খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নেয়ামত, আল মালিক, আল মাখদূম, কুতুবুল আলম, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, ইমামুল আইম্মাহ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াজ শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হজ্জ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উমরা উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত, হুকুম-আহকাম সম্পর্কে (২০)

সংখ্যা: ২৯০তম সংখ্যা | বিভাগ:

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

এটা হচ্ছে একটা ফযীলত এখানে বলা হয়েছে। আরেক পবিত্র হাদীছ শরীফে বলা হয়, যে পবিত্র হাদীছ শরীফ হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। এটা একটা লম্বা বড় হাদীছ শরীফ।

عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ، قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا كَانَ يَوْمُ عَرَفَةَ إِنَّ اللهَ يَـنْزِلُ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْـيَا فَـيُـبَاهِيْ بِهِمُ الْمَلَائِكَةَ فَـيَـقُوْلُ: انْظُرُوْا إِلٰى عِبَادِيْ أَتَـوْنِي شُعْثًا غُبْـرًا ضَاجِّيْنَ مِنْ كُلِّ فَجٍّ عَمِيْقٍ أُشْهِدُكُمْ أَنِّي قَدْ غَفَرْتُ لَهُمْ فَـيَـقُوْلُ الْمَلَائِكَةُ: يَا رَبِّ فُلَانٌ كَانَ يُـرَهَّقُ وَفُلَانٌ وَفُلَانَةُ قَالَ: يَـقُوْلُ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ: قَدْ غَفَرْتُ لَهُمْ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: فَمَا مِنْ يَـوْمٍ أَكْثَـرَ عَتِيْـقًا مِنَ النَّارِ مِنْ يَـوْمِ عَرَفَةَ سُبْحَانَ اللهِ

হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বতামুন নাবিয়্যীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন কি বলেন?

إِذَا كَانَ يَـوْمُ عَرَفَةَ

 যখন আরাফার দিন হয়, তখন কি হয়?

إِنَّ اللهَ يَـنْزِلُ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْـيَا

আরাফার দিন স্বয়ং যিনি খ্বলিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পৃথিবীর আকাশে এসে থাকেন। অর্থাৎ তিনি উনার রহমতে খাছ নাযিল করেন। সুবহানাল্লাহ! যেটা আমরা সাধারণত জানি, পবিত্র শবে বরাত, শবে ক্বদর দোয়া কবুলের যে রাত্রগুলি এই রাত্রগুলিতে মহান আল্লাহ পাক তিনি পৃথিবীর আকাশে এসে থাকেন। অর্থাৎ রহমতে খাছ নাযিল করে থাকেন। সুবহানাল্লাহ! ঠিক তদ্রুপ বলা হচ্ছে আরাফার দিন। উকূফে আরাফাটা হচ্ছে ৯ তারিখ সূর্য ঢলার পর থেকে ১০ তারিখ ছুবহে ছাদিক পর্যন্ত সময়। এর মধ্যে হাজী সাহেব যারা হজ্জ করবে তাদের অবশ্যই আরাফার ময়দানে উপস্থিত থাকতে হবে। এই সময়টার জন্য যেটা বলা হচ্ছে পবিত্র হাদীছ শরীফে-

إِنَّ اللهَ يَـنْزِلُ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْـيَا

নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি পৃথিবীর আকাশে এসে থাকেন অর্থাৎ রহমতে খাছ নাযিল করেন। সুবহানাল্লাহ! তখন কি করেন

فَـيُـبَاهِي بِهِمُ الْمَلَائِكَةَ

মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের কাছে ফখর করতে থাকেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি কি ফখর করতে থাকেন?

فَـيَـقُوْلُ انْظُرُوْا إِلَى عِبَادِيْ

মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, হে ফেরেশতারা! তোমরা লক্ষ্য করো। আমার বান্দাদের প্রতি তোমরা লক্ষ্য করোতো তারা হজ্জের ময়দানে কিভাবে এসেছে।

أَتَـوْنِي شُعْثًا غُبْـرًا ضَاجِّيْنَ

তারা ইহরাম বাধার কারণে, হজ্জে আসার কারণে তাদের চুলগুলি এলোমেলো, ধূলায় ধুসরিত হয়ে গেছে এবং তারা কান্না-কাটি রোনাজারি করতে করতে আসতেছে, অবস্থান করতেছে।

مِنْ كُلِّ فَجٍّ عَمِيْقٍ

সেই দূর-দূরান্ত থেকে, দেশ-বিদেশ থেকে। বড় বড় প্রশস্ত এবং সরু রাস্তা দিয়ে। যারা হাজী সাহেব হজ্জ করার জন্য এসে থাকেন দূর-দূরান্ত থেকে, রোনাজারি করতে করতে, আহাজারি করতে করতে এখানে পেঁৗছেছে আরাফার ময়দানে। ইহরাম বাঁধার কারণে, হজ্জের কারণে তাদের চেহারা ধূলায় ধূসরিত হয়ে গেছে, চূলগুলি এলোমেলো হয়ে গেছে। মহান আল্লাহ পাক যিনি খ্বলিক যিনি মালিক যিনি রব তিনি হযরত ফেরেশ্তা আলাইহিমুস সালাম উনাদের কাছে বান্দা-বান্দি উম্মতদের নিয়ে ফখর করেন।

এরপর মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই বলেন-

أُشْهِدُكُمْ

 হে ফেরেশ্তারা! তোমরা সকলেই সাক্ষী থাকো। মহান আল্লাহ পাক তিনি ঘোষণা দিচ্ছেন, হে ফেরেশ্তারা! তোমরা সকলেই সাক্ষী থাকো,

أَنِّيْ قَدْ غَفَرْتُ لَهُمْ

আমি অবশ্যই তাদের সবাইকে ক্ষমা করে দিলাম। সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, তোমরা সাক্ষী থাকো, আমি অবশ্যই ক্ষমা করে দিলাম এদের সবাইকে।

فَـيَـقُوْلُ الْمَلَائِكَةُ

তখন হযরত ফেরেশ্তা আলাইহিমুস সালাম বলেন,

يَا رَبِّ فُلَانٌ كَانَ يُـرَهَّقُ وَفُلَانٌ وَفُلَانَةُ

আয় মহান আল্লাহ পাক! আরাফার ময়দানে অমুক অমুক বান্দা তারাতো অনেক বড় বড় গুনাহখাতা করেছিলো। বারে ইলাহী! আপনার বান্দা-বান্দিদের মধ্যে আরাফার ময়দানে অনেকে উপস্থিত হয়েছে যারা অনেক বড় বড় গুনাহখাতা করেছে। অমুক অমুক বান্দা। ফেরেশ্তা আলাইহিমুস সালাম উনারা সেই বান্দাদেরকে লক্ষ্য করে বলেন যে, অমুক অমুক বান্দা যারা উপস্থিত হয়েছে এরাতো অনেক বড় বড় গুনাহখাতা করেছে বারে ইলাহী! এদেরকে কি ক্ষমা করে দেয়া হবে?

قَالَ: يَـقُوْلُ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ: قَدْ غَفَرْتُ لَهُمْ

 সেটা শুনার পরও যিনি খ্বলিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, অবশ্যই আমি তাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছি। সুবহানাল্লাহ! অবশ্যই আমি ক্ষমা করে দিয়েছি। সুবহানাল্লাহ!

قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

এ কথা বলে স্বয়ং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

فَمَا مِنْ يَـوْمٍ أَكْثَـرَ عَتِيْـقًا مِنَ النَّارِ مِنْ يَّـوْمِ عَرَفَةَ

আরাফার দিন যত সংখ্যক বান্দা-বান্দিকে ক্ষমা করা হয় অন্য কোন দিন এতো সংখ্যক এবং এতো বড় বড় গুনাহ ক্ষমা কখনও করা হয় না। সুবহানাল্লাহ!

কাজেই যারা হজ্জ করতে যাবে হজ্জে মাবরূর যদি সত্যিই নছীব হয়েই থাকে তাহলে তাদের জিন্দেগীর সমস্ত গুনাহখাতাগুলো ক্ষমা করে মা’ছূম নিস্পাপ করে দেন। সুবহানাল্লাহ! এখানে মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ফেরেশ্তা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে বললেন,

فَـيُـبَاهِيْ بِهِمُ الْمَلَائِكَةَ

হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের নিকট ফখর করলেন।

(অসমাপ্ত)

 

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩৩

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩৪

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩৫

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩৬

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩৭