মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, সম্মানিত ইজমা শরীফ এবং সম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক উনার ও উনার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে এবং বিশেষ করে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক যারা ভাঙবে, ভাঙ্গার কাজে সাহায্য-সহযোগিতা করবে বা সমর্থন করবে তাদের প্রত্যেকের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ও তৎসংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া- (পর্ব-১৩)

সংখ্যা: ২৭৭তম সংখ্যা | বিভাগ:

৩৬তম ফতওয়া হিসেবে

“মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, সম্মানিত ইজমা শরীফ এবং সম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক উনার ও উনার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে এবং বিশেষ করে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক যারা ভাঙবে, ভাঙ্গার কাজে সাহায্য-সহযোগিতা করবে বা সমর্থন করবে তাদের প্রত্যেকের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ও তৎসংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া” পেশ করতে পারায় মহান আল্লাহ পাক উনার, উনার মাহবূব হাবীব, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ বেশুমার শুকরিয়া আদায় করছি। সুবহানাল্লাহ!

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক উনার সম্মানিত আদব মুবারক-

১. মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক-এ যাওয়ার পথে দো‘আ:

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক-এ গমনের পথে নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দো‘আ মুবারক পাঠ করতেন। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বলেন-

(৪১৯-৪৩৮)

فَاَذَّنَ الْمُؤَذِّنُ فَخَرَجَ اِلَـى الصَّلٰوةِ وَهُوَ يَقُوْلُ اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ فِـىْ قَلْبِـىْ نُوْرًا وَّفِـىْ لِسَانِـىْ نُوْرًا وَّاجْعَلْ فِـىْ سَـمْعِـىْ نُوْرًا وَّاجْعَلْ فِـىْ بَصَرِىْ نُوْرًا وَّاجْعَلْ مِنْ خَلْفِىْ نُوْرًا وَّمِنْ اَمَامِـىْ نُوْرًا وَّاجْعَلْ مِنْ فَوْقِـىْ نُوْرًا وَّمِنْ تَـحْتِـىْ نُوْرًا اَللّٰهُمَّ اَعْطِنِـىْ نُوْرًا.

অর্থ: “মুয়ায্যিন আযান মুবারক দিলেন। তারপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত ছলাত মুবারক আদায় করার জন্য বের হলেন। তখন তিনি এই দো‘আ মুবারক করছিলেন-

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ فِـىْ قَلْبِـىْ نُوْرًا وَّفِـىْ لِسَانِـىْ نُوْرًا وَّاجْعَلْ فِـىْ سَـمْعِـىْ نُوْرًا وَّاجْعَلْ فِـىْ بَصَرِىْ نُوْرًا وَّاجْعَلْ مِنْ خَلْفِىْ نُوْرًا وَّمِنْ اَمَامِـىْ نُوْرًا وَّاجْعَلْ مِنْ فَوْقِـىْ نُوْرًا وَّمِنْ تَـحْتِـىْ نُوْرًا اَللّٰهُمَّ اَعْطِنِـىْ نُوْرًا.

‘আয় বারে এলাহী! আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ক্বল্ব মুবারক-এ নূর সৃষ্টি করে দিন, আমার দৃষ্টিশক্তি মুবারক-এ নূর সৃষ্টি করে দিন, আমার পিছন দিকে নূর সৃষ্টি করে দিন, আমার সামনের দিকে নূর সৃষ্টি করে দিন, আমার উপর দিক থেকে নূর সৃষ্টি করে দিন এবং আমার নীচের দিক থেকেও নূর সৃষ্টি করে দিন। আয় মহান আল্লাহ পাক! আপনি আমাকে নূর হাদিয়া মুবারক করুন’।” সুবহানাল্লাহ! (মুসলিম শরীফ, হাদীছুয যুহরী ১/৩১৭, যখীরতুল ‘উক্ববা ১৮/৭৫, ইকমালুল মু’লিম ৩/১২৭, আল ফাতহুর রব্বানী ৪/২৫৫, কাওকাবুল ওয়াহ্হাব ১০/৫২, আল মুনহিল ১/২০৫, আল মুসনাদুল জামি’ ১৯/১৯৩, জামি‘উল উছূল লি ইবনে আছীর ৬/৪১৯৭, মুসনাদুছ ছাহাবাহ্ ২৮/৫৯, আল জাম্‘উ বাইনাছ ছহীহাইন ২/৩৯, আল ইন্তিবাহ্ ১/৩৩৭, আস সুনান ওয়াল আহ্কাম ৩/২০, আল ওয়াজীয ১/১৩২, আহ্কামু হুদ্বূরিল মাসাজিদ ১/৪৪, যাদুল মা‘আদ ১/৩২৮-৩২৯, সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ ৮/২৮৭, আদ্ দুরারুল মুন্তাক্বাহ্ ৯/২২২, তারীখে দিমাশক্ব ৫৪/৩৬৩, তুহ্ফাতুয্ যাকিরীন ১/১৪৮ ইত্যাদি)

২. ওযূ করে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক অভিমুখে গমন করা:

উত্তমরূপে ওযূ করে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক-এ যাওয়া মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খাছ সুন্নত মুবারক এবং রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক লাভের কারণ। সুবহানাল্লাহ! এ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

(৪৩৯-৪৫০)

عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ تَطَهَّرَ فِـىْ بَيْتِهٖ ثُـمَّ مَشٰى اِلـٰى بَيْتٍ مِّنْ بُيُوْتِ اللهِ لِيَقْضِىَ فَرِيْضَةً مِّنْ فَرَائِضِ اللهِ كَانَتْ خَطْوَتَاهُ اِحْدَاهُـمَا تـَحُطُّ خَطِيْئَةً وَالْاُخْرٰى تَرْفَعُ دَرَجَةً.

অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু অলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি বাড়ি থেকে পাক-পবিত্র হয়ে অর্থাৎ ওযূ করে কোনো ফরয ছালাত আদায় করার জন্য হেঁটে মহান আল্লাহ পাক উনার কোনো মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ঘর মুবারক-এ অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক-এ যায়, তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপে একটি পাপ ঝরে পড়ে এবং একটি করে মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।” সুবহানাল্লাহ! (মুসলিম শরীফ, শু‘আবুল ঈমান ৪/৩৪৮, ছহীহ ইবনে হিব্বান ৫/৩৯৩, তাফসীরে কুরতুবী ১২/২৭৬, আছ ছারিম ১/৩১১, তাফসীরে কবীর ৪/১৩, তাফসীরে ইবনে আবী হাতিম ১৩/৭৩৫, তাফসীরে ইবনে রজব ২/১৬২, আল মুসনাদুল মুস্তাখরাজ লিআবী না‘ঈম ২/২৬২, মু’জামুশ শুয়ূখ লিইবনে ‘আসাকির ২/৮৬,  ইবনে জামা‘আহ্, আল মুখলিছিয়্যাত ১/১১৩ ইত্যাদি)

৩. পোষাক ও সাজসজ্জা:

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক-এ সাধ্য অনুযায়ী সুন্দর পোষাক পরিধান করে গমন করা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খাছ সুন্নত মুবারক। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

(৪৫১)

يٰبَنِـىْۤ اٰدَمَ خُذُوْا زِيْنَتَكُمْ عِنْدَ كُلِّ مَسْجِدٍ وَّكُلُوْا وَاشْرَبُوْا وَلَا تُسْرِفُوْا اِنَّهٗ لَا يـُحِبُّ الْمُسْرِفِيْـنَ.

অর্থ: “হে আদম সন্তান! প্রত্যেক সম্মানিত ছালাত উনার সময় তোমরা সাজসজ্জা গ্রহণ করো। আর খাও, পান কর; কিন্তু অপচয় করো না, অবশ্যই তিনি অপচয়কারীদের পছন্দ করেন না।” না‘ঊযুবিল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আ’রাফ শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৩১)

আর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

(৪৫২-৪৫৮)

عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِذَا صَلّٰى اَحَدُكُمْ فَلْيَلْبَسْ ثَوْبَيْهِ فَاِنَّ اللهَ اَحَقُّ مَنْ يُّزَيَّنُ لَهٗ.

অর্থ: “হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমাদের কেউ যখন সম্মানিত ছালাতে দাঁড়াবে, সে যেন (সুন্দর) পোষাক পরিধান করে। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনিই সর্বাধিক হকদার উনার জন্য সজ্জিত হওয়ার।” সুবহানাল্লাহ! (শরহু মা‘য়ানিল আছার লিত্ ত্বহাবী ১/৩৭৭, আস সুনানুল কুবরা লিল বাইহাক্বী, মুসনাদে বাযযার, মাজমা‘উয যাওয়াইদ লিল হাইছামী ২/৬৫, মির‘আতুল মাফাতীহ্ ২/৪৮৬, আল বায়ান ফী মাযহাবে ইমাম শাফে‘য়ী ২/১২২, বাহ্রুল মাযহাব লির রূয়ানী ২/১০০ ইত্যাদি)

৪. মসজিদে গমনকালে ধীর-স্থিরভাবে চলা:

সম্মানিত ছালাত উনার জন্য মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক-এ গমনকালে তাড়াহুড়া না করে ধীরে-সুস্থে যাওয়া আদব। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

(৪৫৯-৪৭৫)

عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اِذَا سَـمِعْتُمُ الْاِقَامَةَ فَامْشُوْا اِلَـى الصَّلـٰوةِ وَعَلَيْكُمْ بِالسَّكِيْنَةِ وَالْوَقَارِ وَلَا تُسْرِعُوْا فَمَا اَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوْا وَمَا فَاتَكُمْ فَاَتِـمُّوْا.

অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করেন। (নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,) যখন তোমরা সম্মানিত ইক্বামত মুবারক শুনতে পাবে, তখন সম্মানিত ছালাত উনার দিকে চলে আসবে। তোমাদের উচিত স্থিরতা ও গাম্ভীর্যতা অবলম্বন করা। তাড়াহুড়া করবে না। (সম্মানিত ইমাম সাহেব উনার সাথে) যতটুকু (সম্মানিত ছলাত মুবারক) পাও তা আদায় করবে, আর যা ছুটে যায় তা (একাকী) পূর্ণ করবে।” সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, জামি‘উল আহাদীছ লিস সুয়ূত্বী ৩/২৫০, জাম‘উল জাওয়ামী’ লিস সুয়ূত্বী ১/২৪৮৯ ‘উমদাতুল ক্বারী ৮/২০৬, ফাতহুল বারী, আল কাওয়াকিবুদ দুরারিয়্যু লিল কিরমানী ৫/৩১, আল ইরশাদুস সারী ২/২০, কাওছারুল মা‘আনিদ দুরারিয়্যু লিশ শানক্বীত্বী ৮/৩২৯, নাজবুল ইফকার লি বদরুদ্দীন ‘আইনী ৬/২০৪, ফাইযুল বারী ২/২৩৫, আল কাওছারুল জারী লিল কাওরানী ২/২৯৩, মিনহাতুল বারী ৩/৩৫২, আত্ তাওশীহ্ লিস সুয়ূত্বী ২/৬৬৯, আল হিদায়াহ্ ফী তাখরীজী আহদীছুল বিদায়াহ্ ৪/৭৮, আল মুর্হারারু ফিল হাদীছ ১/২৫১, নাদ্বরাতুন না‘ঈম ৬/২৫৬১, শরহুল মুর্হারার ফিল হাদীছ ৩৭/৮ ইত্যাদি)

৫-৬. মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক-এ প্রবেশ করার এবং বাহির হওয়ার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নাত মুবারকসমূহ: মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক-এ প্রবেশ করার ৭ খানা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক- ১. ওযূসহ পাক-পবিত্র অবস্থায় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক-এ প্রবেশ করা, ২. বিসমিল্লাহ শরীফ পড়া, ৩. মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দুরূদ শরীফ পড়া, ৪. পবিত্র ছলাত ও সালাম পেশ করা, ৫. সম্মানিত দো‘আ মুবারক পড়া, ৬. সম্মানিত ই’তিকাফ উনার নিয়ত করা এবং ৭. ডান পা দিয়ে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক-এ প্রবেশ করা। সুবহানাল্লাহ!

ওজুসহ পাক-পবিত্র অবস্থায় সম্মানিত ই’তিকাফ উনার নিয়ত করে নিম্নোক্ত দো‘আ পড়ে ডান পা দিয়ে প্রবেশ করলে উপরোক্ত ৭ খানা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক আদায় হয়ে যায়-

بِسْمِ اللهِ وَالصَّلـٰوةُ وَالسَّلَامُ عَلـٰی رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَللّٰهُمَّ افْتَحْ لِـىْ اَبْوَابَ رَحْـمَتِكَ.

(উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি ওয়াছ ছলাতু ওয়াস সালামু ‘আলা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহুম্মাফতাহ্ লী আবওয়াবা রহ্মাতিক্।)

অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইস্ম বা নাম মুবারক-এ শুরু করছি। আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ সম্মানিত ছলাত শরীফ এবং সম্মানিত সালাম শরীফ। আয় বারে এলাহী, মহান আল্লাহ পাক! দয়া করে আপনি আমার জন্য আপনার সম্মানিত ও পবিত্র রহমত মুবারক উনার সমস্ত দরজা মুবারকসমূহ খুলে দিন।” (আমীন!)

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক থেকে বাহির হওয়ার ৬ খানা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নাত মুবারক- ১. বিসমিল্লাহ শরীফ পড়া, ২. মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দুরূদ শরীফ পড়া, ৩. পবিত্র ছলাত ও সালাম পেশ করা, ৪. সম্মানিত দো‘আ মুবারক পড়া, ৫. বাম পা দিয়ে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক থেকে বাহির হওয়া, ৬. বাম পা জুতার উপর রেখে ডান পায়ের জুতা পরা। সুবহানাল্লাহ!

নিম্নোক্ত দো‘আ পড়ে বাম পা দিয়ে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক থেকে বাহির হলে প্রথম ৫ খানা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক আদায় হয়ে যায়-

بِسْمِ اللهِ وَالصَّلـٰوةُ وَالسَّلَامُ عَلـٰی رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَللّٰهُمَّ اِنِّیْ اَسْئَلُکَ مِنْ فَضْلِکَ.

(উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি ওয়াছ ছলাতু ওয়াস সালামু ‘আলা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা মিন ফাদ্বলিক্।)

অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইস্ম বা নাম মুবারক-এ শুরু করছি। আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ সম্মানিত ছলাত শরীফ এবং সম্মানিত সালাম শরীফ। আয় বারে এলাহী, মহান আল্লাহ পাক! আমি আপনার নিকট আপনার সম্মানিত ও পবিত্র ফযল মুবারক প্রার্থনা করছি।” (আমীন!)

এ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-

(৪৭৬-৪৮২)

عَنْ حَضْرَتْ اَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِذَا دَخَلَ الْمَسْجِدَ قَالَ بِسْمِ اللهِ اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلـٰى سَيِّدِنَا شَفِيْعِنَا مَوْلـٰـنَا مُـحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَاِذَا خَرَجَ قَالَ بِسْمِ اللهِ اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلـٰى سَيِّدِنَا شَفِيْعِنَا مَوْلـٰـنَا مُـحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.

অর্থ: “হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক-এ প্রবেশ করতেন, তখন বলতেন-

بِسْمِ اللهِ اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلـٰى سَيِّدِنَا شَفِيْعِنَا مَوْلـٰـنَا مُـحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.

‘বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা ছল্লি ‘আলা সাইয়্যিদিনা শাফী‘ইনা মাওলানা মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইস্ম বা নাম মুবারক-এ প্রবেশ করছি। আয় বারে এলাহী, মহান আল্লাহ পাক! দয়া করে আপনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ সম্মানিত ছলাত শরীফ পেশ করুন।’ (আমীন!) সুবহানাল্লাহ!

আর যখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক থেকে বের হতেন, তখনও বলতেন-

بِسْمِ اللهِ اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلـٰى سَيِّدِنَا شَفِيْعِنَا مَوْلـٰـنَا مُـحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.

‘বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা ছল্লি ‘আলা সাইয়্যিদিনা শাফী‘ইনা মাওলানা মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইস্ম বা নাম মুবারক-এ প্রবেশ করছি। আয় বারে এলাহী, মহান আল্লাহ পাক! দয়া করে আপনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ সম্মানিত ছলাত শরীফ পেশ করুন।’ (আমীন!) সুবহানাল্লাহ! (‘আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ্ ১/৮০, নাইলুল আওত্বার লিশ শাওকানী ২/১৮১, নুয্হাতুল মাজালিস ১/১০৩, আল ক্বওলুল বাদী’ ১/১৮৮, আল ইয্কার ১/৩১, আল ফতূহাতির রব্বানিয়্যাহ্ ২/৪৮, কালমুত্ ত্বইয়্যিব)

অন্য বর্ণনায় ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-

(৪৮৩-৫১৬)

عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ حُـمَيْدٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ وَحَضْرَتْ اَبِـىْ اُسَيْدٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَا قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِذَا دَخَلَ اَحَدُكُمُ الْمَسْجِدَ فَلْيَقُلْ اَللّٰهُمَّ افْتَحْ لِـىْ اَبْوَابَ رَحْـمَتِكَ وَاِذَا خَرَجَ فَلْيَقُلْ اَللّٰهُمَّ اِنِّـىْ اَسْاَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ.

অর্থ: “হযরত আবূ হুমাইদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার এবং হযরত আবূ উসাইদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার অর্থাৎ উনাদের উভয়ের থেকে বর্ণিত। উনারা বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আপনাদের মধ্যে থেকে কেউ যখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক-এ প্রবেশ করবেন, তখন তিনি যেন বলেন-

اَللّٰهُمَّ افْتَحْ لِـىْ اَبْوَابَ رَحْـمَتِكَ

‘(আল্লাহুম্মাফ্তাহ্লী আবওয়াবা রহমতিক্।) আয় বারে এলাহী, মহান আল্লাহ পাক! দয়া করে আপনি আমার জন্য আপনার সম্মানিত ও পবিত্র রহমত মুবারক উনার দরজাসমূহ খুলে দিন।’ (আমীন!)

আর যখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক থেকে বের হবেন, তখন যেন বলেন-

اَللّٰهُمَّ اِنِّـىْ اَسْاَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ

‘(আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা মিনফাদ্বলিক্।) আয় বারে এলাহ, মহান আল্লাহ পাক! আপনার নিকট আমি আপনার সম্মানিত ও পবিত্র ফযল-করম মুবারক প্রার্থনা করছি।’ সুবহানাল্লাহ! (মুসনাদে আহমদ ৩৯/২১, মুসলিম শরীফ, সুনানু ইবনে মাজাহ্, নাসায়ী শরীফ, আস সুনানুল কুবরা লিন নাসায়ী ১/৪০০, কান্যুল ‘উম্মাল ৭/৬৫৯, আল মুসনাদুল মুস্তাখরাজ লি আবী না‘ঈম ২/৩০৮, আস সুনানুছ ছুগরা লিল বাইহাক্বী ১/১৮৯, সুনানুদ দারিমী ২/৩৭৯, মু’জামুশ শুয়ূখ লি ইবনে ‘আসাকির ১/১৩৩, শরহুস সুন্নাহ লিল বাগবী ২/৩৬৮, মুসনাদে বাযযার ৯/১৬৯, তাফসীরে কুরতুবী ১২/২৭৩, তাফসীরে ইবনে কাছীর ৬/৬৬, আত্ তাফসীরুল মুনীর ১৮/২৫৪, তাফসীরে ইবনে আবী হাতিম ১২/৫৬০, মুখতাছরু তাফসীরে ইবনে কাছীর ২/৬০৯, আল মুন্তাক্বা ১/৬, শরহুন নববী ৫/২২৪, তাহ্ফাতুল আহ্ওয়াযী ১/৩৪৩, মির‘আতুল মাফাতীহ্ ২/৮৩২, মিরক্বাতুল মাফাতীহ্ ২/৫৯৬, যখীরতুল ‘উক্ববা ৯/১৪৪, ইকমালুল মু’লিম ৩/৪৮, শরহুত্ ত্বীবী ৩/৯৩৫, ফাতহুল মুন‘ইম ৩/৪৮০, আত্ তাহ্বীর ৪/২৬৩, তুহ্ফাতুল আশরাফ ৮/৩৪৩, জামি‘উল উছূল লি ইবনে আছীর ৪/৩১৬, আল মাত্বালিবুল ‘আলিয়াহ্ লি ইবনে হাজার ৩/৫৭১, জাম‘উল ফাওয়াইদ ৪/৮১, কাশফুল মানাহিজ ১/৩০২, আত্ তাজু ওয়াল ইকলীল ১/১৬৪, ইত্হাফুল মুহ্রাহ্ লি ইবনে হাজার, তুয়ূরিয়্যাত ইত্যাদি)

অন্য বর্ণনায় ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-

(৫১৭-৫৪১)

عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اِذَا دَخَلَ اَحَدُكُمُ الْمَسْجِدَ فَلْيُسَلِّمْ عَلَى النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلْيَقُلْ اَللّٰهُمَّ افْتَحْ لِـىْ اَبْوَابَ رَحْـمَتِكَ.

অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আপনাদের মধ্যে থেকে কেউ যখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক-এ প্রবেশ করবেন, তখন তিনি যেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত শান মুবারক-এ সম্মানিত ও পবিত্র সালাম শরীফ পেশ করেন এবং যেন বলেন-

اَللّٰهُمَّ افْتَحْ لِـىْ اَبْوَابَ رَحْـمَتِكَ

‘(আল্লাহুম্মাফ্তাহ আব্ওয়াবা রহমাতিক্।) আয় বারে এলাহী, মহান আল্লাহ পাক! দয়া করে আপনি আমার জন্য আপনার সম্মানিত ও পবিত্র রহমত মুবারক উনার দরজাসমূহ খুলে দিন।’ সুবহানাল্লাহ! (সুনানে ইবনে মাজাহ্, ছহীহ্ ইবনে হিব্বান ৫/৩৯৯, কান্যুল ‘উম্মাল ৭/৬৫৯, সুনানুল কুবরা লিন নাসায়ী ৯/৪০, সুনানুল কুবরা লিল বাইহাক্বী ২/৬২০, তাফসীরে ইবনে কাছীর ৬/৬৬, আল আহ্কামুশ শার‘ইয়্যাহ্ লিল ইশবীলী ২/৭৬, ফাইযুল ক্বাদীর ১/৪৩৩, ‘আওনুল মা’বূদ ২/৯৩, হাশিয়াতুস সিন্দী ১/২৬০, আল মাসালিক লিল ইশবীলী ৩/১৯, আল বদরুত্ তামাম লিল মাগরিবী ১০/৩৯৯, তুহ্ফাতুল আশরাফ ৯/৪৭৩, মাছাবিহুয্ যুজাজাহ্ ১/৯৭, আল মাত্বালিবুল ‘আলিয়াহ্ ৩/৫৭৬, জাম‘উল ফাওয়াইদ ৪/৮০, আল আওসাত্ব ৩/৭০, যাদুল মা‘আদ ২/৩৩২, সিলাহুল মু’মিন ১/৩০৯, ইমতা’ ১১/১২৭, সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ ১২/৪৪৮, সিয়ারু আ’লামিন নুবালা’ ২/৪২৩, জালাউল ইফহাম, আত্ তা’লীক্বাতুল হুস্সান, মাওয়ারিদুয্ যম্আন ইত্যাদি)

সম্মানিত ও পবিত্র কুরআন শরীফ, সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ, সম্মানিত ইজমা’ শরীফ এবং সম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের যারা মানহানী করবে, তাদের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। তারা নামধারী মুসলমান হোক বা কাফির হোক অথবা নাস্তিক হোক কিংবা যেকোনো ধর্মেরই অনুসারী হোক না কেন। তাদের তাওবা গ্রহণযোগ্য হবে না। এমনকি যারা তাদেরকে সমর্থন করবে, তাদেরও একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। এ বিষয়ে কারো কোনো প্রকার ওজর-আপত্তি গ্রহণযোগ্য হবে না এবং তৎসংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে আখাছ্ছুল খাছ সম্মানিত বিশেষ ফতওয়া মুবারক- (২য় পর্ব)

পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে সম্মানিত ও পবিত্র মাযহাব চতুষ্ঠয় উনাদের মধ্যে যে কোন একটি সম্মানিত ও পবিত্র মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া-৪৮

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, সম্মানিত ইজমা শরীফ এবং সম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক উনার ও উনার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে এবং বিশেষ করে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক যারা ভাঙবে, ভাঙ্গার কাজে সাহায্য-সহযোগিতা করবে বা সমর্থন করবে তাদের প্রত্যেকের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ও তৎসংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া- (পর্ব-৪)

পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অর্থাৎ সম্মানিত শরীয়ত উনার আলোকে খাছ সুন্নতী বাল্যবিবাহ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (পর্ব-৫)

পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমাউল উম্মাহ শরীফ ও পবিত্র ছহীহ ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে সম্মানিত ইসলামী মাস ও বিশেষ বিশেষ রাত, দিন, সময় ও মুহূর্তের আমলসমূহের গুরুত্ব, ফযীলত এবং বেদ্বীন-বদদ্বীনদের দিবসসমূহ পালন করা হারাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (৩০তম পর্ব)