প্রত্যেককেই আল্লাহ্ পাক উনার হাক্বীক্বী গোলাম হওয়ার জন্যে কোশেশ করা কর্তব্য। কেননা প্রত্যেকের মূল কাজ হচ্ছে আল্লাহ্ পাক উনার হাক্বীক্বী গোলাম বা আবদ হওয়া। হাক্বীক্বী আবদ বা গোলাম হওয়ার মধ্যেই বান্দার কামিয়াবী এছাড়া কোন কামিয়াবী নেই।
ইমামুল আইম্মা, মুহইস্ সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুযাদ্দিদুয্ যামান, আওলার্দু রসূল, ঢাকা রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহিব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর সাপ্তাহিক মজলিশে আলোচনাকালে একথা বলেন।
তিনি বলেন, আবদ বা গোলাম হওয়ার পর-এর উপর ইস্তিকামত থাকাই বান্দার কাজ। কারণ ইস্তিকামত থাকতে না পারলে বিচ্যূতি অবশ্যম্ভাবী।
তাসাউফের আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাসাউফের একটি উছূল রয়েছে, সেটা হচ্ছে প্রত্যেক মুরিদের উচিত প্রতিবেশী হলে পাঁচ বার স্বীয় পীর ছাহেবের সাথে দেখা করা, আরেকটু দূরে হলে কম পক্ষে দিনে একবার, আরো বেশী দূরে হলে অন্তত সপ্তাহে একবার, অন্য জেলায় হলে কম পক্ষে প্রতি মাসে একবার, দেশের শেষ প্রান্তে হলে তিন মাসে এক বার, অন্য দেশে হলে অন্তত ছয় মাসে একবার, আরো দূর দেশে হলে কমপক্ষে বৎসরে একবার স্বীয় শায়খ বা পীর ছাহেবের ছোহ্বতে আসা মুরিদের জন্যে অবশ্য কর্তব্য।
তিনি বলেন, শুধু যিকির করলেই হবেনা। ইছলাহ্র জন্য ও পূর্ণতার জন্য প্রতিটি মুরীদের জন্য উচিৎ স্বীয় পীর ছাহেবের ছোহ্বত ইখতিয়ার করা।
সারাদেশ ব্যাপী আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর কার্যক্রমকে আরো জোরদার করার প্রতি গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বেশী বেশী আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর মজলিশ করে সঠিক ইসলামী জ্ঞান মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। এতে মানুষের ঈমানের হিফাযত হবে এবং আক্বীদা বিশুদ্ধ হবে।
উল্লেখ্য, ২২ ডিসেম্বর, রোজ শনিবার, বাদ মাগরিব মুন্সিগঞ্জ জেলা আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর উদ্যোগে মুন্সিগঞ্জ ল’কলেজ সংলগ্ন বালুর মাঠে ওয়াজ ও দোয়ার মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে মূল্যবান নছীহত পেশ করেন ঢাকা রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহিব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী। এছাড়াও দেশ বরেন্য ওলামা-ই-কিরামগণ উক্ত মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন।
আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ও মাহফিল সংবাদ
আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ও মাহফিল সংবাদ
আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ও মাহফিল সংবাদ