হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মকবুলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ রহেন উজ্জ্বলে-১৬৭

সংখ্যা: ২৮৪তম সংখ্যা | বিভাগ:

ওই মহাপবিত্র কুরবানী ঈদে কুরবানী নিয়ে মোরা,

রহি গোটা মুসলিম আত্মত্যাগের সর্বশৃঙ্গে পুরা।

খ্বলিক  মালিক আল্লাহ পাক তিনি করে দিয়ে ইহসান,

দেন জারি করে মুসলিম মাঝে, মহামতি কুরবান।

করেন বেমিছাল সব ফযীলত দিয়ে, রঞ্জিত যিলহজ্জ,

দেন হজ্জ ও সওম কুরবানীতেই তোহফায়ে অগ্রজ।

রহে পবিত্র ওই কুরবানীতেই ইখলাছ আজমতে,

রব ও রসূলী, রেজা বেশ রয়, অনন্ত নিছবতে।

লই মুসলিম মোরা কুরবানীতেই জজবাহী ইনআম,

লই সুন্নাহি শান আহকামে দ্বীন আকবরী আঞ্জাম।

ওই খ্বলিক মালিক রব্বি রেজায় আমরা মুসলমান,

ঐক্যতানেই মজবতু রহি, জান করি কুরবান।

তামাম বাতিল, বিদয়াত শিরিক, করতে বিরান ধরায়,

মোরা কুরবানীতেই, নিচ্ছি শপথ, সুন্নতি কায়দায়।

চায়, পবিত্র এই নিছবত হতে, মুসলিমকে মাহরূম,

রয় কুখ্যাত ওই তাগুতবাদীরা হরদমে অরঘুম।

কুরবানীসহ সকল কুলেই খাছ সুন্নতি তরীক্বায়,

মোরা আমল সকল রাখবোই জারি ইসলামী নকশায়।

নাহি ব্যাত্তয় রহি নিশ্চয় অটল সবল মজবুতে,

রহি নিখুত নিয়তে, শুদ্ধ খাতেই অনাবিল হুরমতে।

শুনি চৌদ্দশ তেতাল্লিশ হিজরী আকাশে তুমুল বজ্রাওয়াজ,

এতে পুরো বিশ্বের মুসলিম হতে ভাগতেছে বেলাহাজ।

হেরী হলেন প্রকাশ, গুড়েই বেফাশ, আমীরুল মু’মিনীন,

হয়ে খলীফায়ে আসসাফফাহ যে তিনি, নাশেন মুজরিমীন।

বেমিছাল রব ও রসূলী খলীফা তিনি, অধুনা জগতময়,

স্বয়ং দ্বীন ইসলামী হয়ে কান্ডারী, তাশরীফ নিশ্চয়।

উদয়, উসীলা উনার, জগতে আবার সুন্নতী শামসুন,

নববী নকশায় মিলছে পুরোয়, হক্ব রাহে হুসনুন।

মোরা আমীরুল মু’মিনীন, খলীফায়ে আসসাফফাহী নির্দেশে,

রহি কুরবানী সহ সকল কুলেই মকবুলী উচ্ছাসে।

মুবারক নববী নূরেই নূরায়িত থেকে কায়িনাতে অবিরাম,

মোরা কুরআনী কানুন, সুন্নাহী শানে, পৌঁছাই পয়গাম।

কোনক্রমেই তাগুতী হুমকি, কেয়ার না করি মোরা,

রহি ইমামুল উমাম মামদূহ মোহেই, সকলে আরম্বরা।

এক যারররাও মোরা  সুন্নাহ হতেই, কভুনা হটবো পিছে,

খলীফায়ে আসসাফফাহী জোশে তাগুত করছি মিছে।

তিনি পাক হাবীবী নকশী কায়া রব্বানী রায়হান,

তিনি হুব্বে হাক্বীক্বী কান্ডারী চাঁদ আজমতে আবাদান।

তিনি হাবীবী খোদায় ইশকে উজার, হামিশাতে মজবুত,

তিনি সূক্ষ্মাতি সূক্ষ্ম ইত্তিবাতেই দেন তাড়িয়ে ফুরসুত।

দেন যিলহজ্জ উনার দশম একাদশ দ্বাদশেই কুরবানী,

এবারও পনেরশত পশু কুরবানী জজবাহে দেন তিনি।

আজ বিশ্বব্যাপী দেখান বিরল, কুরবানী কাকে বলে,

দেখান, খোদায়ী খাছ হক্বেই উজাড় সাফফাহী উজ্জলে।

ফের পাক হাবীবী পক্ষ থেকে কুরবানী দেন বেশি,

দেন কুরবানী সবচেয়ে বড় গরু ও মহিষ খাসি।

ওই হুব্বে রসূল সাফফাহী মূল, দেখে লও বাস্তব,

ওরে লওরে দুনিয়ার মুসলমানেরা সুন্নতী মতলব।

হায় অধুনা ওই করোনা নামক ভাইরাসী দংশনে,

রহে কুপোকাত, ইবলীসি জাত, পৃথিবীর পুরো প্রাঙ্গণে।

ইমামুল উমাম, বলেন তামাম শুনো সবে কান খুলে,

ছোঁয়াচে রোগ, রহেনারে যোগ, অসুস্থার কোন মূলে।

ওই ইহুদী নাছারা মুশরিক সহ নাস্তিক মুরতাদ,

ফের, উলামায়ে ছু মালানার দল রহে সদা বরবাদ।

ওদের তাবেদারী সবে, ওদের গোত্র ইসলামী ফরমান,

করোনা নামক খোদায়ী গজবে তারা রহে গ্রেফতান।

এলেন মাহে মুহররম, বড় মুকাররম, ইহসানে ভরপুর,

ইতিহাস আশূরা মিনাল মুহররমে রহে বরণীয় বিস্তুর।

ফের কারবালারই হৃদয় বিদারক শোকাবহ কাহিনায়,

দশই মুহররম জাগ্রত আজো দায়িমান আশূরায়।

এলেন মাহে আজমত, নিয়ে শরাফত, রবীউল আউওয়াল,

সাইয়্যিদু সাইয়্যিদুল আ’দাদ শরীফ এ মাহেই বালাগাল।

উহাই সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, ঈদে আকবর পাক হাবীব

মহাসমারোহে ধরাতেই বহে এই মাহীনার খোশ নছীব।

ওই আক্বীদা আমল শুদ্ধ কর হে মুসলিম আমরণ,

রহ খলীফায়ে আসসাফফাহী নূরে হক্ব রাহে সযতন।

তিনি আহলে বাইতী শামসী শীরে কিস্তি যে ইরহাম,

তিনি ইমামুল উমাম ইরশাদে দ্বীন নকশায় মুজাসসাম।

দেখ দেখ, ওই তাগুত ছাগেরা জ্বলে পুড়ে ছারখার,

ইমামুল উমামী দূর্বারী রোবে, দূরে রহে দূরাচার।

আমরা তামাম মুসলিম মিলে, সুন্নী হিলালী তলে,

খলীফায়ে আসসাফফাহী নীড়ে, রইবো সদলবলে।

আমরা মু’মিন আপোষহীন, সত্য যে কহিবার,

মোরা ইমামুল উমামী বীর সৈনিক দায়িমীতে দূর্বার।

মোরা যাহির বাতিন সর্বদিকেই, মামদূহী নির্দেশ,

আমরণ সবে করছি পালন ছেড়ে দিয়ে লগজেশ।

-বিশ্বকবি মুহম্মদ মুফাজ্জলুর রহমান।

হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মকবুলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ রহেন উজ্জ্বলে-১৬৩

হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মকবুলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ রহেন উজ্জ্বলে-১৬৪

হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মকবুলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ রহেন উজ্জ্বলে-১৬৫

হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মকবুলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ রহেন উজ্জ্বলে-১৬৬

হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মকবুলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ রহেন উজ্জ্বলে-১৬৮