যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নুমা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার- ওয়াজ শরীফ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে-পবিত্র হজ্জ ও উমরা উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত, হুকুম-আহকাম সম্পর্কে (৩) পূর্ব প্রকাশিতের পর

সংখ্যা: ২৭৩তম সংখ্যা | বিভাগ:

মহান আল্লাহ পাক তিনি স্পষ্ট এখানে বলে দিয়েছেন।

مَوَاقِيْتُ لِلنَّاسِ وَالْـحَجِّ

মানুষের জন্য সময় নিরুপক এবং পবিত্র হজ্জ পালনের জন্যও। এটা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, তিনি যেহেতু ওহী মুবারক ব্যতীত কোন কথা বলেন না।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

وَمَا يَنْطِقُ عَنِ الْـهَوٰى. إِنْ هُوَ اِلَّا وَحْيٌ يٌّوحٰى

তিনি ওহী মুবারক ব্যতীত কোন কথা মুবারক বলেন না, কোন কাজ মুবারকও করেন না। সুবহানাল্লাহ! তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করে বিষয়টা বলে দিলেন যে, আসলে চাঁদের যে বিষয়টা সেটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তা সময় নিরুপণকারী এবং পবিত্র হজ্জের সময়টা এর দ্বারা ফয়সালা করা হয়।

সম্মানিত ইসলামী শরীয়তে চাঁদের গুরুত্বও রয়েছে, সূর্যের গুরুত্বও রয়েছে। দুটারই আলাদাভাবে গুরুত্ব রয়েছে। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে বিষয়টা স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন।

وَالشَّمْسُ تَـجْرِيْ لِمُسْتَقَرٍّ لَّـهَا. ذٰلِكَ تَقْدِيْرُ الْعَزِيْزِ الْعَلِيْمِ. وَالْقَمَرَ قَدَّرْنَاهُ مَنَازِلَ حَتّٰى عَادَ كَالْعُرْجُوْنِ الْقَدِيْـمِ. لَا الشَّمْسُ يَنْبَغِيْ لَـهَا اَنْ تُدْرِكَ الْقَمَرَ وَلَا اللَّيْلُ سَابِقُ النَّهَارِ. وَكُلٌّ فِـيْ فَلَكٍ يَّسْبَحُوْنَ.

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

وَالشَّمْسُ تَـجْرِيْ لِمُسْتَقَرٍّ لَّـهَا

সূর্য তার যে গতিপথ রয়েছে সে পথে সে চলে থাকে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট পথে সে চলে থাকে।

ذٰلِكَ تَقْدِيْرُ الْعَزِيْزِ الْعَلِيْمِ.

এটা হচ্ছে যিনি পরাক্রমশালী জ্ঞানী মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে নির্দিষ্ট করা।

وَالْقَمَرَ قَدَّرْنَاهُ مَنَازِلَ

এবং চাঁদের জন্যও নির্দিষ্ট করেছি। তার মনযিলগুলো, গতিপথগুলো। অর্থাৎ চাঁদের জন্য তার গতিপথ ও মনযিলগুলো নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে।

حَتّٰـى عَادَ كَالْعُرْجُوْنِ الْقَدِيْـمِ

চাঁদটা ঘুরতে ঘুরতে আবার ঠিক পূর্বের মতো অর্থাৎ সরু খেজুরের ডালের ন্যায় হয়ে যায়। অর্থাৎ নতুন চাঁদে সেটা পরিণত হয়। অর্থাৎ চাঁদটা উঠে থাকে, শুরু হয়ে থাকে অতঃপর আস্তে আস্তে শেষ হয়। আবার নতুন করে ফিরে আসে। সেটাই মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিয়েছেন, চাঁদের পথে সে চলে থাকে, সূর্যও তার পথে চলে থাকে। অর্থাৎ প্রত্যেকের জন্যেই পথগুলো তথা গতিপথগুলো যিনি খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন।

لَا الشَّمْسُ يَنْبَغِيْ لَـهَا أَنْ تُدْرِكَ الْقَمَرَ

 চাঁদের পথে সে চলে থাকে, সূর্যও তার পথে চলে থাকে। তাদের গতিপথগুলি যিনি খ¦লিক্ব যিনি মালিক মহান আল্লাহ পাক তিনি নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। এবং সূর্য সে চাঁদকে অতিক্রম করবে না।

وَلَا اللَّيْلُ سَابِقُ النَّهَارِ

দিন রাত্রিকে, রাত দিনকে অতিক্রম করবে না। প্রত্যেকেই যার যার পথে সে চলবে। নির্দিষ্ট করা হয়েছে যিনি খ¦লিক্ব যিনি মালিক মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে। এজন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেছেন-

وَكُلٌّ فِيْ فَلَكٍ يَّسْبَحُوْنَ

আকাশের নিচে যত গ্রহ, নক্ষত্র, তারকা, চন্দ্র, সূর্য যা কিছু রয়েছে প্রত্যেকেই তার গতিপথে চলে থাকে। যেটা খ¦লিক্ব মালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন।

এখন চাঁদের বিষয়টা যদি অনুধাবণ করা না যায় তাহলে পবিত্র হজ্জ করা বা সম্মানিত ইসলাম উনার যে অন্যান্য হুকুম আহকামগুলো রয়েছে, ইবাদত-বন্দেগী সেগুলো করা অত্যন্ত কঠিন। আজকাল যেমন অনেকেই বলে থাকে এদের অজ্ঞতা ও মূর্খতার কারণে, এরা কেউ মুফতী, মুহাদ্দিছ দাবি করে, অনেক কিছু দাবি করে থাকে, এরা বলে থাকে যে, সৌদি আরবে প্রত্যেক বৎসর প্রথম চাঁদ উঠবে। নাউযুবিল্লাহ! এদের ইলমের এতো যে সংকীর্ণতা, অজ্ঞতা, মূর্খতা যেটা স্বভাবিকভাবেই মানুষের কাছে ফিকিরের যোগ্য। এরা আসলে ফরয ইলম, যেটা অর্জন করা ফরয ছিলো সেটা তারা অর্জন করতে পারেনি। যার জন্য তারা মনে করে থাকে, সউদী আরব যেহেতু প্রত্যেক বৎসর প্রথম ঘোষণা দেয় চাঁদ দেখা সম্পর্কে তাই হয়ত; তারাই প্রথম চাঁদ দেখবে তা প্রত্যেক বছর এবং প্রতি মাসে দেখবে। নাউযুবিল্লাহ! চাঁদ পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেকে,  যে কোন দেশ থেকে প্রথম চাঁদ দেখা যেতে পারে। সউদী আরবও দেখতে পারে, আমাদের দেশেও দেখা যেতে পারে, অন্যান্য ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও অন্যান্য দেশ থেকেও দেখা যেতে পারে। কাজেই চাঁদের বিষয়টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

মহান আল্লাহ পাক তিনি সেজন্য ইরশাদ মুবারক করেছেন-

والشَّمْسَ وَالْقَمَرَ حُسْبَانًا

চাঁদ এবং সূর্যকে হিসাবের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে। উভয়ে হিসাব মতো নির্দিষ্ট গতি পথে চলে থাকে। কিতাবে এসেছে-

اَلشّمْسُ لـِمَنَافِعٍ وَالْقَمَرَ لِمَنَاسِكٍ

সূর্যটা হচ্ছে ফায়দা দেয়ার জন্য আর চাঁদটা হচ্ছে ইবাদত বন্দেগীর জন্য নির্দিষ্ট। এখন সূর্যও ইবাদত করার জন্য এসে থাকে। প্রত্যেকটার জন্য আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্য পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-

هُوَ الَّذِيْ جَعَلَ الشَّمْسَ ضِيَاءً

 সেই মহান আল্লাহ পাক যিনি সূর্যকে একটা আলোকপি- করেছেন, আলোকদানকারী করেছেন।

وَالْقَمَرَ نُوْرًا

চাঁদকে করেছেন স্নিগ্ধময়। যেটা সূর্য থেকে আলো সংগ্রহ করে বিতরণ করে থাকে।

وَقَدَّرَه مَنَازِلَ

প্রত্যেকের জন্য তার মনযিল তার গতিপথ নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে।

لِتَعْلَمُوْا عَدَدَ السِّنِيْنَ وَالْـحِسَابَ

চাঁদ এবং সূর্যের গতিপথে যথাযথ চলার কারণে যেন তোমরা জানতে পারো বৎসরের সংখ্যা এবং হিসাব করতে পারো। বৎসর, মাস ও দিনগুলি। সেটা মহান আল্লাহ পাক তিনি নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

مَا خَلَقَ اللهُ ذٰلِكَ اِلَّا بِالْـحَقِّ

তিনি চাঁদ এবং সূর্যকে অনর্থক সৃষ্টি করেননি। অর্থাৎ চাঁদ এবং সূর্যকে যথাযথ সৃষ্টি করা হয়েছে।

يُفَصِّلُ الْاٰيَاتِ لِقَوْمٍ يَّعْلَمُوْنَ

যারা জ্ঞানী তাদের জন্যে এর মধ্যে নিদর্শন মুবারক রয়েছে। অর্থাৎ বিস্তারিত নিদর্শন মুবারক ও হুকুম আহকাম রয়েছে তাদের জন্য যারা সমঝদার এবং যারা জ্ঞানী।

কাজেই চাঁদের যে গতিপথ, সূর্যের যে গতিপথ সেটা মানুষকে ভালো করে বুঝতে হবে যদি তার ইবাদত বন্দেগীগুলি যথাযথভাবে করতে চায়। কারণ সূর্য ও চাঁদ সম্পর্কিত ইলম ছাড়া মানুষের পক্ষে ইবাদত বন্দেগী করা কখনও সম্ভব নয়।

মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-

هُوَ الَّذِيْ خَلَقَ لَكُمْ مَّا فِي الْأَرْضِ جَمِيْعًا

সেই মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত কায়িনাত সৃষ্টি করেছেন মানুষদেরকে ফায়দা দেয়ার জন্যে। আসলে প্রকৃতপক্ষে সমস্ত কায়িনাত সৃষ্টি হয়েছে এবং করেছেন যিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, যিনি ইমামুল মুরসালীন, যিনি খতামুন নাবিয়্যীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকের আঞ্জাম দেয়ার জন্যে।

যেটা মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-

وَتُعَزِّرُوْهُ وَتُوَقِّرُوْهُ وَتُسَبِّحُوْهُ بُكْرَةً وَاَصِيْلًا

আমার যিনি হাবীব, যিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারক করো, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করো, ছানা-ছিফত মুবারক করো সকাল সন্ধ্যা তথা অনন্তকাল ধরে। এটা সমস্ত কায়িনাতের জন্য জিন-ইনসানসহ সমস্ত কায়িনাত সৃষ্টি হয়েছে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারক করার জন্য, উনাকে তা’যীম-তাকরীম মুবারক করার জন্য এবং উনার ছানা-ছিফত মুবারক করার জন্য। সুবহানাল্লাহ! (অসমাপ্ত)

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নুমা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার- ওয়াজ শরীফ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে- উলামায়ে ‘সূ’দের হাক্বীক্বত সম্পর্কে (৩১)

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নুমা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা,  সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার-ওয়াজ শরীফ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে- উলামায়ে ‘সূ’দের হাক্বীক্বত সম্পর্কে (৩২)

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নুমা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার- ওয়াজ শরীফ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে- উলামায়ে ‘সূ’দের হাক্বীক্বত সম্পর্কে (৩৪)

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নুমা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার- ওয়াজ শরীফ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে- উলামায়ে ‘সূ’দের হাক্বীক্বত সম্পর্কে (৩৩)

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নুমা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার-