যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নুমা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার- ওয়াজ শরীফ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে- উলামায়ে ‘সূ’দের হাক্বীক্বত সম্পর্কে (২৬)

সংখ্যা: ২৬২তম সংখ্যা | বিভাগ:

পূর্ব প্রকাশিতের পর

মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-

وَلِكُلِّ اُمَّةٍ اَجَلٌ

 প্রত্যেকের জন্য নির্দিষ্ট সময় রয়েছে।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

فَاِذَا جَاءَ اَجَلُهُمْ لَا يَسْتَأْخِرُونَ سَاعَةً ۖ وَلَا يَسْتَقْدِمُوْنَ

যখন মৃত্যু এসে যাবে, তখন এক সেকেন্ড আগেও হবে না, এক সেকেন্ড পরেও হবে না।

কাজেই এখনও সময় রয়েছে, মৃত্যুর গড়গড়া উঠেনি, সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত হয়নি, এখনও সময় রয়েছে, তাওবা করে নিতে হবে। আম হোক খাছ হোক, আমীর উমরাহ, রাজা বাদশা, মন্ত্রী মিনিস্টার, উলামায়ে সূ, হক্কানী রব্বানী সকলকেই তাওবা করে নিতে হবে। কাজেই তাওবা করলেই তার জন্য উদ্ধার রয়েছে, নাজাত রয়েছে। অন্যথায় আযাব গযব থেকে তাকে কেউ হিফাযত করতে পারবে না, কেউ তাকে বাঁচাতে পারবেনা।

মহান আল্লাহ পাক তিনি সেটাই পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করে দিয়েছেন-

اِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا وَمَاتُوا وَهُمْ كُفَّارٌ فَلَن يُقْبَلَ مِنْ أَحَدِهِم مِّلْءُ الْأَرْضِ ذَهَبًا وَلَوِ افْتَدَىٰ بِهِ أُولَـٰئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ وَمَا لَهُم مِّن نَّاصِرِيْنَ

নিশ্চয়ই যারা কাফির, কুফরী করে মরে গেছে। (দ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে বললে সে কাফির হয়ে যায়। এখন এই কুফরী করে যে মারা যাবে, সে কি হবে? যে কুফরী করে মারা গেলো মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন,) যারা কুফরী করে মরে গেলো তারা যদি যমীন থেকে আসমান পর্যন্ত স্বর্ণ কুফরীর কাফফারা বাবদ দেয় তাও কখনোই কবুল করা হবে না। যেটা কোন দিন সম্ভব না তারপরও যদি সে কাফফারা বাবদ দেয় এবং বলে, সে কুফরী করে মরেছে এখন কুফরীর বিনিময়ে যমীন থেকে আসমান পর্যন্ত স্বর্ণ দেয়া হলো, মহান আল্লাহ পাক! আপনি কবুল করুন। তা কখনো কবুল করা হবে না।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-

اُولٰئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ اَلِيمٌ وَمَا لَهُم مِّن نَّاصِرِيْنَ

তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি এবং তাদের জন্য থাকবে না কোনো প্রকার সাহায্যকারী।

অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, এই কাফফারা গ্রহণ করা হবে না।  আরো কিছু সে যদি দেয় যে কুফরী করে মরেছে, হারাম কাজ করে মরেছে, হারামের মধ্যে কুফরীর মধ্যে ইস্তিক্বামাত ছিলো এ অবস্থায় মরে গেছে তার কোনটাই কবুল করা হবে না এবং তার জন্য কোন সাহায্যকারীও থাকবে না, কাঠিন আযাব-গযবে সে গ্রেফতার হয়ে যাবে, কেউ তাকে সাহায্য করবে না। যমীনে একটা লোক বিপদে পরলে, অসুখ বিসুখ হলে, কান্না-কাটি করলে, চোর-ডাকাতে ধরলে যদি সে চিৎকার করে, মানুষ দৌড়ে আসে তাকে সাহায্য করার জন্য। কিন্তু পরকালে সেখানে তাকে কেউ সাহায্য করার থাকবে না। কোন সাহায্যকারী থাকবে না।

এজন্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ব্যাখ্যা বিশ্লেষণে তাফসীরে রয়েছে। যে সমস্ত ফেরেশতা আযাব দিবেন, গযব দিবেন বা যাঁদেরকে দায়িত্ব দেয়া হবে সাপ বিচ্ছু বা আযাব গযব দেয়ার জন্য উনারা কানেও শুনবেন না, চোখেও দেখবেন না। অর্থাৎ এদেরকে যখন আযাব দিতেই থাকবেন তখন এরা হাজার চিৎকার করলেও কোন কাজ হবে না।

কাজেই এখনও সময় রয়েছে, তাওবার ইস্তিগফারের। তাওবা করে নিতে হবে ইস্তিগফার করে নিতে হবে। হারাম থেকে বেঁচে থাকার কোশেশ করতে হবে। ভুল হবে আবার তাওবা করবে, ভুল হবে আবার তাওবা করবে। এখন অনেকে মনে করে থাকে, এতো গুনাহখাতা করা হলো, তাওবা করা হলো, এখন আবার গুনাহ হয়ে গেলো, মহান আল্লাহ পাক তিনি কি ক্ষমা করবেন? এ কথাটি শুদ্ধ নয়। বান্দা যদি কোটি কোটিবারও তাওবা করে মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রত্যেক বার কবুল করবেন। সুবহানাল্লাহ!

এজন্য কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, বান্দা তাওবা করতে করতে সে ক্লান্ত শ্রান্ত হয়ে যায় মহান আল্লাহ পাক তিনি কিন্তু ক্ষমা করতে করতে ক্লান্ত শ্রান্ত হন না। সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ বান্দা যতই তাওবা করবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে ততই ক্ষমা করতে থাকবেন। সুবহানাল্লাহ! আর যখন বান্দার গুনাহখতা থাকবে না সে তাওবা করবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তার মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন। সুবহানাল্লাহ! এজন্য বান্দা ও উম্মতের দায়িত্ব হচ্ছে, বেশি বেশি তাওবা ইস্তিগফার করা। কাজেই এই সমস্ত উলামায়ে সূ, এই সমস্ত মুনাফিক, বিভ্রান্ত শাসক এদের থেকে মহান আল্লাহ পাক তিনি যেনো আমাদেরকে হিফাযত করেন সেই দোয়া সেই আরজি মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে করতে হবে।

মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উলামায়ে সূদের হাক্বীক্বত সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন, আদেশ নির্দেশ, হুকুম আহকাম দিয়েছেন। যে সমস্ত হুকুম আহকাম উম্মতের জন্য জানা অত্যন্ত প্রয়োজন। যেটা আমরা কয়েক সপ্তাহ ধরে আলোচনা করে আসতেছি।

মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-

اِنَّمَا يَخْشَى اللّٰهَ

নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করেন

مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ

মহান আল্লাহ পাক উনার বান্দাদের মধ্যে যারা আলিম রয়েছেন উনারাই।

অর্থাৎ যাদের অন্তরে মহান আল্লাহ পাক উনার ভীতি রয়েছে উনারাই হচ্ছেন আলিম। যাদের অন্তরে মহান আল্লাহ পাক উনার ভীতি থাকবে না এরা যদি আলিম নাম দিয়ে থাকে তাহলে তারাই হচ্ছে উলামায়ে সূ এর অন্তর্ভুক্ত। আর এর ব্যাখ্যায় ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত ইমাম হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উল্লেখ করেন-

اِنَّمَا الْفَقِيْهُ اَلزَّاهِدُ فِى الدُّنْيَا

নিশ্চয়ই যিনি ফক্বীহ হবেন আলিম হবেন তিনি দুনিয়া থেকে বিরাগ হবেন

اَلرَّاغِبُ فِى الْآخِرَةِ

পরকালের দিকে সবসময় তিনি রুজু থাকবেন

اَلْبَصِيْرُ بِذَنْبِه

গুনাহর প্রতি সবসময় সতর্ক থাকবেন

اَلْـمُدَاوِمُ عَلى عِبَادَةِ رَبِّه

সবসময় মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদত বন্দিগীতে তিনি মশগুল থাকবেন

اَلْوَرِعُ

সুন্নতের পাবন্দ হবেন

اَلْكَافُ عَنْ أَعْرَاضِ الْمُسْلِمِيْنَ

মুুসলমান উনাদের মান-সম্ভ্রমের প্রতি তিনি সতর্ক থাকবেন অর্থাৎ মান সম্ভ্রম যেটা রয়েছে  সেটা নষ্ট করবেন না।

اَلْعَفِيْفُ عَنْ أَمْوَالِـهِمْ

এবং মুসলমানের মাল যা রয়েছে সেটা তিনি পরহেয করবেন অর্থাৎ মাল-সম্পদের প্রতি লোভ করবেন না।

اَلنَّاصِحُ لِـجَمَاعَتِهِمْ

আর সবসময় তিনি মুসলমানদেরকে উনার অধিনস্তদেরকে নছীহতে মশগুল থাকবেন।

এটা যারা উলামায়ে হক্ব উনাদের ছিফত। এর বিপরীতটা হচ্ছে উলামায়ে সূদের বৈশিষ্ট্য। উলামায়ে সূ সবসময় দুনিয়ার প্রতি আসক্ত থাকবে, পরকালের প্রতি তাদের কোন গুরুত্বই থাকবে না। আর এরা গুনাহকে কোন পরওয়াই করবে না। আর ইবাদত বন্দেগীর কোন জরুরত তারা মনে করবে না। আর সুন্নতের পাবন্দি সম্পর্কে এরা সবসময় বলে যে, এতো সুন্নতের প্রয়োজন নেই। নাউযুবিল্লাহ! আর মুসলমান উনাদের মান-সম্ভ্রম নষ্ট করার ব্যাপারে কোন পরওয়া করবে না। আর মুসলমানের মাল-সম্পদ যা রয়েছে সেটাও তারা অবৈধভাবে আত্মসাত করার ফিকিরেই থাকবে। অর্থাৎ এ বিষয় তাদের কোন পরওয়া থাকবে না। আর নছীহতের যে বিষয়টা রয়েছে, সে নছীহত তো মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের প্রতি রুজু হওয়ার জন্য তা তারা করবে না। বরং তারা মানুষকে গইরুল্লাহর দিকে রুজু করে দিবে। হারামের দিকে তারা রুজু করে দিবে। এটা হচ্ছে উলামায়ে সূদের খুছূছিয়ত। যার কারণে হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গায্যালী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-

یک ز مانہ بدنام علماء سوء * بہتر از شست سال طاعت بے ریا

কিছুক্ষন সময় উলামায়ে সূদের হাক্বীক্বত সম্পর্কে তুলে ধরা ষাট বৎসর নফল মক্ববুল ইবাদতের চাইতেও উত্তম। সুবহানাল্লাহ!

অর্থাৎ উলামায়ে সূদের হাক্বীক্বতটা প্রকাশ করে দেয়া ষাট বৎসর নফল ইবাদত বন্দিগী করলে যত ফযীলত তার চাইতে বেশি ফযীলত পাওয়া যাবে। এখন সেই উলামায়ে সূদের হাক্বীক্বত উম্মতের জন্য, বান্দাদের জন্য জানা অত্যন্ত প্রয়োজন। যেটা আমরা আলোচনা করে এসেছি ইবলীস প্রথম উলামায়ে সূ ছিলো। এরপর বালআম বিন বাউরা সেও উলামায়ে সু। সেই বণী ইসরাইলের অনেক ছূফী দরবেশ এরাও উলামায়ে সূদের অন্তর্ভুক্ত ছিলো। বিশেষ করে ক্বারূন হযরত মূসা কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত ছিলো। সেও উলামায়ে সূ দের অন্তর্ভুক্ত ছিলো। ক্বারূন সে তাওরাত শরীফের হাফিয ছিলো। (অসমাপ্ত)

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩২

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩৩

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩৪

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩৫

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৩৬