মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, মহাসম্মানিত ইজমা’ শরীফ এবং মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে-  সুন্নতী লিবাস বা পোশাক পরিধান করা প্রত্যেক ঈমানদার পুরুষ ও মহিলা উনাদের জন্য ফরয ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (পর্ব-৬)

সংখ্যা: ২৯৩তম সংখ্যা | বিভাগ:

(৩৮তম সম্মানিত ফতওয়া মুবারক হিসেবে)

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ, সম্মানিত ইজমা শরীফ ও সম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নতী লিবাস বা পোশাক পরিধান করা প্রত্যেক ঈমানদার পুরুষ ও মহিলা উনাদের জন্য ফরয ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া মুবারক পেশ করতে পারায় মহান আল্লাহ পাক উনার, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক-এ বেশুমার শুকরিয়া আদায় করছি।

ক্বমীছ উনার হাতা কব্জি পর্যন্ত প্রলম্বিত হওয়া পবিত্র সুন্নত মুবারক

মুজাদ্দিদে আ’যম, মুহইউস সুন্নাহ সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ক্বমীছ উনার হাতার দৈর্ঘ্য কব্জি হতে আঙ্গুলের মাথা পর্যন্ত প্রলম্বিত হতে পারবে। তবে কব্জির কম অথবা আঙ্গুলের মাথা হতে বেশি হতে পারবে না। মূল মাসআলা এটাই। যদিও বিভিন্ন কিতাবে বিষয়টি বিভিন্নভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।

পূর্ব প্রকাশিতের পর

أَنَّ عَلِيًّا عَلَيْهِ السَّلَامُ كَانَ يَلْبِسُ الْقَمِيْصَ ثُمَّ يَمُدُّ الْكُمَّ حَتَّى إِذَا بَلَغَ الْأَصَابِعَ قَطَعَ مَا فَضَلَ

অর্থ: নিশ্চয়ই সাইয়্যিদুনা ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত ক্বমীছ পরিধান করে উক্ত ক্বমীছ মুবারক উনার হাতা আঙ্গুলের মাথা বরাবর প্রলম্বিত করতেন। তার অতিরিক্ত হলে কেটে ফেলতেন। (মিরকাতুছ ছঊদ ইলা সুনানি আবী দাউদ ৩/ ৯৮৩, ফতহুল ওয়াদূদ ফী শারহি সুনানি আবী দাউদ ৪/ ৯০, বজলুল মাজহুদ ১২/ ৫৬)

ক্বমীছ বা জামা নিছফে সাক্ব পর্যন্ত প্রলম্বিত হওয়া সম্মানিত সুন্নত মুবারক

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে-

عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللّٰهُ تَـعَالٰى عَنْهُ يَـقُوْلُ مَا قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْإِزَارِ فَـهُوَ فِي الْقَمِيْصِ

অর্থ: হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়া’লা আনহু উনার থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, লুঙ্গি যেমন নিছফে সাক্ব পর্যন্ত পরিধান করতে হবে, তদ্রুপ জামাও নিছফে সাক্ব পর্যন্ত পরিধান করতে হবে। (আবূ দাউদ শরীফ, মু’জামুল আওসাত, শুয়াবুল ঈমান ৮/২২০)

মূলত, ক্বমীছ ও ইযার সমান সমান হতে পারে আবার ক্বমীছ হতে ইযার নিচেও থাকতে পারে। তবে পুরুষের ইযার, ক্বমীছ ও সেলোয়ার কখনোই টাখনু বা গিরা স্পর্শ করতে পারবে না বরং সর্বদা টাখনু বা গিরার উপরেই থাকতে হবে।

ছয় টুকরা বিশিষ্ট ক্বামিছ পরিধান করাই পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত

জীবিত ব্যক্তির জামায় হাতার নীচে ডান ও বাম দুই পাশে^র্ মোট চারটি কাপড়ের টুকরা ব্যবহার করা হয়। উক্ত চার টুকরা কাপড়ের একটি টুকরাকে দিখরীছ বলা হয়। আর একত্রে চারটি টুকরাকে দাখারীছ বলা হয়। যা চার কোণ বিশিষ্ট ও উপরের দিকে সরু এবং নীচের দিকে প্রশস্ত হয়ে থাকে। যার প্রান্ত সমূহ সেলাই করা থাকে।

জামার সামনের এক টুকরা ও পিছনের এক টুকরার প্রত্যেকটিকে (اَلْكُفَّةُ আল কুফ্ফাতু বলা হয়।

ক্বামীছ বা জামার সামনের এক টুকরা ও পিছনের এক টুকরা প্রসঙ্গে কিতাবে উল্লেখ রয়েছে-

وَالْكُفّةُ: ما ثُنِىَ مِنْ جَانِبِ إِحْدَى الْخِرْقَـتَيْنِ عَلَى الْأُخْرٰى إِذَا خَيْطَتًا

অর্থ: ক্বামীছ বা জামা সেলাই করার পর, যার দুই টুকরার এক টুকরার প্রান্ত সমূহ অন্য টুকরার প্রান্তের উপর লম্বা-লম্বিভাবে দু’ভাগ হয়ে থাকে, তাকে اَلْكُفَّةُ (আল-কুফ্ফাতু) বলা হয়। (মাবাদিউল লুগাতি মায়া’ শরহি আবইয়াতিহী লিল-ইসকাফী পৃষ্ঠা-৯৮)

তাহলে চার টুকরা দিখরীছ ও দু’ টুকরা اَلْكُفَّةُ আল কুফ্ফাসহ সর্বমোট ছয় টুকরা বিশিষ্ট ক্বামিছ পরিধান করাই পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত।

উল্লেখ্য যে, হাটা-চলার সুবিধার্থে জীবিত ব্যক্তির জামায় উক্ত দিখরীছ ব্যবহার করা হয়। সেই কারণেই মৃত ব্যক্তির ক্বামীছ বা জামায় উক্ত দিখরীছ ব্যবহার করা হয়না। এবং হাতাও ব্যবহার করা হয়না। এই বিষয়ে নিম্নে দলীলসহ বিস্তারিত আলোচনা করা হলো-

 

دِخْرِيْصٌ হলো জামায় ব্যবহৃত হাতার নীচের এক টুকরা কাপড়

 

আরবী লোগাত সহ বিভিন্ন গ্রন্থসমূহে دِخْرِيْصٌ এর অর্থ প্রসঙ্গে যা বলা হয়েছে, তার কতিপয় নিম্নরূপ,

دِخْرِيْصُ الْقَمِيْصِ مَا يُـزَادُ فِيْ عَرْضِهٖ

অর্থ: জামা প্রশস্তÍ করতে যা বৃদ্ধি করা হয়। তাকে দিখরীছ বলে। (শামসুল উলূম ওয়া দাওয়াউ কালামিল আরব মিনাল কুলূম ৪/২০৫৫)

دَخَارِيْصُهٗ جَمْعُ دِخْرِيْصٍ وَهُوَ مَا يُـوَسَّعُ بِهٖ

অর্থ: دِخْرِيْصٌ শব্দটি একবচন। বহুবচনে دَخَارِيْصٌ অর্থ হলো যার দ্বারা প্রশস্তÍ করা হয়। (আল গুরারুল বাহিয়্যাহ ফী শরহিল বাহজাতিল ওয়ারদিয়্যাহ ২/৮২)

دِخْرِيْصٌ مَا يُضَافُ لِتَـوَسَّعَةِ الْقَمِيْصِ مِنَ الْجَانِبَـيْنِ

 অর্থ: ক্বামীছকে প্রশস্তÍ করতে কামীছের দুই পাশে^র্ যা সেলাই করা হয় তাকে  دِخْرِيْصٌ বলা হয়। (আল-ফিক্বহুল ইসলামী ওয়া আদিল্লাতিহী ২/১৫০১, ক্বাওয়ায়িদুল ফিক্বহি ২৯০ পৃষ্ঠা)

اَلدَّخَارِيْصُ  جَمْعٌ  وَاحِدُهٗ  دِخْرِيْصٌ وَهُوَ مَا يُـوْصَلُ بِهٖ بَدَنُ الثَّـوْبِ أَوِ الدَّرْعِ لِيُـتَّسَعَ

অর্থ: শরীরের কাপড় বা জামাকে প্রশস্ত করতে যা সংযুক্ত করা হয়, তাকে دِخْرِيْصٌ বলা হয়। (আল হাউই ফিল ফিক্বহি আ’লা মাজহাবি ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল পৃষ্ঠা – ৪৪৯, মু’জামুল ওয়সীত পৃষ্ঠা-২৭৪)

اَلدِّخْرِيْصُ مُعَرَّبٌ أَصْلُهٗ فَارِسِىٌّ وَهُوْ عِنْدَ الْعَرَبِ الْبَنِيْـقَةُ واللِّبْـنَةُ والسُّبْجَةُ والسُّعَيْدَةُ

অর্থ: دِخْرِيْصٌ শব্দটি ফারসী ভাষায় ব্যবহৃত অনারবী শব্দ। আরবগণ উক্ত دِخْرِيْصٌ কে اَلْبَنِيْـقَةُ -اَللِّبْـنَةُ- السُّبْجَةُ- اَلسُّعَيْدَةُ বলে থাকে। (লিসানুল আরব ৭/৩৫, আল মু’জামুল আরাবিয়্যি লি আসমাইল মালাবিস পৃষ্ঠা- ৪৫১)

دِخِرْيِصٌ কে بَنِيْـقَةٌ ও বলা হয়

بَنِيْـقَةُ الْقَمِيْصِ الَّتِيْ تُسَمَّى الدَّخَارِيْصُ وَالْجَمْعُ بَـنَائِقُ وَقَالَ غَيْـرُهُ الْبَنِيْـقَةُ الرُّقْـعَةُ الَّتِيْ تَحْتَ الْكُمِّ

অর্থ: بَنِيْـقَةُ الْقَمِيْصِ কে دَخَارِيْصُ  বলা হয়। بَنِيْـقَةُ শব্দটির বহুবচন হলো بَـنَائقُ। অন্যান্যগণ বলেন,  بَنيقَة বলা হয় ঐ এক টুকরা কাপড়কে, যা কামীছে হাতার নীচে থাকে। (আত্ব তালখীছু ফী মা’রিফাতি আসমায়িল আশইয়া ১৪৭ পৃষ্ঠা)

اَلدِّخْرِيْصَ وَيُسَمَّى الْبَنِيْـقَةُ هُوَ قِطْعَةٌ تُضَافُ إِلَى الثَّـوْبِ لِيُـتَّسَعَ

অর্থ: دِخْرِيْصٌ কে بَنِيْـقَةٌ বলা হয়। دِخْرِيْصٌ বলা হয় এক টুকরা কাপড়কে, যা ক্বমীছকে প্রশস্তÍ করতে ক্বমীছের পাশে^র্ সেলাই করা হয়। (লিসানুল আরব, আল মাওসূয়াতুল ফিক্বহিয়্যাহতুল কুয়েতিয়্যাহ ১৩/২৩৯)

اَلْبَنِيْـقَةُ الَّتِي تُجْعَلُ تَحْتَ الْإِبْطِ كَالرُّقْـعَةِ

 অর্থ:  এক টুকরা কাপড়ের ন্যায়, যা বোগলের নীচে সেলাই করা হয় তাকে بَنِيْـقَةٌ বলা হয়। (আশ শরহুল কাবীর ও হাশিয়াতুদ দাসূক্বী- ১/২২০)

اَلبَنِيْـقَةُ كُلُّ رُقْـعَةٍ فِي الثَّـوْبِ نَحْوَ اللِّبْـنَةِ وَشِبْهِهَا

 অর্থ: ক্বমীছে ব্যবহৃত ইট বা তার অনুরূপ চার কোণ বিশিষ্ট কাপড়ের প্রত্যেক টুকরাকে بَنِيْـقَةٌ বলা হয়। (আল আইন- ৫/১৮০)

بَنِيْـقَةٌ مَا زِيْدَ فِيْ عَرْضِ الْقَمِيْصِ تَحْتَ كُمَّيْهِ

 অর্থ: بَنِيْـقَةٌ বলা হয়, ঐ টুকরা কাপড়কে, যা ক্বমীছকে প্রশস্তÍ করতে দুই হাতার নীচে দুই পাশে^র্ সেলাই করা হয়। (কিতাবুল ইফছাহি ফী ফিক্বহিল লুগাতি)

بَنِيْـقَةُ الْقَمِيْصِ لِلْقِطْعَةِ مِنَ الشِّقَّةِ بِـجَنْبِ الْقَمِيْصِ

 অর্থ: ক্বমীছের পাশে^র্ সেলাই করা কাপড়ের এক খণ্ড টুকরাকে بَنِيْـقَةٌ বলা হয়। (তাছহীহুত তাছহীফ ওয়া তাহরীরূত্ব তাহরীফ পৃষ্ঠা- ১৬৯, আল মাদখালু ইলা তাক্বউইমিল লিসান ওয়া তা’লিমিল বয়ান পৃ:-  ৩৭)

পবিত্র সুন্নতী ক্বমীছ উনার মধ্যে হাতার নীচের এক টুকরা কাপড়কে দিখরীছ বলে, আর চার টুকরা কাপড়কে দাখারীছ বলে

এ প্রসংঙ্গে আলিমুন বিল আদাবি ওয়াল লুগাত, ছহিবুত তাছানীফিল হাসানাহ, খত¦ীবুন বিল ইসকাফী ছুম্মার রয়ী, হযরত আবূ আব্দুল্লাহ মুহম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ রহমাতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত শরীফ ৪২০ হিজরী শরীফ) তিনি উনার “মাবাদিউল লুগাতি মায়া’ শরহি আবইয়াতিহী” কিতাব উনার ৯৭ পৃষ্ঠায়  بَابُ الْكِسْوَةِ অর্থাৎ পোশাকের অধ্যায়ে বলেন-

اَلدَّخَارِيْصُ جَمْعُ دِخْرِصَةٍ وَهِيَ أَرْبَعُ خِرَقٍ مُسْتَطِيْـلَةٍ يُوْصَلُ بِهَا الْبَدَنِ مِنْ تَحْتِ الْكُمَّيْنِ

অর্থ: دَخَارِيْصُ (দাখারীছ) শব্দটি دِخْرِصَةٌ (দিখরীছাতুন) শব্দের বহুবচন। শরীরে ব্যবহৃত ক্বমীছ বা জামায় দুই হাতার নীচে লম্বালম্বি সেলাই করা চার টুকরা কাপড়কে (دَخَارِيْصُ) দাখারীছ বলা হয়।

দিখরীছের বৈশিষ্ট্য বা ধরণ

وَالْبَنِيْـقَةُ كَاللَّبِنَةِ مُرَبَّعَةٌ فَـوْقَهُ دَخَارِيْصُ وَيُـقَالُ لِلدَّخَارِيْصِ بَـنَائِقُ

 অর্থ: بَنِيْـقَةٌ-বানীক্বাহ, হলো ইটের সদৃশ যার উপরের দিকটা চার কোণ বিশিষ্ট। দাখারীছকে বানায়িক্বও বলা হয় (মাবাদিউল লুগাতি মায়া’ শরহি আবইয়াতিহী পৃষ্ঠা-৯৭)

وخَصُّ الدَّخَارِيْصِ لِدِقَّةِ رُؤُوْسِهَا وسَعَةِ أَسَافِلِهَا

 অর্থ: দিখরীছের বৈশিষ্ট্য বা ধরণ হলো: তার উপরের দিকে মাথার দিকটা সরু বা চিকন এবং নীচের দিকটা হলো প্রশস্তÍ। (শরহু মুয়াল্লাক্বাতিত তিসয়ী পৃষ্ঠা- ৫১, শরহুল ক্বছায়িদিল আশার পৃষ্ঠা -৭০)

اَلدَّخَارِيْصُ جَمْعُ دِخْرِيْصٍ وَهِيَ الْمُسَمَّاةُ بِالنَّـيَافِقِ وَرُءُوْسُهَا هِيَ الْخِيَاطَةُ الَّتِيْ فِي أَسْفَلِ الْكُمِّ

 অর্থ: دِخْرِيْصٌ শব্দটি এক বচন, বহু বচনে دَخَارِيْصُ। এটাকে নায়াফিক্বও বলা হয়। দিখরীছ হাতার নীচে থাকে যার প্রান্ত সমূহ সেলাই করা হয়। (আত-তাজরীদু লি নাফয়িল আবীদ- হাশিয়াতুল বুজাইরিমিয়্যি আলা শরহিল মিনহাজ- ১/৪৫৩)

অসমাপ্ত- (পরবর্তী সংখ্যার অপেক্ষায় থাকুন)

কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে প্রাণীর মূর্তি তৈরি করা ও ছবি আঁকা, তোলা, তোলানো, রাখা, রাখানো, দেখা, দেখানো হারাম-নাজায়িয হওয়ার অকাট্য প্রমাণ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া ৪৪তম পর্ব

কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান বা শবে বরাত-এর আহকাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া   (১৭)

কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে প্রাণীর মূর্তি তৈরি করা ও ছবি আঁকা, তোলা, তোলানো, রাখা, রাখানো, দেখা, দেখানো হারাম-নাজায়িয হওয়ার অকাট্য প্রমাণ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া- ৪৫তম পরব

হানাফী মাযহাব মতে নামাযে সূরা ফাতিহা পাঠ করার পর ইমাম ও মুক্তাদী উভয়ে ‘আমীন’ অনুচ্চ আওয়াজে বা চুপে চুপে পাঠ করাই শরীয়তের নির্দেশ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া

কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান বা শবে বরাত-এর আহকাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১৮)