আল বাইয়্যিনাত প্রতিবেদনঃ আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবিয়্যীন, নূরে মুজাস্সাম, রহমতুল্লীল আলামীন, হাবীবুল্লাহ, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি হুসনেযন (সু-ধারণা), মুহব্বত ও ইত্তেবাই নাযাতের কারণ।
ইমামুল আইম্মা, মুহইস্ সুন্নাহ্, মুযাদ্দিদুয্ যামান, আওলাদুর রসূল, ঢাকা রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দাজিল্লুহুল আলী আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর সাপ্তাহিক মজলিশে আলোচনাকালে একথা বলেন।
তিনি বলেন, মানুষ, মানুষের কথাকে গ্রহণ বা বর্জন করতে পারে কিন্তু আল্লাহ্ পাক-এর রসূল হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কথাকে বর্জন করার অধিকার কারো নেই। অতএব, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কথাকে মান্য করে আল্লাহ্ পাক ও তাঁর রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর রেজামন্দী হাছিলের জন্যে প্রত্যেককে কোশেশ করতে হবে।
তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবিয়্যীন, নূরে মুজাস্সাম, হুব্বুল আউওয়ালীন ওয়াল আখিরীন, হাবীবুল্লাহ্ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর শরীর মুবারকের প্রতিটি জিনিসই পবিত্র থেকে পবিত্রতম। তার পেশাব-পায়খানা মুবারক পান করা জান্নাতী হওয়ার কারণ। ছিনা মুবারক চাক করে সেখান থেকে ফেলে দেয়ার মত কিছুই ছিলনা।
তিনি বলেন, ঈদ-ই-মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা অসীম ফযীলত ও নাযাতের কারণ। কিন্তু এ ঈদকে লাহাবী উৎসব বলা কাট্টা কুফরী। এ ঈদকে মূলতঃ ওহাবী, খারিজী, বিদ্য়াতী, হদস, মাহিউদ্দীন, ফযলূ ইত্যকার লাহাবী গংরাই লাহাবী উৎসব বলার মত কুফরী করতে পারে। এদের থেকে হিফাযত থাকার জন্যে আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাতের মাধ্যমে মাসিক আল বাইয়্যিনাত আলোচনা করে পড়তে হবে। কেননা মাসিক আল বাইয়্যিনাত পত্রিকায় হক্ব প্রকাশের পাশাপাশি বাতিল ফিরক্বাগুলোকেও চিহ্নিত করা হয়। এদের মুখোশ উম্মোচন করা হয়, যাতে আওয়ামুন নাস বাতিল ফিরক্বা হতে হিফাজত হতে পারে। তাই এসব বাতিল ও কুফরী আক্বীদা থেকে আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাতের কর্মীরা নিজেরা যেমন হিফাযত হতে পারবে তেমনি যারা আঞ্জুমানের মজলিশে অংশগ্রহণ করবে এবং এ পত্রিকা পাঠ করবে বা শুনবে তারাও হিফাযত হতে পারবে।
আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ও মাহফিল সংবাদ
আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ও মাহফিল সংবাদ