পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অর্থাৎ সম্মানিত শরীয়ত উনার আলোকে খাছ সুন্নতী বাল্যবিবাহ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (পর্ব-৩)

সংখ্যা: ২৬৬তম সংখ্যা | বিভাগ:

 ৩৫তম ফতওয়া হিসেবে

 পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অর্থাৎ সম্মানিত শরীয়ত উনার আলোকে খাছ সুন্নতী বাল্যবিবাহ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া” পেশ করতে পারায় মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র দরবার শরীফ-এ শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি। আলহামদুলিল্লাহ।

 খাছ সুন্নতী বাল্যবিবাহ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া দেয়ার কারণ

সুন্নতের পথিকৃত, হক্বের অতন্দ্র প্রহরী, দ্বীন ইসলাম উনার নির্ভীক সৈনিক, সারা জাহান থেকে কুফরী, শিরকী ও বিদ্য়াতের মূলোৎপাটনকারী, বাতিলের আতঙ্ক এবং আহ্লে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বীদায় বিশ্বাসী একমাত্র দলীলভিত্তিক তাজদীদী মুখপত্র- “মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ” পত্রিকায় এ যাবৎ যত লেখা বা ফতওয়াই প্রকাশ বা পত্রস্থ হয়েছে এবং ইনশাআল্লাহ হবে তার প্রতিটিরই উদ্দেশ্য বা মাকছূদ এক ও অভিন্ন। অর্থাৎ “মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ” উনার মধ্যে এমনসব লেখাই পত্রস্থ হয়, যা মানুষের আক্বীদা ও আমলসমূহ পরিশুদ্ধ ও হিফাযতকরণে বিশেষ সহায়ক।

বর্তমানে ইহুদীদের এজেন্ট হিসেবে মুসলমানদের ঈমান আমলের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করছে যারা, তারা হলো “উলামায়ে সূ”। ইহুদীদের এজেন্ট উলামায়ে ‘সূ’রা হারাম টিভি চ্যানেল, পত্র-পত্রিকা, কিতাবাদি ও বক্তব্য বা বিবৃতির মাধ্যমে খাছ সুন্নতী বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বলছে। অর্থাৎ তাদের বক্তব্য হচ্ছে সম্মানিত শরীয়ত উনার মধ্য বাল্য বিবাহকে স্বীকৃতি দেয়া হয়নি। তাই বাল্য বিবাহ করা বা দেয়া যাবে না। নাউযুবিল্লাহ!

অথচ তাদের উপরোক্ত বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, চরম বিভ্রান্তিকর ও কুফরীমূলক। তাদের এসব বক্তব্যের কারণে তারা নিজেরা যেরূপ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তদ্রুপ তাদের উক্ত কুফরীমূলক বক্তব্য ও বদ্ আমলের কারণে সাধারণ মুসলমানগণ ই’তিক্বাদী বা আক্বীদাগত ও আ’মালী বা আমলগত উভয় দিক থেকেই বিরাট ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে এবং হবে। নাউযুবিল্লাহ!

কারণ, তাদের উক্ত বক্তব্যের কারণে যারা এ আক্বীদা পোষণ করবে যে, সম্মানিত শরীয়ত উনার মধ্যে বাল্যবিবাহকে স্বীকৃতি দেয়া হয়নি। তাই বাল্যবিবাহ করা বা দেয়া যাবে না। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! তারা ঈমানহারা হয়ে কাট্টা কাফির ও চির জাহান্নামী হবে। কারণ বাল্য বিবাহ শুধু জায়িযই নয় বরং খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত। আর সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে হালাল বা জায়িয বিষয়কে হারাম বা নাজায়িয বলা এবং হারাম বা নাজায়িযকে হালাল বা জায়িয বলা কুফরী। কেননা কিতাবে স্পষ্টই উল্লেখ আছে যে-

اِسْتِحْلَالُ الْـمَعْصِيَةُ كُفْرٌ.

অর্থাৎ “গুনাহের কাজ বা হারামকে হালাল মনে করা কুফরী।” (শরহে আক্বাইদে নাসাফী শরীফ)

অতএব, বলার আর অপেক্ষাই রাখেনা যে, উলামায়ে “সূ”দের উক্ত বক্তব্য সাধারণ মুসলমান উনাদের আক্বীদা বা ঈমানের জন্য বিশেষভাবে হুমকিস্বরূপ।

উল্লেখ্য, বাল্যবিবাহ করতে বা দিতে হবে এরূপ বাধ্যবাধকতা সম্মানিত শরীয়ত উনার মধ্যে নেই। তবে বাল্যবিবাহ যেহেতু সম্মানিত শরীয়ত উনার মধ্যে জায়িয ও সুন্নত তাই বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বলা যাবে না। বললে কুফরী হবে, ঈমান নষ্ট হবে। নাউযুবিল্লাহ!

অনুরূপ উলামায়ে “সূ”দের এ কুফরীমূলক বক্তব্য মুসলমানদের আমলের ক্ষেত্রেও বিশেষ ক্ষতির কারণ। কেননা যারা তাদের উক্ত বক্তব্যের কারণে প্রয়োজন থাকা স্বত্বেও বাল্যবিবাহ থেকে বিরত থাকবে তারা একটি খাছ সুন্নত পালন করা থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি অশ্লীল, অশালীন, অসামাজিক কাজে মশগুল হতে পারে। নাউযুবিল্লাহ!

কাজেই, যারা এ ধরনের কুফরী আক্বীদায় বিশ্বাসী ও কুফরী বক্তব্য প্রদানকারী তারা ও হক্ব সমঝদার মুসলমানগণ তারা তাদের ঈমান ও আমলকে যেন হিফাযত করতে পারে অর্থাৎ সকল বিষয়ে সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বীদা অনুযায়ী আক্বীদা পোষণ করতে পারে এবং পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ মোতাবেক আমল করে মহান আল্লাহ পাক উনার রিযামন্দি হাছিল করতে পারে সে জন্যেই “পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অর্থাৎ সম্মানিত শরীয়ত উনার আলোকে খাছ সুন্নতী বাল্যবিবাহ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়াটি” প্রকাশ করা হলো।

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং নিজেই বাল্যবিবাহ করেছেন যা অসংখ্য পবিত্র ছহীহ হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারাই অকাট্যভাবে প্রমাণিত।

সম্মানিত শরীয়ত উনার দ্বিতীয় দলীল পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার অনেক ছহীহ বা বিশুদ্ধ বর্ণনা দ্বারাও বাল্যবিবাহ শুধু জায়িয বা বৈধই প্রমাণিত হয় না বরং খাছ সুন্নত বলেও প্রমাণিত হয়। সুবহানাল্লাহ!

কেননা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং নিজেই পবিত্র বাল্যবিবাহ মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহ! যা ছিহাহ সিত্তাহসহ প্রায় সকল পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার কিতাবসমূহে উল্লেখ রয়েছে। যেমন-

পূর্ব প্রকাশিতের পর

عَنْ حَضْرَتَ اُمّ الْـمُؤْمِنِيْنَ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَام قَالَتْ تَزَوَّجَنِى رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَاَنَا بِنْتُ … ست بـمكة وبنى بى الـمدينة وانا بنت تسع.

অর্থ: উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে আমার আক্বদ বা নিসবাতুল আযীম মুবারক সম্পন্ন হয় যখন আমার বয়স মুবারক ছিল ৬ বছর। আর তা সম্পন্ন হয়েছিল পবিত্র মক্কা শরীফ-এ। …. আর ৯ বছর বয়স মুবারকে পবিত্র মদীনা শরীফ-এ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র হুজরা শরীফে আমি তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করি।” সুবহানাল্লাহ! (মুসনাদে আবূ দাউদ তাইয়ালাসী যিকরু উরওয়াহ ইবনে যুবাইর আন ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম)

عَنْ حَضْرَتَ اُمّ الْـمُؤْمِنِيْنَ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَام اَنَّ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَزَوَّجَهَا وَهِىَ سِتُّ سِنِيْنَ وَبَنِىْ بِهَا وَهِىَ بِنْتُ تِسْعِ سِنِينَ.

অর্থ: উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে (হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম) উনার সাথে আক্বদ বা নিসবাতুল আযীম মুবারক সম্পন্ন হয় যখন উনার বয়স মুবারক ছিল ৬ বছর। আর ৯ বছর বয়স মুবারকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র হুজরা শরীফে আমি তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেন।” সুবহানাল্লাহ! (মুসনাদু আবী ইয়া’লা তাবে’ মুসনাদে আয়িশা আলাইহাস সালাম, ৮ম খ-, ১৩২ পৃষ্ঠা)

عَنْ حَضْرَتَ اُمّ الْـمُؤْمِنِيْنَ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَام قَالَتْ تَزَوَّجَنِىْ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَاَنَا بِنْتُ سِتُّ سِنِيْنَ وَبَنِىْ بِى وانا بِنْتُ تِسْعِ سِنِيْنَ.  اسناد صحيح.

অর্থ: উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে আমার আক্বদ বা নিসবাতুল আযীম মুবারক সম্পন্ন হয় যখন আমার বয়স মুবারক ছিল ৬ বছর। আর ৯ বছর বয়স মুবারকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র হুজরা শরীফে আমি তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করি।” সুবহানাল্লাহ! এর সনদ ছহীহ। (মুসনাদু আবী ইয়া’লা তাবে’ মুসনাদে আয়িশা আলাইহাস সালাম, ৮ম খ-, ৩০১ পৃষ্ঠা)

عن حضرت زهرى رحمة الله عليه قال تزوج رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَضْرَتَ اُمّ الْـمُؤْمِنِيْنَ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَام بعد حضرت ام المؤمنين كبرى عليها السلام وكان قد ارى فى النوم مرتين يقال هى امرأتك ام المؤمنين صديقة عليها السلام يومئذ بنت ست سنين. بمكة ثم ان رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بنى ام المؤمنين صديقة عليها السلام بعد ما قدم المدينة و ام المؤمنين صديقة عليها السلام يوم بنى بها بِنْتُ تِسْعِ سِنِينَ.

অর্থ: হযরত হিশাম ইবনে উরওয়াহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মুল মু’মিনীন হযরত আল ঊলা কুবরা আলাইহাস সালাম উনার পর (উম্মুল মু’মিনীন হযরত আছছালিছাহ) হিসেবে হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনাকে গ্রহণ করেন। তখন উনার বয়স মুবারক ছিল ৬ বছর। উনাকে স্বপ্ন মুবারকে দুবার দেখানো হয় এবং বলা হয় ইনি আপনার সম্মানিত যাওজুম মুকাররামা। আর তা সংঘটিত হয় পবিত্র মক্কা শরীফে। আর উনার বয়স মুবারক যখন ৯ বছর তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মদীনা শরীফ তাশরীফ মুবারক নেয়ার পর উনাকে নিজ হুজরা শরীফে নিয়ে আসেন। সুবহানাল্লাহ! (সুনানুল কুবরা লিল বাইহাক্বী, কিতাবুন নিকাহবাবু তাসমিয়াতু আযওয়াযিন নাবিয়্যি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)

عَنْ حَضْرَتَ اُمّ الْـمُؤْمِنِيْنَ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَام قَالَتْ تَزَوَّجَنِىْ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَاَنَا ابنة سِتُّ سِنِيْنَ .. فاسلمننى اليه وانا يومئذ بِنْتُ تِسْعِ سِنِيْنَ

অর্থ: উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছছালিছাহ ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে আমার আক্বদ বা নিসবাতুল আযীম মুবারক সম্পন্ন হয় যখন আমার বয়স মুবারক ছিল ৬ বছর। আর ৯ বছর বয়স মুবারকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র হুজরা শরীফে আমি তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করি।” সুবহানাল্লাহ! এর সনদ ছহীহ। (সুনানুল কুবরা লিল বাইহাক্বী, কিতাবুন নিকাহ বাবু মা নিসওয়াতু লিল আরুস)

عن حضرت هشام بن عروة رحمة الله عليه ونكح رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عند متوفى  …… حَضْرَتَ اُمّ الْـمُؤْمِنِيْنَ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَام وكَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اريها فى المنام ثلاث مرار يقال: هذه امراتك حضرت ام المؤمنين صديقة عليها السلام وكانت ام المؤمنين صديقة عليها السلام يوم نكحها رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بنت ست سنين ثم بنى بها وقم الـمدينة وَهِىَ بِنْتُ تِسْعِ سِنِينَ.

অর্থ: হযরত হিশাম ইবনে উরওয়াহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মুল মু’মিনীন হযরত আল ঊলা কুবরা আলাইহাস সালাম উনার পর (উম্মুল মু’মিনীন হযরত আছছালিছাহ) হিসেবে হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনাকে গ্রহণ করেন। তখন উনার বয়স মুবারক ছিল ৬ বছর। উনাকে স্বপ্ন মুবারকে তিনবার দেখানো হয় এবং বলা হয় ইনি আপনার সম্মানিত যাওজুম মুকাররামা। আর তা সংঘটিত হয় পবিত্র মক্কা শরীফে। আর উনার বয়স মুবার যখন ৯ বছর তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মদীনা শরীফ তাশরীফ মুবারক নেয়ার পর উনাকে নিজ হুজরা শরীফে নিয়ে আসেন। সুবহানাল্লাহ! (আল মুস্তাদরিক আলা ছহীহাইন তাসমিয়াতু আযওয়াযি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ৪র্থ খ-, ৫ পৃষ্ঠা)

عن عبد الله رضى الله تعالى عنه قال تزوج النبى صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَضْرَتَ اُمّ الْـمُؤْمِنِيْنَ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَام وَهِىَ بِنْتُ ست سِنِينَ، ودخل بها وهى بنت تسع.

অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম) উনার সাথে আক্বদ বা নিসবাতুল আযীম মুবারক সম্পন্ন হয় যখন উনার বয়স মুবারক ছিল ৬ বছর। আর ৯ বছর বয়স মুবারকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র হুজরা শরীফে তিনি তাশরীফ মুবারক গ্রহণ এবং ৯ বছর বয়স মুবারকেই উনার সাথে অবস্থান মুবারক করেন।” সুবহানাল্লাহ! (মুসনাদু আবী ইয়া’লা তাবে’ মুসনাদে আয়িশা আলাইহাস সালাম, ৮ম খণ্ড, ১৩২ পৃষ্ঠা)

অসমাপ্ত- পরবর্তী সংখ্যার অপেক্ষায় থাকুন

কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে প্রাণীর মূর্তি তৈরি করা ও ছবি আঁকা, তোলা, তোলানো, রাখা, রাখানো, দেখা, দেখানো হারাম-নাজায়িয হওয়ার অকাট্য প্রমাণ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া-২৮

কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান বা শবে বরাত-এর আহকাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া-১

কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে প্রাণীর মূর্তি তৈরি করা ও ছবি আঁকা, তোলা, তোলানো, রাখা, রাখানো, দেখা, দেখানো হারাম-নাজায়িয হওয়ার অকাট্য প্রমাণ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া-২৯

কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান বা শবে বরাত-এর আহকাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া-২

কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে প্রাণীর মূর্তি তৈরি করা ও ছবি আঁকা, তোলা, তোলানো, রাখা, রাখানো, দেখা, দেখানো হারাম-নাজায়িয হওয়ার অকাট্য প্রমাণ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া-৩০