খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আযম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আযম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৪২

সংখ্যা: ১৯২তম সংখ্যা | বিভাগ:

আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা বা সেই দিন উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা প্রত্যেকটাই ফযীলতের কারণ।

কিছু লোক রয়েছে যারা বলে থাকে যে, আল্লাহ পাক উনার হাবীব আখিরী নবী নূরে মুজাস্সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আসার যে তারিখটা রয়েছে ১২ই রবীউল আউয়াল শরীফ সোমবার দিন, যা মশহূর মত যেটা আমরা বলে থাকি। এতে তারা মতবিরোধ করে থাকে, ইখতিলাফ করে থাকে। হ্যাঁ, মতবিরোধ থাকাটা স্বাভাবিক।

সেজন্য আল্লাহ পাক বলেন-

هاتوا برهانكم ان كنتم صادقين

তোমরা সত্যবাদী হলে দলীল পেশ করো। যে বিষয় দলীল বেশি হবে সেটাই গ্রহণ করতে হবে। সেজন্য আল্লাহ পাক অন্যত্র বলেন-

يايها الذين امنوا اطيعوا الله واطيعوا الرسول واولى الامر منكم. فان تنازعتم فى شىء فردوه الى الله والرسول

æহে ঈমানদারগণ! আল্লাহ পাককে অনুসরণ করো। আল্লাহ পাক উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অনুসরণ করো এবং যাঁরা আল্লাহ পাক উনার মতে মত হয়েছেন, আল্লাহ পাক উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পথে পথ হয়েছেন তাঁদেরকে অনুসরণ করো।”

فان تنازعتم فى شىء

যারা উলিল আমর রয়েছেন তাঁদের মধ্যে যদি ইখতিলাফ হয়-

فردوه الى الله والرسول

আল্লাহ পাক স্পষ্ট বলেন, তোমাদের মধ্যে যাঁরা উলিল আমর রয়েছেন  যদি তাদের মধ্যে কোন বিষয় ইখতিলাফ হয়, মতবিরোধ হয় তাহলে আল্লাহ পাক উনার দিকে এবং আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিকে প্রত্যাবর্তন করো।” অর্থাৎ কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াসের যে বিষয় বা যাঁর দলীল আদিল্লাহ বেশি রয়েছে সে বিষয়ের বা উনার দিকে তোমরা প্রত্যাবর্তন করো। অর্থাৎ আল্লাহ পাক উনার দিকে এবং আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিকে তোমরা প্রত্যাবর্তন করো। তাহলে দেখা যাচ্ছে, ইখতিলাফ থাকতে পারে, এটা স্বাভাবিক।

এবং হাদীছ শরীফ-এ রয়েছে-

اختلاف العلماء رحمة

আলিম যাঁরা রয়েছেন হক্কানী-রব্বানী উনাদের ইখতিলাফ হচ্ছে রহমতের কারণ।

কিন্তু ইখতিলাফ হওয়ার পর কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ অনুযায়ী যা সাব্যস্ত হবে, যে বিষয় বা সম্পর্কে দলীল আদিল্লাহ বেশি পাওয়া যাবে সেদিকেই রুজু হতে হবে। সেটাই আল্লাহ পাক বলেন-

فردوه الى الله والرسول

তোমরা ফিরে যাও আল্লাহ পাক উনার দিকে এবং আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিকে। আল্লাহ পাক এবং আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দলীল-আদিল্লাহ যেদিকে বেশি পাওয়া যাবে সেদিকেই প্রত্যাবর্তন করতে হবে। উলিল আমরের মধ্যে ইখতিলাফ থাকতে পারে সেটা আল্লাহ পাক নিজেই বলেন। যারা কাফির মুশরিক রয়েছে তারা তো আল্লাহ পাককে নিয়েই ইখতিলাফ করে সেটাও আল্লাহ পাক কুরআন শরীফ-এ বলেছেন। সেজন্য কি আল্লাহ পাক উনার ব্যাপারে সন্দেহ করতে হবে? যদি কোন ব্যক্তি সন্দেহ করে তাহলে সে তো কাট্টা কাফির হয়ে যাবে।

আল্লাহ পাক নিজেই ইরশাদ করেছেন, অনেক আয়াত শরীফ -এ।

এক আয়াত শরীফ-এ আল্লাহ পাক বলেন,

افحسبتم انما خلقنكم عبثا وانكم الينا لاترجعون

তোমরা কি ধারণা করেছ যে, আল্লাহ পাক তোমাদেরকে অনর্থক সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ পাক উনার দিকে তোমাদের প্রত্যাবর্তন করতে হবে না, তোমরা কি সেটা ধারণা করো?

আল্লাহ পাক নিজেই বলেন, তোমরা কি ধারণা করো যে তোমরা আল্লাহ পাক উনার কাছে প্রত্যাবর্তন করবে না, অনর্থক সৃষ্টি করা হয়েছে।

فتعلى الله الملك الحق

সেই আল্লাহ পাক তো মর্যাদাবান। তিনি মালিক, তিনি সত্য, তিনিই হক্ব।

لا اله الا هو

আল্লাহ পাক ব্যতীত কোন রব নেই, ইলাহ নেই।

رب العرش الكريم

সম্মানিত আরশের তিনি অধিপতি।

ومن يدع مع الله الها اخر لا برهان له به.

আল্লাহ পাক নিজেই বলেন যে দেখ, যারা আল্লাহ পাক ছাড়া অন্য কাউকে রব হিসেবে, তাদের প্রতিপালক হিসেবে, ইলাহ হিসেবে ডেকে থাকে, প্রকৃতপক্ষে এদের কোন দলীল-আদিল্লাহ নেই। তারা মনগড়া বানিয়ে সেটা বলে থাকে এবং লিখে থাকে।

কাজেই, যে বিষয় দলীল-আদিল্লাহ নেই সে বিষয়টা গ্রহণযোগ্য হবে না। আর যদি কেউ দলীল পেশ করেও থাকে তাহলে যে বিষয় দলীল অধিক রয়েছে যারা উলামায়ে হক্কানী-রব্বানী উনাদের ইখতিলাফ হলে, যে বিষয় দলীল-আদিল্লাহ বেশি রয়েছে সেটাই অনুসরণ করতে হবে সেটাই আল্লাহ পাক বলে দিয়েছেন।

এ বিষয় আমরা দেখতে পাই যে, আল্লাহ পাক উনার হাবীব, আখিরী নবী, নূরে মুজাস্সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে এসেছেন ১২ই রবীউল আউয়াল শরীফ সে সম্পর্কে অনেক বর্ণনা রয়েছে।

কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-

عن عفان عن سعيد بن مينا عن جابر وابن عباس رضى الله تعالى عنهما قالا ولد رسول الله صلى الله عليه وسلم عام الفيل يوم الاثنين الثانى عشر من شهر ربيع الاول.

হযরত আফফান রহমতুল্লাহি আলাইহি হযরত সায়ীদ ইবনে মীনা রহমতুল্লাহি আলাইহি হতে বর্ণনা করেন যে, হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা থেকে বর্ণিত রয়েছে। উনারা বলেন, আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কবে এসেছেন অর্থাৎ বিলাদত শরীফ কবে হয়েছে-

عام الفيل

হাতীর বৎসর। অর্থাৎ যে বৎসর আবরাহাকে ধ্বংস করে দেয়া হলো।

يوم الاثنين الثانى عشر من شهر ربيع الاول

সোমবার দিন, বারো তারিখ, রবীউল আউয়াল শরীফ মাসে।

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা যিনি রঈসুল মুফাস্সিরীন, যাঁকে আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বয়ং লক্বব দিয়েছেন, দোয়া করেছেন। হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বিশিষ্ট ছাহাবী। উনাদের থেকে বর্ণিত রয়েছে যে, আল্লাহ পাক উনার হাবীব এসেছেন রবীউল আউয়াল শরীফ মাসের ১২ তারিখ সোমবার দিন। সুবহানাল্লাহ!

যেহেতু এটা বর্ণিত রয়েছে, মশহূর রেওয়ায়েত। বর্ণনাকারী হচ্ছেন হযরত আব্দুল হক মুহাদ্দিছ দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি। উনার মাদারিজুন নুবুওওয়াত, মাছাবাতা বিস্ সুন্নাহ কিতাবে বর্ণনা করেছেন। হযরত ইমাম যুরকানী রহমতুল্লাহি আলাইহি সীরতে হালবিয়াতে, তাওয়ারীখে হাবীবে ইলাহিতে রয়েছে বিশ্বখ্যাত কিতাব জাজাউল হায়াত, বিদায়া ওয়ান নিহায়া, বুলুগুল আমানী, ফতহুর রব্বানী। বিশ্বখ্যাত যে মশহূর কিতাব রয়েছে, ইতিহাসের কিতাব, সীরতগ্রন্থ রয়েছে সে সমস্ত কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, আল্লাহ পাক উনার হাবীব, আখিরী নবী, নূরে মুজাস্সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রবীউল আউয়াল শরীফ মাসের ১২ই তারিখ সোমবার শরীফ যমীনে আগমন করেছেন।

কাজেই, এটা যখন মশহূর রেওয়ায়েত এবং বিশ্বস্ত রেওয়ায়েত রয়েছে তাহলে এর উপরই ফতওয়া দেয়া হয়েছে। কাজেই এর উপরই সেটা আমল করতে হবে। এরপর যদি কেউ ইখতিলাফ করে তাহলে সেটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। আল্লাহ পাক উনার যমীনে উম্মতদের মধ্যে যাঁরা বিশ্বখ্যাত আলিম, ফক্বীহ, ছূফী, আল্লাহ পাক উনার ওলী, হক্কানী-রব্বানী আলিম উনারাই যেহেতু এ বিষয় ফতওয়া দিয়েছেন এবং বর্ণিত রয়েছে হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম থেকে। কাজেই সেটাই গ্রহণযোগ্য এবং এই হাদীছ শরীফ সম্পর্কে, এই বর্ণনা সম্পর্কে, এই রেওয়ায়েত সম্পর্কে যাঁরা মুহাদ্দিছীনে কিরাম সকলেই একমত প্রকাশ করেছেন, যাঁরা বর্ণনাকারী তাঁরা সকলেই বিশুদ্ধ রাবী, ছিক্বাহ রাবীর অন্তর্ভুক্ত।

কাজেই, যারা বলে থাকে, ইখতিলাফ রয়েছে সেটা তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার এবং তারা ঈদে মীলাদুন্ নবী যাকে আমরা সাইয়্যিদে ঈদে আযম বলে থাকি আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে যে খুশি প্রকাশ করা হয়। সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ঈদ, সমস্ত ঈদের সেরা ঈদ, যেটা আমরা বলে থাকি। এই ঈদের যারা বিরোধিতা করে থাকে তারা মূলতঃ এর মধ্যে ইখতিলাফ করে থাকে। প্রকৃতপক্ষে কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াসের দৃষ্টিতে এটাই মশহূর বর্ণনা যে ১২ই রবীউল আউয়াল শরীফ সোমবার শরীফ আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যমীনে আগমন করেছেন। (অসমাপ্ত)

খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নেয়ামত, আল মালিক, আল মাখদূম, কুতুবুল আলম, গাউছুল আ’যম, মুজাদ্দিদে আ’যম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াত, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, ইমামুল আইম্মাহ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াজ শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হজ্জ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উমরা উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত, হুকুম-আহকাম সম্পর্কে (২৫)

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে- ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩০

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩১

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩২

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩৩