সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুবুল মাশায়িখ, মুজাদ্দিদুয যামান, গরীবে নেওয়াজ, আওলাদে রসূল, হাবীবুল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন হাসান চিশতী আজমিরী সাঞ্জারী রহমতুল্লাহি আলাইহি-৫৮ (বিলাদত শরীফ ৫৩৬ হিজরী, বিছাল শরীফ ৬৩৩ হিজরী)

সংখ্যা: ২৮৮তম সংখ্যা | বিভাগ:

(পূব প্রকাশিতের পর)

এরই মধ্যে তিন দিন তিন রাত অতিবাহিত হয়েছে। কুতুবুল মাশায়িখ, সুলত্বানুল হিন্দ, সাইয়্যিদুনা হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি থামলেন। নিজের ব্যাগ থেকে দুটি গরম রুটি বের করে আমার হাতে দিলেন। বললেন, “কুতুব! আপনি রুটি দুটি নিয়ে সোজা এই পাহাড়ের উপর আরোহন করবেন। পাহাড়ের চূড়ায় পৌঁছে দেখতে পাবেন একটি গুহা রয়েছে। সেই গুহার মধ্যে একজন বুযুর্গ ব্যক্তি, যিনি ফানা বা বিলীন হয়ে আছেন। আপনি উনাকে সালাম জানাবেন। অতঃপর রুটি দুটি উনার খিদমত মুবারকে পেশ করবেন। পরবর্তী ঘটনা কি ঘটে তা আমাকে জানাবেন।”

আমি রুটি দুটি নিয়ে পাহাড়ের চূড়ায় উঠতে লাগলাম। কাজটি যে কত জটিল ও দুঃসাধ্য ছিলো তা ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়। অবশেষে গুহার সন্ধান পেলাম। দেখলাম, বুযুর্গ ব্যক্তি ফানা বা বিলীন হয়ে আছেন। তিনি আমার সালামের আওয়াজ শুনে চোখ মুবারক খুললেন। আমার দিকে তাকিয়ে সালামের জাওয়াব দিলেন। আমি উনাকে রুটি দুটি পেশ করলাম। রুটি দুটি তখনও গরম ছিলো। তিনি রুটি দুটি গ্রহন করলেন। একটি ইফতারের জন্য রেখে অপরটি আমাকে দিলেন। বললেন, এটি আপনি খাবেন। তারপর তিনি জায়নামাযের নিচ থেকে চারটি খেজুর বের করে আমার হাতে দিয়ে বললেন, এগুলো কুতুবুল মাশায়িখ, সুলত্বানুল হিন্দ, সাইয়্যিদুনা হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে দিবেন।

আমি ধীরে ধীরে পাহাড়ের চূড়া হতে নেমে আসলাম। সাইয়্যিদুনা হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকটে এসে সবই  বললাম। অতঃপর খেজুর চারটি উনাকে দিলাম। তিনি অত্যন্ত সন্তুষ্টচিত্তে তা গ্রহন করলেন। সুবহানাল্লাহ! (খাজা গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পূর্ণাঙ্গ জীবনী-২৭০)

সম্মানিত কারামত মুবারক (৮)

সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুবুল মাশায়িখ আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আজমীর শরীফে বসবাস করতেন। আজমীর শরীফের লোকজন যখন পবিত্র হজ্জের মৌসুমে পবিত্র হজ্জ সম্পন্ন করার জন্য পবিত্র মক্কা শরীফে যেতেন। সেখানে গিয়ে সাইয়্যিদুনা হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে দেখতে পেতেন। তারা পবিত্র হজ্জের কার্যাদি সম্পন্ন করত স্বীয় জন্মভূমিতে ফিরে এসে বর্ণনা করতেন যে, আমরা সাইয়্যিদুনা হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে তাওয়াফ করতে দেখলাম। পবিত্র আরাফার ময়দানেও দেখলাম। পবিত্র জম জম কুপের পানি মুবারক পান করলাম একই সাথে। কালো পাথর বুছা (চুম্বন) করতে দেখলাম। কিন্তু কোন কথা বলার সুযোগ পাইনি। এরূপ বর্ণনা শুনে আজমীর শরীফের লোকেরা বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যেতেন। উনারা  বললেন, আপনারা কি বলেন? আমরা প্রতিদিনই উনার পবিত্র দরবার শরীফে উনার সম্মানিত ইমামতিতে নামায আদায় করেছি। উনার সাথে সাক্ষাত মুবারক করেছি। উনার ক্বদমবুচী মুবারকও করার সৌভাগ্য হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুবুল মাশায়িখ আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি দীর্ঘ সময় আজমীর শরীফ বসবাস করতেন। এ সময় তিনি জাহিরী বা প্রকাশ্যভাবে পবিত্র হজ্জ করার সময় ও সুযোগ পাননি। তবে বাতিনীভাবে তিনি প্রতিবছর সম্মানিত হজ্জ পালন করতেন তা বর্ণনার অবকাশ রাখে না। সুবহানাল্লাহ!। (হযরত গরীব নওয়াজ (রহমতুল্লাহি আলাইহি) পূর্ণাঙ্গ জীবনী-২৭১)

 

সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুবুল মাশায়িখ, মুজাদ্দিদুয যামান, গরীবে নেওয়াজ, আওলাদে রসূল, হাবীবুল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন হাসান চিশতী আজমিরী সাঞ্জারী রহমতুল্লাহি আলাইহি-৫০ (বিলাদত শরীফ ৫৩৬ হিজরী, বিছাল শরীফ ৬৩৩ হিজরী)

ইমামুল মুসলিমীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ ইমামে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি-৬৬ (বিলাদাত শরীফ- ৮০ হিজরী, বিছাল শরীফ- ১৫০ হিজরী)

উম্মু মুর্শিদিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা আমাদের- হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা কা’বা আলাইহাস সালাম উনার সীমাহীন ফাদ্বায়িল-ফদ্বীলত, বুযূর্গী-সম্মান, মান-শান, বৈশিষ্ট্য এবং উনার অনুপম মাক্বাম সম্পর্কে কিঞ্চিৎ আলোকপাত-৭০ -মুহম্মদ সা’দী

সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুবুল মাশায়িখ, মুজাদ্দিদুয যামান, গরীবে নেওয়াজ, আওলাদে রসূল, হাবীবুল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন হাসান চিশতী আজমিরী সাঞ্জারী রহমতুল্লাহি আলাইহি-৫১ (বিলাদত শরীফ ৫৩৬ হিজরী, বিছাল শরীফ ৬৩৩ হিজরী)

ইমামুল মুসলিমীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ ইমামে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি-৬৭ (বিলাদাত শরীফ- ৮০ হিজরী, বিছাল শরীফ- ১৫০ হিজরী)