মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, মহাসম্মানিত ইজমা শরীফ এবং মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক যারা ভাঙবে, ভাঙ্গার কাজে সাহায্য-সহযোগিতা করবে বা সমর্থন করবে তাদের প্রত্যেকের একমাত্র শরঈ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ও তৎসংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া- (পর্ব-২২)

সংখ্যা: ২৮৬তম সংখ্যা | বিভাগ:

(৩৬তম ফতওয়া হিসেবে)

“মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, মহাসম্মানিত ইজমা শরীফ এবং মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক যারা ভাঙবে, ভাঙ্গার কাজে সাহায্য-সহযোগিতা করবে বা সমর্থন করবে তাদের প্রত্যেকের একমাত্র শরঈ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ও তৎসংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া” পেশ করতে পারায় মহান আল্লাহ পাক উনার, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খেদমত মুবারক-এ বেশুমার শুকরিয়া আদায় করছি।

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক উনার সম্মানিত আদব মুবারক-

২০. ছলাত পড়ার উদ্দেশ্যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক-এ চেয়ার-টেবিল প্রবেশ না করানো:

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,

(৯৫১)

عَنْ حَضْرَتْ عُـبَـيْدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُـتْـبَةَ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ دَخَلْتُ عَلـٰى اُمِّ الْمُؤْمِنِيْـنَ الثَّالِثَةِ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اَلصِّدِّيْـقَةِ عَلَيْـهَا السَّلَامُ (سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ عَائِشَةَ عَلَيْـهَا السَّلَامُ) فَـقُلْتُ اَلَا تُـحَدِّثِـيْـنِـىْ عَنْ مَرَضِ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ بَلـٰى ثَـقُلَ النَّبِـىُّ صَلَّى اللهُ عَلَـيْهِ وَسَلَّمَ فَـقَالَ اَصَلَّى النَّاسُ قُـلْنَا لَا يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُمْ يَـنْـتَظِرُوْنَكَ فَـقَالَ ضَعُوْا لِـىْ مَاءً فِـى الْمِخْضَبِ قَالَتْ فَـفَعَلْـنَا فَاغْـتَسَلَ فَذَهَبَ لِـيَـنُـوْءَ فَاُغْمِىَ عَلَيْهِ ثُـمَّ اَفَاقَ فَـقَالَ صَلَّى اللهُ عَلَـيْهِ وَسَلَّمَ اَصَلَّى النَّاسُ قُـلْـنَا لَا هُمْ يَـنْـتَظِرُوْنَكَ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ ضَعُوْا لِـىْ مَاءً فِـى الْمِخْضَبِ قَالَتْ فَـقَعَدَ فَاغْتَسَلَ ثُـمَّ ذَهَبَ لِـيَـنُـوْءَ فَاُغْمِىَ عَلَـيْهِ ثُـمَّ اَفَاقَ فَـقَالَ اَصَلَّى النَّاسُ قُـلْـنَا لَا هُمْ يَـنْـتَظِرُوْنَكَ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَـقَالَ ضَعُوْا لِـىْ مَاءً فِـى الْمِخْضَبِ فَـقَعَدَ فَاغْتَسَلَ ثُـمَّ ذَهَبَ لِـيَـنُـوْءَ فَاُغْمِىَ عَلَـيْهِ ثُـمَّ اَفَاقَ فَـقَالَ اَصَلَّى النَّاسُ قُـلْنَا لَا هُمْ يَـنْـتَظِرُوْنَكَ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَالنَّاسُ عُكُوْفٌ فِـى الْمَسْجِدِ يَـنْـتَظِرُوْنَ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِصَلـٰوةِ الْعِشَاءِ الْاٰخِرَةِ فَاَرْسَلَ النَّبِـىُّ صَلَّى اللهُ عَلَـيْهِ وَسَلَّمَ اِلـٰى سَيِّدِنَا حَضْرَتْ اَلصِّدِّيْقِ الْاَكْـبَـرِ عَلَـيْهِ السَّلَامُ (سَيِّدِنَا حَضْرَتْ اَبِـىْ بَكْرٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ) بِاَنْ يُّصَلِّـىَ بِالنَّاسِ فَاَتَاهُ الرَّسُوْلُ فَـقَالَ اِنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَاْمُرُكَ اَنْ تُصَلِّـىَ بِالنَّاسِ فَـقَالَ سَيِّدُنَا حَضْرَتْ اَلصِّدِّيْقُ الْاَكْـبَـرُ عَلَيْهِ السَّلَامُ وَكَانَ رَجُلًا رَقِـيْـقًا يَا سَيِّدَنَا حَضْرَتْ اَلْفَارُوْقُ الْاَعْظَمُ عَلَـيْهِ السَّلَامُ (سَيِّدَنَا حَضْرَتْ عُمَرُ عَلَيْهِ السَّلَامُ) صَلِّ بِالنَّاسِ فَـقَالَ لَهٗ سَيِّدُنَا حَضْرَتْ اَلْفَارُوْقُ الْاَعْظَمُ عَلَيْهِ السَّلَامُ اَنْتَ اَحَقُّ بِذٰلِكَ فَصَلّٰى سَيِّدُنَا حَضْرَتْ اَلصِّدِّيْقُ الْاَكْـبَـرُ عَلَيْهِ السَّلَامُ تِلْكَ الْاَيَّامَ ثُـمَّ اِنَّ النَّـبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَجَدَ مِنْ نَّـفْسِهٖ خِفَّةً وَخَرَجَ بَـيْـنَ رَجُلَيْـنِ اَحَدُهُـمَا سَيِّدُنَا حَضْرَتْ خَاتِـمُ الْمُهَاجِرِيْنَ عَلَيْهِ السَّلَامُ (سَيِّدُنَا حَضْرَتْ اَلْعَبَّاسُ عَلَيْهِ السَّلَامُ) لِصَلـٰوةِ الظُّهْرِ وَسَيِّدُنَا حَضْرَتْ اَلصِّدِّيْقُ الْاَكْـبَـرُ عَلَيْهِ السَّلَامُ يُصَلِّىْ بِالنَّاسِ فَـلَمَّا رَاٰهُ سَيِّدُنَا حَضْرَتْ اَلصِّدِّيْقُ الْاَكْـبَـرُ عَلَيْهِ السَّلَامُ ذَهَبَ لِـيَـتَاَخَّرَ فَاَوْمَاَ اِلَيْهِ النَّبِـىُّ صَلَّى اللهُ عَلَـيْهِ وَسَلَّمَ بِاَنْ لَّا يَـتَاَخَّرَ قَالَ اَجْلِسَانِـىْ اِلـٰى جَنْبِهٖ فَاَجْلَسَاهُ اِلـٰى جَنْبِ سَيِّدِنَا حَضْرَتْ اَلصِّدِّيْقِ الْاَكْـبَـرِ عَلَيْهِ السَّلَامُ وَالنَّبِـىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَاعِدٌ. قَالَ حَضْرَتْ عُـبَـيْدُ اللهِ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ فَدَخَلْتُ عَلـٰى حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ فَـقُلْتُ لَهٗ اَلَا اَعْرِضُ عَلَيْكَ مَا حَدَّثَـتْنِـىْ بِهٖ اُمُّ الْمُؤْمِنِيْـنَ الثَّالِثَةُ سَيِّدَتُـنَا حَضْرَتْ اَلصِّدِّيْـقَةُ عَلَيْـهَا السَّلَامُ عَنْ مَرَضِ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ هَاتِ فَـعَرَضْتُ عَلَيْهِ حَدِيْـثَـهَا فَمَا اَنْكَـرَ مِنْهُ شَيْـئًا غَيْـرَ اَنَّهٗ قَالَ اَسَـمَّتْ لَكَ الرَّجُلَ الَّذِىْ كَانَ مَعَ سَيِّدِنَا حَضْرَتْ خَاتِـمِ الْمُهَاجِرِيْنَ عَلَيْهِ السَّلَامُ قُـلْتُ لَا قَالَ هُوَ اِمَامُ الْاَوَّلِ سَيِّدُنَا حَضْرَتْ كَرَّمَ اللهُ وَجْهَهٗ عَلَيْهِ السَّلَامُ (سَيِّدُنَا حَضْرَتْ عَلِـىٌّ عَلَيْهِ السَّلَامُ)

অর্থ: “হযরত উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে  ‘উতবাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ্ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক-এ উপস্থিত হয়ে আরজী পেশ করলাম, আপনি কি (দয়া করে) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল ইহ্সান মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মারীদ্বী শান মুবারক) সম্পর্কে আমাকে কিছু বর্ণনা করবেন না? তিনি বললেন, হ্যাঁ; অবশ্যই। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল ইহ্সান মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মারীদ্বী শান মুবারক) প্রকাশ করলেন, তখন তিনি জিজ্ঞাসা মুবারক করলেন, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা কি ছলাত আদায় করেছেন? আমরা বললাম- না; ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! উনারা আপনার অপেক্ষায় আছেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, আমার জন্য গোসল মুবারকের পাত্রে পানি দিন। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ্ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, আমরা তাই করলাম। তিনি গোসল মুবারক করলেন। অতঃপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একটু উঠতে চাইলেন, তখন তিনি বেহুঁশী শান মুবারক প্রকাশ করলেন। কিছুক্ষণ পর হুঁশ মুবারক প্রকাশ করে জিজ্ঞাসা মুবারক করলেন, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা কি ছলাত আদায় করেছেন? আমরা বললাম- না; ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! উনারা আপনার জন্য অপেক্ষা করছেন। তিনি বললেন, আমার জন্য গোসল মুবারকের পাত্রে পানি রাখুন। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ্্ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম তিনি বললেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উঠে বসলেন এবং গোসল মুবারক করলেন। অতঃপর আবার উঠতে চাইলেন। এবারও তিনি বেহুঁশী শান মুবারক প্রকাশ করলেন। অতঃপর কিছুক্ষণ পর হুঁশ মুবারক প্রকাশ করে জিজ্ঞাসা মুবারক করলেন, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা কি ছলাত আদায় করেছেন? আমরা বললাম- না; ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! উনারা আপনার জন্য অপেক্ষা করছেন। তিনি বললেন, আমার জন্য গোসল মুবারকের পাত্রে পানি রাখুন। অতঃপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উঠে বসলেন এবং গোসল মুবারক করলেন। অতঃপর আবার উঠতে চাইলেন। এবারও তিনি বেহুঁশী শান মুবারক প্রকাশ করলেন। অতঃপর কিছুক্ষণ পর হুঁশ মুবারক প্রকাশ করে জিজ্ঞাসা মুবারক করলেন, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা কি ছলাত আদায় করেছেন? আমরা বললাম- না; ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! উনারা আপনার জন্য অপেক্ষা করছেন। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা শেষ ইশার ছলাতের জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অপেক্ষায় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদে নববী শরীফ উনার মধ্যে অবস্থান করতেছিলেন। অতঃপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার নিকট সংবাদ মুবারক পাঠালেন যে, তিনি যেন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদেরকে নিয়ে ছলাত আদায় করে নেন। সংবাদ বাহক (সাইয়্যিদুনা হযরত বিলাল রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি) সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার নিকট উপস্থিত হয়ে বললেন, নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আপনাকে সম্মানিত নির্দেশ মুবারক দিয়েছেন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদেরকে নিয়ে ছলাত আদায় করার জন্য। সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি ছিলেন অত্যন্ত কোমল মনের অধিকারী। তিনি (সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে উদ্দেশ্য করে) বললেন, হে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম! আপনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদেরকে নিয়ে ছলাত আদায় করে নিন। সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, আপনিই এর জন্য অধিক হক্বদার। অতঃপর সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদেরকে নিয়ে ঐ কয়েকদিন ছলাত আদায় করেন।

অতঃপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন কিছুটা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল ইস্তাওয়া মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছিহ্হাতী শান মুবারক) প্রকাশ করলেন, তখন দুজন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুমা উনাদের কাঁধে ভর করে সম্মানিত ছলাতুয্ যুহ্র আদায় করার জন্য বের হলেন। উনাদের দুজনের মধ্যে একজন হলেন সাইয়্যিদুনা হযরত খ্বাতিমুল মুহাজিরীন আলাইহিস সালাম (সাইয়্যিদুনা হযরত আব্বাস আলাইহিস সালাম) তিনি। সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি তখন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদেরকে নিয়ে ছলাত আদায় করছিলেন। অতঃপর সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দেখতে পেলেন, তখন তিনি পিছনে সরে আসতে চাইলেন, কিন্তু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাকে পিছনে না আসার জন্য সম্মানিত ইশারা মুবারক করলেন। তিনি দুজন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুমা উনাদেরকে বললেন, আপনারা আমাকে সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার পাশে বসিয়ে দিন। দুজন হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুমা উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার পাশে বসিয়ে দিলেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তখন যমীনে বসা অবস্থায় সম্মানিত ছলাত মুবারক আদায় করছিলেন। বর্ণনাকারী হযরত উবায়দুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু  তা‘য়ালা আনহু উনার নিকট উপস্থিত হয়ে উনাকে বললাম, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল ইহ্সান মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মারীদ্বী শান মুবারক) প্রকাশ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ্ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম তিনি আমাকে যেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা মুবারক করেছেন, তা কি আমি আপনার নিকট বর্ণনা করবো না? তিনি বললেন, হ্যাঁ; বর্ণনা করুন। অতঃপর আমি উনাকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ্ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনার বর্ণিত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফখানা পেশ করলাম। তিনি এই বর্ণনার কোন অংশই আপত্তি করলেন না। তবে তিনি জিজ্ঞাসা করলেন যে, সাইয়্যিদুনা হযরত খ্বাতিমুল মুহাজিরীন আলাইহিস সালাম উনার সাথে অপর যেই ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু ছিলেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ্ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম তিনি কি উনার নাম মুবারক উল্লেখ করেছেন? আমি বললাম- না। তিনি বললেন, তিনি ছিলেন ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি।” সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, মিশকাত শরীফ ইত্যাদি)

অপর বর্ণনায় বর্ণিত রয়েছেন,

عَنْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْـنَ الثَّالِثَةِ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اَلصِّدِّيْـقَةِ عَلَيْـهَا السَّلَامُ (سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ عَائِشَةَ عَلَيْـهَا السَّلَامُ) اَنَّـهَا قَالَتْ لَمَّا ثَـقُلَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَاءَ حَضْرَتْ بِلَالٌ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ يُـؤْذِنُهٗ بِالصَّلـٰوةِ فَـقَالَ مُرُوْا سَيِّدَنَا حَضْرَتْ اَلصِّدِّيْقَ الْاَكْـبَـرَ عَلَيْهِ السَّلَامُ (سَيِّدَنَا حَضْرَتْ اَبَا بَكْرٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ) اَنْ يُّصَلِّـىَ بِالنَّاسِ فَصَلّٰى سَيِّدُنَا حَضْرَتْ اَلصِّدِّيْقُ الْاَكْـبَـرُ عَلَيْهِ السَّلَامُ تِلْكَ الْاَيَّامَ ثُـمَّ اِنَّ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَجَدَ فِـىْ نَـفْسِهٖ خِفَّةً فَـقَامَ يُـهَادٰى بَـيْـنَ رَجُلَـيْـنِ وَرِجْلَاهُ تَـخْطَانِ فِـى الْاَرْضِ حَتّٰـى دَخَلَ الْمَسْجِدَ فَـلَمَّا سَـمِعَ سَيِّدُنَا حَضْرَتْ اَلصِّدِّيْقُ الْاَكْـبَـرُ عَلَيْهِ السَّلَامُ حِسَّهٗ ذَهَبَ يَــتَاَخَّرُ فَاَوْمَاَ اِلَيْهِ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَنْ لَّا يَــتَاَخَّرَ فَجَاءَ حَتّٰـى جَلَسَ عَنْ يَّسَارِ سَيِّدِنَا حَضْرَتْ اَلصِّدِّيْقِ الْاَكْـبَـرِ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَكَانَ سَيِّدُنَا حَضْرَتْ اَلصِّدِّيْقُ الْاَكْـبَـرُ عَلَـيْهِ السَّلَامُ يُصَلِّـىْ قَائِمًا وَكَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّىْ قَاعِدًا يَــقْتَدِىْ سَيِّدُنَا حَضْرَتْ اَلصِّدِّيْقُ الْاَكْـبَـرُ عَلَيْهِ السَّلَامُ بِصَلـٰوةِ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَالنَّاسُ يَـقْتَدُوْنَ بِصَلـٰوةِ سَيِّدِنَا حَضْرَتْ اَلصِّدِّيْقِ الْاَكْـبَـرِ عَلَـيْهِ السَّلَامُ وَفِـىْ رِوَايَةٍ يُسْمِعُ سَيِّدُنَا حَضْرَتْ اَلصِّدِّيْقُ الْاَكْـبَـرُ عَلَيْهِ السَّلَامُ النَّاسَ التَّكْبِيْـرَ

অর্থ: “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল ইহ্সান মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মারীদ্বী শান মুবারক) যখন বেশী আকারে প্রকাশ পান, তখন সাইয়্যিদুনা হযরত বিলাল রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক-এ এসে সম্মানিত ছলাত উনার বিষয়টি অবহিত মুবারক করেন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আপনারা সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনাকে বলুন, তিনি যেনো হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদরকে নিয়ে সম্মানিত ছলাত আদায় করেন। তারপর সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি ঐ দিনগুলিতে সম্মানিত ছলাত পড়ান অর্থাৎ তিনি সম্মানিত ছলাত উনার ইমামতী করেন। অতঃপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কিছুটা  মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল ইস্তাওয়া মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছিহহাতী শান মুবারক) গ্রহন করলেন। তখন তিনি দুইজন হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুমা উনাদের উপর ভর দিয়ে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ক্বদম মুবারক) যমীনে লাগা লাগা অবস্থায় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদে নববী শরীফ উনার মধ্যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক নেন। সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ক্ষীণ শব্দ মুবারক শুনে পিছনে সরে যেতে চাইলেন, তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাকে না সরার জন্য ইশারা মুবারক করেন। অতঃপর তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক নিয়ে সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার বাম দিকে বসলেন। তারপর সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি দাঁড়িয়ে সম্মানিত ছলাত আদায় করলেন আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয় সাল্লাম তিনি যমীনে বসে সম্মানিত ছলাত মুবারক আদায় করলেন। সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত ছলাত মুবারক উনার ইক্বতিদা করেছেন আর হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত ছলাত উনার ইক্বতিদা করেছেন। অপর বর্ণনায় রয়েছেন- সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদেরকে সম্মানিত তাকবীর মুবারক শুনিয়েছেন।” সুবহানাল্লাহ! (মাছাবীহুস সুন্নাহ ১/ ৪১১)

অসমাপ্ত

(পরবর্তী সংখ্যার অপেক্ষায় থাকুন)

 

 

 

পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অর্থাৎ সম্মানিত শরীয়ত উনার আলোকে খাছ সুন্নতী বাল্যবিবাহ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (পর্ব-১৩)

পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে সম্মানিত ও পবিত্র মাযহাব চতুষ্ঠয় উনাদের মধ্যে যে কোন একটি সম্মানিত ও পবিত্র মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া-৫৬

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, সম্মানিত ইজমা শরীফ এবং সম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক উনার ও উনার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে এবং বিশেষ করে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক যারা ভাঙবে, ভাঙ্গার কাজে সাহায্য-সহযোগিতা করবে বা সমর্থন করবে তাদের প্রত্যেকের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ও তৎসংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া- (পর্ব-১২)

পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমাউল উম্মাহ শরীফ ও পবিত্র ছহীহ ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে সম্মানিত ইসলামী মাস ও বিশেষ বিশেষ রাত, দিন, সময় ও মুহূর্তের আমলসমূহের গুরুত্ব, ফযীলত এবং বেদ্বীন-বদদ্বীনদের দিবসসমূহ পালন করা হারাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (৩৮তম পর্ব)

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, সম্মানিত ইজমা’ শরীফ এবং সম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের যারা মানহানী করবে, তাদের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। তারা নামধারী মুসলমান হোক বা কাফির হোক অথবা নাস্তিক হোক কিংবা যেকোনো ধর্মেরই অনুসারী হোক না কেন। তাদের তাওবা গ্রহণযোগ্য হবে না। এমনকি যারা তাদেরকে সমর্থন করবে, তাদেরও একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। এ বিষয়ে কারো কোনো প্রকার ওজর-আপত্তি গ্রহণযোগ্য হবে না এবং তৎসংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে আখাছ্ছুল খাছ সম্মানিত বিশেষ ফতওয়া মুবারক (১১ম পর্ব)