যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খবলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নুমা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার- ওয়াজ শরীফ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে- উলামায়ে ‘সূ’দের হাক্বীক্বত সম্পর্কে (২৯)

সংখ্যা: ২৬৫তম সংখ্যা | বিভাগ:

পূর্ব প্রকাশিতের পর

সে একটা দল তৈরী করলো, তাদেরকে তার বাড়িতে জমা করে, টাকা পয়সা দিয়ে, মহান আল্লাহ পাক উনার নবী এবং রসুল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার বিরুদ্ধে এই কথা বলার জন্য যে, উনি এতদিন আমাদেরকে বলেছেন ইবাদত-বন্দিগী করার জন্য, আমরা সেটা করেছি। এখন তিনি আমাদের সম্পদ দেখে আমাদের সম্পদগুলি আত্মসাৎ করতে চান। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! অর্থাৎ ক্বারূনের তৈরিকৃত দলের লোকেরা একসাথে ক্বারূনের সঙ্গে যেয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার নবী এবং রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার কাছে গিয়ে তার প্রতিবাদ করবে। নাঊযুবিল্লাহ! এবং উনাকে মানহানী করার জন্য একটা খারাপ মহিলা ঠিক করলো, যে মজলিসের মধ্যে সাক্ষী দিবে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার নবী এবং রসুল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সাথে উক্ত মহিলার অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! সে টাকা দিয়ে পয়সা দিয়ে সব ঠিক করলো। মহান আল্লাহ পাক উনার নবী এবং রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি প্রায় উম্মতদেরকে মুবারক ওয়াজ নছীহত করতেন। একদিন তিনি মিম্বর শরীফে বসে নছীহত মুবারক করতেছিলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার মা’রিফাত, মুহব্বত, তায়াল্লুক, নিসবত, হযরত নবী-রসূল আলাইহিস সালাম উনার ইতায়াত এবং সম্মানিত শরীয়ত উনার হুকুম আহকাম সম্পর্কে। এর মধ্যে ক্বারূন কি করলো, সে তার দলবল নিয়ে সেখানে উপস্থিত হলো। উপস্থিত হয়ে সে এই ওয়াজ মাহফিলের মধ্যে হঠাৎ বলে উঠলো যে, তার কিছু প্রশ্ন রয়েছে, কি প্রশ্ন? মহান আল্লাহ পাক উনার নবী এবং রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি বলেছিলেন যে, কেউ চুরি করলে তার হাত কাটা যাবে। এটা শরীয়ত উনার হুকুম। তিনি আরো বলেন, কারো যদি মহিলাদের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক প্রমাণিত হয় তাহলে তার মৃত্যুদণ্ড হবে যদি সে বিবাহিত হয়ে থাকে।

আর অবিবাহিত হয়ে থাকলে তাকে একশত দোররা বেত মারতে হবে। তোহমত দিলে তাকে আশিটা দোররা মারতে হবে। তিনি এ বিষয় সম্পর্কে হুকুমগুলো জানাচ্ছিলেন। এর মধ্যে ক্বারূন সে বলে উঠলো, তার কিছু কথা রয়েছে। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, তোমার কি কথা রয়েছে? এই ক্বারূন প্রায় সময় মহান আল্লাহ পাক উনার নবী ও রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে সে এভাবে বিরক্ত করতো। তারপরও তিনি ধৈর্যধারণ করতেন। সেই মজলিসে সে বলে ফেললো, হে মহান আল্লাহ পাক উনার নবী-রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম! এই যে আপনি শাস্তির কথা বললেন, এটা যে কেউ করলেই কি শাস্তির উপযুক্ত হবে? তিনি বললেন অবশ্যই। মহান আল্লাহ পাক উনার আইন সকলের জন্য সমান। তখন বেয়াদব এবং যালিম এবং কাফির উলামায়ে সূ ক্বারূন সে বলে উঠলো, আপনিও যদি করেন। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! তিনি শরীয়তের হুকুম বলার জন্য বললেন, সে যেই করুক না  কেন একই হুকুম বর্তাবে। তখন সেই কাফির সেই যালিম সেই উলামায়ে সূ সে বলে উঠলো, অমুক এক মহিলা বলতেছে, তার সাথে নাকি আপনার সম্পর্ক রয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক উনার নবী এবং রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি মিম্বর শরীফ থেকে নিচে মাটিতে বসে গেলেন। তিনি বললেন, তুমি বল কি এটা। কোথায় সে মহিলা রয়েছে, তাকে ডেকে আনো। তাকে ডেকে আনা হলো। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, হে মহিলা! তুমি সত্য কথা বলোতো। সেতো অনেক পয়সা  টাকার লোভ দেখিয়ে, অনেক স্বর্ণ চান্দির লোভ দেখিয়ে এনেছিলো কিন্তু মহান আল্লাহ পাক উনার নবী এবং রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার রোবের কারণে সেই মহিলা সত্য কথা বলে দিলো। যে, ক্বারূন মহান আল্লাহ পাক উনার নবী এবং রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে দোষারোপ করার জন্য তাকে পয়সা দিয়ে ঠিক করে এনেছে মিথ্যা কথা বলার জন্য। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! সে সত্য কথা সব বলে দিলো। জিনিসটা ফাঁস হয়ে গেলো। সকলে বুঝতে পারলো যে, ক্বারূন চরম একটা জাহিল, কাফির, মুনাফিক এবং উলামায়ে সূ’র অন্তর্ভুক্ত। তখন মহান আল্লাহ পাক উনার জলীলুল ক্বদর রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি সিজদায় পড়ে গেলেন, হে বারী ইলাহী! এই ক্বারূনকে আমি অনেক শিক্ষা দিয়েছি, তা’লীম দিয়েছি। অনেক জুলুম সে আমার প্রতি করেছে, অনেক বিরক্ত সে আমাকে করেছে, আমার ক্বাওমের প্রতি করেছে, তারপরেও আমি তার জন্য বদদোয়া করিনি। কিন্তু সে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে! আপনি এর একটা ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

মহান আল্লাহ পাক তিনি তৎক্ষনাৎ হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম উনাকে পাঠিয়ে দিলেন। পাঠিয়ে দিয়ে বললেন, আমার নবী ও আমার রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে গিয়ে বলুন, মাটিকে উনার অধীন করে দেয়া হলো। তিনি মাটিকে যে হুকুম করবেন মাটি সেটাই পালন করবে। মহান আল্লাহ পাক উনার জলীলুল ক্বদর রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি মাটিকে বললেন, ক্বারূন এবং তার সাথে যারা রয়েছে তাদের গ্রাস করো। তিনি এর পূর্বে বললেন, তার যে দলবল ছিলো তাদেরকে, তোমরা যদি ক্বারূনের পক্ষে থাকো তাহলে তার সাথে থাকো। আর যদি তোমরা হক্বের পথে থাকো তাহলে তোমরা আমার দিকে চলে আসো। সকলেই চলে আসলো। দুইজন লোক ক্বারূনের সাথে থাকলো। তখন মহান আল্লাহ পাক উনার নবী এবং রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, হে মাটি! এদের গ্রাস করতে থাকো। সত্যিই মাটি তাকে আস্তে আস্তে গ্রাস করতে থাকলো। যেহেতু মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-

فَخَسَفْنَا بِه وَبِدَارِهِ الْأَرْضَ

সেই ক্বারূন এবং তার সমস্ত সম্পদসহ যমীন গ্রাস করে ফেললো পর্যায়ক্রমে।

فَمَا كَانَ لَه‘ مِنْ فِئَةٍ يَنْصُرُوْنَه مِنْ دُوْنِ اللّٰهِ وَمَا كَانَ مِنَ الْمُنتَصِرِيْنَ

এখানে তাকে সাহায্য করার জন্য তার কোন দল থাকলো না। মহান আল্লাহ পাক উনার বিরুদ্ধে তাকে সাহায্য করবে এবং নিজের ব্যপারেও সে নিজেকে সাহায্য করতে পারলো না। তাকে মাটি পর্যায়ক্রমে গ্রাস করতে থাকলো। ক্বারূনের যখন কিছু গ্রাস করা হলো, এত বড় যালিম, এত বড় কাফির সে ছিলো, উলামায়ে সূদের অন্তর্ভুক্ত ছিলো, সে সেখানে বলতে শুরু করলো যে, মহান আল্লাহ পাক উনার নবী এবং রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি ক্বারূনের এত সম্পদ দেখে তিনি তার সম্পদ আত্বসাৎ করার জন্য তাকে ধ্বংস করে দিচ্ছেন। নাউযুবিল্লাহ! যালিমতো যালিমই হয়ে থাকে, কাফিরতো কাফিরই হয়ে থাকে, উলামায়ে সূ এরকমই হয়ে থাকে। তখন মহান আল্লাহ পাক উনার নবী এবং রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি বললেন যে, তার সম্পদসহ তার যা কিছু আছে সবকিছুসহ সে মাটিতে ধ্বসে যাক। পর্যায়ক্রমে আস্তে আস্তে সে ধ্বসে গেলো। ক্বারূন যদিও ক্ষমা চেয়েছিলো, কিন্তু তার শেষ সময় সেটা গ্রহণযোগ্য ছিলো না। আস্তে আস্তে ক্বারূন মাটিতে ধ্বসে গেলো। সেটাই মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেছেন যে, উলামায়ে সূ এরা দুনিয়ার মোহে মোহগ্রস্ত হয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার বিরোধিতা করে যেমন ইবলীস করেছিলো, হযরত নবী-রসূল আলাইহিস সালাম উনাদের বিরোধিতা করে যেমন এই ক্বারূন করলো, বালয়াম বিন বাউরা করেছে। যারা ধ্বংস হয়ে গেছে। নাউযুবিল্লাহ!

فَخَسَفْنَا بِه وَبِدَارِهِ الْأَرْضَ

এই ক্বারূন তার সম্পদসহ তাকে ধ্বসিয়ে দেয়া হলো। কেন, সে তাওরাত শরীফ উনার হাফিয হওয়ার পরেও মহান আল্লাহ পাক উনার দীদার লাভ করতে গিয়েছিলো। সে ৭০জন বানী ইসরায়ীল, মনোনীত ব্যক্তিত্ব তাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পরেও এবং তার অনেক যোগ্যতা থাকার  পরেও সে শেষ পর্যন্ত কি হলো? উলামায়ে সূ হওয়ার কারণে, দুনিয়ার মোহে মোহগ্রস্ত হওয়ার কারণে সে মহান আল্লাহ পাক উনার থেকে, মহান আল্লাহ পাক উনার জলীলুল ক্বদর রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার থেকে সে মাহরূম হয়ে গেলো। উনাদের নিয়ামত থেকে সে মাহরূম হয়ে গেলো।

উল্লেখ্য, উলামায়ে ‘সূ’রা ঠিক এভাবেই যুগে যুগে মানুষদেরকে সম্পদের মোহে ও স্বীয় সম্পদের দ্বারা বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে থাকে। এরা নিজেরাও ধ্বংস হয় এবং মানুষদেরকেও তারা ধ্বংস করে থাকে। সেটা মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি বান্দাদের জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে আদেশ নির্দেশ, হুকুম আহকাম জারি করেছেন। কোন হুকুম আহকাম মহান আল্লাহ পাক তিনি একবারেই জারি করেননি, বরং পর্যায়ক্রমে জারি করেছেন। (অসমাপ্ত)

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর আলোকে সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার ফাযায়িল-ফযীলত, বুযুর্গী-সম্মান, খুছূছিয়ত-বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে  ১৩

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম আলী উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর আলোকে সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার ফাযায়িল-ফযীলত, বুযুর্গী-সম্মান, খুছূছিয়ত-বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে  ১৪

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার   ওয়াজ শরীফ   কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর আলোকে সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার ফাযায়িল-ফযীলত, বুযুর্গী-সম্মান, খুছূছিয়ত-বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে  ১৫

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর আলোকে সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার ফাযায়িল-ফযীলত, বুযুর্গী-সম্মান, খুছূছিয়ত-বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে  ১৬

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর  মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর আলোকে সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার ফাযায়িল-ফযীলত, বুযুর্গী-সম্মান, খুছূছিয়ত-বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে  ১৭