সম্পাদকীয়

সংখ্যা: ২৭১তম সংখ্যা | বিভাগ:

সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সব সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত পবিত্র দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।

মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন “মু’মিনদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার ইহসান যে, তাদের জন্য একজন মহাসম্মানিত হযরত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে প্রেরণ করেছেন, তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার আয়াত মুবারকসমূহ তিলাওয়াত করে শুনাবেন, তাদেরকে তাযকিয়া মুবারক (পরিশুদ্ধ) করবেন এবং কিতাব ও হিকমত মুবারক শিক্ষা দিবেন। যদিও তারা পূর্বে হিদায়েতপ্রাপ্ত ছিলোনা। (পবিত্র সূরা আল ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৬৪)

অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সমস্ত কায়িনাতের জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছি, সৃষ্টি মুবারক করেছি।” (পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১০৭)

তোমাদের কাছে তোমাদের জন্য একজন সম্মানিত হযরত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত তাশরীফ মুবারক এনেছেন, তোমাদের দুঃখ-কষ্ট উনার কাছে বেদনাদায়ক, তিনি তোমাদের ভালাই চান। তিনি মু’মিনদের প্রতি অত্যন্ত স্নেহশীল, সীমাহীন দয়ালু।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত সূরা তওবা শরীফ : সম্মানিত আয়াত শরীফ ১২৮)

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি ওই মহাসম্মানিত হযরত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, যখন তুমি কোন বিপদে-আপদে বা দুঃখ-দুর্দশায় পতিত হও তখন তুমি আমার নিকট দো‘আ করলে আমি তোমার দুঃখ-দূর্দশা দূর করে দেই, যখন তোমার জমিনে ফসল হয় না, তখন তুমি আমার নিকট দো‘আ করলে আমি তোমার ক্ষেতে ফসল ফলিয়ে দেই, যখন তুমি কোন জনমানব শূন্য স্থানে, (খাল-বিল, নদী বা পানিতে) নির্জন প্রান্তরে, নির্জন মরুভূমিতে অথবা বনে, ঝোপ-ঝার, জংগলে থাকো আর তোমার বাহন হারিয়ে যায় বা বাহন না থাকে, তখন তুমি আমার নিকট দো‘আ করলে আমি তোমার বাহন ফিরিয়ে দেই, বাহনের ব্যাবস্থা করে দেই।” সুবহানাল্লাহ! (আবূ দাঊদ শরীফ, তিরমিযী শরীফ)

দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আজ মুসলমান তাদের মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারক, মান মুবারক, দয়া-ইহসান মুবারক সম্পর্কে বিন্দু থেকে বিন্দুতমও অবগত নয়। উনার সম্পর্কে ইলম অর্জনে নিবেদিত নয় এবং উনার এতটুকু অনুসরণ অনুকরণে বিন্দু মাত্রও স্বপ্রণোদিত নয়। অথচ উনিই রিযিক বন্টনকারী। যা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে “মহান আল্লাহ পাক তিনি হচ্ছেন- দাতা আর আমি হচ্ছি বন্টনকারী। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)

উল্লেখ্য, সব হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট দোয়া করেছেন যে, উনাদেরকে হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম না বানিয়ে আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মত বানানোর জন্য। কিন্তু বর্তমান মুসলমান বিনা কষ্টে এই সুমহান নেয়ামত মুবারক পাওয়ার পরও তার শুকরিয়া মুবারক তো করছেইনা এমনকি উপলব্ধিও করতে পারছেনা। নাউযুবিল্লাহ!

বলাবাহুল্য, এসব কারণে মুসলমান দুনিয়াতেও রিযিক থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। মানসিকভাবে বিকৃত হচ্ছে। যাপিত জীবনে বিধ্বস্ত হচ্ছে। সমাজে লাঞ্চিত হচ্ছে। আমলে গোমরাহ হচ্ছে। পরকালে নিকৃষ্ট আবাসস্থল জাহান্নামের দিকে ধাবিত হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ

তবে কোনো কোনো মুসলমান এ বিষয়গুলো কিছুটা উপলব্ধি করলেও তার পেছনের কারণগুলো বিশ্লেষণ করতে  পারছেনা। প্রতিবাদ জানাতে পারছেনা। প্রতিহত করার প্রেরণা, চেতনা কোনোটাই পাচ্ছেনা।

এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, মুসলমান কোন গণতান্ত্রিক দেশে তার দ্বীনী অধিকার ও চেতনা এবং পৃষ্ঠপোষকতা পেতে পারেনা। ধর্মনিরপেক্ষতাকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিকে নিছক ধর্মহীনতা ছাড়া কিছুই বলা যায়না। গণতান্ত্রিক দেশে সংস্কৃতির নামে সব সময় চলে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার উপর কুঠারাঘাত। নাউযুবিল্লাহ! বেপর্দার নামে মুসলমানকে অবাধে দাইয়্যূস বানিয়ে অকাতরে জাহান্নামী করা হয়। গণতান্ত্রিক মিডিয়ার প্রচারণায় অশ্লীলতায়, পরকীয়ায়, জ্বিনায় তথা তাবৎ পাপাচারে পঙ্কিলতায় মুসলমানদের ঈমান পর্যদুস্থ করা হয়। মুসলমান তখন মুসলমান থাকা তো দুরের কথা বরং বালহুম আদলে পরিণত হয়। নাউযুবিল্লাহ

প্রসঙ্গত, আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনার মাঝে অনন্য ব্যক্তিত্ব মুবারক সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আযম হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন “নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হলেন শাহিদ তথা হাযির-নাজির। ছহিবে মুত্তালা আলাল গইব। উম্মতের অন্তরের অন্তস্থলের খবর তিনি জানেন। এবং কোন উম্মত কখন কী করছে তিনি তা সব দেখেন, তা সব জানেন। চাওয়ার মতো চাইতে পারলে তিনি সাথে সাথে তা পূরণ করেন। সুবহানাল্লাহ!

পাশাপাশি উল্লেখ্য, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে “তোমরা লক্ষ্য করো যে, তোমরা কার কাছ থেকে দ্বীনী ইলম শিক্ষা গ্রহণ করছো”। কিন্তু মুসলমান তা করছেনা। যে কারণে মুসলমানদের সহজেই গোমরাহ করতে পারছে ওইসব ওলামায়ে সূ’ যারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পেয়ে খুশি প্রকাশ করতে পারেনা, করতে চায়না, করেননি কিন্তু তারা তাদের ‘কওমী মা’ ধর্মহীন গণতান্ত্রিক সরকারের স্বীকৃতি দেয়ার জন্য শোকরানা মাহফিল করে। অথচ তারা পবিত্র মীলাদ শরীফ মাহফিল, পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফকে বিদআত বলে ফতোয়া দেয়। নাউযুবিল্লাহ! তারা মহিলা প্রধানমন্ত্রীকে দেখে দাঁড়িয়ে যায় কিন্তু পবিত্র মীলাদ শরীফে দাঁড়ানোকে বিদআত বলে ছড়ায়। নাউযুবিল্লাহ! তারা মুখে বলে, কিতাবে লেখে ছবি তোলা হারাম, নারী নেতৃত্ব হারাম কিন্তু বাস্তবে তারা নারী নেতৃত্বকে শুধু জায়েজই বলেনা উল্টো ‘মা’ বলে আখ্যা দেয়। আগ বাড়িয়ে হাতে হাত দেয়ার জিনা করে। নাউযুবিল্লাহ। তারা একদিকে বলে তাদের শত শত আলেমদের শহীদ করেছে অপরদিকে গোপনে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করে সুর পাল্টায়, সরকারের সুখ্যাতি বর্ণনা করে। আর পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে এরা শুধু ওলামায়ে সূ’ই নয় বরং কাট্টা মুনাফিক। এদের স্থান জাহান্নামের অতল গহবরে।

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, তিন ধরণের লোক এ উম্মাহকে গোমরাহ করবে। (১) ওলামায়ে সূ’ (২) মুনাফিক (৩) গোমরাহ শাসক।

প্রসঙ্গত, এদের থেকে বাঁচতে এবং নিজের ঈমানকে হেফাজত করার জন্যই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে জামানার ইমামকে চেনা ফরজ বলা হয়েছে। ইরশাদ মুবারক হয়েছে, যে যামানার ইমাম উনাকে চিনলোনা সে যেন জাহিলিয়াতের ন্যায় মৃত্যুবরণ করলো।

মূলত, তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে তথ্যহীন হওয়ার তথা জাহিলিয়াতের মধ্যে মারা যাওয়া একেবারেই বেমানান, অসঙ্গত, অযথার্থ এবং অন্যায়। সুতরাং সচেতন ও সমঝদার এবং আমলদার মুসলমান হতে হলে আমাদের সবাইকে হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মাঝে অনন্য ব্যক্তিত্ব মুবারক ইমামে আ’যম, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার নেক ছায়াতলে উপনীত হতে হবে।

প্রসঙ্গত, আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মাঝে অনন্য ব্যক্তিত্ব, মহামহিম, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আযম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার দ্বারা শেষ যামানায় মানুষ হিদায়েত লাভ করবে। যিনি শুধুমাত্র ওহী মুবারক ছাড়া বাকী সব নিয়ামতে পরিপূর্ণ। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! যিনি শুধুমাত্র মহান আল্লাহ পাক তিনি নন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন। এছাড়া বাকী সবকিছু। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!

যমীনের বুকে সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আযম আলাইহিস সালাম তিনি তাশরীফ না রাখলে মূলতঃ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মারিফাত মুবারক, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক, শান মান মুবারক প্রকাশ, সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের শান মান মুবারক, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক প্রকাশ মহাঅপূর্ণই থেকে যেতো।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, হযরত উম্মু রসুলিনা আলাইহাস সালাম ও হযরত আবু রসূলিনা আলাইহিস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক ও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস, মহাপবিত্র আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ দিবস, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ সম্পন্ন, হযরত আবনাউ ও হযরত বানাতু রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস, হযরত বানাতু রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মহাপবিত্র আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ দিবস  উনাদের তারীখ মুবারক প্রকাশ এবং শান মান প্রকাশ পৃথিবীর ইতিহাসে নযীরবিহীন বেমেছাল অভূতপূর্ব চির বিস্ময়কর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাজদীদ মুবারক। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে তিনটি স্তর মুবারক রয়েছেন। উনাদের মধ্যে প্রথম স্তর মুবারক-এ হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত হযরত আব্বা আলাইহিস সালাম তিনি এবং মহাসম্মানিতা হযরত আম্মা আলাইহাস সালাম তিনি অর্থাৎ উনারা। সুবহানাল্লাহ! দ্বিতীয় স্তর মুবারক-এ হচ্ছেন মহাসম্মানিতা হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহ!

তৃতীয় স্তর মুবারক-এ হচ্ছেন মহাসম্মানিত হযরত আবনাউ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা এবং মহাসম্মানিতা হযরত বানাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা এবং উনাদের মহাসম্মানিত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম ও মহাসম্মানিতা আওলাদ আলাইহিন্নাস সালামগণ উনারা।” সুবহানাল্লাহ!

বলাবাহুল্য, মহান আল্লাহ পাক উনার যমীনে এমন প্রজ্ঞাপূর্ণ তাজদীদ মুবারক কেউই শ্রবন করেনি। তাই সাইয়্যিদুনা মামদুহ হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করা হয়, যে উনি আফদ্বালুন নাস, বাদাল আম্বিয়া ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!

উল্লেখ্য, ফিৎনার এ যুগে প্রবৃত্তির সংশোধন তথা রূহানী আমল উনার সাথে পবিত্র দ্বীন ইসলামী আমলে প্রবৃত্ত হওয়ার জন্য হামিলু লিওয়ায়িল হামদ্, হাবীবে আ’যম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সার্বক্ষণিক রূহানী সংযোগ সমৃদ্ধ ও উনার সুমহান সুন্নত শরীফ দ্বারা সুশোভিত মুকাম্মিলে আ’যম, মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক উনার কোন বিকল্প নেই। সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আযম, ঈদে আকবর, পবিত্র ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে সে মহান নিয়ামত মুবারক নছীব করুন। (আমীন)

সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয় 

সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়