সম্পাদকীয়

সংখ্যা: ২৭৬তম সংখ্যা | বিভাগ:

সব প্রশংসা মুবারক খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সব সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত পবিত্র দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।

চন্দ্র মাসের ধারাবাহিকতায় প্রতি সম্মানিত ঈদ উনার ক্ষেত্রেই বলতে হয়- বছর ঘুরে আবারো এলো মহাসম্মানিত ঈদ। কিন্তু পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর, পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার ক্ষেত্রে এ কথামালা প্রযোজ্য নয়। কারণ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর, পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ এমন মহাসম্মানিত ঈদণ্ড যার কেবল শুরুই আছে। যার কোনো শেষ নেই। যার কোনো বিরতি নেই। যা অনন্তকালের জন্য। আর পৃথিবীর ইতিহাসে এই প্রথম এ অনন্তকালের পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার তাজদীদ মুবারক করেছেন, ধারণ করেছেন, বিচ্ছুরণ ঘটিয়েছেন, কুল-কায়িনাতবাসীকে বিতরণ করেছেন সাইয়্যিদুনা হযরত সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!

এ বিষয়ে হযরত সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের মধ্য থেকে অগণিত ও কিতয়ী দলীল দিয়েছেন। আক্বলমন্দের জন্য দু’একটি উদাহরণই যথেষ্ট। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনাকে গোটা আলমের জন্য রহমত মুবারক ব্যতিরেকে প্রেরণ করি নাই।” সুবহানাল্লাহ!

উল্লেখ্য, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেমন কোনো একটি এলাকার জন্য প্রেরিত হননি; তেমনি তিনি কোনো একটি সময়ের জন্যও আবির্ভুত হননি। বরং উনার মুবারক তাশরীফ অনন্তকালের জন্য। উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস মুবারকের সম্মানার্থে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ অনন্তকালের জন্য। দিনের চব্বিশ ঘণ্টা, বৎসরের সবসময় এবং অনন্তকালের অনন্ত সময় পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার খিদমতেই ব্যাপৃত। সুবহানাল্লাহ!

প্রসঙ্গত, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহু হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম উনার প্রতি পবিত্র ছলাত শরীফ পাঠ করেন। অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেন। হে ঈমানদারগণ! আপনারাও উনার প্রতি পবিত্র ছলাত শরীফ পাঠ করুন এবং পবিত্র সালাম শরীফ পেশ করুন অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করুন যথাযথ সম্মানের সাথে।” (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৬)

এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট সময়ের বর্ণনা করা হয়নি। অর্থাৎ তা অনন্তকালের জন্য। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!

পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনাকে প্রেরণ করেছি রহমাতুল্লিল আলামীন তথা সারাবিশ্বের রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছি।” মূলত এই আয়াত শরীফ মুবারক উনার অনেক ফযীলত। যা অন্য পবিত্র আয়াত শরীফ মুবারক উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে।

খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা ফাতহ শরীফ উনার ৮-৯ নম্বর আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনাকে প্রেরণ করেছি সাক্ষ্যদাতা, সুসংবাদদাতা ও ভয়প্রদর্শনকারীরূপে। অতএব, তোমরা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের প্রতি ঈমান আনো এবং উনার গোলামী মুবারক কর, তা’যীম-তাকরীম মুবারক কর সকাল-সন্ধ্যা অর্থাৎ দায়িমীভাবে উনার ছানা-ছিফত প্রশংসা মুবারক করতে থাকো।”

খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা সাবা শরীফ উনার ২৮ নম্বর আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক ফরমান- “হে আমার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি অবশ্যই আপনাকে সমগ্র মানবজাতির জন্য সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করেছি; কিন্তু অধিকাংশ মানুষই তা জানে না বা বুঝে না।”

উল্লেখ্য আজকে গণমাধ্যমকে বলা হয় মিডিয়া। সবকিছু জানার জন্য মানুষ এই মিডিয়ার উপরে নির্ভর করে। মিডিয়া জানিয়েছে- পৃথিবীতে প্রতি সেকেন্ডে ১.৭৮ জন, প্রতি মিনিটে ১০৭ জন, প্রতি ঘন্টায় ৬,৩৯০ জন এবং প্রতিদিন ১,৫৩,০০০ লোক মারা যাচ্ছে।

কিন্তু মিডিয়া- মানুষকে জানাতে পারেনি যে মানুষের মৃত্যুর পরে কি অবস্থা হয়? মানুষের প্রবৃত্তি কী? মানুষের পরিণতি কী? ক্বিয়ামত কী? জাহান্নাম-জান্নাত উনার বিষয় কী?

কিন্তু এসব সম্পর্কে মানুষকে পরিপূর্ণ এবং প্রজ্ঞাপূর্ণ ইলম মুবারক দিয়েছেন আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। (সুবহানাল্লাহ)! উনার প্রতি ওহী মুবারক নাযিল হয়েছে- (১) আঘাতকারী বা ক্বিয়ামত। (২) আঘাতকারী বা ক্বিয়ামত কি? (৩) এবং আপনি কি জানেন, আঘাতকারী বা ক্বিয়ামত দিবস কি? অর্থাৎ আপনি জানেন আঘাতকারী বা ক্বিয়ামত দিবস সম্পর্কে। (৪) সেদিন বা যেদিন (ক্বিয়ামতের দিন) মানুষ হবে বিক্ষিপ্ত পতঙ্গের ন্যায়। (৫) এবং পর্বতসমূহ হবে ধুনিত তুলা বা রঙিন পশমের ন্যায়। (৬) অতঃপর নেকীর পাল্লা ওজনে ভারী হবে। (৭) অতঃপর সে জীবনযাপন বা বসবাস করবে সন্তুষ্টির মধ্যে সন্তুষ্টচিত্তে। (৮) এবং অতঃপর নেকীর পাল্লা ওজনে হালকা হবে। (৯) অতঃপর তার আশ্রয়স্থল হবে হাবিয়াহ দোযখে। (১০) এবং আপনি কি জানেন, উহা (হাবিয়াহ) কি? অর্থাৎ আপনি জানেন। (১১) হাবিয়াহ হলো প্রজ্জ্বলিত অগ্নিকু-। (পবিত্র সূরা ক্বারিয়াহ শরীফ)

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ওহী মুবারক নাযিল হয়েছে- (১) আধিক্যের লালসা (দুনিয়ার লোভ) তোমাদেরকে (আল্লাহ পাক উনার থেকে) গাফিল করে রেখেছে। (২) যে পর্যন্ত না তোমরা কবরস্থান যিয়ারত কর অর্থাৎ ইন্তিকাল পর্যন্ত। (৩) কখনই নয়, অতিশীঘ্রই জানতে পারবে। (৪) অতঃপর কখনই নয়, অতিশীঘ্রই জানতে পারবে। (৫) কখনই নয়, যদি তোমরা ইলমুল ইয়াক্বীন দ্বারা জানতে অর্থাৎ নিশ্চিত জানতে। (৬) নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই তোমরা জাহান্নাম (জাহীম) দেখবে। (৭) অতঃপর নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই তোমরা উহা আইনুল ইয়াক্বীন অর্থাৎ চাক্ষুষ বা প্রত্যক্ষভাবে দেখবে। (৮) অতঃপর সেদিন (ক্বিয়ামতের দিন) তোমরা নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই জিজ্ঞাসিত হবে প্রাপ্ত নিয়ামত সম্পর্কে। (পবিত্র সূরা তাকাছুর শরীফ)

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ওহী মুবারক নাযিল হয়েছে- (১) প্রত্যেক সম্মুখে দোষারোপকারী ও পশ্চাতে গীবতকারীর জন্য ধ্বংস, জাহান্নাম ও আফসুস। (২) যে মাল জমা করে ও গণনা করে। (৩) সে ধারণা করে, নিশ্চয়ই তার মাল স্থায়ীভাবে তার সাথেই থাকবে। (৪) কখনও নয় (যা সে ধারণা করে) অবশ্যই সে হুতামাতে (জাহান্নামে) নিক্ষিপ্ত হবে। (৫) আপনি কি জানেন, হুতামাহ কি? অর্থাৎ আপনি জানেন, হুতামাহ কি। (৬) আল্লাহ পাক উনার প্রজ্জ¦লিত অগ্নি। (পবিত্র সূরা হুমাযাহ শরীফ)

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ওহী মুবারক নাযিল হয়েছে- (৭) এবং নিশ্চয়ই সে (মানুষ) নিজেই এ বিষয়ে সাক্ষী বা অবহিত। (৮) এবং নিশ্চয়ই সে (মানুষ) ধন-সম্পদের মোহে কঠিনভাবে মোহগ্রস্ত। (৯) তবে সে (মানুষ) কি জানে না যখন উত্থিত হবে কবরসমূহে যা কিছু রয়েছে। (১০) এবং তখন প্রকাশ করা হবে অন্তরে বা বক্ষসমূহে যা কিছু রয়েছে। (১১) নিশ্চয়ই তাদের রব তাদের সেই কঠিন দিন সম্পর্কে পরিপূর্ণরূপে অবহিত আছেন। (পবিত্র সূরা আদিয়াত শরীফ)

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ওহী মুবারক নাযিল হয়েছে- (১) যখন যমীনকে তার উপযুক্ত কম্পনে প্রকম্পিত করা হয়। (২) এবং যমীন বের করে দিবে তার সমস্ত বোঝাসমূহ। (৩) এবং মানুষ বলবে তার কি হলো। (৪) সেদিন যমীন তার (উপরে ঘটে যাওয়া) সমস্ত সংবাদ বর্ণনা  করবে বা বলে দিবে। (৫) কেননা আপনার রব তায়ালা তাকে (এরূপ বলতে) আদেশ করবেন। (৬) সেদিন মানুষ বিচ্ছিন্নভাবে দলে দলে প্রকাশ পাবে বা প্রত্যাবর্তন করবে যেন তাদেরকে দেখানো হয় তাদের কৃত আমলসমূহ অথবা যেহেতু তাদেরকে তাদের কৃত আমলসমূহ দেখানো হবে। (৭) অতঃপর যে জাররা পরিমাণ নেক কাজ বা আমল করবে তা সে দেখতে পাবে। (৮) এবং যে জাররা পরিমাণ বদ কাজ বা আমল করবে তাও সে দেখতে পাবে। (পবিত্র সূরা যিলযাল শরীফ)

পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ‘জাহান্নাম’ শব্দটি এসেছে ৭৭ বার এবং ‘জান্নাত’ শব্দ মুবারকটি বিভিন্নভাবে এসেছে ১৪৭ বার। উল্লেখ্য, অতি সামান্য ক্ষণের দুনিয়াবী জীবন যাপনের পর জাহান্নাম বা জান্নাত মুবারক-ই একজন মানুষের শেষ পরিণতি। কিন্তু সে জাহান্নাম ও জান্নাত মুবারক উনার বিষয় আজকে সরকারি ও বেসরকারিভাবে চরমভাবে উপেক্ষিত, অনালোচিত তথা লুকায়িত।

কিন্তু উম্মতের কাণ্ডারী, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ঠিকই উম্মাহকে এ বিষয়ে পূর্ণ অবহিত ও সতর্ক করেছেন। কাজেই উম্মাহর উচিত- এ বিষয়ে সতর্ক হয়ে পবিত্র সুন্নাহ শরীফ মোতাবেক জীবন-যাপন করে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে এবং সম্মানিত আহলে বাইত শরীফ উনাদের সাথে গভীর নিছবত মুবারক তায়াল্লুক মুবারক স্থাপনে কোশেশ করা।

উল্লেখ্য, ফিতনার এ যুগে প্রবৃত্তির সংশোধন তথা পবিত্র দ্বীন ইসলামী আমলে প্রবৃত্ত হওয়ার জন্য- হামিলু লিওয়ায়িল হামদ, হাবীবে আ’যম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সার্বক্ষণিক রূহানী সংযোগ সমৃদ্ধ ও উনার সুমহান সুন্নত শরীফ দ্বারা সুশোভিত মুকাম্মিলে আ’যম, হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক উনার বিকল্প নেই। পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আযম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে খালিক্ব মালিক রব আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে সে মহান নিয়ামত মুবারক নছীব করুন। (আমীন)

 

সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয় 

সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়