হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নামের সাথে كرم الله وجهه বলার কারণ ও ইতিহাস

সংখ্যা: ২০৭তম সংখ্যা | বিভাগ:

হাফিয মুহম্মদ মামুনুয্ যামান, লক্ষ্মীপুর

সুওয়াল: হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নামের সাথে كرم الله وجهه (আল্লাহ পাক উনার চেহারা মুবারককে বিশেষভাবে উজ্জল করুন) বলার কারণ ও ইতিহাস কি?

জাওয়াব: ৭২টি বাতিল গুমরাহ জাহান্নামী ফিরক্বার মধ্যে অন্যতম খারিজীরা হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলো। ওরা উনাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য উনার নাম মুবারক-এর সাথে سود الله وجهه (অর্থাৎ আল্লাহ পাক উনার চেহারা মুবারককে কালিমাময় করে দিন) বলতো। নাঊযুবিল্লাহ!

খারিজীদের এই ঘৃণ্য ও অন্যায় অপবাদের প্রতিবাদে তাবিয়ী খলীফা হযরত উমর ইবনে আব্দুল আযীয রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার খিলাফত আমলে তিনি নিজেই হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নাম মুবারক-এর সাথে কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ বলা বাধ্যতামূলক করে দেন। তখন থেকে উনার নাম মুবারক এভাবে পাঠ হয়ে আসতেছে যে, সাইয়্যিদুনা হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। (তারিখুত ত্ববারী)

সুওয়াল-জাওয়াব বিভাগ

সুওয়াল-জাওয়াব বিভাগ

সুওয়াল: যামানার তাজদীদী মুখপত্র মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ উনার মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া ছিল না। কিন্তু কয়েকদিন পূর্বে আমাদের এলাকায় এক ওয়াজ মাহফিলে জনৈক বক্তা তার বক্তব্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া না থাকার বিষয়টিকে অস্বীকার করে এবং বলে যে, “ছায়া ছিলনা” সম্পর্কিত বর্ণনাসমূহ নাকি মিথ্যা ও বানোয়াট। নাউযুবিল্লাহ! এখন জানার বিষয় হচ্ছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া না থাকার বিষয়টি যারা অস্বীকার করবে তাদের ব্যাপারে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার কি ফায়ছালা? আর ছায়া ছিল না সংক্রান্ত বর্ণনাসমূহ কোন পর্যায়ের? বিস্তারিতভাবে দলীলসহকার জানিয়ে বাধিত করবেন।

সুওয়াল: কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হওয়াকে কেউ কেউ ফরয বলেন, কেউ কেউ সুন্নত বলেন, আবার অনেককে মুস্তাহাব বলতেও শোনা যায়। প্রকৃতপক্ষে কোনটি সঠিক? দলীল সহকারে জানিয়ে বাধিত করবেন।

সুওয়াল: আপনারাই কেবল বলেন যে, ক্বলবী যিকির করা ফরয। এছাড়া কোন ইমাম, খতীব, ওয়ায়িয, মাওলানা, মুফতী, মুহাদ্দিছ, মুফাসসিরে কুরআন তাদের কাউকে তো ক্বলবী যিকির ফরয বলতে শোনা যায় না। যার কারণে তারা নিজেরা যেমন ক্বলবী যিকির করে না তদ্রƒপ তাদের যারা অনুসারী সাধারণ মুসলমান ও মুছল্লীবৃন্দ তারাও ক্বলবী যিকির সম্পর্কে জানে না এবং ক্বলবী যিকির করেও না। এক্ষেত্রে ক্বলবী যিকির যারা করছে না, তাদের আমলের কোন ত্রুটি বা ক্ষতি হবে কিনা? দলীলসহ জানতে ইচ্ছুক।