্রত্যাবর্তন করেন। আল্লাহ পাক-এর দীদারে মশগুল থাকেন। কাজেই, যারা বদ আক্বীদা, বদ মাযহাবের লোক তারা হয়তো সেটা জানে না, সেজন্য তারা একথা বলে থাকে।

হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস্ সালামগণের যে আগমন ও বিদায় প্রত্যেকটাই আল্লাহ পাক-এর নির্দেশেই হয়ে থাকে। কারণ আল্লাহ পাক-এর হাবীব, আখিরী নবী, নূরে মুজাস্সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি এসেছেন, দায়িত্ব সমাধা করেছেন। আল্লাহ পাক নিজেই সেটা বলেছেন কুরআন শরীফ-এ-

اليوم اكملت لكم دينكم واتممت عليكم نعمتى ورضيت لكم الاسلام دينا.

আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন সূরা মায়িদার ৩নং আয়াত শরীফ-এ “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, যখন বিদায় হজ্জের সময় আরাফার ময়দানে শুক্রবার দিন ছিল আয়াত শরীফ নাযিল হলো যে, আজকে ইসলামকে পরিপূর্ণ করা হলো, নিয়ামত পরিপূর্ণ করা হলো

ورضيت لكم الاسلام دينا.

আল্লাহ পাক নিজেই ঘোষণা করলেন, ইসলামকে মনোনীত করা হলো, এর মধ্যে সন্তুষ্টি দেয়া হলো। অর্থাৎ আল্লাহ পাক এর মধ্যে সন্তুষ্ট হলেন। এই দীন- ইসলামকে মনোনীত করলেন, সন্তুষ্টি দান করলেন, পরিপূর্ণ করলেন, নিয়ামত দান করলেন এবং পরবর্তীতে আল্লাহ পাক-এর বান্দাদের জন্য ইসলামকে মনোনীত করা হলো-

ان الدين عند الله الاسلام

এজন্য নাযিল হয়েছে যে, ইসলাম আল্লাহ পাক-এর তরফ থেকে একটা পূর্ণ দীন। এর ব্যাখ্যায় বলা হয়ে থাকে, ইসলাম হচ্ছে- আল্লাহ পাক-এর তরফ থেকে আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি ওহীর মাধ্যমে নাযিলকৃত একমাত্র মনোনীত, সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত, পরিপূর্ণ, পছন্দনীয় দীন। সেটা হচ্ছে ইসলাম। যা আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি নাযিল করা হয়েছে। যখন পূর্ণ হয়ে গেলো ইসলাম, তখনই আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহ পাক-এর সাক্ষাতে গেলেন। এই আয়াত শরীফ-এর ব্যাখ্যায় হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে-

عن ابى بكرة رضى الله تعالى عنه قال خطبنا النبى صلى الله عليه وسلم يوم النحر

হযরত আবূ বাকরাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খুৎবা দিলেন নহরের দিন, কুরবানীর দিন। যখন বিদায় হজ্জের কুরবানী হয়ে গেল, কুরবানীর দিন হলো, সেই দিন আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন এবং আরাফার ময়দানেও আল্লাহ পাক-এর হাবীব বলেন, কি বলেন?

الا هل بلغت قالوا نعم

আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞাসা করলেন সমস্ত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণকে লক্ষ্য করে, আমি কি তোমাদের কাছে আমার দায়িত্ব পৌঁছে দিয়েছি? উনারা সকলেই বললেন-

قالوا نعم

‘হে আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি পৌঁছিয়েছেন।’

তখন আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন-

 قال اللهم اشهد فاليبلغ الشاهد الغائب فرب مبلغ اوعى من سامع.

আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, হে আল্লাহ পাক! আপনি সাক্ষী থাকুন, আপনি সাক্ষী থাকুন। আরো বললেন যে দেখ, তোমাদের মধ্যে এমন অনেক লোক রয়েছ যাঁরা শুনেছো আমার কথাটা তাঁরা, যারা শুনেনি তাদের কাছে পৌঁছে দিও, হতে পারে যারা শুনেনি, যারা শুনেছে এবং যারা পৌঁছাবে তাদের চাইতে অনেক বেশি আমল করবে। এ একটা বর্ণনা।

(অসমাপ্ত)

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩৪

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩৫

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩৬

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩৭

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয:৩৮