খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নেয়ামত, মুজাদ্দিদে আ’যম, মুহইস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াত, আল মালিক, আল মাখদূম, কুতুবুল আলম, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, ইমামুল আইম্মাহ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াজ শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হজ্জ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উমরা উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত, হুকুম-আহকাম সম্পর্কে (২১)

সংখ্যা: ২৯১তম সংখ্যা | বিভাগ:

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

আপনারা লক্ষ্য করুন, আমার বান্দারা কি অবস্থায় এসেছে, কি করতেছে। এখানে মহান আল্লাহ পাক তিনি সে বিষয়টা স্মরণ করিয়ে দেন হযরত ফেরেশ্তা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে। উনারা সেটা বলেছিলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি যেটা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেছেন-

وَإِذْ قَالَ رَبُّكَ لِلْمَلآَئِكَةِ إِنِّيْ جَاعِلٌ فِي الْأَرْضِ خَلِيْـفَةً

মহান আল্লাহ পাক তিনি এখানে বলেন, সাইয়্যিদুনা হযরত আবুল বাশার ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে যে সৃষ্টি করবেন সে বিষয়টা বলেছিলেন। হে হযরত ফেরেশ্তা আলাইহিমুস সালাম! আমি যমীনে খলীফা পাঠাতে চাই? বিষয়টা তাদের জানালেন। হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা উনাদের পূর্ব অভিজ্ঞতায় জেনেছিলেন। আগে জান, বান, তানু জ্বীন সম্প্রদায় ছিলো। যারা মারামারি করেছে, কাটাকাটি করেছে, ফিতনা-ফাসাদ করেছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে উনারা বলেছিলেন যে, বারে ইলাহী!

قَالُوْاۤ اَتَجْعَلُ فِيْـهَا مَنْ يُّـفْسِدُ فِيْـهَا وَيَسْفِكُ الدِّمَآءَ

উনারা বললেন, আপনি কি এমন একটা ক্বওম পাঠাতে চান যারা মারামারি করবে, কাটাকাটি করবে, রক্ত প্রবাহিত করবে, ফেতনা-ফাসাদ করবে, রক্ত প্রবাহিত করবে।

وَنَحْنُ نُسَبِّحُ بِحَمْدِكَ وَنُـقَدِّسُ لَكَ

আল্লাহ পাক! আমরাতো আপনার সম্মানিত তাসবীহ পাঠ করে থাকি, প্রশংসা করে থাকি, ছানা-ছিফত মুবারক করে থাকি, পবিত্রতা মুবারক বর্ণনা করি। তাহলে আরেকটা ক্বওম কি প্রয়োজন থাকতে পারে বারে ইলাহী! হযরত ফেরেশ্তা আলাইহিমুস সালাম উনারা পূর্ব অভিজ্ঞতা অনুসারে বলেছিলেন, আগের যারা ক্বওম সৃষ্টি করা হয়েছিলো তারা নিজেরা মারামারি, কাটাকাটি করে ধ্বংস হয়ে গেছে, নাফরমানী করেছে, তারা রক্ত প্রবাহিত করেছে, তারা ফিতনা-ফাসাদ করেছে। মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন-

  قَالَ إِنِّيْۤ أَعْلَمُ مَا لَا تَـعْلَمُوْنَ

হে হযরত ফেরেশ্তা আলাইহিমুস সালাম! আমি যা জানি আপনাদেরতো তা জানা নেই। হযরত ফেরেশ্তা আলাইহিমুস সালাম উনারা চুপ হয়ে গেলেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি বিষয়টা জানিয়ে রাখলেন হযরত ফেরেশ্তা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে, এক ক্বওম, এক সম্প্রদায়কে তিনি পাঠাবেন, সৃষ্টি করবেন। হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে সৃষ্টি করা হলো। এই বিষয়টা হযরত ফেরেশ্তা আলাইহিমুস সালাম উনারা যেহেতু বলেছিলেন, এরা মারামারি করবে, কাটাকাটি করবে, রক্ত প্রবাহিত করবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি সেটাই স্মরণ করে দিচ্ছেন।

يُـبَاهِيْ مَلآَئِكَتَهٗ

ফখর করে বলতেছেন, হে হযরত ফেরেশ্তা আলাইহিমুস সালাম!

اُنْظُرُوْا إَلٰى عِبَادِيْ أَتَـوْنِيْ

আমার যারা বান্দা-বান্দী তাদের দিকে লক্ষ্য করুন, উনারা কি অবস্থায় এসেছেন,

شُعْثًا

এটা বলা হচ্ছে চুলগুলি এলোমেলো,

غُبْـرًا

ধূলায় ধূসরিত

ضَاجِّيْنَ مِنْ كُلِّ فَجٍّ عَمِيْقٍ

উনারা কান্নাকাটি, রোনাজারি, আহাজারী করতেছেন। অনেক দূর দূরান্ত, দেশ-বিদেশ থেকে, অনেক প্রশস্ত এবং সরু পথ পার হয়ে উনারা এসেছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি সেটাই বললেন, আরাফার ময়দানে গুনাহখাতা যে ক্ষমা করা হবে বলা হয়েছে এই গুনাহখাতা ক্ষমা  করার জন্য, ফরয হজ্জ আদায় করার জন্য বান্দা-বান্দীরা অনেক দূর- দূরান্ত থেকে অনেক কষ্ট স্বীকার করে তারা নিজেরা ধূলায় ধূসরিত হয়ে চূলগুলি এলোমেলো করে, রোনাজারি, কান্নাকাটি করতেছে আমার কাছে ক্ষমা লাভ করার জন্য। মহান আল্লাহ পাক তিনি বিষয়টা বলে দিলেন যে, যাদের সৃষ্টি করা হয়েছে, ইনসান, সাইয়্যিদুনা হযরত আবুল বাশার ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার বংশধর উনারা শুধু মারামারি, কাটাকাটি, ফিতনা-ফাসাদই করবে না। বরং উনারা আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনাও করবেন। সেটাই দেখালেন এবং এজন্য বলে দিলেন-

أُشْهِدُكُمْ أَنِّيْ قَدْ غَفَرْتُ لَهُمْ

 হে হযরত ফেরেশ্তা আলাইহিমুস সালাম! আপনারা সাক্ষী থাকুন, নিশ্চয়ই আমি, যারা উপস্থিত হয়েছেন উনাদের সবাইকে ক্ষমা করে দিলাম। সুবহানাল্লাহ! তখন কিন্তু হযরত ফেরেশ্তা আলাইহিমুস সালাম উনারা বললেন-

فَـيَـقُوْلُ الْمَلَآئِكَةُ: يَا رَبِّ فُلَانٌ كَانَ يُـرَهَّقُ وَفُلَانٌ وَفُلَانَةُ

আয় আল্লাহ পাক! অমুক অমুক বান্দা আরাফার ময়দানে উপস্থিত হয়েছে সত্যিই কিন্তু তারাতো কঠিন, বড় বড় কবীরা গুনাহ করেছে। কঠিন বড় বড় গুনাহ করেছে বারে ইলাহী! তাদেরকে কি ক্ষমা করা হবে? মহান আল্লাহ পাক তিনি কিন্তু তাদের কথাকে গুরুত্ব দিলেন না। তিনি কি বললেন?

فَـيَـقُوْلُ  عَزَّ وَجَلَّ : قَدْ غَفَرْتُ لَهُمْ

মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, অবশ্যই আমি ক্ষমা করে দিয়েছি। সুবহানাল্লাহ! এখানে কোন কথা শোনা হবে না। অবশ্যই আমি ক্ষমা করে দিয়েছি। এটা বলে স্বয়ং নূরে মুজাসসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কি বললেন?

فَمَا مِنْ يَّـوْمٍ أَكْثَـرُ عَتِيْـقًا مِّنَ النَّارِ مِنْ يَّـوْمِ عَرَفَةَ

 যে আরাফার ময়দানে যত মানুষের গুনাহ খতাগুলো ক্ষমা করা হয়, যত বড় বড় গুনাহখতা ক্ষমা করা হয় সেটা অন্য কোন সময় এভাবে ক্ষমা করা হয় না। সুবহানাল্লাহ! এটা বলে আরাফার ময়দানের যে খুছূছিয়াত, বৈশিষ্ট্য, বুযূর্গী, সম্মান সে বিষয়টি স্পষ্ট করে দিলেন স্বয়ং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। কাজেই মহান আল্লাহ পাক তিনি বান্দাদেরকে নিয়ে এ বিষয়ে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের কাছে ফখর করে থাকেন। এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফে সেটাই বলা হলো এবং গুনাখতা সব ক্ষমা করে দেয়া হবে।

এরপর আরেকটা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফে বলা হচ্ছে, সেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফেও বান্দা-বান্দী, উম্মতদেরকেও যে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ক্ষমা করার জন্য দোয়া মুবারক করেছেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি দোয়া মুবারক কবুল করেছেন। (অসমাপ্ত)

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৪৫

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৪৬

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৪৭

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৪৮

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর আলোকে সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার ফাযায়িল-ফযীলত, বুযুর্গী-সম্মান, খুছূছিয়ত-বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে