ছাহিবুর রিদ্বওয়ান, আয়ায্যু উম্মাতিন নাবিয়্যি, আ’দালু উম্মাতিন নাবিয়্যি, ছাহিবুত্ তাক্বওয়া, মাহবুবুল্লাহ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম- রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধির তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-৮০

সংখ্যা: ১৮৬তম সংখ্যা | বিভাগ:

-হযরত মাওলানা মুফতী সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল হালীম

‘মুহ্ইস সুন্নাহ’ লক্বব মুবারক প্রসঙ্গেঃ

খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর জিন্দাকৃত বা পুনঃ প্রচলন করা কতিপয় সুন্নতের বিবরণঃ

কোণা ফাঁড়া পাঞ্জাবী হিন্দুদের পোশাক:

ধুতি ও পৈতার ন্যায় কোণা ফাঁড়া পাঞ্জাবীও হিন্দুদের পোশাক। তার উৎপত্তি হয় ভারত উপমহাদেশে আকবরের শাসনামলে।

কাজেই মুসলমানগণের জন্য ধুতি ও পৈতা পরিধান করা যেমন জায়িয নেই, তেমনি কোনা ফাঁড়া পাঞ্জাবী পরিধান করাও জায়িয নেই।

তাফসীরে বাইজাবী-১/২৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে যে,

لبس الغيار وشد الزنار ونحوهما كفر.

 অর্থঃ “গিয়ার বা লম্বা টুপি পরিধান করা, পৈতা বাধা এবং এতদুভয়ের অনুরূপ পোশাক পরিধান করা কুফরী।” (হাশিয়ায়ে মুহিউদ্দীন শায়খজাদা- ১/১০৮, ইনায়াতুল কাজী ওয়া কিফায়াতুর রাজী-১/২৬৫)

উল্লেখ্য যে, আকবর যে “দ্বীনে ইলাহী” প্রতিষ্ঠা করেছিল হিন্দুরাও তার সদস্য ছিল। হিন্দুরা তাদের চিরাচরিত প্রথানুযায়ী খোলা শরীরে বাদশাহর শাহী দরবারে আসা-যাওয়া করতো। কিন্তু বাদশা আকবর এবং তার সভাসদের কারো কারো নিকট তা মর্যাদা হানিকর মনে হতো। তাই বাদশাহ আকবর হিন্দুদের খোলা শরীরে এবং খালি মাথায় শাহী দরবারে আসতে নিষেধ করলো।

তখন হিন্দুরা শলা-পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিল তারা পোশাক পরেই শাহী দরবারে যাবে। তবে মুসলমানগণের পোশাক পরে নয়। সেটা হবে মুসলমানগণের খিলাফ; স্বতন্ত্র এক পোশাক।

স্মর্তব্য যে, মুশরিক তথা হিন্দুরা যে মুসলমানদের চিরশত্রু তা স্বয়ং আল্লাহ পাকই কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ করেছেন,

لتجدن اشد الناس عداوة للذين امنوا اليهود والذين اشركوا.

অর্থঃ “তোমরা তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদীদেরকে। অতঃপর যারা মুশরিক তাদেরকে।“ (সূরা মায়িদা-৮২)

মুসলমানদের সাথে ইহুদী ও মুশরিকদের শত্রুতা চিরদিনের। তারা কখনো মুসলমানদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে না। সবসময় বিরোধীতায় লিপ্ত। শত্রুতাবশতঃ প্রতিটি ক্ষেত্রে মুসলমানদের বিপরীত কাজ করে থাকে। উদাহরণ স্বরূপ, মুসলমানগণ পানের যে দিকে চুন নিয়ে খায় তারা খায় তার বিপরীত দিকে। মুসলমানগণ যেদিকে মাথা দিয়ে ঘুমায় তারা তার বিপরীত দিকে মাথা দিয়ে ঘুমায়।  মুসলমানগণের চিরশত্রু সেই হিন্দু সম্প্রদায় সিদ্ধান্ত করলো তারা মুসলমানগণের মত লম্বা ও ঢিলা ঢালা জামা পরিধান করবে না। আর ইহুদী-নাছারাদের  মত শার্ট, প্যান্ট, টাইও পরবে না। তারা কোনা ফাঁড়া খাট পাঞ্জাবী জামা পরিধান করবে। তাতে ধুতীর লেজ পাঞ্জাবীর পকেটে রাখতে সহজ হবে। আর টুপি হবে দোপাট্টা বা কিস্তি।

যেমন সিদ্ধান্ত তেমনি কাজ। তখন থেকে হিন্দুরা কোনা ফাঁড়া পাঞ্জাবী এবং দোপাট্টা বা কিস্তি টুপি পরে বাদশাহের শাহী দরবারে যাতায়াত করতে থাকে। অদ্যাবধি হিন্দুরা সেই কোনা ফাঁড়া পাঞ্জাবী এবং ধুতিকে অত্যন্ত সম্মানজনক ও সম্ভ্রান্ত পোশাক মনে করে বিধায় কোনা ফাঁড়া পাঞ্জাবী পরে ধুতির লেজ কোনার ফাঁক দিয়ে পকেটে রেখে দিতে অনেক স্বাচ্ছন্দ বোধ করে।

কাজেই কোণা ফাঁড়া পাঞ্জাবী যত লম্বাই হোক না কেন তা পরিধান করলে সুন্নত আদায় হবে না। আর তাকে সুন্নত বললে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি মিথ্যারোপ হওয়ার কারণে কুফরী হবে। (জামউল ওসায়িল, শরহুল মানাবী, মিরকাত, মছনবী শরীফ, গুলজারে সুন্নত, মাসিক আল বাইয়্যিনাত ১৪০তম সংখ্যা ৬৫ পৃষ্ঠা) (চলবে)

মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাওলানা রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নাম মুবারক উনার পূর্বে ব্যবহৃত “মুহইস সুন্নাহ” লক্বব মুবারক বা উপাধির তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-১৯৮

আশরাফুল আউলিয়া, খতীবে আ’যম, ফখরুল আউয়ালীন ওয়াল আখিরীন,  মুহীবুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাহবুবে রাব্বুল আলামীন, শায়খু কালীমুল্লাহ, কুদ্ওয়াতুল উলামা ওয়াল মাশায়িখ, মাখদুমে আলম, সিবগাতুল্লাহ, আহলুল্লাহ, মাশগুলুল হক, শামছুল আরিফীন, তাজুল আসফিয়া,  সাইয়্যিদুনা, ইমাম রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধী এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ – ৪

আশরাফুল আউলিয়া, খতীবে আ’যম, ফখরুল আউয়ালীন ওয়াল আখিরীন,  মুহীববু নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাহবুবে রাব্বুল আলামীন, শায়খু কালীমুল্লাহ, কুদ্ওয়াতুল উলামা ওয়াল মাশায়িখ, মাখদুমে আলম, সিবগাতুল্লাহ, আহলুল্লাহ,মাশগুলুল হক, শামছুল আরিফীন, তাজুল আসফিয়া,  সাইয়্যিদুনা, ইমাম রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধী এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ – ৫

সাইয়্যিদুশ্ শাকিরীন, শাইখুল মুজাহিদীন, সুলত্বনুত্ ত্বহিরীন, ইমামুর রাশিদীন, মুর্শিদু উইলদে আদম, ইমামুস্ সুন্নাহ্, ছহিবে আসরার, যুবদাতুল আরিফীন, মাহ্বুবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, কাবিরুল আউলিয়া, ইমামুল আ’যম, বদরুদ্দীন, হাদীয়ে আকরাম, জারুল্লাহ্, সাইয়্যিদুল আবরার, সাইয়্যিদুনা, ইমাম – রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম  মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধি এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-৬

রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধি এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-৭