পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমাউল উম্মাহ শরীফ ও পবিত্র ছহীহ ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে সম্মানিত ইসলামী মাস ও বিশেষ বিশেষ রাত, দিন, সময় ও মুহূর্তের আমলসমূহের গুরুত্ব, ফযীলত এবং বেদ্বীন-বদদ্বীনদের দিবসসমূহ পালন করা হারাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (২৮তম পর্ব)

সংখ্যা: ২৬৬তম সংখ্যা | বিভাগ:

৩৪তম ফতওয়া হিসেবে

 পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে সম্মানিত ইসলামী মাস ও বিশেষ বিশেষ রাত ও দিনের আমলসমূহের গুরুত্ব, ফযীলত এবং বেদ্বীন-বদদ্বীনদের দিবসসমূহ পালন করা হারাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া” পেশ করতে পারায় মহান আল্লাহ পাক উনার দরবার শরীফ-এ শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি।

 পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে সম্মানিত ইসলামী মাস ও বিশেষ বিশেষ রাত ও দিনের আমলসমূহের গুরুত্ব, ফযীলত এবং বেদ্বীন-বদদ্বীনদের দিবসসমূহ পালন করা হারাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া দেয়ার কারণ

 সুন্নতের পথিকৃত, হক্বের অতন্দ্র প্রহরী, দ্বীন ইসলাম উনার নির্ভীক সৈনিক, সারা জাহান থেকে কুফরী, শিরক ও বিদ্য়াতের মূলোৎপাটনকারী, বাতিলের আতঙ্ক এবং আহ্লে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বীদায় বিশ্বাসী একমাত্র দলীলভিত্তিক তাজদীদী মুখপত্র- “মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ” পত্রিকায় এ যাবৎ যত লেখা বা ফতওয়াই প্রকাশ বা পত্রস্থ হয়েছে এবং ইনশাআল্লাহ হবে তার প্রতিটিরই উদ্দেশ্য বা মাকছূদ এক ও অভিন্ন। অর্থাৎ “মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ” উনার মধ্যে এমনসব লেখাই পত্রস্থ হয়, যা মানুষের আক্বীদা ও আমলসমূহ পরিশুদ্ধ ও হিফাযতকরণে বিশেষ সহায়ক।

বর্তমানে ইহুদীদের এজেন্ট হিসেবে মুসলমানদের ঈমান আমলের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করছে যারা, তারা হলো “উলামায়ে সূ”। ইহুদীদের এজেন্ট উলামায়ে ‘সূ’রা হারাম টিভি চ্যানেলে, পত্র-পত্রিকা, কিতাবাদি ও বক্তব্য বা বিবৃতির মাধ্যমে মুসলমান উনাদের বিশেষ বিশেষ ফযীলতযুক্ত আমলের রাত ও দিনসমূহ পালন করাকে বিদয়াত, নাজায়িয ও শিরক বলে ফতওয়া দিয়ে মুসলমান উনাদেরকে অশেষ খায়ের, বরকত, নিয়ামত, নাজাত অর্থাৎ রেযামন্দি বা সন্তুষ্টি মুবারক থেকে মাহরূম করছে। যেমন তারা বলে থাকে যে, পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা বিদয়াত, শিরক। নাউযুবিল্লাহ! পবিত্র শবে বরাত পালন করা বিদয়াত, নাজায়িয। নাউযুবিল্লাহ! পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ পালন করা বিদয়াত। নাউযুবিল্লাহ! অনুরূপ আরো অনেক বিষয়কেই তারা বিনা দলীলে মনগড়াভাবে নাজায়িয ও বিদয়াত বলে থাকে। নাউযুবিল্লাহ!

অপরদিকে বেদ্বীনী-বদদ্বীনী অর্থাৎ কাফির মুশরিক, ইহুদী, নাছারাদের যত পর্ব বা দিবস রয়েছে সেগুলোকে শুধু জায়িযই নয় বরং নিয়ামত বলে আখ্যা দিয়ে থাকে। নাউযুবিল্লাহ! যেমন বাইতুল মুকাররমের সাবেক খতীব ওবায়দুল হক্ব প্রকৃতপক্ষে উবাই বলেছিল, “পহেলা বৈশাখ আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত।” নাঊযুবিল্লাহ!

অথচ তাদের উপরোক্ত বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, চরম বিভ্রান্তিকর ও কুফরীমূলক। তাদের এসব বক্তব্যের কারণে তারা নিজেরা যেরূপ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তদ্রুপ তাদের উক্ত কুফরীমূলক বক্তব্য ও বদ্ আমলের কারণে সাধারণ মুসলমানগণ ই’তিক্বাদী বা আক্বীদাগত ও আ’মালী বা আমলগত উভয় দিক থেকেই বিরাট ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

কারণ, তাদের উক্ত বক্তব্যের কারণে যারা এ আক্বীদা পোষণ করবে যে, “পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা বিদয়াত শিরক এবং পহেলা বৈশাখ মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত।” নাউযুল্লিাহ! তারা ঈমানহারা হয়ে কাট্টা কাফির ও চির জাহান্নামী হবে। কারণ সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে হালাল বা জায়িয বিষয়কে হারাম বা নাজায়িয বলা এবং হারাম বা নাজায়িযকে হালাল বা জায়িয বলা কুফরী। কেননা কিতাবে স্পষ্টই উল্লেখ আছে যে-

اِسْتِحْلَالُ الْـمَعْصِيَةُ كُفْرٌ.

অর্থাৎ “গুনাহের কাজ বা হারামকে হালাল মনে করা কুফরী।” (শরহে আক্বাইদে নাসাফী শরীফ)

অতএব, বলার আর অপেক্ষাই রাখেনা যে, উলামায়ে “সূ”দের উক্ত বক্তব্য সাধারণ মুসলমান উনাদের আক্বীদা বা ঈমানের জন্য বিশেষভাবে হুমকিস্বরূপ।

অনুরূপ উলামায়ে “সূ”দের এ কুফরীমূলক বক্তব্য মুসলমানদের আমলের ক্ষেত্রেও বিশেষ ক্ষতির কারণ। কেননা যারা তাদের উক্ত বক্তব্যের কারণে “পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা থেকে বিরত থাকবে এবং হারাম পহেলা বৈশাখ পালন করবে” তারা অশেষ খায়ের, বরকত ও নিয়ামত থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের কর্তৃক নিষিদ্ধকৃত কাজে তথা হারাম কাজে মশগুল হওয়ার কারণে কঠিন গুনাহগার অর্থাৎ জাহান্নামী হবে। নাউযুবিল্লাহ!

কাজেই, যারা এ ধরনের কুফরী আক্বীদায় বিশ্বাসী ও কুফরী বক্তব্য প্রদানকারী তারা ও হক্ব সমঝদার মুসলমানগণ তারা তাদের ঈমান ও আমলকে যেন হিফাযত করতে পারে অর্থাৎ সকল বিষয়ে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বীদা অনুযায়ী আক্বীদা পোষণ করতে পারে এবং পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা ও ক্বিয়াস মোতাবেক আমল করে মহান আল্লাহ পাক উনার রিযামন্দি হাছিল করতে পারে সে জন্যেই “পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে সম্মানিত ইসলামী মাস ও বিশেষ বিশেষ রাত ও দিনের আমলসমূহের গুরুত্ব, ফযীলত এবং বেদ্বীন-বদদ্বীনদের দিবসসমূহ পালন করা হারাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়াটি”  প্রকাশ করা হলো।

 পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমাউল উম্মাহ শরীফ ও পবিত্র ছহীহ ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে ইসলামী মাস ও বিশেষ বিশেষ রাত, দিন ও সময়ের গুরুত্ব, ফযীলত ও আহকাম এবং তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফাতাওয়া-

  মহাসম্মানিত পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার ফাযায়িল-ফযীলত ও গুরুত্ব

 আস-সানাতুল্ ক্বমারিয়্যাহ তথা হিজরী বছর উনার মাসের সংখ্যা ১২টি। তন্মধ্যে মহাসম্মানিত পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস একটি বিশেষ মর্যাদাময় মাস। যেমনটি মহান আল্লাহ তায়ালা রব্বুল আলামীন তিনি উনার পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ তথা পবিত্র কুরআন মাজীদ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-

اِنَّ عِدَّةَ الشُّهُوْرِ عِنْدَ اللهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِىْ كِتَابِ اللهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّموتِ وَالْاَرْضَ مِنْهَا اَرْبَعَةٌ حُرُمٌ ذلِكَ الدِّيْنُ الْقَيّمُ فَلَا تَظْلِمُوْا فِيهِنَّ اَنْفُسَكُمْ وَقَاتِلُوا الْمُشْرِكِيْنَ كَافَّةً كَمَا يُقَاتِلُوْنَكُمْ كَافَّةً وَاعْلَمُوْا اَنَّ اللهَ مَعَ الْمُتَّقِيْنَ.

অর্থ: নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট উনার বিধানে আসমানসমূহ ও যমীনসমূহ সৃষ্টির দিন হতেই গণনা হিসেবে মাসের সংখ্যা ১২টি। তন্মধ্যে ৪টি হারাম (যুদ্ধ-বিগ্রহ নিষিদ্ধ) মাস। এটাই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান। সুতরাং এ মাসগুলোর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি যুলূম করো না। তোমরা মুশরিকদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মকভাবে জিহাদ করবে, যেমন তারা তোমাদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ করে থাকে। আর জেনে রাখুন! নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি মুত্তাক্বীন উনাদের সঙ্গে আছেন। (পবিত্র সূরাতুত তাওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৩৬)

পূর্ব প্রকাশিতের পর

 মহাসম্মানিত পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার কতিপয় বরকতময় ঐতিহাসিক বিশেষ রাত ও দিন

(২৪)

মহাপবিত্র ১৪ই রবীউল আউওয়াল শরীফ

যা উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।

নিম্নে সংক্ষিপ্তাকারে উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করা হলো।

সম্মানিত ওয়ালিদ আলাইহিস সালাম:

উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম সম্মানিত ওয়ালিদ আলাইহিস সালাম সম্পর্কে কিতাবে উল্লেখ করা হয়-

كان ابوها خويلد عليه السلام من سادة قريش وسيد بنى عبد العزى بن قصى واحد اشراف قريش

অর্থ: উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত পিতা খুওয়াইলিদ আলাইহিস সালাম তিনি কুরাঈশদের মধ্যে নেতৃস্থানী, আব্দুল্ উয্যা গোত্রের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং কুরাঈশদের অধীক সম্মানিত ব্যক্তিত্ব উনাদের মধ্যে অন্যতম ব্যক্তিত্ব ছিলেন। সুবহানাল্লাহ।

অন্যত্র বর্ণিত রয়েছে-

كان من اشراف وفرسان قريش

অর্থ: উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত পিতা তিনি কুরাঈশদের গণ্য মান্য এবং নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন। (আল মুহবার)

অন্যত্র বর্ণিত রয়েছে-

كان فى وفد عظماء قريش الى سيف بن ذى يزن ليهنّئوه

অর্থ: হাবশার বাদশাহ সাইফ ইবনে যী ইযানকে অভিনন্দন জানানোর জন্য গমনকারী কুরাঈশ নেতৃবৃন্দের মধ্যে উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত পিতা অন্যতম। (আল মুনতাজিম)

অন্যত্র বর্ণিত রয়েছে-

كان عليهم فى حرب الفجّار

অর্থ: উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত পিতা তিনি হারবুল ফিজারে (আপন গোত্রের) অধিনায়ক ছিলেন।

অন্যত্র আরো বর্ণিত রয়েছে, সাইয়্যিদুল বাশার হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত পিতা উনার ইলম মুবারককে সত্যায়ন করে ইরশাদ মুবারক করেন-

ما وجدت احدا ورث العلم الاقدم غير خويلد بن اسد

অর্থ: খুওয়াইলিদ ইবনে আসাদ উনার থেকে ইলমের ক্ষেত্রে অগ্রগণ্য কাউকে আমি পাইনি। (আনসাবুল আশরাফ)

সম্মানিতা ওয়ালিদা আলাইহিস সালাম:

উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিতা ওয়ালিদা আলাইহিস সালাম উনার সম্পর্কে কিতাবে উল্লেখ করা হয়-

امها فاطمة بنت زائدة بن الاصم عليها السلام

অর্থ: উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিতা মাতা ফাতিমা বিনতে যায়িদাহ ইবনে আছম আলাইহাস সালাম। (আনওয়ারুস সাত্বিআহ)

নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উর্ধ্বতন পুরুষ হযরত লুয়াই আলাইহিস সালাম উনাতে উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিতা মাতা উনার নসব মুবারক মিলিত হয়েছেন।

পবিত্র নসব মুবারক:

উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নসব মুবারক সম্পর্কে কিতাবে উল্লেখ করা হয়-

هى خديجة عليها السلام بنت خويلد بن اسد بن عبد العزى بن قصى يلتقى نسبها بنسب الرسول فى قصى

অর্থ: উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম বিনতে আসাদ ইবনে আব্দুল উয্যা ইবনে কুছাই আলাইহিস সালাম। নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উর্ধ্বতন পুরুষ হযরত কুছাই আলাইহিস সালাম উনাতে উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত পিতা উনার নসব মুবারক মিলিত হয়েছেন।

কিতাবে আরো উল্লেখ করা হয়-

هى من اقرب نسائه اليه فى النسب،

অর্থ: হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি নসব মুবারকের দিক থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সর্বাধিক নিকটবর্তী। (সীরাতে হালাবিয়্যাহ)

পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ:

উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ সম্পর্কে কিতাবে উল্লেখ করা হয়-

ولدت خديجة بنت خويلد عليها السلام فى مكة قبل ولادة الرسول صلى الله عليه و سلم بخمسة عشر عامًا

অর্থ: “(সর্বাধিক মশহুর মতে) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের ১৫ বছর পূর্বে উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি পবিত্র মক্কা শরীফ উনার মাঝে পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।” (তবাকাত)

অর্থাৎ আমুল ফীলের ১৫ বছর পূর্বে, আনুষ্ঠানিক নবুওওয়াত প্রকাশের ৫৫ বছর পূর্বে, হিজরতের ৬৮ বছর পূর্বে এবং শামসী পূর্ব ছালিছ ৭৬ সনে উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি পবিত্র মক্কা শরীফ উনার মাঝে পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।

বলাবাহুল্য যে, উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের সন নিয়ে প্রচলিত কিতাবাদীতে সামান্য আলোচনা থাকলেও পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের মাস, তারিখ, বার ও সময় সম্পর্কে কোনো আলোচনা নেই। এ বিষয়ে কারো কোনো পর্যালোচনাও নেই। সুদীর্ঘ পনেরশত বছর অতিবাহিত হলেও এ বিষয়টি সুস্পষ্টকরণে কারো বিন্দুমাত্র আগ্রহও পরিলক্ষিত হয়নি।

উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের মাস, তারিখ, বার ও সময় সম্পর্কে যথাযথ সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম তাহক্বীক্ব এবং ইতিহাসে নজিরবিহীন তাজদীদ মুবারক করেছেন যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম। তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম আমুল ফীলের ১৫ বছর পূর্বে পবিত্র ১৪ই রবীউল আউওয়াল শরীফ ইয়াওমুল আহাদ বা’দ ফজর পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!

পবিত্র নাম মুবারক:

একথা দিবালোকের ন্যায় সত্য যে, উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার মূল নাম মুবারক সাইয়্যিদাতুনা হযরত খাদীজা (خديجة) আলাইহাস সালাম।

বলাবাহুল্য যে, সম্মানিত ব্যক্তিত্ব উনাদেরকে উনাদের নাম মুবারকে বারবার সম্বোধন করা আদবের খিলাফ। উনাদেরকে উনাদের লক্বব মুবারকে সম্বোধন করতে হয়। এটাই আদব এবং রেযামন্দি লাভের কারণ। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক-

لَّا تَجْعَلُوا دُعَاءَ الرَّسُولِ بَيْنَكُمْ كَدُعَاءِ بَعْضِكُم بَعْضًا

অর্থ: “তোমরা পরস্পরকে যেভাবে সম্বোধন করো, সেভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন করো না।” (পবিত্র সুরা নূর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬৩)

অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সাধারণ মানুষের ন্যায় আহবান করা তথা বারবার উনার পবিত্র নাম মুবারকে উনাকে সম্বোধন করা যাবে না। এই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় বলা হয়, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ নিসবতপ্রাপ্ত উনাদেরকেও উনাদের পবিত্র নাম মুবারকে বারবার সম্বোধন করা নিষিদ্ধ। উনাদেরকে উনাদের লক্বব মুবারকে সম্বোধন করতে হবে।

উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার মুবারক শানে কিতাবে উল্লেখ করা হয়-

كانت خديجة عليها السلام تدعى في الجاهلية الطاهرة

অর্থ: “জাহিলিয়াতের সেই কঠিন সময়েও উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনাকে ‘ত্বাহিরা’ তথা পূত-পবিত্রা লক্বব মুবারকে ডাকা হতো।” (সিয়ারু আ’লামুন নুবালা)

উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে সমস্ত কিছু উজার করে দিয়ে বেমেছাল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। যার কারণে তিনি ক্বিয়ামত অবধি সকলের জন্য উসওয়াতুন হাসানাহ হিসেবে ঘোষিত হয়েছেন। আর এ জন্যই উনাকে ‘কুবরা’ বা মহান ব্যক্তিত্বা লক্বব মুবারকে সম্বোধন করা হয়। আর এ লক্বব মুবারকেই তিনি সারা কায়িনাতে সমধিক প্রসিদ্ধি লাভ করেছেন। সুবহানাল্লাহ!

পবিত্র শৈশব ও কৈশোর কাল মুবারক:

উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি যেহেতু মহান আল্লাহ পাক কর্তৃক পূর্ব হতেই মনোনীত। সেহেতু উনার পবিত্র হায়াত মুবারক অন্যান্যদের থেকে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম হওয়াই স্বাভাবিক। আইয়ামে জাহিলিয়ার সেই কঠিন সময়ে হাতে গোনা যেসব লোক দ্বীনে হানীফে দায়িম ছিলেন উনাদের মধ্যে সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি অন্যতমা। পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের পর হতেই তিনি ছিলেন ব্যতিক্রম। উনার ছুরত মুবারক এতই বেমেছাল ছিলেন, যার কারণে সকলেই আশ্চার্যান্বিত হতো। উনার হিকমতপূর্ণ ক্বওল শরীফ সকলকে ভাবিয়ে তোলে। উনার স্বতন্ত্র খুছুছিয়ত মুবারক পুরো মক্কা শরীফ জুড়ে উনাকে সুপরিচিতা ও সম্মানিতা হিসেবে অধিষ্ঠিত করে। উনার উসওয়াতুন হাসানাহ চারিত্রিক মাধুর্যতা মুবারকের উৎকৃষ্টতা উনাকে ‘ত্বাহিরা’ লক্বব মুবারকে মশহূর করেছে। সুবহানাল্লাহ!

শাদী মুবারক:

উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি মহান আল্লাহ পাক কর্তৃক পূর্ব মনোনীত। তিনি উম্মুল আসইয়াদ তথা সমস্ত সাইয়্যিদযাদা উনাদের মুহতারামা আম্মাজান। সঙ্গতকারণেই তিনি সার্বিকভাবে নিয়ামতে পরিপূর্ণ। আর যেহেতু তিনি বিশেষ বৈশিষ্ট্যে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত হয়েই বেড়ে উঠেছেন, সেহেতু অনেকেই উনার সম্মানিত খিদমতে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে। উনার অভিভাবক সব প্রস্তাবই নাকচ করে দেন। কিতাবে উল্লেখ করা হয়-

ان الاجماع من الخاص والعام، من اهل الاثار ونقلة الاخبار، على انّه لم يبق من اشراف قريش، ومن ساداتهم وذوى النجدة منهم، الا من خطب خديجة عليها السلام ورام تزويجها

অর্থ: “আম-খাছ, মুহাদ্দিছ, ঐতিহাসিকগণ সকলে ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, কুরাইশের গণ্য-মান্য, নেতৃস্থানীয় এবং ধনাঢ্য ব্যক্তিত্ব এমন কেউ বাকি ছিল না, যে উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনাকে শাদী মুবারকের প্রস্তাব দেয়নি এবং ইচ্ছা পোষণ করেনি। অর্থাৎ কুরাইশের সামর্থবান প্রত্যেকেই উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার নিসবত লাভের সর্বোচ্চ কোশেশ করেছেন।” (আছ ছহীহ মিন সিরাতে নাবিয়্যিল আ’যম, আল ইস্তিগাসাহ)

প্রথম শাদী মুবারক:

উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার প্রথম শাদী মুবারক নিয়ে ঐতিহাসিকগণ বিভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন। তবে সর্বাধিক বিশুদ্ধ, মশহূর, দলীল ভিত্তিক, নির্ভরযোগ্য এবং সর্বোচ্চ প্রণিধানপ্রাপ্ত মতে, তামীম গোত্রের আবু হালাহ হিন্দ নাব্বাশ ইবনে জুরারা উনার সাথে উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার প্রথম শাদী মুবারক সম্পন্ন হয়। শাদী মুবারকের পর আবু হালাহ হিন্দ বেশি দিন যমীনে অবস্থান করেননি। উনার ঔরসে ৩ জন সন্তান বিলাদত শরীফ গ্রহণ করেন। একজন মেয়ে সন্তান বিলাদত শরীফ গ্রহণ করেন, উনার নাম রাখা হয় যাইনাব, তিনি অল্প বয়সেই বিছাল শরীফ গ্রহণ করেন। দুইজন ছেলে সন্তান বিলাদত শরীফ গ্রহণ করেন। উনারা হলেন- হযরত হিন্দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং হযরত হালাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু।

কিতাবে উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিক যুগে পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণকারীগণ উনাদের মধ্যে হযরত হিন্দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং হযরত হালাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনারা অন্যতম। হযরত হিন্দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সর্বদা নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছোহবত মুবারকে অবস্থান মুবারক করতেন। তিনি বদর-ওহুদসহ অনেক জিহাদে শরীক হয়েছেন। নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র হুলিয়া মুবারক তিনি অত্যন্ত সুন্দরভাবে বর্ণনা করতেন। ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারাসহ অনেকে হযরত হিন্দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার কিতাবসমূহে এবং আসমাউর রিজালে উনার সম্পর্কে আলোচনা রয়েছে। হযরত হিন্দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি আমীরুল মু’মিনীন হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনার মুবারক তত্ত্বাবধানে শেষ হায়াত মুবারক অতিবাহিত করেন। ৩৬ হিজরীতে সংঘটিত জঙ্গে জামালে তিনি পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!

হযরত হালাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনিও দীর্ঘ সময় যমীনে অবস্থান মুবারক করেন। তিনি পবিত্র মক্কা শরীফে অবস্থান মুবারক করতেন। তথাপি তিনি সর্বদা নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে নিসবত মুবারক রাখতেন। প্রায়ই পবিত্র মদীনা শরীফে গমন করে ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করতেন। সুবহানাল্লাহ!

অসমাপ্ত: পরবর্তী সংখ্যার অপেক্ষায় থাকুন

কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে প্রাণীর মূর্তি তৈরি করা ও ছবি আঁকা, তোলা, তোলানো, রাখা, রাখানো, দেখা, দেখানো হারাম-নাজায়িয হওয়ার অকাট্য প্রমাণ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া-২৮

কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান বা শবে বরাত-এর আহকাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া-১

কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে প্রাণীর মূর্তি তৈরি করা ও ছবি আঁকা, তোলা, তোলানো, রাখা, রাখানো, দেখা, দেখানো হারাম-নাজায়িয হওয়ার অকাট্য প্রমাণ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া-২৯

কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান বা শবে বরাত-এর আহকাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া-২

কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে প্রাণীর মূর্তি তৈরি করা ও ছবি আঁকা, তোলা, তোলানো, রাখা, রাখানো, দেখা, দেখানো হারাম-নাজায়িয হওয়ার অকাট্য প্রমাণ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া-৩০