সাইয়্যিদুল আওলিয়া, মাহবূবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, গওছুল আ’যম, মুজাদ্দিদুয যামান, ইমামুর রাসিখীন, সুলত্বানুল আরিফীন, মুহিউদ্দীন, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি (৪)

সংখ্যা: ২০৯তম সংখ্যা | বিভাগ:

-হযরত মাওলানা মুফতী সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল হালীম

বিলাদত শরীফ

খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, আওলাদে রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “সাইয়্যিদুল আওলিয়া, গাওছুল আ’যম, মাহবূবে সুবহানী, ইমামে রব্বানী, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিলাদত শরীফ থেকে বিছাল শরীফ পর্যন্ত পুরো জিন্দেগী মুবারকই কারামতে পরিপূর্ণ।”

বিশুদ্ধ বর্ণনা মুতাবেক তিনি ৪৭১ হিজরী সনের ১লা রমাদ্বান শরীফ দুনিয়ার যমীনে তাশরীফ আনেন। উনার বিলাদতের কারণে ইরান বা পারস্য দেশের জিলান নগরী পুণ্যভূমিতে পরিণত হয়। (নাহফাতুল উনস, রাহজাতুল আসবার যুবদাতুল আছার)

তিনি যখন উনার মাতা উম্মুল খায়ের, আমাতুল জাব্বার আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ফাতিমা রহমতুল্লাহি আলাইহা উনার রেহেম শরীফ-এ তাশরীফ নেন তখন উনার মাতার বয়স মুবারক ছিল ষাটের কাছাকাছি। এত অধিক বয়স মুবারকে সন্তান রেহেম শরীফ-এ আসায় তিনি আল্লাহ পাক উনার শুকরিয়া আদায় করলেন। এটা যে গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারই মহান কারামতের অন্তর্ভুক্ত তা আর ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন পড়ে না।

দিনে দিনে মায়ের রেহেম শরীফ-এ সাইয়্যিদুল আওলিয়া, মাহবূবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বেড়ে উঠতে লাগলেন। সাইয়্যিদাতুনা, উম্মুল খায়ের হযরত ফাতিমা রহমতুল্লাহি আলাইহা সন্তান সম্ভবা হওয়ার প্রথম মাসে একদিন স্বপ্নে দেখলেন, মানবজাতির প্রথম মাতা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত হাওয়া আলাইহাস সালাম তিনি উনার সামনে হাজির হয়ে সহাস্যে বলছেন, “হে হযরত ফাতিমা রহমতুল্লাহি আলাইহা! আপনি বিশ্বজগতের অত্যন্ত ভাগ্যবতী, পুণ্যবান ও ধন্য রমনী। আপনার রেহেম শরীফ-এ যে মুবারক সন্তান এসেছেন তিনি আওলিয়ায়ে কিরাম উনাদের সাইয়্যিদ হবেন। আপনি সবসময় সতর্ক থাকবেন।”

দ্বিতীয় মাসে আবার স্বপ্নে দেখলেন যে, হযরত ইবরাহীম খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার আহলিয়া সাইয়্যিদাতুনা হযরত সাররা আলাইহাস সালাম উনার মুবারক শিয়রে দাঁড়িয়ে মধুর কণ্ঠে বলছেন, “হে সাইয়্যিদা! মানবকুলের সৌভাগ্যবতী হযরত ফাতিমা রহমতুল্লাহি আলাইহা! আল্লাহ পাক উনার কুদরতে আপনার রেহেম শরীফ-এ নূরে আলম অর্থাৎ গুপ্তভেদ উন্মোচনকারী শ্রেষ্ঠ ওলীআল্লাহ অবস্থান করছেন। আপনি সবসময় একনিষ্ঠভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার ছানা-ছিফতে মাশগুল থাকবেন।”

তৃতীয় মাসে পুনরায় তিনি স্বপ্নে দেখলেন যে, ফিরআউনের স্ত্রী সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছিয়া আলাইহাস সালাম তিনি উনাকে বলছেন, “হে পুণ্যবতী, আল্লাহ প্রেমিক হযরত ফাতিমা রহমতুল্লাহি আলাইহা! আমি আপনাকে এক সুসংবাদ প্রদান করছি- আপনি সৌভাগ্যবতী এবং অনেক মর্যাদার অধিকারী। আপনার রেহেম শরীফ-এ দুনিয়ার অদ্বিতীয় ওলীআল্লাহ উনার আবির্ভাব ঘটেছে। অতএব, আপনি অতি সাবধানে থাকবেন।”

চতুর্থ মাসে এক রাতে তিনি স্বপ্নে দেখলেন যে, জগতের অতি বিস্ময়কর জান্নাতবাসিনী মর্যাদাশীলা রমনী সাইয়্যিদাতুনা হযরত মারইয়াম আলাইহাস সালাম, যিনি ছিলেন জলীলুল ক্বদর রসূল হযরত ঈসা রূহুল্লাহ আলাইহিস উনার সম্মানিতা মাতা। তিনি বলছেন, “হে হযরত ফাতিমা রহমতুল্লাহি আলাইহা! আপনার রেহেম শরীফ-এ যে মুবারক সন্তান দিনে দিনে বেড়ে উঠছেন তিনি বিশ্ববরেণ্য আউলিয়ায়ে আ’যম, আব্দুল কাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি। সুতরাং আপনি অতি সাবধানে চলাফেরা করুন।”

পঞ্চম মাসে এক রাতে তিনি স্বপ্নে দেখলেন। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রথম আহলিয়া, উম্মুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত খাদীজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম উনাকে বলছেন, “হে পুণ্যবতী, ভাগ্যবতী! আপনার রেহেম শরীফ-এ দ্বীন ইসলামের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, আল্লাহ পাক উনার প্রিয় বান্দা, মুহিউদ্দীন উনার আবির্ভাব ঘটেছে। আপনাকে অতিশয় সাবধানে থাকতে হবে।”

(চলবে)

ওলীয়ে মাদারজাদ, মুসতাজাবুদ্ দা’ওয়াত, আফযালুল ইবাদ, ছাহিবে কাশফ্ ওয়া কারামত, ফখরুল আওলিয়া, ছূফীয়ে বাতিন, ছাহিবে ইস্মে আ’যম, লিসানুল হক্ব, গরীবে নেওয়াজ, আওলাদে রসূল, আমাদের সম্মানিত দাদা হুযূর ক্বিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর স্মরণে- একজন কুতুবুয্ যামান-এর দীদারে মাওলার দিকে প্রস্থান-১৩৬

ওলীয়ে মাদারজাদ, মুসতাজাবুদ্ দা’ওয়াত, আফযালুল ইবাদ, ছাহিবে কাশফ্ ওয়া কারামত, ফখরুল আওলিয়া, ছূফীয়ে বাতিন, ছাহিবে ইস্মে আ’যম, লিসানুল হক্ব, গরীবে নেওয়াজ, আওলাদে রসূল, আমাদের সম্মানিত দাদা হুযূর ক্বিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর স্মরণে- একজন কুতুবুয্ যামান-এর দীদারে মাওলার দিকে প্রস্থান-১৩৭

ওলীয়ে মাদারজাদ, মুসতাজাবুদ্ দা’ওয়াত, আফযালুল ইবাদ, ছাহিবে কাশফ্ ওয়া কারামত, ফখরুল আওলিয়া, ছূফীয়ে বাতিন, ছাহিবে ইস্মে আ’যম, লিসানুল হক্ব, গরীবে নেওয়াজ, আওলাদে রসূল, আমাদের সম্মানিত দাদা হুযূর ক্বিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি-উনার স্মরণে- একজন কুতুবুয্ যামান-উনার দীদারে মাওলার দিকে প্রস্থান-১৩৮

ওলীয়ে মাদারজাদ, মুসতাজাবুদ্ দা’ওয়াত, আফযালুল ইবাদ, ছাহিবে কাশফ্ ওয়া কারামত, ফখরুল আওলিয়া, ছূফীয়ে বাতিন, ছাহিবে ইস্মে আ’যম, লিসানুল হক্ব, গরীবে নেওয়াজ, আওলাদে রসূল, আমাদের সম্মানিত দাদা হুযূর ক্বিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি-উনার স্মরণে- একজন কুতুবুয্ যামান-উনার দীদারে মাওলার দিকে প্রস্থান-১৩৯

ওলীয়ে মাদারজাদ, মুসতাজাবুদ্ দা’ওয়াত, আফযালুল ইবাদ, ছাহিবে কাশফ্ ওয়া কারামত, ফখরুল আওলিয়া, ছূফীয়ে বাতিন, ছাহিবে ইস্মে আ’যম, লিসানুল হক্ব, গরীবে নেওয়াজ, আওলাদে রসূল, আমাদের সম্মানিত দাদা হুযূর ক্বিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি-উনার স্মরণে- একজন কুতুবুয্ যামান-উনার দীদারে মাওলার দিকে প্রস্থান-১৪০