খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয:৩৮

সংখ্যা: ১৮৮তম সংখ্যা | বিভাগ:

এজন্য অন্য কিতাবে বর্ণনা করা হয়েছে-

قال ابو بكرن الصديق رضى الله تعالى عنه من انفق درهما على قراءة مولد النبى صلى الله عليه وسلم كان رفيقى فى الجنة.

আফদ্বালুন্ নাস বা’দাল আম্বিয়া অর্থাৎ আল্লাহ পাক-এর যমীনে নবীদের পরে শ্রেষ্ঠ মানুষ হযরত আবু বকর ছিদ্দীক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন যে দেখ, কেউ যদি আল্লাহ পাক-এর হাবীব-এর বিলাদত শরীফ উপলক্ষে বা মীলাদ শরীফ উপলক্ষে কেউ যদি এক দিরহাম খরচ করে, আফদ্বালুন্ নাস বা’দাল আম্বিয়া হযরত আবু বকর ছিদ্দীক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন-

كان رفيقى فى الجنة

সেই ব্যক্তি আফদ্বালুন্ নাস, বা’দাল আম্বিয়া হযরত আবু বকর ছিদ্দীক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু-এর কি হবেন? জান্নাতে তিনি সঙ্গী হবেন; বন্ধু হবেন, রফীক্ব হবেন। সুবহানাল্লাহ।

এত মর্যাদা-মর্তবা রয়েছে এই মীলাদ শরীফ,  বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করার মধ্যে। যারা সেটা পাঠ করবে, খুশি প্রকাশ করবে, মাত্র এক দিরহাম যে খরচ করবে তার জন্য এত বড় সুসংবাদ রয়েছে।

হযরত উমর বিন খত্তাব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু যিনি দ্বিতীয় খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন, যার শানে আল্লাহ পাক-এর হাবীব বলেন-

لو كان بعدى نبى لكان عمر بن الخطاب رضى الله تعالى عنه

আল্লাহ পাক-এর হাবীব ইরশাদ করেন, আল্লাহ পাক-এর হাবীব-এর পরে যদি কেউ নবী হতেন তাহলে সে ব্যক্তিত্ব হতেন হযরত উমর ইবনুল খত্তাব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। তিনি ইরশাদ করেন-

قال عمر بن الخطاب رضى الله تعالى عنه من عظم مولد النبى صلى الله عليه وسلم فقد احيا الاسلام

হযরত উমর ইবনুল খত্তাব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ পাক-এর হাবীব-এর বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করবে, এই দিনকে তা’যীম -তাকরীম করবে সে যেন প্রকৃতপক্ষে ইসলামকে যিন্দা করলো। সুবহানাল্লাহ।

কারণ, আল্লাহ পাক-এর হাবীব সম্পর্কে যে জানবে না, উনার ফযীলত বুঝবে না, উনার বিলাদত শরীফ বুঝবে না, সে ব্যক্তি জীবনেও ইসলাম সম্পর্কে জানতে পারবে না। আল্লাহ পাক-এর হাবীব সম্পর্কে জানলে, বুঝলে, খুশি প্রকাশ করলে, তখনই সে হাক্বীক্বীভাবে ইসলাম বুঝবে এবং তার দ্বারাই ইসলাম যিন্দা হওয়ার সম্ভব রয়েছে। সেটাই তিনি বলেছেন-

فقد احيا الاسلام

অর্থাৎ সে যে তা’যীম-তাকরীম করলো বিলাদত শরীফ-এর দিবসকে, সে যেন প্রকৃতপক্ষে ইসলামকেই যিন্দা করলো। সুবহানাল্লাহ। এত ফযীলত রয়েছে।

এরপর হযরত উছমান যুন্ নূরাইন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন-

قال عثمان ذو النورين رضى الله تعالى عنه من انفق درهما على قراءة مولد النبى صلى الله عليه وسلم فكانما شهد غزوة بدر وحنين

হযরত উছমান যুন্ নূরাইন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন দেখ, যে ব্যক্তি এই বিলাদত শরীফ উপলক্ষে মীলাদ শরীফে একটি দিরহাম খরচ করবে তার কি ফযীলত? তিনি ইরশাদ করেন, সে যেন বদর এবং হুনাইনের জিহাদে শরীক থাকলো। সুবহানাল্লাহ।

এতটুকু ফযীলত বর্ণনা করা হয়েছে, যে ব্যক্তি আল্লাহ পাক-এর হাবীব-এর বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করবে, তা’যীম-তাকরীম করবে, মাত্র এক দিরহাম খরচ করবে খুশি হয়ে, তার জন্য এত বড় ফযীলত বর্ণনা করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহ।

এরপর হযরত আলী র্কারামাল্লাহু ওয়াজহাহু রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন-

قال على رضى الله تعالى عنه وكرم الله وجهه من عظم مولد النبى صلى الله عليه وسلم وكان سببا لقراءة مولد النبى صلى الله عليه وسلم لايخرج من الدنيا الا بالايمان ويدخل الجنة بغير حساب.

হযরত আলী র্কারামাল্লাহু ওয়াজহাহু রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, কোন ব্যক্তি যদি বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করে এবং আল্লাহ পাক-এর হাবীব-এর সেই বিলাদতের কথা প্রকাশ করে মীলাদ শরীফ পাঠ করে, বিলাদতের কথা বলে তাকে তা’যীম-তাকরীম করে, তাহলে তার জন্য কি রয়েছে?

لا يخرج من الدنيا الا بالايمان

সে বের হবে না দুনিয়া থেকে অর্থাৎ তার মৃত্যু হবে না, ইন্তেকাল হবে না ঈমান ব্যতীত অর্থাৎ সে ঈমানের সাথে ইন্তেকাল করবে, এক নাম্বার। আর দু’ নাম্বার হচ্ছে-

ويدخل الجنة بغير حساب.

সে বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। সুবহানাল্লাহ।

এতটুকু ফযীলত বর্ণনা করেছেন হযরত আলী র্কারামাল্লাহু ওয়াজহাহু রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু।

যারা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, খুলাফায়ে রাশিদীন চারজন উনাদের থেকে বর্ণিত রয়েছে, এই মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ফযীলত, গুরুত্ব, মর্যাদা। এবং উনারাও  সেটা পালন করেছেন। উনারা ফাযায়িল-ফযীলত বর্ণনা করেছেন আর উনারা পালন করেননি একথা স্বাভাবিক নয়। উনারা ফাযায়িল-ফযিলত বর্ণনা করেছেন, উনারা পালন করেছেন, তা’যীম-তাকরীম করেছেন, ইজ্জত-সম্মান করেছেন। কাজেই, পরবর্তী উম্মতের জন্য সেটা দায়িত্ব-কর্তব্য।

এবং পরবর্তী যারা ইমাম, মুজতাহিদ, আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম তাঁরাও সেটা পালন করেছেন। তাঁরাও এর ফাযায়িল-ফযীলত বর্ণনা করেছেন। এর ফযীলত বর্ণনা করেছেন হযরত ইমাম মা’রূফ কারখী রহমতুল্লাহি আলাইহি যিনি হচ্ছেন বিশিষ্ট বুযূর্গ, হযরত ইমাম আলী রেজা রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর তিনি প্রধান খলীফা। ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত্ তরীক্বত হযরত ইমাম মারূফ কারখী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার যামানায় তিনি ছিলেন আল্লাহ পাক-এর লক্ষ্যস্থল। তিনি বর্ণনা করেন-

قال معروف الكرخى قدس  الله سره من هيا طعاما لاجل قراءة  مولد النبى صلى الله عليه وسلم وجمع  اخوانا واوقد سراجا ولبس جديدا وتبخر وتعطر تعظيما لمولد النبى صلى الله  عليه وسلم حشره  الله تعالى  يوم  القيامة  مع الفرقة  الاولى من النبين وكان فى اعلى عليين.

হযরত ইমাম মারূফ কারখী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-

من هيا طعاما لاجل قراءة  مولد النبى صلى الله عليه وسلم

কেউ যদি আল্লাহ পাক-এর হাবীব-এর এই বিলাদত শরীফ উপলক্ষে, মীলাদ শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করে এবং কোন খাদ্যের ব্যবস্থা করে এবং তার সাথে সাথে

وجمع اخوانا তার যারা ভাই-ভাতিজা রয়েছে, আত্মীয়-স্বজন যেমন মুসলমান যারা রয়েছেন। তাদেরকে যদি সে এই উপলক্ষে জমা করে, একত্রিত করে

واوقد سراجا এবং সেজন্য লোকজন যেহেতু জমা হবে কিছু আলোর দরকার রয়েছে, বাতি সে জ্বালায় এলাকাটাকে আলোকিত করে, খুশি প্রকাশ করে

ولبس جديدا এবং সেই উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করে কেউ যদি নতুন পোশাক পরে

وتبخر وتعطر এইজন্য সে যদি সুগন্ধি জ্বালায় সেটা ধুপ হোক,  আরো কিছু হোক- আতর, গোলাপ সে ছিটিয়ে দেয় বা শরীরে মেখে নেয়

تعظيما لمولد النبى صلى الله  عليه وسلم আল্লাহ পাক-এর হাবীব-এর মীলাদ শরীফ উপলক্ষে, বিলাদত শরীফ উপলক্ষে কেউ যদি খুশি প্রকাশ করে তা’যীম করে তাকরীম করে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করে অর্থাৎ সে খাদ্যের ব্যবস্থা করবে লোকজন জমা করবে আলোচনার জন্য।

যেহেতু লোকজন জমা হলে আলোর দরকার রয়েছে আলো জালাবে এবং খুশি প্রকাশ করে নতুন পোশাক পরিধান করবে, সুগন্ধি ছিটাবে এবং ব্যবহার  করবে, ইত্যাদি ইত্যাদি কেউ যদি করে তবে

حشره  الله  يوم  القيامة

ঐ ব্যক্তিদের আল্লাহ পাক একত্রিত করবেন, কিয়ামতের দিন, কাদের সাথে?

مع الفرقة  الاولى من النبين

নবী-রসূল আলাইহিমুস্ সালামগণের মধ্যে যাঁরা প্রথম শ্রেনীর রয়েছেন তাঁদের সাথে আল্লাহ পাক হাশরন্ডশর করাবেন। সুবহানাল্লাহ।

وكان فى اعلى عليين.

এবং তাকে আল্লাহ পাক ‘আলা ইল্লিইয়ীন’ অর্থাৎ তাকে আল্লাহ পাক সবচেয়ে উত্তম জান্নাত দান করবেন। সুবহানাল্লাহ। (অসমাপ্ত)

খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নেয়ামত, আল মালিক, আল মাখদূম, কুতুবুল আলম, গাউছুল আ’যম, মুজাদ্দিদে আ’যম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াত, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, ইমামুল আইম্মাহ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াজ শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হজ্জ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উমরা উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত, হুকুম-আহকাম সম্পর্কে (২৫)

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে- ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩০

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩১

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩২

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩৩