সম্পাদকীয়

সংখ্যা: ২৭৯তম সংখ্যা | বিভাগ:

সমস্ত প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত পবিত্র দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।

তাফসীর ওই ব্যক্তি বেশি বুঝেন, যিনি দুনিয়াবী বিষয় ভালো বুঝেন। উপমার ব্যবহার, উদাহারণের বর্ণনা মহান আল্লাহ পাক উনার সুন্নত। মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার অনেক আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি উপমা এবং উদাহারণ দুটোই উল্লেখ করেছেন। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যেও স্বয়ং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও উপমা এবং উদাহরণ উভয়েরই প্রকাশ ঘটিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!

পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন যে, তিনি মশার উপমা বা উদাহারণ দিতেও লজ্জাবোধ করেন না। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!

খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি খলীফা হিসেবে মানুষকেও কিছু সৃষ্টির ক্ষমতা দিয়েছেন। যাকে যা কিছু সৃষ্টির ক্ষমতা দিয়েছেন সে যে তার সাধ্য অনুযায়ী তা খুব মুহব্বত করে তৈরী করে শুধু তাই নয়; পাশাপাশি সে একদিকে তার সাধ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ সুন্দর করে সৃষ্টি করে পাশাপাশি সে সৃষ্টিকর্মকে মহাসম্মানিত করে। বলতে গেলে মানুষ ¯্রষ্টা তার সৃষ্টিরই তৃপ্তিতে বিভোর থাকে। পৃথিবীর তাবত শিল্পকর্মের ক্ষেত্রে সব শিল্পীরই একই মুহব্বতের অনুভূতি। তাজমহল সবার কাছেই পরিচিত। মমতাজের প্রতি ভালবাসার প্রকাশার্থেই তাজমহল তৈরী- এ তথ্যও সবাই অবগত।

পৃথিবীর নানা দেশ থেকে লোক এলো কাজ করতে। সমরখন্দ থেকে এসেছিল আফ্রিদী ও তার সহকর্মী শিল্পী শরীফ। মুলতান থেকে আমীর আলী আর রোশন খাঁ এলো ফুল বাগান সাজাতে। দিল্লি থেকে এলো আব্দুল্লাহ্ এবং বল্খ থেকে মুহম্মদ সজ্জন খাঁ। মিশর থেকে এলো খ্যাতনামা লেখক আমানত খাঁ। এরপর এলো মেসনারির সুপারিনটেনডেন্ট ও ডিরেক্টর মুহম্মদ জানাফ খাঁ। সুদূর বাগদাদ থেকে এসেছিলো আরও একজন লেখক তার নাম মুহম্মদ খাঁ। এছাড়া গুম্বুজের কাজে পারদর্শী হিসেবে ঈসমাইল খাঁ ও লাহোর থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল খাটম খানসহ আরো অনেককে।

সমগ্র পৃথিবী তন্ন তন্ন করে খুঁজে ফিরেছে মোঘল শাসক শাহজাহানের লোকজন সর্বোৎকৃষ্ট মহার্ঘ্য পাথরের সন্ধানে। প্রচুর সাদা মার্বেল পাথর নিয়ে আসা হয়েছিল জয়পুরের মাকরানা আর রাইওয়ালা থেকে। লাল বেলে পাথর আনা হয়েছিল ফতেপুর সিক্রি থেকে। এছাড়া বাগদাদ, ইয়ামেন, গ্রান্ড তিব্বত, সিংহল, কানাডা, দক্ষিণ ভারত, মিশরের নীল নদ, গঙ্গা, গোয়ালিয়র, পারস্য, কুমায়ুন, মহারাষ্ট্র, জেহেরী, মাকরাণ, খামাচ, বিন্ধ্যাচল পর্বত, জব্বলপুর, রাজস্থান, হিমাচল থেকে সমতল, বাংলার সন্দীপ, মহেশখালী দ্বীপ- তার দৃষ্টি থেকে কিছুই বাদ পড়েনি। সর্বসাকুল্যে ১৭ হাজার মন পাথর সংগৃহীত হয়েছিল। এটাতো গেলো শুধুমাত্র মর্মর পাথরের একটা মোটামুটি হিসাব। আরব থেকে আনা হয়েছিল প্রবাল ডালিম। দানার মতো উজ্জল মণি এসেছিল বুন্দেল খন্ড থেকে, পারস্য থেকে (বর্তমান ইরান) আনা হয়েছিল পদ্মরাগ মণি। এছাড়া আগ্রার তাজমহলে মহামুল্যবান চুনি ছিল- ৬০ মন, পান্না- ১০০ মন, নীলকান্ত মণি- ১৬০ মণ, নানান রঙের সংমিশ্রণে তৈরী উজ্জ্বল মণি- ১৮০ মণ, ফিরোজা রঙের মণি- ৯০ মণ, গোয়ালিওর স্টোন- ৯৯০ মণ, উজ্জ্বল দ্যূতিময় পাথর- ৮০ মণ, চুম্বক লোহার আকর (ম্যাগনেটিক আয়রন)- ৮০ মণ এছাড়া আরও ২৩০ মণ মহামূল্যবান মণি এবং খাঁদ বিহীন স্বর্ণের বার ছিল আনুমানিক ২০০ মণ।

কথিত সপ্তম আশ্চর্য্যরে অন্যতম আগ্রার তাজমহল (১৬৩১-১৬৫৩ খ্রি.) তৈরী করতে সে সময় ২০ হাজার কারিগরের ২২ বছর দিন-রাত কঠোর পরিশ্রম করে এই স্মৃতি সৌধটি নির্মাণ করেছিলেন।

তাজমহলের স্থাপত্য-সৌকর্য্য শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষের মনে একই রকম বিস্ময় জাগিয়ে যাচ্ছে। তাজমহলের উদাহরণের উপজীব্য বিষয় হলো- একজন সাধারণ বাদশাহ যদি তার মুহব্বতের স্ত্রীর স্মৃতির প্রতি মুহব্বত প্রকাশার্থে এতো শান-শওকত ও জৌলুষ এবং বিস্ময়ের সমাহার ঘটাতে পারে তবে সব বাদশাহর তথা কুল-কায়িনাতের যিনি মহামহিম সৃষ্টিকর্তা, যিনি পরাক্রমশালী যিনি কদ্বরে মতলক, যিনি কুন ফাইয়াকুন তিনি উনার সবচেয়ে পছন্দের, মুহব্বতের, মর্যাদার অজুদ মুবারক উনাকে কত ভাষাহীন, অবর্ণনীয়, নূরানীময়, নিসবতযুক্ত করে, অকল্পনীয় মর্যাদা দিয়ে প্রকাশ করবেন তা অনুধাবন করার শক্তি মহাসম্মানিত, মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালামগণ উনারা ব্যতীত অন্য কারো নেই। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক উনার মাশুক হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত মুবারকে মশগুল। প্রসঙ্গত যদি প্রশ্ন করা হয় মহান আল্লাহ পাক তিনি কী কোনো আমল করেন? তার ছহীহ জবাব হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক তিনিও আমল করেন। আর তা হলো তিনি অনবরত, অবিরত নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ছলাত শরীফ এবং সালাম মুবারক পাঠ করেন। পাশাপাশি যদি আরো প্রশ্ন করা হয়- মহান আল্লাহ পাক লক্ষ লক্ষ বছর আগে কি করেছেন, বর্তমানে কি করছেন, হাজার বছর পরে কি কাজ করবেন? তারও অকাট্ট জবাব এই যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি লক্ষ লক্ষ বছর আগেও নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ছলাত শরীফ, সালাম মুবারক পাঠ করেছেন। বর্তমানেও তাই করছেন। এবং হাজার হাজার বৎসর পরেও তাই করবেন। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!

পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র ছলাত শরীফ পাঠ করেন।”

মহান আল্লাহ পাক উনার রুবুবিয়ত মুবারক এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত রেসালত শরীফ অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত, অবিচ্ছেদ্য, অবিভাজ্য। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!

পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, আমি মহান আল্লাহ পাক পুশিদা ছিলাম। যখন আমার ইচ্ছা হলো আমি প্রকাশ হই তখন আমি নূরে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে প্রকাশ করলাম। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফে আরো ইরশাদ মুবারক করেন, হে হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনাকে প্রকাশ না করলে কুল-কায়িনাতের কোনো কিছুই আমি সৃষ্টি করতামনা। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!

পাশাপাশি উল্লেখ্য মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র ঈমান আনবে, উনাকে অনুসরণ মুবারক করবে, মুহব্বত মুবারক করবে, চূড়ান্ত ফায়সালাকারী হিসেবে মেনে নিবে, উনার সামনে আদব মুবারক সহকারে কথা বলার বিষয়ক উনার প্রতি সামগ্রিক তাযীম-তাকরীম মুবারক করার বিষয়ে সর্বোচ্চ তাকীদের সাথে বহুবার, বহুভাবে উল্লেখ করেছেন এবং সবশেষে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমি আপনার মুবারক সম্মানকে সর্বোচ্চ করেছি। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!

এক কথায় নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন; এছাড়া বাকী যা কিছু নিয়ামত মুবারক, ফযীলত মুবারক, শান-শওকত মুবারক রয়েছে সবকিছু খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাকে হাদিয়া মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহ!

প্রসঙ্গত, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “হে আমার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে জানিয়ে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ফযল-করম মুবারক এবং রহমত মুবারক হিসেবে উনার প্রিয়তম রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যে হাদিয়াস্বরূপ দিয়েছেন সেজন্য তারা যেন খুশি প্রকাশ করে। (তোমরা যত কিছুই করো না কেন) এ খুশি মুবারক প্রকাশ করাই হচ্ছেন সমগ্র কায়িনাতের জন্য সবচেয়ে বড় ও সর্বোত্তম নিয়ামত মুবারক।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা ইউনুস শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৫-৫৮)

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ছলাত মুবারক, সালাম মুবারক পাঠ করতে হবে। তথা উনার জন্য খুশি মুবারক প্রকাশ করতে হবে অনন্তকাল ধরে। এ বিষয়টি সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহরিল আ’যম মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ হাক্বীক্বীভাবে খুশি প্রকাশ করতে পারলে পুরো সাইয়্যিদুশ শুহুর পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস জুড়ে খুশি করা সম্ভব হবে। আর এ মাসে করতে পারলে সারা বছর করতে পারবে। সারা বছর করতে পারলে সারা জীবন করা সম্ভব হবে। আর দুনিয়াতে সারা জীবন করতে পারলে পরকালে অনন্তকাল ধরে খুশি প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

তবে আবশ্যকীয়ভাবে মনে রাখতে হবে, হামিলু লিওয়ায়িল হামদ, হাবীবে আ’যম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সার্বক্ষণিক রূহানী সংযোগ সমৃদ্ধ ও উনার মহান সুন্নত দ্বারা সুশোভিত খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছহিবে সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক উনার মাধ্যমেই আমাদের পক্ষে পাওয়া সম্ভব সনদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র জাত মুবারক ও পবিত্র ছিফত মুবারক সম্পর্কিত ইলম ও ফিকির মুবারক, উনার হাক্বীক্বত মুবারক সম্পর্কিত মা’রিফাত মুবারক এবং উনার পূর্ণ অনুসরণ মুবারক ও সুন্নত পালনের এবং সর্বোপরি চরম, পরম ও গভীর মুহব্বত, তা’যীম-তাকরীম ও আদবের সাথে সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর, পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনাকে পালনের কুওওয়ত। তাই, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার উপলক্ষে সেসব নিয়ামত মুবারক হাছিলই হোক আমাদের অন্তরের আরজু। (আমীন)

সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয় 

সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়