আল বাইয়্যিনাত প্রতিবেদনঃ আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর মজলিশ আল্লাহ পাক হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং আল্লাহ ওয়ালাগণের মুহব্বত হাসিলের মজলিশ। প্রকৃত পক্ষে এ মজলিশ গুলো হচ্ছে ইসলামের সঠিক ইলম মানুষকে জানিয়ে দেয়ার মজলিশ, এ মজলিশের মাধ্যমে সঠিক উলিল আমর সম্পর্কেও জানিয়ে দেরা হয়। ইমামুল আইম্মা, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুযাদ্দিদে যামান, আওলাদে রসূল, ঢাকা রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর সাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী কেন্দ্রীয় আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাতের সাপ্তাহিক মজলিশে আলোচনাকালে একথা বলেন। তিনি বলেন, কিয়ামত পর্যন্ত যদি কেউ মনগড়া আমল করে তাহলে সে আল্লাহ্ পাক ও হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সন্তুষ্টিতো পাবেই না বরং সে জাহান্নামের ইন্ধন হবে। পক্ষান্তরে কেউ যদি নিয়ম মাফিক সুন্নতানুযায়ী অল্প আমলও করে তবুও সে আল্লাহ্ পাক ও হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মুহব্বত-মারিফত ও সন্তুষ্টি হাসিল করতে পারবে। তিনি বলেন, প্রতিটি আমলই সুন্নত মুয়াফিক হতে হবে, সুন্নতের খিলাফ আমল করলে সে উম্মতে মুহম্মদি থেকে খারিজ হয়ে জাহান্নামী হয়ে যাবে, আর এ জন্যেই আল বাইয়্যিনাত বেশী বেশী পড়ে সুন্নত সমূহ জানার কোশেশ করতে হবে। তিনি বলেন, দ্বীনি সহীহ্ সমঝ শুধু কিতাব পড়েই হাসিল করা যায়না, সেটা আল্লাহ পাক-এর খাস রহমতে হাসিল হয়ে থাকে, আর মাসিক আল বাইয়্যিনাত পড়ার মধ্য দিয়ে এ রহমত হাসিল করা সম্ভব, যার দ্বারা দ্বীনি সহীহ্ সমঝ হাসিল হবে, ইলম হাসিল হবে, এজন্যে প্রত্যেক ঘরে, ঘরে, এলাকায়, মহল্লায় তথা সর্বত্র আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত গঠন করে মাসিক আল বাইয়ি্যনাত-এর ব্যাপক প্রচার-প্রসার করতে হবে, যাতে সকলেরই হাক্বীক্বী দ্বীনি সমঝ হাসিল হয়। আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাতের কাজের প্রতি গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, যে আঞ্জুমানে আল যাইয়্যিনাত-এর কাজ করবে সে তার ফায়দা পাবে, আর যে গাফলতি করে আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাতের কাজ করবেনা তাকে তার জন্যে জবাবদিহি করতে হবে। তিনি মাসিক আল বাইয়্যিনাত ও আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত সংশ্লিষ্ট সকলের জন্যে মকবুল হওয়ার দোয়া করে বিশেষ মুনাজাত করেন।
মাহফিল ও আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত সংবাদ
ছাত্র আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর উদ্যোগে- আলোচনা সভা ও ইফতার মাহ্ফিল