যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নুমা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার- ওয়াজ শরীফ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে- উলামায়ে ‘সূ’দের হাক্বীক্বত সম্পর্কে (৩১)

সংখ্যা: ২৬৭তম সংখ্যা | বিভাগ:

পূর্ব প্রকাশিতের পর

সেটাই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে-

عَنْ حَضْرَتْ اَبِىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّمَ تَعَوَّذُوْا بِاللهِ مِنْ جُبِّ الْحُزْنِ. قَالُوْا يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّمَ وَمَا جُبُّ الْحُزْنِ قَالَ وَادٍ فِىْ جَهَنَّمَ تَتَعَوَّذُ مِنْهُ جَهَنَّمُ كُلَّ يَوْمٍ مِائَةَ مَرَّةٍ. قِيْلَ يَا رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّمَ وَمَنْ يَدْخُلُه قَالَ الْقُرَّاءُ الْمُرَاءُونَ بِاَعْمَالِهِمْ. وَاِنَّ مِنْ اَبْغَضِ الْقُرَّاءِ اِلَى اللهِ الَّذِيْنَ يَزُورُونَ الأُمَرَاءَ

হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মজাসসাম হাবীবুল্লাহ হযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একদিন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের লক্ষ্য করে ইরশাদ মুবারক করলেন-

تَعَوَّذُوا بِاللهِ مِنْ جُبِّ الْحُزْنِ

আপনারা জুব্বুল হুযন থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করুন। জুব্বুল হুযন থেকে আপনারা পানাহ তলব করুন, মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে।

قَالُوا يَا رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّمَ وَمَا جُبُّ الْحُزْنِ

হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! জুব্বুল হুযনটা কি? জুব্বুল হুযন কাকে বলে?

قَالَ وَادٍ فِى جَهَنَّمَ

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, এটি জাহান্নামের একটা উপত্যকা। উপত্যকা কাকে বলা হয়? দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানকে উপত্যকা বলা হয়। এটা একটা জাহান্নামের উপত্যকা। এমন এক কঠিন স্থান। আযাব গযবের স্থান।

تَتَعَوَّذُ مِنْهُ جَهَنَّمُ كُلَّ يَوْمٍ مِائَةَ مَرَّةٍ

এই জুব্বুল হুযন থেকে স্বয়ং জাহান্নাম প্রতিদিন চারশ’ বার পানাহ চায়। নাউযুবিল্লাহ! চার শত বার পানাহ চায়। জাহান্নাম বলে যে, আয় মহান আল্লাহ পাক! আপনি জাহান্নামকে জুব্বুল হুযন থেকে পানাহ দান করুন। তাহলে সেটা কত কঠিন জায়গা। যখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ কথা মুবারক ইরশাদ মুবারক করলেন, তখন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের তরফ থেকে তিনি জিজ্ঞাসিত হলেন-

قِيْل يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّمَ مَنْ يَدْخُلُه

তিনি জিজ্ঞাসিত হলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! কারা এর মধ্যে প্রবেশ করবে? এই জুব্বুল হুযন কঠিন জায়গা, এর মধ্যে কারা প্রবেশ করবে?

قَالَ الْقُرَّاءُ الْمُرَاءُونَ بِاَعْمَالِهِمْ

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, ঐ সমস্ত আলিম-উলামা, ক্বারী, ছূফী, দরবেশ তাদের আমলের কারণে। যারা লোক প্রদর্শনের জন্য আমল করবে, রিয়া করবে, গইরুল্লাহর জন্য করবে। এ সমস্ত কারণে তারা জুব্বুল হুযনে প্রবেশ করবে।

وَاِنَّ مِنْ اَبْغَضِ الْقُرَّاءِ اِلَى اللهِ

এবং এরপর মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, এই সমস্ত আলিম উলামা ছূফী দরবেশ এদের মধ্য থেকে সবচাইতে নিকৃষ্ট কে? মহান আল্লাহ  পাক উনার নিকট অপছন্দনীয় কে?

الَّذِيْنَ يَزُوْرُوْنَ الأُمَرَاءَ

যারা রাজা বাদশাদের দরবারে যাওয়া আসা করে। রাজা বাদশাদের কাছে যায় দুনিয়াবী ফায়দা হাছিল করার জন্য। নাউযুবিল্লাহ! যারা আমীর উমরাদের সাথে নিছবত রাখে দুনিয়া হাছিল করার জন্য। এরা হচ্ছে সবচাইতে নিকৃষ্ট, উলামায়ে সূ। এদের জন্যই রয়েছে জুব্বুল হুযন।

এখন ক্বারূন সে জাহান্নামে চলে গেলো দুনিয়ার মোহে মোহগ্রস্থ হয়ে। এখন ঠিক ঐ অনুযায়ী যারা চলবে, দুনিয়ার মোহে মোহগ্রস্ত হবে, গইরুল্লাহর জন্য যারা আমল করবে, সঠিক হক্বটা যারা প্রকাশ করবে না। যে হক্বটা প্রকাশ করা তার জন্য ফরয ছিলো তারা লা’নতগ্রস্ত হবে মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে। সমস্ত কায়িনাতের তরফ থেকে লা’নতগ্রস্ত হয়ে মালউন হয়ে জাহান্নামে যাওয়া ছাড়া তাদের কোন গতি থাকবে না। কারণ যে লা’নতগ্রস্ত হয়, ইবলীসকে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেছিলেন-

وَاِنَّ عَلَيْكَ لَعْنَتِىْ اِلٰى يَوْمِ الدِّيْنِ

ইবলীস তোর প্রতি অনন্তকাল ধরে লা’নত। যার জন্য ইবলীস চিরজাহান্নামী হয়ে গেছে। এখন মহান আল্লাহ পাক তিনি এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে একই কথা বললেন। যারা মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে নাযিলকৃত সম্মানিত হুকুম আহকাম আদেশ নির্দেশ কিতাবে প্রকাশ করার পরও চুপিয়ে রাখবে, তাদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত, সমস্ত কায়িনাতের লা’নত। তাহলে যে লা’নতগ্রস্ত হবে তাহলে সে কি করে জান্নাতী হতে পারে, সেতো জাহান্নামী হবে। আর লা’নতগ্রস্ত কারা হবে, মহান আল্লাহ পাক তিনিতো বলেই দিলেন।

اِنَّ الَّذِيْنَ يَكْتُمُوْنَ

নিশ্চয়ই যারা চুপিয়ে রাখবে মহান আল্লাহ পাক তিনি যা প্রকাশ করেছেন আদেশ নির্দেশ মুবারক করেছেন তারা তা চুপিয়ে রাখবে।

مَا اَنْزَلْنَا مِنَ الْبَيِّنَاتِ وَالْهُدى مِنْ بَعْدِ مَا بَيَّنَّاهُ لِلنَّاسِ فِى الْكِتَابِ

জিন ইনসানের জন্য কিতাবে যা নাযিল করা হয়েছে অর্থাৎ আদেশ নির্দেশ হুকুম আহকাম, হিদায়েত এবং দলীল আদিল্লাহ যা নাযিল করা হয়েছে তা জানার পরেও যারা চুপিয়ে রাখবে তারাই মালউন হবে। তারাই হচ্ছে উলামায়ে সূ। এরাই হচ্ছে উলামায়ে সূ। এখন এই সমস্ত উলামায়ে সূ’রা বিভ্রান্তিমূলক ফতওয়া দিয়ে মানুষকে গোমরাহ করে থাকে। এরা এখন মসজিদের মধ্যেও হারাম কাজ করতে চায়। এই উলামায়ে সূ’ যারা এরা আসলেই বিভ্রান্ত। এরা ফিতনাবাজ। যাদেরকে সন্ত্রাসী বলা হয়ে থাকে। এই সন্ত্রাসী শ্রেণীর লোকগুলো, এরা আসলে উলামায়ে সূ’দের অন্তর্ভুক্ত। কারণ এরা সম্মানিত শরীয়ত উনার সঠিক পদ্ধতি বাদ দিয়ে যুলুমের মাধ্যম দিয়ে মানুষের মধ্যে আইন চালু করতে চায়। কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনিতো যুলুম পছন্দ করেন না। যালিমদেরকে মহান আল্লাহ পাক তিনি পছন্দ করেন না। এবং যুলুমকে মহান আল্লাহ পাক তিনি পছন্দ করেন না। কাজেই তারা চায় তাদের মনগড়া তর্জ-তরীক্বা  জারি করার জন্য। এরা মসজিদের মধ্যেও সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ আদেশ নির্দেশ করতে চায়।

মহান আল্লাহ পাক তিনি তা পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-

وَمَنْ اَظْلَمُ مِمَّنْ مَّنَعَ مَسَاجِدَ الله ان يُذْكَرَ فِيْهَا اسْمُهُ وَسَعٰى فِى خَرَابِهَا ۚ اُولٰــئِكَ مَا كَانَ لَهُمْ اَنْ يَدْخُلُوْهَا اِلَّا خَائِفِيْنَ ۚ لَهُمْ فِى الدُّنْيَا خِزْىٌ وَلَهُمْ فِى الْاخِرَةِ عَذَابٌ عَظِيْمٌ.

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে নিজেই ইরশাদ মুবারক করেন-

وَمَنْ اَظْلَمُ مِمَّنْ مَّنَعَ مَسَاجِدَ اللهِ اَنْ يُّذْكَرَ فِيهَا اسْمُه وَسَعٰى فِىْ خَرَابِهَا

ঐ ব্যক্তির চেয়ে সবচেয়ে বড় যালিম কে রয়েছে। ঐ ব্যক্তির চেয়ে বড় যালিম কে রয়েছে, সে সবচেয়ে বড় যালিম যে মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর মসজিদের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার নাম মুবারক উচ্চারণ করতে যিকির ফিকির করতে সম্মানিত শরীয়ত উনার আদেশ-নির্দেশ মুবারক বর্ণনা করতে বাধা দেয়। এবং মসজিদগুলো বিরান করার চেষ্টা করে। সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ আদেশ-নির্দেশ সে মসজিদ থেকে জারি করতে চায়। তার চেয়ে বড় যালিম কে রয়েছে। (অসমাপ্ত)

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নুমা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা,  সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার-ওয়াজ শরীফ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে- উলামায়ে ‘সূ’দের হাক্বীক্বত সম্পর্কে (৩২)

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নুমা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার- ওয়াজ শরীফ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে- উলামায়ে ‘সূ’দের হাক্বীক্বত সম্পর্কে (৩৪)

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নুমা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার- ওয়াজ শরীফ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে- উলামায়ে ‘সূ’দের হাক্বীক্বত সম্পর্কে (৩৩)

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নুমা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার-

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ¦লীফাতুল্লাহ, খ্বালীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নুমা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা,  সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার-